শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৩ পি.এম
রাজধানীর নিউমার্কেটের গ্লোব শপিং সেন্টারের একটি দোকানে হামলা, ভাঙচুর, মালামাল লুট এবং দখলচেষ্টার অভিযোগে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের তিন নেতার সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় সংসদ। গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দোকানের ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী, তাঁর ছেলে এবং মার্কেটের ব্যবস্থাপককে মারধরের অভিযোগও উঠেছে।
পদ স্থগিত হওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাজেদুল ইসলাম এবং সদস্য শেখ পারভেজ মোশাররফ ও সাগর খান।
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) মো. জাহাঙ্গীর আলমের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁদের পদ স্থগিত করা হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্লোব শপিং সেন্টারের একটি দোকানে হামলা, ভাঙচুর এবং মালামাল সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে। এ সময় দোকানের ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম, তাঁর ছেলে এবং মার্কেটের ব্যবস্থাপক জুয়েল রানাকে মারধর ও হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
আমিনুল ইসলামের অভিযোগ, দোকানটি ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরুর প্রস্তুতি নেওয়ার পর এক ব্যক্তি এর মালিকানা দাবি করেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে একদল লোক দোকানে ঢুকে ভাঙচুর করে এবং মালামাল বাইরে ফেলে দেয়। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ছাড়া তাঁর মানিব্যাগসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন এই ব্যবসায়ী।
মার্কেটের ব্যবস্থাপক জুয়েল রানার ভাষ্য, দোকানটির মালিকানা নিয়ে বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটে। এতে মার্কেটের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এর আগে জানানো হয়েছিল, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে অবহিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দোকানটির মালিকানা নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ রয়েছে এবং এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান। বিরোধটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জন্য রয়েছে কিছু জনপ্রিয় স্থান, যেমন নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ার এবং স্ট্যাচু অব লিবার্টি, অথবা সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট ব্রিজ। তবে এর বাইরেও একটি পর্যটনস্থল রয়েছে, যেখানে বিশাল নাগরদোলা, অদ্ভুত স্থাপনা এবং বিচিত্র সংগ্রহ রয়েছে। আকর্ষণীয় বিষয় হলো, সেখানকার বিশাল নাগরদোলা দেখা গেলেও তাতে চড়ার সুযোগ নেই।
এই জায়গাটি উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত এবং এর নাম ‘হাউস অন দ্য রক’। যারা সাধারণ পর্যটনকেন্দ্রের বাইরে কিছু ব্যতিক্রমী দেখতে চান, তাদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। কনটেন্ট নির্মাতা খাইলের একটি ভিডিওতে এই কমপ্লেক্সের বিচিত্র আয়োজন তুলে ধরা হয়েছে। তার মতে, এর মতো অভিজ্ঞতা অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন।
কেন এত অদ্ভুত ‘হাউস অন দ্য রক’?
খাইল নিজের পোস্টে ‘হাউস অন দ্য রক’-কে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অদ্ভুত পর্যটনস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে জায়গাটির প্রতি মুগ্ধতা। তার দৃষ্টিতে, এখানকার কিছু প্রদর্শনী অসাধারণ সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়, আবার কিছু দেখে মনে হয় যেন অদ্ভুত কোনো স্বপ্নের জগতে চলে এসেছেন। অ্যালেক্স জর্ডান ১৯৬০ সালে এই বাড়িটি নির্মাণ করেন।
কমপ্লেক্সটির অন্যতম আলোচিত স্থাপনাগুলির মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ইনডোর নাগরদোলা। এতে ২৬৯টি পশুর অবয়ব, ২০ হাজার আলো এবং ১৮২টি ঝাড়বাতি রয়েছে। বিশাল এই আয়োজন দেখলে যে কারও চোখ আটকে যেতে পারে। তবে নাগরদোলাটি অন্যান্য নাগরদোলার মতো নয়। এতে চড়ার অনুমতি নেই কোনো পর্যটকের। দূর থেকে এর বিশালতা ও সাজসজ্জা দেখেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
এখানকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা ‘ইনফিনিটি রুম’। দীর্ঘ, অনুভূমিক শিখরের মতো দেখতে এই অংশটি উইসকনসিনের উপত্যকার ওপর দিয়ে প্রায় ২০০ ফুট প্রসারিত হয়েছে। এর নকশা ও অবস্থান দর্শকদের জন্য ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
এক ঘরে বিশাল নাগরদোলা, অন্য ঘরে স্বয়ংক্রিয় বাদ্যযন্ত্রের দল। যন্ত্রগুলি নিজে থেকেই বাজতে থাকে। কোথাও আবার মাথার ওপর ঝুলতে দেখা যায় বিশাল এক সামুদ্রিক প্রাণীর অবয়ব। একের পর এক ঘর ঘুরে দেখলে বোঝা যায়, প্রতিটি অংশের সাজসজ্জা ও প্রদর্শনীর ধরন আলাদা। ফলে পুরো কমপ্লেক্স ঘুরে দেখার সময় একঘেয়ে হওয়ার সুযোগ কম।
এখানে রয়েছে ক্ষুদ্রাকৃতির পুতুলবাড়ির বিশাল সংগ্রহ। এসব বাড়ির নকশায় ঔপনিবেশিক আমল থেকে ভিক্টোরীয় যুগের স্থাপত্যশৈলীর নমুনা দেখা যায়। এ ছাড়া এখানে ২০০টিরও বেশি জাহাজের মডেল রয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র, গয়না এবং নানা ধরনের ব্যতিক্রমী সামগ্রীও প্রদর্শিত হয় এই কমপ্লেক্সে।
খাইল জায়গাটিকে ‘ভৌতিক’ ও ‘সুন্দর’ দুইভাবেই বর্ণনা করেছেন। তার মতে, অদ্ভুত স্থাপনা ও অপ্রচলিত সংগ্রহ দেখতে যারা পছন্দ করেন, তাদের কাছে ‘হাউস অন দ্য রক’ ভালো লাগবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের বাইরে অন্যরকম কিছু দেখতে চাইলে জায়গাটি ভ্রমণের পরিকল্পনায় রাখা উচিত।
কখন যাবেন, কতক্ষণ সময় রাখবেন?
‘হাউস অন দ্য রক’ প্রতি মঙ্গলবার ও বুধবার বন্ধ থাকে। অন্যান্য দিন কমপ্লেক্সটি বিকেল ৫টায় বন্ধ হয়ে যায়। ‘আলটিমেট এক্সপেরিয়েন্স’ ট্যুরের শেষ বুকিংয়ের সময় দুপুর ২টা। এই ট্যুরে ঘুরে দেখতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে।
কমপ্লেক্সের কয়েকটি অংশ দুপুর ২টার মধ্যেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই সব প্রদর্শনী ঘুরে দেখার পরিকল্পনা থাকলে দিনের শুরুতেই পৌঁছানো ভালো। এতে বিভিন্ন সংগ্রহ ও স্থাপনা দেখার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: হেড অব সার্ভিস কোয়ালিটি ডিভিশন
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: শাখা, সহায়তা বিভাগ এবং কন্টাক্ট সেন্টারে পরিষেবা নিরীক্ষা পরিচালনায় দক্ষতা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১০ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের ছয় মাস বয়সী বাবাহারা শিশু সোলায়মানের হৃদ্পিণ্ডে দুটি ছিদ্র ধরা পড়ার পর তার চিকিৎসার জন্য মায়ের আকুতি নিয়ে আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রচারিত হওয়ার পর দেশ-বিদেশের মানবিক মানুষের সহায়তায় সোলায়মানের চিকিৎসার জন্য ৬০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। যদিও চিকিৎসা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, তবুও এখনো অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন রয়েছে।
অভাবের সংসারে ভিক্ষা করে সন্তানকে নিয়ে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া সোলায়মানের মায়ের মুখে আশার হাসি ফিরে এসেছে। মানুষের সহায়তায় তার সন্তানের চিকিৎসা শুরু হওয়ায় তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সোলায়মানের মা বলেন, "মানুষ যেভাবে আমার ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে আমি অনেক খুশি। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন। আমার ছেলেটার জন্য সবাই দোয়া করবেন।"
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষক সোহাগ হাওলাদার এবং তাইজুল ইসলাম জানান, আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের মানুষের সহযোগিতার জন্য তারা আরটিভিসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন।
তবে সোলায়মানের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার জন্য এখনো আরও অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। পরিবারের আশা, মানবিক মানুষের সহযোগিতায় ছোট্ট সোলায়মান সুস্থ হয়ে উঠবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রায় এক দশক আগে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার দাবির ব্যর্থতা ছাপিয়ে বর্তমানে অভিবাসনবিরোধী এবং ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব এই ধনী অঞ্চলের ভোটারদের রাজনৈতিক এজেন্ডায় প্রধান স্থান দখল করেছে। স্পেনের মুসলিম জনগণের বৃহত্তম বসবাসস্থল হিসেবে পরিচিত কাতালোনিয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে একটি নতুন উগ্র ডানপন্থী দল, যার নাম 'আলিয়ানসা কাতালানা' (Alianca Catalana) ।
দলটি অভিবাসন সীমিত করার জন্য কঠোর দাবি জানাচ্ছে এবং ইসলাম ধর্মকে সমাজের জন্য একটি বড় ‘হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রচার করছে। আসন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনে সোশ্যালিস্ট পার্টির পর দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের পূর্বাভাস বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে। জার্মানি, ইতালি এবং ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের বিজয়ের ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া অভিবাসনবিরোধী মনোভাবকে কাজে লাগাচ্ছে এই দলটি।
এদিকে, উগ্র ডানপন্থী এই দলের উত্থানে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন কাতালোনিয়ায় বসবাসকারী অভিবাসী ও মুসলিম সম্প্রদায়। রিপোল শহরের 'ইয়ং মরোক্কানস'-এর সভাপতি সৌকাইন এল আবদি এই রাজনৈতিক উত্থানকে ভিত্তিহীন ঘৃণা এবং অপপ্রচারের ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ এখানে কাজ ও সুন্দর জীবনের আশায় আসেন, কিন্তু একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মুসলিম সম্প্রদায় সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আবাসন সংকট, বেকারত্ব এবং সার্বিক নিরাপত্তাহীনতার মতো সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে উগ্র ডানপন্থীরা ইসলামোফোবিয়ার আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। অথচ স্পেনের মূল ধারার অর্থনীতি ও সমাজের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে অভিবাসীরা। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উগ্র রাজনৈতিক প্রবণতা শুধু একটি অঞ্চল নয়, বরং পুরো ইউরোপের গণতান্ত্রিক ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজব্যবস্থার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ