সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৬ পি.এম
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে পৃথক দুটি গ্রামে শিয়ালের আক্রমণে নারী ও শিশুসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের জিগাবাড়ি ও তালুক বেলকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একসঙ্গে এতজন মানুষ শিয়ালের কামড়ে আহত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
আহতদের মধ্যে জিগাবাড়ি গ্রামের মুকুল মিয়ার স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৩৮), তার ছেলে রাকিবুল হাসান (১৩), ইয়াকুব আলীর ছেলে এনামুল হক (২৬), আহাদ আলীর মেয়ে আয়শা আক্তার (৩) এবং আব্দুর রহিমের ছেলে হাসান মিয়া (৭) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
অন্যদিকে, তালুক বেলকা গ্রামের জমশের আলীর স্ত্রী লিলি বেগম (৪০), মৃত কামাল উদ্দিনের ছেলে সাদেক হোসেন (৭০), হান্নান মিয়ার স্ত্রী আফরুজা বেগম (৩৭) এবং শফিউল ইসলামের ছেলে শাওন মিয়া (৬) শিয়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন।
আহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন সময় শিয়ালগুলো গ্রামে ঢুকে নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের ওপর হামলা চালায়। পরে আহত নয়জনকে চিকিৎসার জন্য সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
একই ইউনিয়নের দুটি গ্রামে শিয়ালের আক্রমণে একসঙ্গে ৯ জন আহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই শিয়ালের হামলা থেকে নিরাপদ থাকতে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করছেন।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুল হাসান জানিয়েছেন, শিয়ালের কামড়ে আহত নয়জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে চারজনের আঘাত গুরুতর। আহত সবাইকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে জলাতঙ্কের টিকা প্রদান করা হয়েছে। শিয়ালের আক্রমণের পর দ্রুত হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আজিমপুরে সরকারি কোয়ার্টারে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালত দুই আসামিকে, এক নারীসহ, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন আদালত মঞ্জুর করেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, নুরুল আমিন (৪৫) এবং লুৎফন নাহার (৪২)। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নুরুল আমিন সুপ্রিম কোর্টে এমএলএসএস (পিয়ন) হিসেবে ১৬তম গ্রেডে কর্মরত।
লালবাগ থানার পরিদর্শক নাজমুল হোসেন দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানির সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন করেননি। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক ছিদ্দিকুর ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা মারা যাওয়ার পর তার মা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। লুৎফন নাহার তাদের পূর্বপরিচিত এবং একই এলাকায় বসবাস করেন। আর্থিক সংকটের কারণে প্রায় এক মাস আগে ওই তরুণী লুৎফন নাহারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লুৎফন নাহার তরুণীকে আজিমপুর চায়না বিল্ডিংয়ের সরকারি কোয়ার্টারের পঞ্চম তলায় নুরুল আমিনের বাসায় নিয়ে যান। ওই সময় বাসায় নুরুল আমিন ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। পরে লুৎফন নাহার তরুণীকে সেখানে রেখে বাইরে অপেক্ষা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে একা পেয়ে নুরুল আমিন তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। এ সময় তরুণীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে লুৎফন নাহারও সেখানে আসেন এবং মামলায় ধর্ষণের ঘটনায় তাকে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে লালবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তরুণী ও দুই আসামিকে থানায় নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীর কাছে মোবাইল ফোন না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী খিলগাঁও থানা পুলিশের সহায়তায় পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত চলমান থাকায় তাদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলাটির তদন্ত চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনার কয়রায় অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারায় মৃত্যুর প্রহর গুণছিলেন স্থানীয় বামিয়া শ্রীফলতলার হারুন সানার স্ত্রী দুলিপা পারভীন ও তার শিশু সন্তান হোসাইন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের নজরে আসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংক্রান্ত তাদের ভিডিও।
পরে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংযুক্ত জেডআরএফের প্রোগ্রাম পরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহর মাধ্যমে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পীকে তাদের চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
সে মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহণ করায় মা ও তার শিশু সন্তান ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। বর্তমানে তারা কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, বিষয়টি শনিবার রাতে আমাকে ফোনে জানানো হয়। তাৎক্ষণিক আমি প্রতিনিধি পাঠিয়ে তাদের তথ্য সংগ্রহ করি। গতকাল রোববার সকালে মা ও শিশুকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
জেডআরএফের সদস্য ডা. এম আর হাসান ও কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. রেজাউল করিম রাজিবের তত্বাবধানে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়। মা ও শিশুটির দ্রুত আরোগ্যে লাভের জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠনসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক সহযোগিতা আমাদের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।
হারুন সানা জানান, তাদের বাড়ি খুলনার কয়রা উপজেলার বামিয়া শ্রীফলতলায়। অভাব-অনটনের সংসারে চরম আর্থিক সংকটে পড়ায় স্ত্রী দুলিপা পারভীন ও শিশু সন্তান হোসাইনের চাহিদা অনুযায়ী পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে পারেননি। দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতার পাশাপাশি অর্থের অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাদের পরিবারের জন্য প্রায় অসম্ভব ছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণীর সহযোগিতায় এখন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে।
কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. রেজাউল করিম রাজিব জানান, ওই নারী পুষ্টিহীনতার কারণে দুর্বল এবং যৌনাঙ্গের বাইরে একটা ফোঁড়া হয়েছিল। ফোঁড়াটা এখন ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। আর তার শারীরিক পুষ্টির জন্য মাল্টিভিটামিন স্যালাইনসহ অন্যান্য ওষুধ দেওয়া হয়েছে। বাচ্চার চিকেন পক্স হয়ে শরীর ও মুখে সাদা স্পট পড়ে গেছে। যা একটা সময় পর ঠিক হয়ে যাবে। তার জন্য হাসপাতাল থেকেই বিশেষ পুষ্টির দুধ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত মা ও শিশু দুজনই স্বাভাবিক আছে।
অসহায় পরিবারের আকুতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর চিকিৎসার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় এ পরিবারটিতে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন চিকিৎসার মাধ্যমে দুলিপা পারভীন ও তার শিশু সন্তান হোসাইন দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে-এটাই তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা প্রত্যাশা করছেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে আসেন। সফরটি ছিল চার দিনের সরকারি।
এ তথ্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আর্মি ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
জাপানে অবস্থানকালে, তিনি আইচি-নাগোয়া শহরে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও, তিনি বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের খেলা প্রত্যক্ষ করেন এবং তাদের উৎসাহ প্রদান করেন।
এছাড়া, সেনাবাহিনী প্রধান অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার সভাপতি শেখ জোয়ান বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন। তিনি বিভিন্ন দেশের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা সভায়ও অংশগ্রহণ করেন। এই ধরনের উচ্চ পর্যায়ের মত বিনিময় বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সার্বিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক ক্রীড়া পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও সুসংহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সেনাপ্রধান গত ১৬ সেপ্টেম্বর জাপানের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের উদ্দেশ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য এককালীন ১শ’ ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিশেষ বরাদ্দ প্রদান করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা খাতের বিশেষ বরাদ্দ উপখাত থেকে এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারি করা হয়।
এই আদেশে স্বাক্ষর করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ-২ শাখার উপসচিব বিষ্ণুপদ পাল।
সরকারি আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য মোট ১শ’ ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা অবমুক্তির সরকারি মঞ্জুরি প্রদান করা হয়েছে।
বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলনের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ট্রেজারি রুলস (টিআর) ফরম-৩২ অনুযায়ী বিল প্রস্তুত করতে হবে। ওই বিলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।
এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা ও উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিলের বিপরীতে অ্যাকাউন্ট পে চেক বা অ্যাডভাইস ইস্যু করা হবে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা কার্যালয় থেকে ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত ব্যাংক হিসাবে চেকের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হবে। উপজেলা কার্যালয় থেকে পাঠানো অ্যাডভাইসের ভিত্তিতে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর করবে।
এই ব্যয় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটের নির্ধারিত মঞ্জুরি ও সংশ্লিষ্ট হিসাব খাতের বরাদ্দ থেকে মেটানো হবে।
অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০২১ এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন ছাড়া অন্য কোনো কাজে এ অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
সরকারি আদেশে আরও বলা হয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম ঘটলে সংশ্লিষ্ট বিল পরিশোধকারী আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন।
এছাড়া, বরাদ্দ থেকে অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৭ তারিখের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের এ অর্থ অবমুক্তির বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতিও রয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে সম্মতি দেয়। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ