বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২২ পি.এম
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন মন্তব্য করেছেন যে, যুবদলকে ককটেল বা সহিংসতার ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি কোনো পক্ষ দেশে নতুন করে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করে, তাহলে রাজপথে তাদের প্রতিহত করা হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
নয়ন আরও বলেন, একসময় পল্টন ময়দানে পুলিশ সারাদিন যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, গুলি করতে করতে একপর্যায়ে পুলিশের গুলি শেষ হয়ে গেলে যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশ সদস্যদের হাত উঁচু করে ব্যারাকে পাঠিয়ে দিয়েছিল।
সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ককটেল নিক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে নয়ন বলেন, "ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলকে ককটেলের ভয় দেখাবেন না। ঢাকা মহানগর যুবদল কামান ফেস করে এসেছে, চায়না রাইফেল ফেস করে এসেছে, একে-৪৭ রাইফেলের গুলি ফেস করে এসেছে।"
তিনি যোগ করেন, যুবদল শৃঙ্খলা বজায় রেখেই তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে, যুবদলের দিকে চোখ রাঙানো কিংবা রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করা হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
নয়ন মন্তব্য করেন, অতীতে যেভাবে স্বৈরাচারের পতন ঘটানো হয়েছে, তেমনিভাবে নতুন করে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তারা জনরোষের মুখে পড়বে।
অতীতের রাজনৈতিক সংঘাত ও প্রতিরোধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে নয়ন বলেন, পল্টন ময়দানে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পিছু হটেননি। তিনি নেতাকর্মীদের রাজপথে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যাতে দেশে কোনো মহল অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে না পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হঠাৎ বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হলে এটি অবহেলা করার মতো বিষয় নয়। এটি হৃদরোগের বিভিন্ন সমস্যা নির্দেশ করতে পারে, যার মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি বুকে ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, অথবা ব্যথা হাত, পিঠ, ঘাড়, চোয়াল বা পেটের দিকে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
বিশেষ করে যদি পূর্বে হৃদরোগের ইতিহাস থাকে, তাহলে জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বাড়িতে একা অবস্থায় হঠাৎ এমন লক্ষণ দেখা দিলে কীভাবে পদক্ষেপ নেবেন?
১. দ্রুত কাছের কাউকে জানান
বুকে হঠাৎ ব্যথা বা চাপ অনুভব করলে প্রথমে কাছের কোনো ব্যক্তিকে ফোন করুন, যিনি দ্রুত আপনার কাছে পৌঁছাতে পারবেন। একই সঙ্গে জরুরি চিকিৎসাসেবায় ফোন করে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করতে হবে।
হৃদ্রোগে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহ হলে নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা না করে জরুরি চিকিৎসাসেবার সাহায্য নেওয়া নিরাপদ। হঠাৎ বা অজানা বুকে ব্যথা যদি কয়েক মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
২. দরজা-জানালা খুলে সাহায্যের অপেক্ষা করুন
একা থাকলে সম্ভব হলে ঘরের দরজা এমনভাবে খুলে রাখুন, যাতে সাহায্য করতে আসা ব্যক্তি দ্রুত ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন। জানালা-দরজা খুলে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
তবে অযথা হাঁটাহাঁটি বা শারীরিক পরিশ্রম না করে নিরাপদ স্থানে থেকে সাহায্যের অপেক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।
৩. নিরাপদ অবস্থানে থাকুন
মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগলে পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে নিরাপদ স্থানে বসে বা শুয়ে থাকুন। নিজের অবস্থার অবনতি হলে একা উঠে হাঁটাচলা না করে সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করুন।
বুকে ব্যথা হলে কী কারণে হচ্ছে তা নিশ্চিত করার চেষ্টা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। কারণ হৃদ্রোগের ব্যথা ও অন্যান্য ধরনের বুকে ব্যথার পার্থক্য সবসময় সহজে বোঝা যায় না।
অ্যাসপিরিন কি খাওয়া যাবে?
প্রাথমিক চিকিৎসার বর্তমান নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির অজানা কারণে বুকে ব্যথা হলে জরুরি চিকিৎসাসেবায় যোগাযোগ করার পর, ব্যক্তি সচেতন থাকলে এবং অ্যাসপিরিনে অ্যালার্জি না থাকলে ১৬২ থেকে ৩২৫ মিলিগ্রাম অ্যাসপিরিন চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে। তবে আগে থেকেই কোনো চিকিৎসক অ্যাসপিরিন না খেতে বললে তা নেওয়া উচিত নয়। অ্যাসপিরিন নেওয়ার বিষয়ে সন্দেহ থাকলেও জরুরি চিকিৎসাসেবার কর্মীদের পরামর্শের জন্য অপেক্ষা করা নিরাপদ।
অ্যাসপিরিন খাওয়ার জন্য কখনোই জরুরি চিকিৎসা নেওয়া বা অ্যাম্বুল্যান্স ডাকতে দেরি করা উচিত নয়।
বুকে ব্যথা হলেই অপেক্ষা করবেন না
বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা কিংবা শরীরের অন্য অংশে ব্যথা হলে বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে নারী, বয়স্ক ব্যক্তি ও ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের হৃদ্রোগের লক্ষণ তুলনামূলক অস্পষ্ট হতে পারে।
সুতরাং, বাড়িতে একা থাকলেও হঠাৎ বুকে ব্যথা বা হৃদ্রোগের সন্দেহজনক কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের স্প্যাংডাহলেম বিমানঘাঁটিতে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার প্রশিক্ষণ মহড়ার সময় অবতরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় বিমানটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। তবে দুর্ঘটনার আগে পাইলট নিরাপদে বিমান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, দুর্ঘটনার পর পাইলটকে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তবে তার শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
একটি বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী উল্লেখ করে, এফ-১৬ যুদ্ধবিমানটির বিধ্বস্ত হওয়ার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা কাজ করছেন।
জার্মানির বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় চারটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ মহড়ায় অংশগ্রহণ করছিল। এর মধ্যে দুটি বিমান প্রশিক্ষণ এলাকায় অবস্থান করছিল, অন্য দুটি বিমান স্প্যাংডাহলেম বিমানঘাঁটির দিকে ফিরছিল।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ঘাঁটিতে অবতরণের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় একটি এফ-১৬ বিধ্বস্ত হয়। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য যুদ্ধবিমানগুলো নিরাপদে যুক্তরাষ্ট্রের রামস্টেইন বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছেন জার্মান কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একটি বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার লচনা এলাকায় সাতগাঁও হাইওয়ে থানার সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন—শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভৈরবগঞ্জ বাজারের মাজদিহি এলাকার অমৃত সিংয়ের ছেলে জয় সিং (২৩)। নিহত অপর দুই পুরুষের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের মিরপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া ‘আলম এশিয়া’ পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস এবং একটি অটোরিকশা লচনা এলাকায় পৌঁছালে বাসটি অটোরিকশাটিকে সজোরে চাপা দেয়। এতে সিএনজির ভেতরে থাকা তিনজন যাত্রী চাপা পড়েন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাভীদ রাইয়ান বিন শহিদ জানান, রাত ৯টার দিকে তিনজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাদের মৃত্যু হয় বলে তিনি জানান।
শ্রীমঙ্গল সাতগাঁও হাইওয়ে থানার ওসি মামুনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তার পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। বাকি দুজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, লাশগুলো বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষ করে আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একসময় চুল পড়া বা টাক পড়াকে বয়স বাড়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হতো। তবে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, অনেক তরুণের ২০-এর কোঠাতেই চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, কপালের দুই পাশ থেকে চুল সরে যাওয়া কিংবা মাথার ওপরের অংশে চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়ার মতো সমস্যা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে জেনেটিক কারণ ছাড়াও মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ভারতের চিকিৎসক রাশি সোনির মতে, তরুণদের চুল পড়ার পেছনে সবসময় একটি নির্দিষ্ট কারণ কাজ করে না। ব্যক্তির জেনেটিক প্রবণতা, মানসিক চাপ, খাদ্যাভ্যাস এবং দৈনন্দিন জীবনযাপন সবকিছুরই প্রভাব থাকতে পারে।
জেনেটিক কারণ
কপালের দুই পাশ থেকে ধীরে ধীরে চুল সরে যাওয়া কিংবা মাথার ওপরের অংশে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া। এটি সাধারণভাবে পুরুষদের বংশগত টাক পড়া হিসেবে পরিচিত। চিকিৎসক রাশি সোনি বলেন, জেনেটিক কারণে কারও চুলের ফলিকল অ্যান্ড্রোজেন হরমোন, বিশেষ করে ডিএইচটির (DHT) প্রতি বেশি সংবেদনশীল হতে পারে। এর ফলে সময়ের সঙ্গে চুলের ফলিকল ছোট হয়ে যায় এবং চুল ধীরে ধীরে পাতলা ও ছোট হতে থাকে।
চুল পড়ার প্রবণতা শুধু মায়ের দিকের পরিবার থেকেই আসে এমন ধারণাও সঠিক নয়। পরিবারের উভয় দিকের জেনেটিক ইতিহাসই এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
অতিরিক্ত মানসিক চাপেও ঝরতে পারে চুল
পরীক্ষার চাপ, কর্মক্ষেত্রের ব্যস্ততা, মানসিক দুশ্চিন্তা, ঘুমের ঘাটতি, দ্রুত ওজন কমানো কিংবা কোনো অসুস্থতার প্রভাবেও অতিরিক্ত চুল পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে টেলোজেন ইফ্লুভিয়াম নামের একটি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সংখ্যক চুল একই সময়ে ঝরে পড়ার পর্যায়ে চলে যায়। অনেক সময় মানসিক চাপ বা অসুস্থতার কয়েক মাস পর চুল পড়া শুরু হয়। ফলে চুল পড়ার সঙ্গে আগের কোনো শারীরিক বা মানসিক চাপের সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা বুঝতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
ক্রিয়েটিন খেলেই কি চুল পড়ে?
জিমে নিয়মিত ব্যায়াম করা তরুণদের মধ্যে ক্রিয়েটিন সাপ্লিমেন্ট নিয়ে চুল পড়ার আশঙ্কা দেখা যায়। তবে চিকিৎসকের মতে, ক্রিয়েটিন সরাসরি চুল পড়ার কারণ এমন নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। ক্রিয়েটিন নিয়ে উদ্বেগের অন্যতম কারণ হলো কিছু গবেষণায় ডিএইচটি মাত্রার পরিবর্তনের বিষয়টি উঠে আসা। তবে কোনো হরমোনের মাত্রা বাড়লেই তা সরাসরি চুল পড়ে যাওয়ার কারণ এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
খাদ্যাভ্যাসেও নজর জরুরি
অপর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ, অতিরিক্ত কড়াকড়ি ডায়েট কিংবা আয়রনসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির ঘাটতির সঙ্গে চুল পড়ার সম্পর্ক থাকতে পারে। পুষ্টির ঘাটতি বা শারীরিক চাপের সময় শরীর প্রয়োজনীয় অঙ্গগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়। এতে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।
তবে চুল পড়া শুরু হলেই নিজের ইচ্ছায় ভিটামিন বা বিভিন্ন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়। চুল পড়ার প্রকৃত কারণ জানতে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০-এর কোঠাতেই চুল পড়া শুরু হলে শুধু বয়স কম এমনটা ভেবে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়। চুল পড়ার ধরন, পারিবারিক ইতিহাস, সাম্প্রতিক মানসিক চাপ, ঘুমের অভ্যাস, ওজনের পরিবর্তন এবং খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।
হঠাৎ করে অতিরিক্ত চুল পড়া, দ্রুত চুল পাতলা হয়ে যাওয়া কিংবা মাথার নির্দিষ্ট অংশে চুলের ঘনত্ব কমে গেলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ