শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:১৮ পি.এম
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে লাউয়ের বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ার কারণে চাষিরা চরম বিপাকে পড়েছেন। উৎপাদনের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাজারে লাউয়ের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। কোথাও ১ টাকায় চারটি লাউ বিক্রি হচ্ছে, আবার কোথাও প্রতি পিসের দাম মাত্র ২ থেকে ৫ টাকায় রয়েছে। অথচ কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কেনা সেই লাউ খুচরা বাজারে ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
জেলার আটোয়ারী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। উৎপাদন খরচ তুলতে না পারায় অনেক কৃষক লাউয়ের বাগান পরিচর্যা বন্ধ করে দিয়েছেন। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বাগান কেটে ফেলছেন, আবার কেউ ক্ষেতের লাউ গবাদিপশুকে খাওয়াচ্ছেন।
চাষিদের আক্ষেপ, এক কেজি মোটা চাল কিনতে বিক্রি করতে হচ্ছে প্রায় ২০০টি লাউ। আর প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ৭৫০ টাকা হিসাবে তা কিনতে বিক্রি করতে হচ্ছে প্রায় তিন হাজারটি লাউ। ঘাম ঝরিয়ে ফলানো ফসলের এমন দরপতনে হতাশ হয়ে পড়েছেন আটোয়ারীর লাউচাষিরা।
উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকার কৃষক দুলাল ইসলাম জানান, ৪০ শতক জমিতে লাউ চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। কিন্তু উৎপাদিত লাউ বিক্রি করে এখন পর্যন্ত পেয়েছি মাত্র তিন হাজার টাকা। এই সামান্য আয় দিয়ে শ্রমিকের মজুরিও পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।
দুলাল ইসলাম নামে আরেক কৃষক বলেন, ‘আমরা কৃষকরা লাউ চাষ করে কতটা লোকসানে আছি, তা বলে বোঝানো যাবে না। দুই থেকে তিন হাজার লাউ বিক্রি করেও এক কেজি গরুর মাংস কেনা যায় না। তাই কষ্ট করে ফলানো লাউয়ের দাম না পেয়ে বাগান কেটে ফেলেছি। কিছু লাউ গরুকে খাওয়াচ্ছি। অথচ বাজারে সেই লাউই প্রতি পিস ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’
একই উপজেলার ঝলঝলি উলারচাপ এলাকার কৃষক আনসারুল ইসলাম জানান, লাউয়ের দাম না থাকায় গত ১০ দিন ধরে বাগানের পরিচর্যা বন্ধ রেখেছি। একদিকে সার ও কীটনাশকের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি দিতে হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। অথচ ক্ষেতের লাউ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ পাঁচ টাকা পিস। এভাবে উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম দামে ফসল বিক্রি করতে হলে কৃষকের পক্ষে টিকে থাকা কঠিন। কষ্ট করে ফসল ফলিয়েও যদি দাম না পাওয়া যায়, তাহলে মানুষ একসময় কৃষিকাজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সলেমান আলী বলেন, এবার আটোয়ারীতে লাউয়ের আবাদ ও ফলন-দুটিই ভালো হয়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে। বাইরের বাজারেও আশানুরূপ দাম না থাকায় কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, ভালো ফলন হলেও বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হওয়ায় লোকসানে পড়তে হচ্ছে। উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৃষিপণ্যের দাম নিশ্চিত করা এবং কৃষকের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য কেনার কার্যকর ব্যবস্থা না হলে এ ধরনের লোকসান কৃষিকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আটোয়ারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরা একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, পঞ্চগড় জেলায় প্রতিবছর প্রায় ৫৫০ থেকে ৬০০ হেক্টর জমিতে লাউ চাষ হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় মদপানের পর অসুস্থ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের বিনয় বিশ্বাসের ছেলে বিধান বিশ্বাস (২২) এবং একই উপজেলার বাকিরা গ্রামের আদম লস্করের ছেলে আলমগীর লস্কর (৩৮)।
নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে বিধান ও আলমগীর মদপান করার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে স্থানীয়ভাবে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঘটলে গভীর রাতে তাদের মাগুরার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে তাদের মৃত্যু হয়।
বিধানের চাচি সুপ্রিয়া সাহা জানিয়েছেন, বুধবার রাতে তারা মদপান করে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমরান হোসেন বলেন, ‘দুজনের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর প্রকৃত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। তবে এটি মদ জাতীয় কোনো কিছু পানের ফলে হতে পারে।’
শ্রীপুর থানার ওসি অলি মিয়া জানান, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে মদ্যপানে তাদের মৃত্যু হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানকে দেখতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গেছেন।
রাষ্ট্রপতি শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে তার শারীরিক অবস্থা এবং চলমান চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নেন।
ড. মঈন খান স্থানীয় সরকার হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি বুকে ব্যথা নিয়ে গত বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ করেন এবং ড. মঈন খানের শারীরিক অবস্থা ও চলমান চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : অস্ট্রেলিয়া উত্তর কোরিয়ার দুই ব্যক্তি ও কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞা ভুয়া পরিচয়ে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে কাজ করার এবং সাইবার অপরাধের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগে জারি করা হয়েছে। শুক্রবার দেশটি এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি বিদেশে উত্তর কোরিয়ার সাইবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এসব কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত বিপুল অর্থ উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় করা হয়।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা উত্তর কোরিয়ার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ভুয়া পরিচয়ে আইটি কর্মী নিয়োগ ও কাজ করানোর মাধ্যমে দেশটির শাসকগোষ্ঠীর পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির জন্য অর্থ সংগ্রহে সহায়তা করে।’
উত্তর কোরিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একাধিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির কারণে আরোপিত হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, এসব নিষেধাজ্ঞা এড়াতে উত্তর কোরিয়া হাজার হাজার আইটি কর্মীকে অন্য দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করাচ্ছে। এসব কর্মী ভুয়া পরিচয়ে কাজ করে অর্জিত অর্থ সরকারি সংস্থাগুলোর কাছে পাঠান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে উত্তর কোরিয়া এসব অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চলছে।
গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো সতর্ক করে বলেছিল, উত্তর কোরিয়ার কর্মীরা নিজেদের প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছেন।
এর আগে গত মাসে নিউজিল্যান্ডের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছিল, উত্তর কোরিয়ার এক আইটি কর্মী ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে দেশটির একটি প্রতিষ্ঠানে দূরবর্তীভাবে কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন। পরে তার প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়লে তিনি প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস করার হুমকি দেন।
শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা দুই ব্যক্তি হলেন ইউ পু উং এবং সিম হিয়ন সপ। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইতোমধ্যে তাদের নাম প্রকাশ করেছে।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় চীনভিত্তিক ইউকে উত্তর কোরিয়ার অবৈধ অর্থ উপার্জন কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান সংগঠক হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। মন্ত্রণালয়টি সতর্ক করে বলেছিল, শনাক্ত হওয়া এড়াতে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহারে তিনি দক্ষ।
অন্যদিকে, সিমকে উত্তর কোরিয়ার সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ ‘ছায়া ব্যাংকার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (এফবিআই) তাকে অর্থ স্থানান্তর এবং দেশটির বাইরে অর্থ পাঠানো ও সেখান থেকে অর্থ আনার কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে খুঁজছে।
তার গ্রেফতারে সহায়ক তথ্যের জন্য ৫০ লাখ মার্কিন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বনানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রায় তিন মাস পেরিয়ে গেলেও চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা এখনও ন্যায়বিচার পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। দীর্ঘ সময় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর কিছুটা শারীরিক সুস্থতা অর্জন করলেও দুর্ঘটনার মামলা নিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তিনি ও তার পরিবার। এ ঘটনার পুলিশি তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই অভিনেত্রী।
এক সাক্ষাৎকারে মেঘলা মুক্তা জানিয়েছেন, গত ২৮ জুলাই বনানীতে দুর্ঘটনার পর তার চিকিৎসা ও শারীরিক সুস্থতা ছিল পরিবারের প্রধান চিন্তা। এ সময় তার বন্ধু ও সহকর্মী অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণ বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু, তার দাবি, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তদন্ত কর্মকর্তা তার বক্তব্য গ্রহণ করেননি। পরিবারের সদস্যরাও বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও প্রত্যাশিত সাড়া পাননি।
অভিনেত্রীর অভিযোগ, দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রথমে থানার কম্পিউটার ব্যবস্থায় অভিযোগ নিবন্ধিত ছিল না। পরে ১ সেপ্টেম্বর তার বাবা থানায় গিয়ে অভিযোগটি নিবন্ধন করান। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর দুর্ঘটনায় জড়িত গাড়ি ও চালককে আটক করার কথা জানানো হয়। এত দিন পর কেন ব্যবস্থা নেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেঘলা মুক্তা। তার মতে, যদি শুরু থেকেই আন্তরিকভাবে তদন্ত করা হতো, তাহলে এত দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হতো না।
মেঘলা আরও জানিয়েছেন, মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য তার বাবাকে নিয়মিত আদালতে যেতে হচ্ছে। অভিযুক্ত পক্ষ জামিনের আবেদন করায় সেটি ঠেকানোর চেষ্টা করতে হচ্ছে পরিবারকে। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার কারণে তার শরীরে এখনো ক্ষত রয়েছে এবং পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও সময় লাগবে। এমন পরিস্থিতিতে বারবার আদালতে যাওয়া তার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার জন্য বনানী থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, তার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চিকিৎসাসংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। যদি আরও কিছু প্রয়োজন হয়, তবে তা দিতেও তারা প্রস্তুত।
পুরো ঘটনা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে মেঘলা মুক্তা বলেন, ন্যায়বিচার পেতে মানুষকে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি নিজের সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরার বিষয়টিও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তবে তিনি চান, দুর্ঘটনার ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করা হোক এবং প্রকৃত সত্য সামনে আসুক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ