ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শত্রুর চক্রান্ত অঙ্কুরেই বিনাশ করা হবে: আইআরজিসি


শত্রুর চক্রান্ত অঙ্কুরেই বিনাশ করা হবে: আইআরজিসি

ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা বিচ্ছিন্নতাবাদী ও বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কড়া সামরিক অভিযান শুরু করেছে। আইআরজিসির দাবি, মার্কিন সরকার সমর্থিত এই গোষ্ঠীগুলো যাতে নতুন করে দেশজুড়ে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য তাদের অপতৎপরতা অগ্রিম আঘাত করে অঙ্কুরেই বিনষ্ট করা হচ্ছে।

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে জানান, গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারির প্রাণঘাতী বিক্ষোভের মতো ইরানে নতুন করে সহিংসতা উসকে দেওয়ার একটি ‘শত্রুভাবাপন্ন পরিকল্পনা’ নিয়ে তেহরান পুরোপুরি সতর্ক রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাসিত সংগঠন মোজাহেদীন-ই-খালকসহ বিভিন্ন সরকারবিরোধী গোষ্ঠী পুনর্গঠিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মোহেব্বি জোর দিয়ে বলেন, তারা দেশের সীমান্তে প্রবেশ করার আগেই উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তাদের চক্রান্ত অঙ্কুরেই উপড়ে ফেলা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

জেনারেল মোহেব্বি আরও বলেন, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতের কারণে সেখানে সামরিক নজর নিবদ্ধ থাকলেও, ইরান অন্য কোনো নিরাপত্তা হুমকির ক্ষেত্রে অন্ধ বা অসচেতন হয়ে পড়েনি। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আইআরজিসি সর্বদা সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ইরানে গত শীতকালীন আন্দোলন (ডিসেম্বর-জানুয়ারি) চলাকালে কুর্দি মধ্যস্থতাকারীদের সাহায্যে বিক্ষোভরত ইরানিদের কাছে গোপনে অস্ত্র পাঠানোর চেষ্টা করেছিল ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও পরবর্তীতে এক বক্তব্যে বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক দশক পর চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে চায়না ইকোনমিক জোনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


এক দশক পর চট্টগ্রামে শুরু হচ্ছে চায়না ইকোনমিক জোনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম

চট্টগ্রাম, ২৬ জুলাই, ২০২৬ : এক দশকেরও বেশি সময় ধরে স্থবির থাকার পর চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) নির্মাণ কাজ। আগামীকাল সোমবার (২৭ জুলাই) প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগভিত্তিক শিল্পাঞ্চল বাস্তবায়নের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০১৪ সালে এ প্রকল্পের জন্য সমঝোতা স্মারক সই করে বাংলাদেশ ও চীন। জমি অধিগ্রহণ সফলভাবে সম্পন্ন হয় ২০১৬ সালে। তবে ডেভেলপার নিয়োগ, অর্থায়ন চূড়ান্তকরণ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। গত ২২ থেকে ২৬ জুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরের পর প্রকল্পটিতে নতুন গতি এসেছে। সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই হয়েছে। এর পর ২৫ জুন বেজা ও চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চলটির ডেভেলপার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর আগের ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

কর্ণফুলী নদীর মোহনায় আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠবে এই অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল। চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে শিল্পায়নের যে স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে লালিত হয়ে আসছিল, এবার তা বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। প্রতীক্ষিত ‘বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল (চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন)’ এর উদ্বোধনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলতে যাচ্ছে।

কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভৌগোলিক নৈকট্যের ফলে আনোয়ারা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম কৌশলগত শিল্প হাবে পরিণত হচ্ছে। প্রকল্পটি শুধু একটি শিল্পাঞ্চল নয়, এটি এই অঞ্চলের কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং জীবনযাত্রার মান পরিবর্তনের চাবিকাঠি।

প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন প্রমুখ। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) জানায়, আনোয়ারা উপজেলার কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থাপনায় এই অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ডেভেলপার চুক্তি স্বাক্ষরের পর মূল অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হবে।

কর্ণফুলী টানেল থেকে মাত্র চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের প্রেফারেন্সিয়াল বায়ার্স ক্রেডিট (পিবিসি) ঋণ থেকে আসবে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

এই প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হবে এক হাজার ২৩৫ মিটার দীর্ঘ জেটি লিংক সড়ক, এক হাজার ১৮১ মিটার দীর্ঘ প্রধান সড়ক, ২০ হাজার ৩০৪ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার পানি সংরক্ষণাগার, ৪.২৪ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস ট্রান্সমিশন লাইন ও ডিস্ট্রিক্ট রেগুলেটিং স্টেশন, ২৫ এমএলডি ক্ষমতাসম্পন্ন সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি), ২০ হাজার ডেডওয়েট টন ধারণক্ষমতার বহুমুখী জেটি, দৈনিক ৬০ টন সক্ষমতার সলিড ওয়েস্ট কালেকশন স্টেশন, প্রায় ১২ কিলোমিটার বাউন্ডারি ওয়াল এবং দুটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন।

বেজার তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে অন্তত এক লাখ মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ উঠে আসবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কেমিক্যাল, অটোমোবাইল অ্যাসেম্বলি, গার্মেন্টস, ওষুধসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিক হাব গড়ে উঠবে এবং সরকারের প্রত্যাশা হচ্ছে যে, এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) সভাপতি আমিরুল হক জানান, বিশেষায়িত এই অর্থনৈতিক অঞ্চল চীনা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি উল্লেখ করেন, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:১৬ এম


তিস্তার ভাঙন রোধে কাজ শুরু করেছে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড

 জেলার ডিমলা উপজেলায় ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনরোধে কাজ শুরু করেছে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ভাঙনকবলিত এলাকায় ফেলানো হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ জিও ব্যাগ ও ৮০০ মিটার জিও টিউব। আজ রোববারের বিকেলে এসব তথ্য জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র।

উজানের ঢলে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনের মুখে পড়েছে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চার গ্রাম। গত পাঁচদিনের অব্যাহত ভাঙনে এসব গ্রামের শতাধিক পরিবার হারিয়েছে ঘর-বাড়ি। অসহায় পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছে তিস্তার বাধসহ বিভিন্নস্থানে।

আজ রোববার দুপুরে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের নয় নম্বর ওয়াডের সদস্য (মেম্বার) নুর হোসেন জানান, গত পাঁচদিন ধরে ইউনিয়নের ভেণ্ডাবাড়ি, পূর্ব ছাতুনামা, পশ্চিম ছাতুনামা ও কেল্লাপাড়া গ্রামে ভয়াবহ ভাঙন চলছে।

অব্যাহত ভাঙনে গত বুধবার ২২টি, বৃহস্পতিবার ৬০টি ও শুক্রবার ১৫ পরিবারের বসতভিটা হারানোর তথ্য পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার ও আজ রোববারও ভেঙেছে।

এতে করে গত পাঁচদিনে বসতভিটা হারানো পরিবারের সংখ্যা ১০০ পার হবে। ভাঙন ও জলমগ্নতায় এসব গ্রামের ৫০০ একর ফসলি জমি নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বাধসহ পাশ্ববর্তী এলাকার বিভিন্নস্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি বলেন, ভাঙনরোধে গতকাল শনিবার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আজ রোববার কাজ অব্যাহত থাকায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকার মানুষের মধ্যে।

এলাকাবাসী জানান, উজানের ঢলে গত বুধবার থেকে ওই চার গ্রাম প্রবল ভাঙন শুরু হয়। নদীর পানি কমলেও ভাঙন অব্যাহত আছে। পাঁচদিনে অব্যাহত ভাঙনে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। তাদের দাবি নদীর গতিপথ ডানতীরে সরে আসায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ভাঙনের শিকার হয়ে তিস্তার বাধে আশ্রিত ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের পূর্ব ছাতুনামা গ্রামের গৃহিনী আনোয়ারা বেগম (২৭) বলেন, নদী ভাঙতে ভাঙতে খেয়ে ফেলেছে আমাদের ভিটেমাটি। কোনোভাবে ঘরের চাল খুলে এনে এখানে আশ্রয় নিয়েছি। চুলা জ্বালাতে পারছি না, বাচ্চাদের মুড়ি, চিড়া, বিস্কুট খাওয়াচ্ছি।

ভেণ্ডাবাড়ি গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম (৫৬) বলেন, প্রতিবছর নদীভাঙনে ভিটেমাটিসহ কৃষিজমি নদীতে হারাচ্ছি আমরা। তবে এবারের ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। নদী ভাঙনে ১২ বিঘা কৃষি জমি হারিয়ে এখন আমি পথে বসেছি।

কেল্লাপাড়া গ্রামের কৃষক মমিনুর রহমান (৬৫) বলেন, নদীতে বন্যা আসলেই ঘর-বাড়ি, জমিজমা নদীতে চলে যাচ্ছে, এবারও তাই হয়েছে। কতবার নতুন করে ঘর করেছি, তার হিসাব নেই।

ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী বাসসকে জানান, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে ১৩ মেট্রিকটন চাল শুকনো পাওয়া গেছে। যা বন্যা কবলিত মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বাসসকে বলেন, তিস্তার যে ভাঙন দেখা দিয়েছে সেটি নদীর চর গ্রামে। সময়ে সময়ে নদীর পানির গতিপথ পরিবর্তন হয়। এর আগে উজানে বাইশপুকুর এলাকায় ভাঙনরোধে কিছু কাজ করায় এবার পানির গতি কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। ফলে ভাটিতে জেগেউঠা চরে পানি আঘাত করেছে। সেটি রক্ষায় ২৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ৪ হাজার ৫০০ জিও ব্যাগ ৮০০ মিটার জিও টিউব ফেলানো হচ্ছে।

গতকাল শনিবার কাজ শুরু করে আজ রোববার দিনব্যাপী চলেছে। এতে করে ভাঙনরোধের কাজ অনেটাই এগিয়েছে। এখন সেটিকে টেকসই করার জন্য আরও অন্তত ১০ দিন কাজ চলবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জঙ্গল সলিমপুর

সীতাকুণ্ডে যৌথবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পের পানির লাইনে বিষ মেশানোর অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


সীতাকুণ্ডে যৌথবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পের পানির লাইনে বিষ মেশানোর অভিযোগ

 ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত হতে পানির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা পানি পান করতে গিয়ে দুর্গন্ধ ও পানিতে সাদা ফেনা দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় তারা তাৎক্ষণিকভাবে পানি পান করা থেকে বিরত থাকেন। পরে পানির সরবরাহ লাইনের ট্যাংক খুলে সেখানেও ফেনা দেখতে পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পানির নমুনা সংগ্রহ করেন। পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পানির সরবরাহ লাইনের কাছাকাছি এলাকা থেকে বিষের একটি খালি কৌটাও উদ্ধার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, তীব্র দুর্গন্ধ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ফসলের ক্ষেতে ব্যবহৃত কোনো কীটনাশক পানিতে মেশানো হতে পারে। পুরো সরবরাহ লাইনে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত ও অন্তর্ঘাতমূলক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, সময়মতো বিষয়টি শনাক্ত হওয়ায় ক্যাম্পের কোনো পুলিশ সদস্য ওই পানি পান করেননি।

প্রসঙ্গত, জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে। পাহাড় কেটে সরকারি জমি দখল ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এলাকাটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে।

এর আগে, বিভিন্ন সময়ে ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সন্ত্রাসীদের হামলায় র‌্যাবের এক কর্মকর্তার মৃত্যুর পর সেখানে যৌথবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রিড নেটওয়ার্ককে শক্তিশালীকরণের জন্য শাটডাউন ঘোষণা রংপুর-কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫১ এম


গ্রিড নেটওয়ার্ককে শক্তিশালীকরণের জন্য শাটডাউন ঘোষণা  রংপুর-কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের

গ্রিড নেটওয়ার্ককে শক্তিশালীকরণের জন্য প্রকল্পের আওতাভুক্ত নির্মাণ কাজ পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) রংপুর-কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের তিনটি ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনের জন্য পৃথক ও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শাটডাউন ঘোষণা করেছে। এর ফলে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে এবং আংশিক লোডশেডিং হতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) পিজিসিবির প্রকল্প পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি জরুরি অফিস আদেশের মাধ্যমে শাটডাউনের বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

এই আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, রংপুর ২৩০/১৩২ কেভি জিআইএস গ্রিড উপকেন্দ্র এলাকায় সিভিল নির্মাণকাজ চলছে। কাজটি নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মোট ১৫ ঘণ্টা সময় ধরে রংপুর-লালমনিরহাট ১৩২ কেভি এবং রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সার্কিট-১ সঞ্চালন লাইন বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে, বুধবার (২৯ জুলাই) থেকে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন শাটডাউনে থাকবে।

জরুরি ওই আদেশে আরও জানানো হয়েছে, শাটডাউন চলাকালে নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)-এর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারসমূহের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে আংশিক লোডশেডিং হতে পারে। তবে নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বিকল্প উৎস বা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ গ্রহণের সুযোগ থাকলে, প্রয়োজন ও চাহিদার আলোকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোগত প্রকল্পের নির্মাণকাজ নির্বিঘ্নে শেষ করতে গ্রাহক, সাধারণ জনগণ ও জনপ্রতিনিধিদের আগাম অবহিতকরণ এবং প্রয়োজনে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নেসকোর সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে পিজিসিবি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%