শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জন্য রয়েছে কিছু জনপ্রিয় স্থান, যেমন নিউইয়র্কের টাইমস স্কোয়ার এবং স্ট্যাচু অব লিবার্টি, অথবা সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট ব্রিজ। তবে এর বাইরেও একটি পর্যটনস্থল রয়েছে, যেখানে বিশাল নাগরদোলা, অদ্ভুত স্থাপনা এবং বিচিত্র সংগ্রহ রয়েছে। আকর্ষণীয় বিষয় হলো, সেখানকার বিশাল নাগরদোলা দেখা গেলেও তাতে চড়ার সুযোগ নেই।
এই জায়গাটি উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত এবং এর নাম ‘হাউস অন দ্য রক’। যারা সাধারণ পর্যটনকেন্দ্রের বাইরে কিছু ব্যতিক্রমী দেখতে চান, তাদের জন্য এটি একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য। কনটেন্ট নির্মাতা খাইলের একটি ভিডিওতে এই কমপ্লেক্সের বিচিত্র আয়োজন তুলে ধরা হয়েছে। তার মতে, এর মতো অভিজ্ঞতা অন্য কোথাও পাওয়া কঠিন।
কেন এত অদ্ভুত ‘হাউস অন দ্য রক’?
খাইল নিজের পোস্টে ‘হাউস অন দ্য রক’-কে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অদ্ভুত পর্যটনস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার এই মন্তব্যের পেছনে রয়েছে জায়গাটির প্রতি মুগ্ধতা। তার দৃষ্টিতে, এখানকার কিছু প্রদর্শনী অসাধারণ সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়, আবার কিছু দেখে মনে হয় যেন অদ্ভুত কোনো স্বপ্নের জগতে চলে এসেছেন। অ্যালেক্স জর্ডান ১৯৬০ সালে এই বাড়িটি নির্মাণ করেন।
কমপ্লেক্সটির অন্যতম আলোচিত স্থাপনাগুলির মধ্যে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ইনডোর নাগরদোলা। এতে ২৬৯টি পশুর অবয়ব, ২০ হাজার আলো এবং ১৮২টি ঝাড়বাতি রয়েছে। বিশাল এই আয়োজন দেখলে যে কারও চোখ আটকে যেতে পারে। তবে নাগরদোলাটি অন্যান্য নাগরদোলার মতো নয়। এতে চড়ার অনুমতি নেই কোনো পর্যটকের। দূর থেকে এর বিশালতা ও সাজসজ্জা দেখেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
এখানকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য স্থাপনা ‘ইনফিনিটি রুম’। দীর্ঘ, অনুভূমিক শিখরের মতো দেখতে এই অংশটি উইসকনসিনের উপত্যকার ওপর দিয়ে প্রায় ২০০ ফুট প্রসারিত হয়েছে। এর নকশা ও অবস্থান দর্শকদের জন্য ভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
এক ঘরে বিশাল নাগরদোলা, অন্য ঘরে স্বয়ংক্রিয় বাদ্যযন্ত্রের দল। যন্ত্রগুলি নিজে থেকেই বাজতে থাকে। কোথাও আবার মাথার ওপর ঝুলতে দেখা যায় বিশাল এক সামুদ্রিক প্রাণীর অবয়ব। একের পর এক ঘর ঘুরে দেখলে বোঝা যায়, প্রতিটি অংশের সাজসজ্জা ও প্রদর্শনীর ধরন আলাদা। ফলে পুরো কমপ্লেক্স ঘুরে দেখার সময় একঘেয়ে হওয়ার সুযোগ কম।
এখানে রয়েছে ক্ষুদ্রাকৃতির পুতুলবাড়ির বিশাল সংগ্রহ। এসব বাড়ির নকশায় ঔপনিবেশিক আমল থেকে ভিক্টোরীয় যুগের স্থাপত্যশৈলীর নমুনা দেখা যায়। এ ছাড়া এখানে ২০০টিরও বেশি জাহাজের মডেল রয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র, গয়না এবং নানা ধরনের ব্যতিক্রমী সামগ্রীও প্রদর্শিত হয় এই কমপ্লেক্সে।
খাইল জায়গাটিকে ‘ভৌতিক’ ও ‘সুন্দর’ দুইভাবেই বর্ণনা করেছেন। তার মতে, অদ্ভুত স্থাপনা ও অপ্রচলিত সংগ্রহ দেখতে যারা পছন্দ করেন, তাদের কাছে ‘হাউস অন দ্য রক’ ভালো লাগবে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের বাইরে অন্যরকম কিছু দেখতে চাইলে জায়গাটি ভ্রমণের পরিকল্পনায় রাখা উচিত।
কখন যাবেন, কতক্ষণ সময় রাখবেন?
‘হাউস অন দ্য রক’ প্রতি মঙ্গলবার ও বুধবার বন্ধ থাকে। অন্যান্য দিন কমপ্লেক্সটি বিকেল ৫টায় বন্ধ হয়ে যায়। ‘আলটিমেট এক্সপেরিয়েন্স’ ট্যুরের শেষ বুকিংয়ের সময় দুপুর ২টা। এই ট্যুরে ঘুরে দেখতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে।
কমপ্লেক্সের কয়েকটি অংশ দুপুর ২টার মধ্যেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই সব প্রদর্শনী ঘুরে দেখার পরিকল্পনা থাকলে দিনের শুরুতেই পৌঁছানো ভালো। এতে বিভিন্ন সংগ্রহ ও স্থাপনা দেখার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: হেড অব সার্ভিস কোয়ালিটি ডিভিশন
পদসংখ্যা: ১
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক/স্নাতকোত্তর ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: শাখা, সহায়তা বিভাগ এবং কন্টাক্ট সেন্টারে পরিষেবা নিরীক্ষা পরিচালনায় দক্ষতা রয়েছে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১০ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের ছয় মাস বয়সী বাবাহারা শিশু সোলায়মানের হৃদ্পিণ্ডে দুটি ছিদ্র ধরা পড়ার পর তার চিকিৎসার জন্য মায়ের আকুতি নিয়ে আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রচারিত হওয়ার পর দেশ-বিদেশের মানবিক মানুষের সহায়তায় সোলায়মানের চিকিৎসার জন্য ৬০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। যদিও চিকিৎসা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, তবুও এখনো অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন রয়েছে।
অভাবের সংসারে ভিক্ষা করে সন্তানকে নিয়ে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া সোলায়মানের মায়ের মুখে আশার হাসি ফিরে এসেছে। মানুষের সহায়তায় তার সন্তানের চিকিৎসা শুরু হওয়ায় তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সোলায়মানের মা বলেন, "মানুষ যেভাবে আমার ছেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাতে আমি অনেক খুশি। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুন। আমার ছেলেটার জন্য সবাই দোয়া করবেন।"
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষক সোহাগ হাওলাদার এবং তাইজুল ইসলাম জানান, আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের মানুষের সহযোগিতার জন্য তারা আরটিভিসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন।
তবে সোলায়মানের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার জন্য এখনো আরও অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। পরিবারের আশা, মানবিক মানুষের সহযোগিতায় ছোট্ট সোলায়মান সুস্থ হয়ে উঠবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রায় এক দশক আগে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার দাবির ব্যর্থতা ছাপিয়ে বর্তমানে অভিবাসনবিরোধী এবং ইসলামবিদ্বেষী মনোভাব এই ধনী অঞ্চলের ভোটারদের রাজনৈতিক এজেন্ডায় প্রধান স্থান দখল করেছে। স্পেনের মুসলিম জনগণের বৃহত্তম বসবাসস্থল হিসেবে পরিচিত কাতালোনিয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে একটি নতুন উগ্র ডানপন্থী দল, যার নাম 'আলিয়ানসা কাতালানা' (Alianca Catalana) ।
দলটি অভিবাসন সীমিত করার জন্য কঠোর দাবি জানাচ্ছে এবং ইসলাম ধর্মকে সমাজের জন্য একটি বড় ‘হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রচার করছে। আসন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনে সোশ্যালিস্ট পার্টির পর দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশের পূর্বাভাস বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে। জার্মানি, ইতালি এবং ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থীদের বিজয়ের ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া অভিবাসনবিরোধী মনোভাবকে কাজে লাগাচ্ছে এই দলটি।
এদিকে, উগ্র ডানপন্থী এই দলের উত্থানে উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন কাতালোনিয়ায় বসবাসকারী অভিবাসী ও মুসলিম সম্প্রদায়। রিপোল শহরের 'ইয়ং মরোক্কানস'-এর সভাপতি সৌকাইন এল আবদি এই রাজনৈতিক উত্থানকে ভিত্তিহীন ঘৃণা এবং অপপ্রচারের ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ এখানে কাজ ও সুন্দর জীবনের আশায় আসেন, কিন্তু একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মুসলিম সম্প্রদায় সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আবাসন সংকট, বেকারত্ব এবং সার্বিক নিরাপত্তাহীনতার মতো সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে পুঁজি করে উগ্র ডানপন্থীরা ইসলামোফোবিয়ার আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। অথচ স্পেনের মূল ধারার অর্থনীতি ও সমাজের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে অভিবাসীরা। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের উগ্র রাজনৈতিক প্রবণতা শুধু একটি অঞ্চল নয়, বরং পুরো ইউরোপের গণতান্ত্রিক ও বহুসাংস্কৃতিক সমাজব্যবস্থার জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। সূত্র: আল জাজিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কিশোর গ্যাংয়ের নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারণে হামলার শিকার হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক ও বাউল শিল্পী রুহেল সরকার (৩৫)। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) গুরুতর আঘাত নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নবীনগর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। রুহেল সরকারকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরদিন বুধবার ঢামেকে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়।
রুহেল সরকার নবীনগর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়া ইমামবাড়ি রোড এলাকার মো. হেকিম মিয়ার ছেলে। তিনি ‘দৈনিক সংবাদ কণ্ঠ’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এবং নবীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সদস্য। সাংবাদিকতার পাশাপাশি, তিনি বাউল গান পরিবেশন করেন এবং সংসার চালাতে পেইন্টিং আর্টিস্টের কাজ করেন।
রুহেলের ভাই রুবেল খান জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পৌরসভার উত্তরপাড়ার টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসের সামনে একটি অটোরিকশা গ্যারেজের সামনে কিছু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য মাতলামি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল। রুহেল সরকার যখন এ ঘটনার প্রতিবাদ করেন, তখন তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
একপর্যায়ে, উত্তরপাড়ার ইমরান নামের এক তরুণের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ সদস্য অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রুহেলের ওপর হামলা চালায়। তারা রড ও ভারী বস্তু দিয়ে রুহেলের মাথার হাড় ভেঙে দেয় এবং ডান চোখ মারাত্মকভাবে জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাথায় অস্ত্রোপচার হলেও গতকাল পর্যন্ত রুহেলের জ্ঞান ফেরেনি এবং তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, তারা ঘটনার বিষয়ে অবগত আছেন। লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সাংবাদিক রুহেল সরকারের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নবীনগরে কর্মরত সাংবাদিকরা। গতকাল নবীনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন সাংবাদিক নেতারা।
উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হেফজুল বাহারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন ও সামাজিক সুরক্ষায় সোচ্চার সাংবাদিকের ওপর এমন হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও আমজনতার নিরাপত্তার জন্য এক চরম হুমকি।
বক্তারা অবিলম্বে মূল অভিযুক্ত ইমরানসহ কিশোর গ্যাংয়ের সব সদস্য ও তাদের পেছনে থাকা মদদদাতাদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং পৌর এলাকাজুড়ে সমন্বিত অভিযান চালানোর জোর দাবি জানান। মানববন্ধনে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মাহাবুব আলম লিটন, উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রেস ক্লাবসমূহের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ