রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০৮ পি.এম
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফুটবল ক্লাব বিডিএফসির বিরুদ্ধে ফুটসাল খেলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং তার সফরসঙ্গীরা। এই ম্যাচে প্রতিমন্ত্রীর ছেলে আয়ান এবং এনএসসির পরিচাল জাহেদ পারভেজ চৌধুরীও অংশগ্রহণ করেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ১২ টায় কুয়ালালামপুরের লালাপোর্ট ফুটসাল ইনডোর স্টেডিয়ামে এই প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে আমিনুল হক জানান, সফরসঙ্গী দলের পক্ষে প্রথম গোলটি তিনি নিজেই করেন এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সফরসঙ্গী দল ৩-১ গোলে জয়ী হয়।
এ সময় বিডিএফসি মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে আমিনুল হককে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিডিএফসি মালয়েশিয়ার রাফিজ রহমান রাসেল, মো. সাইফুদ্দিন, আবদুল মোবিন ভূঁইয়া, মোস্তফা ইমরান রাজু, আলী আসগর মিলন, সোহাগ আহম্মেদ, যুবায়ের রহমান, ইকবাল হুসাইন, শাহজাহান আলম, বাপ্পী কুমার দাসসহ অন্যান্যরা।
ম্যাচ শেষে আমিনুল হক বলেন, "ইতোমধ্যে আমরা জাতীয় পর্যায়ে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের খেলাধুলার উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু কর্ম পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। বিডিএফসি মালয়েশিয়ার খেলোয়াড়দের সাথে ম্যাচ খেলে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। প্রবাসে থেকেও ফুটবল বা খেলাধুলাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আপনাদের যে আন্তরিকতা দেখেছি আমি সত্যিই অভিভূত।"
তিনি আরও বলেন, "আমি মনে করি খেলাধুলার মাধ্যমে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব। আমি মনে করি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের মধ্যে খেলাধুলার চর্চা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া যায়। বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ করে নানা খেলাধুলার আয়োজন করা যায়। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে যেমন ভালো থাকবে, পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে ভালো খেলোয়াড়ও বের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: এরিয়া ম্যানেজার
বিভাগ: রিসার্চ অ্যান্ড ফিল্ড অপারেশন্স (প্রজেক্ট স্টাফ)
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: এনজিও সংস্থায় কাজের দক্ষতা রয়েছে এমন প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: মৌলভীবাজার (শ্রীমঙ্গল)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কলকাতার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে নয় বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষাপটে দেশটির চিকিৎসা পর্যটন খাতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি রোগীদের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধার এবং চিকিৎসা খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কলকাতার শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালগুলো বাংলাদেশে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রতিনিধিদল রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে এবং হোটেল বুকিংয়ের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। পাশাপাশি, রোগীরা যাতে নিরাপত্তা অনুমোদনপ্রাপ্ত আবাসনে অবস্থান করতে পারেন, সে বিষয়েও সহায়তা করবে।
কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপহাইকমিশন সম্প্রতি একটি ভ্রমণ পরামর্শ (অ্যাডভাইজরি) জারি করেছে, যার প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত পরামর্শে বাংলাদেশি পর্যটক ও রোগীদের ভারতে যাওয়ার আগে নিরাপদ হোটেলে কক্ষ বুক করার জন্য আইনগত অনুমোদন থাকা আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানে অনেক কম খরচের হোটেল বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে স্বল্প বাজেটে চিকিৎসা নিতে আসা বাংলাদেশিরা আবাসনের সংকটে পড়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ হোটেলে যাচাই-বাছাই ছাড়া ওঠা বন্ধ করার জন্য হাসপাতালগুলো এখন অগ্রিম ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
রোগীদের ভোগান্তি ও নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে হাসপাতালগুলো নিজেদের উদ্যোগে নিরাপদ থাকার পরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। আলিপুরভিত্তিক উডল্যান্ডস মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল বাংলাদেশি রোগীদের ভ্রমণের পূর্বেই আশপাশের নিবন্ধিত নিরাপদ হোটেলের তালিকা প্রদান করছে। হাসপাতালটির প্রধান নির্বাহী রূপক বড়ুয়া জানিয়েছেন, উপহাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী রোগীরা যাতে আগে থেকেই নির্ভরযোগ্য আবাসন নিশ্চিত করতে পারেন, সে বিষয়ে তারা সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করছেন।
অন্যদিকে, বিপি পোদ্দার হাসপাতাল বাংলাদেশে প্রতিনিধিদল পাঠানোর পাশাপাশি হাসপাতালের নিকটবর্তী বাংলাদেশি রোগীদের জন্য নিরাপত্তাবেষ্টিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রুবি জেনারেল হাসপাতাল বিশেষ সহায়তা কেন্দ্র চালু করেছে এবং দেশুন হাসপাতালও রোগী ও তাদের স্বজনদের জন্য আগাম আবাসনের সুযোগ প্রদান করছে।
সাধারণত বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের কয়েক দিন হোটেলে অবস্থান করতে হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আশা করছে, তাদের এই যৌথ পদক্ষেপ ও আগাম আবাসন সুবিধার মাধ্যমে চিকিৎসাপ্রার্থীদের ভয় দূর হবে এবং কলকাতার চিকিৎসা পর্যটন খাত দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাভারের আমিন বাজারে পুলিশের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চের (এসবি) সদস্য এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ঘটনার মূল হোতা প্রাইভেটকার চালক ও মালিক জহিরুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সাভার মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, হত্যার ঘটনার পর থেকে আমিনবাজারে পুলিশের একাধিক টীম অভিযান চালায়। আজ ভোররাতে তাকে আমিনবাজার এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত জহিরুল ইসলামের স্ত্রী শিউলি বেগম বাদী হয়ে রোববার সকালে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামী করে সাভার মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে সাভারের আমিনবাজার বরদেশি এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এসবির এসআই আলতাফ হোসেন (৫৮) ও তার ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৬) পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ওই প্রাইভেট চালক সহ তার সহযোগিরা। পরে স্থানীয়রা তাদের রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত আলতাফ এসবির ঢাকার মালিবাগ জোনে কর্মরত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাতে পুলিশ জানায়, সাভার থানাধীন আমিনবাজার বড়দেশি মদিনা হাউজিং এলাকায় নিজ গেঞ্জি ফ্যাক্টরির সামনে থেকে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন আলতাফ। এ সময় তার ছেলে আরিফুল ছিলো ফ্যাক্টরিতে। পথে অটোরিকশা ও একটি প্রাইভেট কার রাখাকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি শুরু হলে তিনি এগিয়ে যান বিরোধ মিমাংসার জন্য।
পরে তার সাথেও জামেলায় জড়িয়ে পড়েন প্রাইভেটকার চালক জহিরুল ও তার সঙ্গীরা। এক পর্যায়ে তাকে পেটানো শুরু করে। এসবি এসআই আলতাফ দৌড়ে ফ্যাক্টরীতে গেলে আরো অন্তত ১৫/২০ জন নিয়ে জহিরুল ফ্যাক্টরিতে হামলা করে আলতাফ ও তার ছেলেকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।
পরে স্থানীয়রা তাদের রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, গাড়ি পার্কিং নিয়ে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হন পুলিশের ওই এসআই ও তার ছেলে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
নিহত আলতাফ সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার সাধুপাড়া গ্রামের প্রয়াত জুরাইন আলী শেখের ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি মদিনা সিটি এলাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তার ৫ শতাংশ জায়গার উপর টিনসেডের একটি কারখানা রয়েছে।
এদিকে ঘটনার ছায়া তদন্ত কাজ করছেন জানিয়ে পিবিআই ঢাকা জেলা ওসি সোলেমান গাজী বলেন, সাভারের আমিনবাজার বরদেশী এলাকায় পুলিশের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চের এসআই আলতাফ হোসেন গতকাল রাতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আহত হন এবং পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি জানবার পর আমরা ঢাকা জেলা পিবিআই ছায়া তদন্তে কাজ শুরু করেছি। তদন্ত করে পরে আমরা জানাতে পারব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পেপারবিহীন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠনের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে বৈঠক করেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ এবং এ বি এম মোশাররফ হোসেন। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার জন্য ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষার সংস্করণ থাকবে। এর মাধ্যমে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদান আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ডেপুটি স্পিকারকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশনা দিয়েছেন। এই কমিটি প্রস্তাবিত সিস্টেমের কাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে প্রস্তাবিত সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে।
এ সময় উল্লেখ করা হয়, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। এই ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। ফলে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বাড়বে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইউএনডিপি, দাতা দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে। পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ