শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০২ পি.এম
মনের মধ্যে চাপা কষ্ট, কাউকে না বলা ব্যথাগুলোর আরেক নাম প্রথম প্রেম। মানুষ প্রেমে পড়ে অনেকবার। যদিও সব স্মৃতি ভুলে যায়, প্রথম প্রেমের কথা মানুষের হৃদয়ের গহীনে গেঁথে থাকে। এটি এক ব্যথা-সুখের অনুভূতি, যা কাউকে বলা যায় না, আবার বলেও বোঝানো কঠিন। আজ সেই আনন্দ-কষ্টমাখা অনুভূতিকে দিবস হিসেবে পালন করার দিন।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ‘প্রথম প্রেম দিবস’ পালনের যাত্রা শুরু হয়। এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি ছুটি পালন করা হয়। তবে এর উৎপত্তি কীভাবে হয়েছে, তা কারও জানা নেই। এখন এই দিবসটি শুধু প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি হয়ে উঠছে আত্ম-উপলব্ধির এক বিশেষ দিন—‘ভালোবাসা শুধু প্রাপ্তির নয়, অনুভবেরও বিষয়’ বলে মনে করা হচ্ছে।
জীবনে ‘দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম প্রেম বলে কিছু নেই। মানুষ যখন প্রেমে পরে তখন প্রতিটি প্রেমই প্রথম প্রেম’—হুমায়ূন আজাদের এই উক্তি প্রেমের প্রকৃত অর্থকে তুলে ধরে। প্রেম মানেই তো বারবার নিজেকে উজাড় করে দেওয়া, প্রতিবারই নতুনভাবে জেগে ওঠা।
আজকের দিনে, অজান্তে গড়ে ওঠা সেই প্রেমের স্মৃতি রোমন্থন করা যায়। যদি সৌভাগ্যবশত সে মানুষটি আজও আপনার হয়ে থাকে, তাহলে তো কথাই নেই। দুজনে মিলেই ঘুরে আসুন সেই স্বপ্নময় দিনগুলো থেকে। আজকের এই বিশেষ দিনটি আপনার জন্য হয়ে উঠুক আরও বিশেষ।
‘প্রেম একবারই এসেছিল নীরবে…’ লতা মুঙ্গেশকরের এই লাইন মনে করিয়ে দেয়, প্রথম প্রেমে কোনো জোর থাকে না, থাকে না শর্ত; থাকে শুধু হৃদয়ের এক নির্মল ঢেউ। প্রথম একসঙ্গে হাঁটা, প্রথম কথা বলার লাজুক মুহূর্ত, কিংবা প্রথমবার কারও দিকে তাকিয়ে মনের ভেতর কেমন জানি এক চুপচাপ আনন্দ—এই সবকিছুই আজ নতুন করে মনে করার দিন।
আহসান হাবিব কবিতায় লিখেছেন- ‘তুমি ভালো না বাসলেই বুঝতে পারি ভালোবাসা আছে, তুমি ভালো না বাসলেই ভালোবাসা, জীবনের নাম ভালোবাসা, ভালোবাসা বলে দাঁড়ালে দুহাত পেতে, ফিরিয়ে দিলেই বুঝতে পারি, ভালোবাসা আছে।’
আজকের এই দিনে কেউ কেউ স্মৃতির পাতায় ফিরে যান, আবার কেউ বুকে জমে থাকা না-বলা কথা নিয়ে খানিকটা কষ্ট পান। তবু প্রথম প্রেম তো শুধুই একজন মানুষ নয়; বরং এটি এক অনুভব, এক সময়, এক নিজেকে খুঁজে পাওয়ার গল্প।
কেউ খুব যত্ন করে, আবার কেউ বড় অবহেলায় প্রথম প্রেম ভুলেও যায়। নতুন মানুষ জীবনে জায়গা করে নেয়। এ জন্যই কি বলা হয়, প্রথম প্রেম বলে কিছু নেই!
যাই হোক, আজ নিজেকে একটু সময় দিন। ফিরে যান সেই প্রথম ভালোবাসার দিনে, হয়তো সে আপনাকে আবারও নতুন করে ভালোবাসতে শিখিয়ে দেবে। আর প্রথম ভালো লাগার মানুষটি যদি হয় আপনার সঙ্গী তবে তাকে নিয়েই ভালোবাসার পুরোনো উপাখ্যানে ফিরে যেতে পারেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দলের জন্য ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক বরাদ্দ করেছে। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং প্রতীক হলো ‘খাম’।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের এই নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাচন কমিশন একটি আদেশে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও ত্রিপুরা রাজ্যে উভয় গোষ্ঠীকে স্বীকৃত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পূর্বে, বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন একটি অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করেছিল। দলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আসন্ন উপনির্বাচনে কোন গোষ্ঠীকেই মূল দলের নাম বা প্রতীক ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, এর মধ্যে ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনও অন্তর্ভুক্ত। সাম্প্রতিক আদেশে চলমান নির্বাচনে ইতিমধ্যে জমা দেওয়া মনোনয়ন সম্পর্কিত সিদ্ধান্তও জানানো হয়েছে।
কমিশন বলেছে, রেজিনগর, নন্দীগ্রাম ও নাগাঁওয়ে দুই গোষ্ঠীর অনুমোদিত প্রার্থীদের নিজেদের নতুন দলীয় নাম ও প্রতীকের অধীনে বিবেচনা করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1951)-এর ৩৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি শর্ত পূরণ করতে হবে।
কমিশন আরও জানিয়েছে, এই নাম ও প্রতীক বরাদ্দ ‘সাময়িক’। নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের মূল বিষয় হলো দলের সাংগঠনিক কর্তৃত্ব, ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটির বৈধতা এবং দলীয় পদাধিকারীদের নিয়োগ নিয়ে দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী দাবি।
অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত গোষ্ঠীর সমর্থন পেয়েছে। তারা বিদ্যমান ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, এই কমিটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী এই প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের বক্তব্য, প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর দাবি এবং দলীয় পদাধিকারীদের নির্বাচন দলের সংবিধানের পরিপন্থী।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যগুলোর মধ্যে সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনের বক্তব্যও রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দলের সংবিধানে সংশোধন এনে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি এবং অন্যান্য সাংগঠনিক সংস্থার মেয়াদ তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠী ওই সংশোধনগুলোর বৈধতা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের বৃহস্পতিবারের আদেশে বলা হয়েছিল, কোন গোষ্ঠী স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করছে, তা নির্ধারণের জন্য ‘Election Symbols (Reservation & Allotment) Order, 1968’ এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। সেই সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উভয় গোষ্ঠীকে নিজেদের পছন্দের তিনটি করে নাম এবং অবাধ বা ফ্রি প্রতীক জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আজ শুক্রবারের নতুন আদেশে সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে দুই গোষ্ঠীকে পৃথক নাম ও প্রতীক বরাদ্দ করা হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এক যাত্রীকে আটক করা হয়েছে, যিনি মাসকাট থেকে চট্টগ্রামে আসার সময় সোনার পেস্ট এবং ৩৫টি স্বর্ণালংকার লুকিয়ে রেখেছিলেন। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এই সোনা ভিন্ন দুটি কৌশলে লুকানো হয়েছিল।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা সালামএয়ারের একটি ফ্লাইটের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এসব সোনা আটক করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানায়, মাসকাট থেকে আসা ওই ফ্লাইটের যাত্রী মোহাম্মদ হাসান মুরাদ বিমানবন্দরে অবতরণের পর তার ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশির সময় ব্যাগের ভেতরে স্কচটেপে মোড়ানো পেস্টসদৃশ পদার্থ পাওয়া যায়। পরে সোনা কারিগরের মাধ্যমে ওই পেস্ট প্রক্রিয়াজাত করলে ৪২৫ গ্রাম ওজনের ২৪ ক্যারেটের সোনারপিণ্ড উদ্ধার করা হয়।
যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে তার প্যান্টের পকেট থেকে আরও ১০৬ গ্রাম ওজনের ৩৫টি বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দার তথ্যমতে, সব মিলিয়ে ওই যাত্রীর কাছ থেকে ৫৩১ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক সোনার শুল্ক-করাদিসহ আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪১ হাজার ৫৫৫ টাকা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়েরের আইনানুগ কার্যক্রম চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একটি সড়ক দুর্ঘটনা এক তরুণের জীবনযাত্রা থামিয়ে দিয়েছিল। প্রিয়জনকে হারানোর সেই বেদনা আজও পরিবার, স্বজন ও এলাকার মানুষের মনে বিরাজমান। সময়ের প্রবাহের পরেও সাইদুজ্জামান রাফির স্মৃতি যেন তাদের কাছে এখনও জীবন্ত হয়ে রয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত যুবক রাফির স্মরণে শুক্রবার জুমার নামাজের পর চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাংপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে স্বজন ও এলাকার মানুষের উপস্থিতিতে রাফির আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের পূর্বে পরিবারের সদস্য এবং স্বজনরা রাফির কবর জিয়ারত করেন। এরপর শাজুলিয়া দরবার শরীফের পীর আবুল হাসান শাহ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলী মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন। মোনাজাতে রাফির রুহের মাগফিরাত এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য ধৈর্য ও শান্তি কামনা করা হয়।
এ সময় মরহুমের বাবা জাকির হোসেন, শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ রমিজ উদ্দিন, আবদুল লতিফ মাস্টার, আবদুল কুদ্দুস খান, জুলহাস উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়-স্বজন ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
রাফির স্বজনদের কাছে তার চলে যাওয়া শুধুমাত্র একজন মানুষকে হারানোর বিষয় নয়; বরং এটি একটি পরিবারের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও প্রত্যাশার আকস্মিক থেমে যাওয়া। তার স্মৃতিকে কেন্দ্র করে পরিবার ও এলাকার মানুষের মনে এখনও রয়েছে নানা স্মৃতি। দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত অনেকের চোখেমুখেও ফুটে ওঠে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর সেই বেদনা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উপজেলার সাচার বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় সাইদুজ্জামান রাফি নিহত হন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকার মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
দুই বছর পেরিয়ে গেলেও রাফিকে ভুলতে পারেনি তার পরিবার ও স্বজনরা। তাই তার স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়ে উঠেছে ভালোবাসা, স্মৃতি এবং প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার এক আবেগঘন মিলনমেলা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যখন বাংলা নববর্ষ ভাতায় পরিবর্তনের প্রস্তাব সামনে এসেছে। নতুন বেতন কাঠামোর অধীনে বৈশাখী ভাতার হার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা গ্রহণ করেন। নতুন জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হলে, প্রস্তাব অনুযায়ী, এ হার ১৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে। এর মানে হচ্ছে, বৈশাখী ভাতার হার বর্তমানের তুলনায় ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমতে পারে।
তবে নতুন পে স্কেলে মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির প্রস্তাবও রয়েছে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বজায় রেখে, গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে, ভাতার হার কমলেও মূল বেতন বৃদ্ধির কারণে বৈশাখী ভাতা হিসেবে প্রাপ্ত অর্থের পরিমাণ অনেকের জন্য বর্তমানের তুলনায় বেশি হতে পারে।
নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, মোবাইল, যাতায়াত ও টিফিন ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধাতেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি, পাহাড়ি ভাতা এবং হাওড়, দ্বীপ ও চরভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এসব ভাতার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের বিষয়টি রয়েছে।
এছাড়া, ঝুঁকি ভাতাসহ বিভিন্ন বিশেষ ভাতার পরিমাণও বিদ্যমান হারের তুলনায় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়। প্রস্তাবিত নতুন পে স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে মূল বেতন একসঙ্গে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যান্য ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরও নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট এখনো প্রকাশিত হয়নি। ফলে, বৈশাখী ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার চূড়ান্ত হার গেজেট এবং পরবর্তী বাস্তবায়ন নির্দেশনা প্রকাশের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ