মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:০০ পি.এম
মা হওয়ার পর নিজের চেহারায় আসা পরিবর্তন এবং এ নিয়ে চলা বিভিন্ন আলোচনার প্রেক্ষাপটে বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ খোলামেলা বক্তব্য রেখেছেন।
সম্প্রতি ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মাতৃত্বকালীন ত্বকের যত্ন, নিজের পরিচর্যা এবং সৌন্দর্য সম্পর্কে তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কীভাবে পরিবর্তন এসেছে, সে বিষয়ে তিনি আলোচনা করেন।
মাতৃত্ব কিভাবে তার ত্বক ও শরীরের যত্নের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ক্যাটরিনা জানান, গর্ভাবস্থার পর তার ত্বক অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ফলে কোন প্রসাধন সামগ্রী তার ত্বকের জন্য উপযুক্ত, তা বোঝা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছিল।
প্রসাধন ব্র্যান্ড ‘কে বিউটি’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি জানান, এই সময় তিনি এমন পণ্য খুঁজছিলেন যা ত্বককে প্রশমিত ও পুনরুজ্জীবিত করে। ব্র্যান্ডটির একটি ক্রিমের চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় তিনি লক্ষ্য করেন যে এটি ব্যবহারের পর তার ত্বক অনেক বেশি শান্ত ও সতেজ অনুভব করছে। তাছাড়া, ত্বকের প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর বা ‘স্কিন ব্যারিয়ার’ সুস্থ রাখার ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।
মডেলিং ও অভিনয়ে আসার পর সৌন্দর্যের ধারণা তার কাছে কিভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, সে বিষয়েও তিনি কথা বলেন। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে সৌন্দর্যের মাপকাঠি ও প্রচলিত ধারণাগুলো স্মরণ করে তিনি বলেন, এখন তার কাছে সেরা লুক পাওয়ার মানে হচ্ছে ভেতর থেকে সুস্থ ও ভালো অনুভব করা।
সামগ্রিক সুস্থতার জন্য তিনি কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কথা উল্লেখ করেন—যেমন সুষম ডায়েট অনুসরণ করা, সক্রিয় থাকা, নিয়মিত ধ্যান করা, সকালে এক ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকা এবং দিনের শুরুতে প্রাকৃতিক আলো গ্রহণ করা।
তার মতে, যখন মানুষ ভেতর থেকে সুস্থ অনুভব করে, তখন সেই আত্মবিশ্বাস বাইরেও স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।
ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবার
২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে অভিনেতা ভিকি কৌশলের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ক্যাটরিনা। তারা ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন, তবে মাঝে মাঝে অনুরাগীদের সঙ্গে জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করে নেন।
সম্প্রতি প্রথম সন্তানের মা হওয়ার পর থেকে নিজের শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে এই অভিনেত্রীকে নানা আলোচনা ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে, যার জবাবে ক্যাটরিনার এই সচেতন ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রশংসিত হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি আবারও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে আসলে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতার করা উচিত।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মামদানি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, গ্রেসি ম্যানশনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
মামদানি বলেন, "বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষেত্রে আমি তাকে যেভাবে দেখি, সেভাবেই বর্ণনা করেছি—তিনি একজন যুদ্ধাপরাধী এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর ভয়াবহ ‘গণহত্যার কারিগর’।"
নিউইয়র্কে নেতানিয়াহু এলে তাকে গ্রেফতারের অঙ্গীকার করে মামদানি কয়েক মাস ধরে বক্তব্য দিয়ে আসছেন। তবে মেয়র হিসেবে তার গ্রেফতারের আইনি ক্ষমতা নেই। সম্প্রতি তিনি স্বীকার করেছেন, নেতানিয়াহুর নিউইয়র্ক সফর ঠেকানোর ক্ষমতাও তার নেই। তাই সফরের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে তিনি অংশ নেবেন না।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেফতারি পরোয়ানার প্রসঙ্গ তুলে মামদানি বলেন, "পরোয়ানাটি সম্মান করা উচিত এবং আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।"
২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত আইসিসি যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করে। কোনো দেশ এসব অপরাধের বিচার করতে অক্ষম বা অনিচ্ছুক হলে নির্দিষ্ট শর্তে আদালত এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আইসিসির সদস্য নয়। ইসরাইল আদালতের এখতিয়ারও প্রত্যাখ্যান করে। দেশটির দাবি, ফিলিস্তিন সার্বভৌম রাষ্ট্র না হওয়ায় ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রেও আইসিসির এখতিয়ার নেই।
গাজায় গণহত্যার অভিযোগও ইসরাইল প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, বেসামরিক হতাহত কমাতে তারা চেষ্টা করে এবং হামাস বেসামরিক মানুষকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন নেতানিয়াহু। নিউইয়র্কে যাওয়ার পর তার ফেরার কথা রয়েছে শুক্রবার। তবে অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের কথা নেই।
এদিকে ট্রাম্প ও মামদানির বৈঠকে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মজীবী মানুষের জন্য নিউইয়র্কে সাশ্রয়ী আবাসন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, "আশা করি, আপনি একজন দুর্দান্ত মেয়র হবেন। আপনি ভালোভাবেই শুরু করেছেন।"
মামদানি বলেন, "নগরীর প্রতি প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতিকে আমরা মূল্য দিই। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও নিউইয়র্কবাসীর জন্য স্বস্তি আনতে ট্রাম্পসহ যে কারও সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন।"
গত বছর নির্বাচনে মামদানির জয়ের পর ওভাল অফিসে প্রথমবার দুজনের সাক্ষাৎ হয়।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একদিকে ভাঙা ঘর এবং উচ্ছেদ হওয়া পরিবার, অন্যদিকে রয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ প্রকল্প। আসামের ধুবড়ি জেলার চাপরে বর্তমানে এই দুই দৃশ্য পাশাপাশি অবস্থান করছে।
যে জমি থেকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ বাঙালি বংশোদ্ভূত মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছিল, রোববার সেই জমিতে আদানি পাওয়ারের ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
প্রকল্পটির জন্য বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা হবে। আদানি গোষ্ঠীর দাবি, নির্মাণপর্বে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রকল্প চালু হলে আরও প্রায় ৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রথম ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ২০৩০ সালের ডিসেম্বর থেকে। তবে প্রকল্পের জমি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে।
ধুবড়ির চারুয়াবাখরা, চিরাকুটা এক ও দুই এবং সন্তোষপুর এলাকায় প্রায় ১ হাজার ১৫৭ একর সরকারি জমিতে বহু পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিল। উচ্ছেদের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকেই তিন থেকে চার দশক ধরে সেখানে বসবাস করছেন।
অনেক পরিবার আবার ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে পূর্বের বসতভিটা হারিয়ে ওই এলাকায় এসে বসতি গড়েছিল। উচ্ছেদের পর প্রায় ১০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, প্রকল্পের জন্য সরকারি জমি আগে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাকে দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই জমি আদানি পাওয়ারের প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়।
প্রশাসন ৩০০ বিঘা জমি অন্য এলাকায় পুনর্বাসনের জন্য চিহ্নিত করে এবং মালপত্র সরানোর জন্য পরিবারপিছু ৫০ হাজার টাকা সহায়তার কথা জানায়। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের একাংশ সেই পুনর্বাসনস্থানে যেতে রাজি হননি।
তাদের অভিযোগ, ব্রহ্মপুত্রঘেরা নিচু এলাকায় বর্ষায় পানি ঢোকে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পরিবেশগত ছাড়পত্রের আবেদনে আদানি পাওয়ার কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল, প্রকল্প এলাকায় কোনো জনবসতি নেই এবং পুনর্বাসন বা পুনর্বাসনজনিত ক্ষতিপূরণের দাবি নেই।
অথচ উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর বক্তব্য, তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে প্রকল্পের জমি পরিষ্কার করা হয়েছিল। স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, সরকারি জমির পাশাপাশি জমির অধিকারপত্র থাকা মানুষের জমিও নেওয়া হয়েছে এবং তাদের বড় একটি অংশ এখনও ক্ষতিপূরণ পাননি।
২০২৫ সালের ৩০ মার্চ জেলা প্রশাসন গ্রামের চারণভূমি প্রকল্পের কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব দেয়। ২ এপ্রিলের জেলা পর্যায়ের ভূমি সংক্রান্ত বৈঠকের কার্যবিবরণীতেও সেই প্রস্তাবের উল্লেখ রয়েছে। এরপরই উচ্ছেদের নোটিশ জারি হয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙা শুরু হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে প্রকল্পকে আসামের বিদ্যুৎ খাতে বড় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে তুলে ধরেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের এই প্রকল্প রাজ্যের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আদানি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, প্রকল্পটি উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প হয়ে উঠবে। তবে উন্নয়নের এই হিসাবের পাশে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলোর হিসাবটি এখনও মেলেনি। একদিকে বিদ্যুতের আলো জ্বালানোর প্রস্তুতি, অন্যদিকে সেই আলো পৌঁছানোর আগেই ঘর হারানো মানুষের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের প্রশ্ন। ফলে ধুবড়িতে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরের সঙ্গে সঙ্গে পুরনো সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে—উন্নয়নের জমির দাম শেষ পর্যন্ত দেবে কে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জেলার ২’, যা সুপারস্টার রজনীকান্তের। নির্মাতারা সম্প্রতি বিভিন্ন চরিত্রের টিজার প্রকাশ করে দর্শকদের আগ্রহ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বলিউড অভিনেত্রী বিদ্যা বালানের প্রথম লুক প্রকাশিত হয়েছে।
এই সিনেমায় বিদ্যা বালানকে ‘কান্তা’ নামক একটি শক্তিশালী চরিত্রে দেখা যাবে। এটি প্রথমবারের মতো ৭৫ বছর বয়সি রজনীকান্তের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন এই বলিউড তারকা।
প্রথম ঝলকেই বিদ্যা বালান তার গম্ভীর ও ভয়ডরহীন উপস্থিতি দিয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি নীল রঙের শাড়ি ও কালো ব্লাউজ পরে আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে একটি ঘরে প্রবেশ করছেন। মুখে সিগারেট এবং চোখেমুখে রহস্যময় ও প্রভাবশালী ভাব—সব মিলিয়ে তার লুকটি বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
যদিও নির্মাতারা ছবির গল্প বা চরিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে শোনা যাচ্ছে যে, তিনি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বড় মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। এই ছবিতে মিঠুন চক্রবর্তী মূল খলনায়কের ভূমিকায় রজনীকান্তের মুখোমুখি হবেন।
এছাড়া, এই টিজারে অনিরুদ্ধ রবিচন্দরের দারুণ ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দর্শকদের বাড়তি রোমাঞ্চ প্রদান করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জেলার’ সিনেমাটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছিল। এবার তার সিক্যুয়েল ‘জেলার ২’-এ রজনীকান্তের পাশাপাশি আরও অভিনয় করছেন রাম্যা কৃষ্ণন, যোগী বাবু, এস জে সূর্য, মিঠুন চক্রবর্তী ও সুরজ ভেঞ্জারমুডুর মতো তারকারা।
নেলসন দিলীপকুমারের পরিচালনায় এই ছবিতে মোহনলাল, শিবা রাজকুমার, জ্যাকি শ্রফ, বিজয় সেতুপতি এবং হৃতিক রোশনের মতো বড় বড় তারকাদের ক্যামিও বা বিশেষ চরিত্রে দেখা যেতে পারে। বহু প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি চলতি বছরের ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হাম উপসর্গে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৩৪৯ জন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৫৭ জনকে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। একই সময়ে ৯২ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।
এখন পর্যন্ত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৭৩৮ জন।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৭৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন ১ হাজার ৬২ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ