ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ কর্মকর্তাকে বিশেষ নির্দেশনা


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ কর্মকর্তাকে বিশেষ নির্দেশনা

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ কর্মকর্তাকে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে, যা প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণের জন্য।

এই নির্দেশনা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আগস্ট মাসের মাসিক সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জারি করা হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত অফিস আদেশে কর্মকর্তাদের নামের পাশে নির্ধারিত উপজেলা বা থানার তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, কর্মকর্তাদের আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন সম্পন্ন করে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এছাড়া, মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিচালকসহ অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দেশের যেকোনো উপজেলা পরিদর্শন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্দিষ্ট উপজেলা ও থানায় পাঠানোর জন্যও তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকায় জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহসহ দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের কর্মস্থল ত্যাগের আগে নিজ নিজ বিভাগের পরিচালকের পূর্বানুমতি গ্রহণ করতে হবে। পরিচালকরা তাদের আওতাধীন কর্মকর্তাদের পর্যায়ক্রমে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনের জন্য কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি প্রদান করবেন।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, উপবৃত্তি বিভাগের কর্মকর্তারা নির্ধারিত ট্যুর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের নামের পাশে উল্লেখিত উপজেলা বা থানার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি শহর ও দুটি গ্রাম থেকে বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সরেজমিনে দুই দিন অবস্থান করে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্ধারিত উপজেলা বা থানার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হবে।

এর মধ্যে একটি শহর ও একটি গ্রামীণ বিদ্যালয় বিক্ষিপ্ত নমুনায়নের ভিত্তিতে নির্বাচন করে সরেজমিনে এক দিন অবস্থান করে পরিদর্শন, পর্যালোচনা ও পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে নির্ধারিত ছকে বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে পরিদর্শন সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগে জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

প্রতিবেদন দাখিলের প্রমাণক কপি টিএ/ডিএ বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, কর্মকর্তারা নিজ নিজ বেতন খাত থেকে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী টিএ/ডিএ প্রাপ্য হবেন। অধিদপ্তরে সংযুক্তিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের টিএ/ডিএ বিল মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. মাসুদ হোসেন সোমবার (৫ অক্টোবর) অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। সূত্র: বাসস

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব সংস্করণের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত কৌর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


সব সংস্করণের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত কৌর

ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের দীর্ঘদিনের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর সব সংস্করণের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বিবৃতির মাধ্যমে তিনি জানান, অধিনায়ক হিসেবে দলের জন্য তিনি যথাসাধ্য দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন তিনি আবার শুধুমাত্র ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা থেকে খেলায় মনোযোগ দিতে চান।

গুয়াহাটিতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) পর্যালোচনা বৈঠকের পর হারমানপ্রীতের নেতৃত্ব ছাড়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বৈঠকে ভারতীয় নারী দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া, সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা এবং প্রধান কোচ আমোল মুজুমদার।

২০১২ সালে গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথমবার ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দেন হারমানপ্রীত। ২০১৬ সালে তিনি টি-টোয়েন্টি দলের পূর্ণকালীন অধিনায়ক হন। মিতালি রাজের অবসর নেওয়ার পর ২০২২ সালে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বও পান তিনি। এরপর ২০২৩ সালে তিন সংস্করণেই ভারতের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব তার কাঁধে উঠে।

অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হারমানপ্রীত লেখেন, "আজ আমি সব ফরম্যাটে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।"

নিজের সিদ্ধান্তকে কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, অধিনায়কত্বের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু বছরের স্মৃতি, আবেগ, ত্যাগ এবং এমন অনেক মুহূর্ত, যা সারা জীবন তার সঙ্গে থাকবে।

হারমানপ্রীত বলেন, ভারতীয় নারী ক্রিকেট ও দলের জন্য তিনি নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছেন। দলের স্বার্থে অনেক সময় নিজের পারফরম্যান্স, উন্নতি ও ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষাকেও পাশে সরিয়ে রাখতে হয়েছে।

অধিনায়ক হিসেবে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলেও জানান তিনি। সব সিদ্ধান্ত সবাই বুঝতে পারেননি এবং কিছু সিদ্ধান্তের ব্যক্তিগত মূল্যও দিতে হয়েছে। তবে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে দলের স্বার্থই প্রধান ছিল বলে জানান হারমানপ্রীত।

তিনি বলেন, "আমার মনে হচ্ছে, আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি। আমি এই দলকে আমার সবটুকু দিয়েছি এবং গর্বের সঙ্গে দায়িত্বটি বহন করেছি। ভারতীয় নারী ক্রিকেটের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাওয়ার জন্য আমি সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব।"

অধিনায়কত্ব ছাড়লেও ভারতীয় দলের হয়ে খেলতে থাকবেন হারমানপ্রীত। নেতৃত্বের চাপ থেকে সরে এবার ব্যাটিং ও ক্রিকেটের প্রতি নিজের ভালোবাসার দিকেই আরও বেশি মনোযোগ দিতে চান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা সার কারখানায় ৮ মাস পর উৎপাদন শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


যমুনা সার কারখানায় ৮ মাস পর উৎপাদন শুরু

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন আবার শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টা ১০ মিনিটে এই সার কারখানা উৎপাদনে ফিরে আসে। গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘ আট মাস ধরে কারখানাটিতে সার উৎপাদন বন্ধ ছিল।

কারখানা সূত্রে জানা যায়, ১৯৯০ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সার কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই কারখানায় যমুনা সার উৎপাদন অব্যাহত ছিল। কিন্তু গত কয়েক বছরে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস সরবরাহের অভাবে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি কারখানাটির গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয়। এর ফলে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া সার উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়। এতে শ্রমিকদের কর্মহীন হয়ে পড়তে হয়।

গত বছর ২৩ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হলেও অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ৫ জানুয়ারি রাত থেকে আবার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

সর্বশেষ ১৫ জানুয়ারি গ্যাস সংকটের কারণে যমুনা সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে দীর্ঘ আট মাস পর মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত ৩টা ১০ মিনিটে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম যমুনা সার কারখানাটি ফের উৎপাদনে যায়।

জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলায় প্রায় আড়াই হাজার সার ডিলারের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ করা হয়।

যদি উৎপাদন অব্যাহত থাকে, তবে দেশের ১৯ জেলায় সার সরবরাহ সম্ভব হবে। ফলে সার সংকট অনেকটাই কমে আসবে।

এ ব্যাপারে কারখানার উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন জানান, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে দেশের অন্যতম বৃহৎ যমুনা সার কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ ছিল। তবে গ্যাস সরবরাহ থাকায় মঙ্গলবার রাত থেকে ফের উৎপাদন শুরু হয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন জেলায় সার সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল হলে দাম কমানোর চিন্তা করবে সরকার: জাহেদ উর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল হলে দাম কমানোর চিন্তা করবে সরকার: জাহেদ উর রহমান

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম যদি কমে স্থিতিশীল অবস্থায় আসে, তাহলে দেশের তেলের দাম কমানোর বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে, কিন্তু এই পতন কতটা টেকসই হবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। কারণ, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল রয়েছে। তবে, যদি তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হয়, তাহলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি উল্লেখ করে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, যখন তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি ছিল, তখন দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। বর্তমানে তা কমে এসেছে। এ অবস্থায় দেশের বাজারে তেলের দাম কত দ্রুত সমন্বয় করা হবে?

জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম সরকার যে দরে সমন্বয় করেছিল, তার তুলনায় বর্তমানে দাম কিছুটা কমেছে। তবে দাম কমানোর পেছনের কারণটিও বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যেদিন আমরা তেলের মূল্য বাড়ালাম, সেদিন নিউজ কি হয়েছিল? তেলের মূল্য কমছে। ওইদিনই তেলের মূল্য কিছুটা কমেছিল। মজার ব্যাপার, তিন-চার দিন পর আবার তেলের মূল্য বেড়ে ১০৬-১০৭ ডলারে চলে গেছে।

তেলের বর্তমান দর কমার কারণ হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একটি ডেটা পেয়েছি, কিন্তু ডেটার কারণটা যদি খুঁজি, আপনারা খুঁজলেই দেখবেন ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে একটি বড় রিজার্ভ বাজারে ছেড়েছে।

তেলের দাম বর্তমান পর্যায়ে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বর্তমান বাজারদরকে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল দাম হিসেবে ধরে নেওয়া কঠিন। তবে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, তেলের মূল্য মোটামুটি একটি স্টেবল অবস্থায় রয়েছে এবং যদি কমমূল্যে স্থিতাবস্থায় থাকে, তখন অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে।

তিনি জানান, জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক বিদ্যমান। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। এতে কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই যে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইনভেস্টমেন্ট কম হচ্ছে, এর প্রধান সাফারার তো জনগণ এবং জনগণ মানে সরকার।

তিনি বলেন, একটি দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কমে যায়। এতে মানুষ চাকরি হারাতে পারে, নতুন চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতনও বাড়ে না। ফলে বিষয়টি সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয়, আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব।

সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সেন্টমার্টিনের পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশ নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতার বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন করবে, বাংলাদেশ করবে নাকি অন্য কোনো দেশ করবে, এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের বিষয়টিও যুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।

চীনের সহযোগিতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান হয়েছে। তবে প্রকল্প শেষ পর্যন্ত কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সেন্টমার্টিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা জরুরি।

এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে আবেগঘন বার্তা, বিশেষ মুহূর্তগুলো মিস করবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে আবেগঘন বার্তা, বিশেষ মুহূর্তগুলো মিস করবেন

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলার আগে আবেগময় বার্তা প্রদান করেছেন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচের ২৪ ঘণ্টারও কম সময় আগে অনুশীলন সেশনের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে রোজারিওর এই ফুটবল জাদুকর তার অনুভূতি প্রকাশ করেন।

অনুশীলন শেষ করার পর মেসি লিখেছেন, "বিশেষ কিছু মুহূর্ত, যা আমি জানি যে আমি মিস করব।" তার এই বার্তায় আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ের আবেগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এজাইজা অনুশীলন কমপ্লেক্সে জাতীয় দলের হয়ে মেসি তার শেষ অনুশীলন সেশন সম্পন্ন করেন। সেশন শেষে তিনি দলের সঙ্গে রাতের খাবার গ্রহণ করেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিতে সতীর্থদের সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় দেখা যায় মেসিকে। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে পুরো দলের একটি ছবি। সেখানে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, মাঠকর্মী, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) কর্মী এবং সভাপতি ক্লদিও তাপিয়াকেও দেখা যায়।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টায় মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। ম্যাচটি মেসির জাতীয় দলের জার্সিতে বিদায়ী ম্যাচ হওয়ায় এরই মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আবেগ ও উত্তেজনা।

শুধু মেসিই নন, আর্জেন্টিনা দলে রয়েছেন আরও কয়েকজন অভিজ্ঞ তারকা, যাদের ভবিষ্যৎ নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। তাদের মধ্যে নিকোলাস ওতামেন্দি ইতোমধ্যে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। দলে রয়েছেন রদ্রিগো দে পল ও জিওভানি লো সেলসোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রাও।

বেনিনের বিপক্ষে মেসি ও অন্যান্য অভিজ্ঞদের মাঠে কতটা সময় দেখা যাবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তবে কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি না হলে মেসিকে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে মনুমেন্টালে তৈরি হয়েছে অন্যরকম আবেগ। বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা সহ অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী সেই জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামতে যাচ্ছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই তারকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%