ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক


জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

কেরানীগঞ্জের বিশেষ কারাগার থেকে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল সোয়া চারটার দিকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানিয়েছেন।

খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বজিৎ হত্যা মামলার আপিলের চূড়ান্ত শুনানি ৮ ডিসেম্বর

গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মূলত এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা রয়েছে। সব মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

মোট নয়টির মধ্যে বনানী থানার মামলায় ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খায়রুল হক। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন। এর ফলে এই মামলায়ও তার জামিন বহাল থাকে এবং এইভাবে তার মুক্তির পথ খোলে।

আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানিয়েছেন, বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে ধানমন্ডির বাসায় যাবেন।

খায়রুল হকের আইনজীবীর তথ্য অনুসারে, পৃথক ছয় মামলায় জামিন পাওয়ার পর পুনরায় নতুন করে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৭ মে হাইকোর্ট রুল দিয়ে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষ এই আদেশ স্থগিত করার জন্য আবেদন ও লিভ টু আপিল করে। লিভ টু আপিলের নিষ্পত্তি করে ৯ আগস্ট আপিল বিভাগ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: সার ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ঘোষণা আইনমন্ত্রীর

আপিল বিভাগের আদেশে এ বিষয় সংক্রান্ত রুল দ্রুত হাইকোর্টে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের অনুমতি ছাড়া খায়রুল হক দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি হওয়ায় সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ তার ক্ষেত্রে বহাল রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসার টিকিয়ে রাখতে সাড়ে ৫ বছর অপেক্ষা করেছি: অভিনেত্রী মীম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


সংসার টিকিয়ে রাখতে সাড়ে ৫ বছর অপেক্ষা করেছি: অভিনেত্রী মীম

এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী সাবরিনা সাকা মীম। ২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর তিনি পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ডা. শাহরিয়ার আহমেদ সজিবের সঙ্গে। বিয়ের পর একটি সময়ে অভিনয় ছাড়েন তিনি। কিন্তু সাড়ে পাঁচ বছর সংসার করার পর ২০১৮ সালের ৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন মীম।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে মীম এই তথ্য জানিয়েছেন।

সংসার ভাঙার প্রসঙ্গে মীম বলেন, "মানুষের জীবন মানুষের হাতে লেখা না, যেটি আমি বিশ্বাস করি। আমি বিয়ে করেছি, অন্যসব মেয়ে যেমন চিন্তা করে বিয়ে করেন, আমিও তাই করেছি। সব সুন্দরমত চলবে, সেই চেষ্টাও ছিল আমার। নিশ্চয়ই আমার সঙ্গীরও সেই চেষ্টা ছিল। কিন্তু কোনো কারণে টিকল না সংসারটা।"

নব্বই দশকে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন মীম। চমৎকার অভিনয় দক্ষতা প্রদর্শন করে নাট্যাঙ্গনে শক্ত অবস্থানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর পারিবারিক আয়োজনে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পরে শোবিজ ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। কারণ, শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের আপত্তি ছিল তার অভিনয় চালিয়ে যাওয়ার প্রতি।

অনুষ্ঠানে সংসার ভাঙার কারণ নিয়ে মীম আরও বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আপনি হয়তো গান পছন্দ করেন, আরেকজন গান নাই পছন্দ করতে পারে। আমি অভিনয় পছন্দ করি, আরেকজনের অভিনয় ভালো নাও লাগতে পারে। এসব আসলে কোনো বিষয় নয়। আরও নানা ইস্যু ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেসব খারাপের দিকে যাচ্ছিল।"

মীম আরও মন্তব্য করেন, "কাউকে দোষারোপ করব না। হয়তো আমারও দোষ রয়েছে, হয়তো তার (স্বামী) রয়েছে, যার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল আমার। আমি যখন বুঝতে পারলাম যে, এটি হচ্ছে না। সাড়ে ৫ বছর অপেক্ষা করেছি। কেননা, কখনো যেন মনে না হয় যে, সংসারটি টিকিয়ে রাখার জন্য আমি চেষ্টা করিনি। ২০১৮ সালের ৭ জুন, বিচ্ছেদের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করি।"

বিচ্ছেদের পর সম্পর্কের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন তিনি। এই কারণে গত ৯ বছরে পুনরায় সংসার বাঁধার সাহসও করেননি বলে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, শৈশবে গানের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শোবিজে ডেবিউ করলেও ১৯৯২ সালে বিটিভির নাটকে অভিনয় শুরু করেন মীম। প্রাপ্ত বয়সে এসে নাটকের প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করতে শুরু করেন। দীর্ঘ দেড় যুগের মতো শোবিজে কাজ করার পর নিজেকে আড়াল করেন তিনি। সবশেষ ২০১২ সালে নাটকে দেখা যায় তাকে। পরবর্তীতে নিউজ প্রেজেন্টার হিসেবে কাজ করলেও আর অভিনয়ে ফিরেননি এ অভিনেত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যাক্সওয়েল আবার বাবা হয়েছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ পি.এম


ম্যাক্সওয়েল আবার বাবা হয়েছেন

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছিলেন। এবার তার পরিবারে কন্যা সন্তানের অভ্যুদয় ঘটেছে। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে মাইয়া ম্যাক্সওয়েল।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নবজাতক কন্যার একটি ছবি পোস্ট করে সুখবরটি জানিয়েছেন ম্যাক্সওয়েল এবং ভিনি।

ছবির সঙ্গে তারা উল্লেখ করেছেন, ‘আমাদের স্বপ্নের মেয়েটি এসেছে, মাইয়া ম্যাক্সওয়েল।’ খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পরে সাবেক ক্রিকেটার, বিভিন্ন ক্রিকেট দল, পরিবারের সদস্য ও ভক্তদের শুভেচ্ছা বানের মতো তাদের কাছে পৌঁছে যায়।

ম্যাক্সওয়েল এবং ভিনির পরিচয় ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে ঘটে। প্রথমে তাদের বন্ধুত্ব তৈরি হলেও পরে সেই সম্পর্ক ভালোবাসায় পরিণত হয়। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এর পর, ২০২২ সালের ২৭ মাসে তারা মেলবোর্নে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন।

ম্যাক্সওয়েল ২০২৫ সালের জুনে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নেবেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১৪৯ ওয়ানডেতে তার অর্জন ৩ হাজার ৯৯০ রান এবং ৭৭ উইকেট। তিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২০১৫ ও ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন।

বিশেষ করে ২০২৩ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে তার অবিশ্বাস্য অপরাজিত ২০১ রানের ইনিংস ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। মুম্বাইয়ে সেই ম্যাচে তিনি তীব্র ক্র্যাম্পে ভুগলেও একাই অস্ট্রেলিয়াকে জয়লাভের বন্দরে পৌঁছে দেন। এখন তিনি ক্রিকেটের মাঠের বাইরে জীবনের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি উপভোগ করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভালুকার মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলারের আধিপত্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


ভালুকার মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলারের আধিপত্য

ময়মনসিংহের ভালুকায় আইন রয়েছে, আদালতও রয়েছে, আর আছে হাইওয়ে পুলিশও। কিন্তু সেখানে আইনটির প্রয়োগ নেই। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা অংশে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবেই অটোরিকশার চাকার বাতাসের মধ্যে উড়তে দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের মতে, এটি একটি মরণফাঁদ এবং 'গলার কাঁটা', আর সেই প্রভাবশালী চক্রের কাছে এটি লাখ লাখ টাকার ‘মাসোহারা বাণিজ্য’ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। এই চক্রের সাথে অভিযোগ উঠেছে ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এরও জড়িত থাকার। তবে অভিযুক্ত ওসির কাছে ভিন্ন অজুহাত রয়েছে।

অনুসন্ধান থেকে জানা যাচ্ছে, উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা যেন শুধুমাত্র কাগজে লেখা। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকায়, হাইওয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে হাজার হাজার অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এতে প্রতি দিনই রক্ত ঝরছে পিচঢালা রাস্তায়, প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে; এবং তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তীব্র যানজট। স্থানীয়দের কাছে এগুলো 'গলার কাঁটা' হিসেবে পরিচিত, কিন্তু একটি প্রভাবশালী চক্রের কাছে এটা লাখ লাখ টাকার 'মাসোহারা' উৎসব। স্থানীয় চালকদের অভিযোগ, একটি চক্র গাড়ি প্রতি ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করছে। তাদের অভিযোগ, ওই চক্রের সাথে ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি খোর্শেদ আলম জড়িত রয়েছেন। তবে চক্রের ভয়ে ভুক্তভোগী চালকরা মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন।

আবুল কালাম নামের একজন পথচারী জানিয়েছেন, ভালুকার মহাসড়কে ধীরগতির অবৈধ যানের উপস্থিতি এবং উল্টো পথে চলাচল দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হয়ে উঠছে। শুধু দুর্ঘটনা নয়, এসব ধীরগতির যান ওই এলাকার বাসস্ট্যান্ড, ভরাডোবা ও স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি করছে। অবৈধ যানবাহনের দীর্ঘ সারি দূরপাল্লার যোগাযোগকে স্থবির করে দিচ্ছে। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের যাতায়াতের সময় এই পরিস্থিতির ভোগান্তি চরমে পৌঁছাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন চালক আরটিভিকে জানিয়েছেন, মহাসড়কে চলতে গেলে তাদের বিশাল পরিমাণে চাঁদা দিতে হয়। চালকদের দাবি, প্রতিমাসে প্রতিটি গাড়ি থেকে দেড় হাজার থেকে তিন হাজার টাকা 'মাসোহারা' দিতে হয়। মাসোহারা দিলেই মেলে অলিখিত হাইওয়ে পার্মিট বা নিবন্ধন। পুলিশ ধরলেও এই প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে মাসোহারা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে, তাদের নাম বললেই সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেয়।

চালকরা জানান, ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি সকল কিছু জানেন। যদি ওসি বলেন যে মহাসড়কে অটোরিকশা চলবে না, তবে ভালুকায় কারো পক্ষেই অটোরিকশা চালানো সম্ভব নয়। এখন হাইওয়ে পুলিশ চলতে বা চালানোর জন্য সুযোগ দেয়, সবাই যেভাবে চালায়, আমরাও সেভাবে চালাচ্ছি।

উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মহাসড়কে কেন এসব অবৈধ যান চলছে— এমন প্রশ্নে স্থানীয়রা বলেন, হাইওয়ে পুলিশের উদাসীনতা এবং মাসোহারা বাণিজ্যের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে না এলে ভালুকা অংশে রক্তক্ষরণ থামানো সম্ভব নয়। মহাসড়ক নিরাপদ করতে অবিলম্বে এই অবৈধ 'মাসোহারা বাণিজ্য' বন্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।

তবে 'মাসোহারা বাণিজ্য' অভিযোগ অস্বীকার করে ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ওসি খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মহাসড়কে যেকোনো ধরনের থ্রি-হুইলার বা ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু ভালুকা যেহেতু একটি বড় শিল্পাঞ্চল, এখানে লাখ লাখ শ্রমিকের যাতায়াত রয়েছে। মহাসড়কের পাশে কারখানার শ্রমিকরা এই অটোরিকশাগুলোতে চলাচল করছেন। তবে যথেষ্ট বিকল্প গণপরিবহন না থাকার কারণে এসব থ্রি-হুইলার মহাসড়ক দখল করে নিয়েছে। তবে এসব যানের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরুরি ভিত্তিতে দরপত্র ছাড়াই ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


জরুরি ভিত্তিতে দরপত্র ছাড়াই ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন এবং জনস্বার্থে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার উন্মুক্ত দরপতন ছাড়াই ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই এলএনজি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কেনা হবে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন ও জনস্বার্থে দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে সাতটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মোট ১৪ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গ্যাস দুই কার্গো পরিমাণে কেনা হবে।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা অনুসারে এসব গ্যাস কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন ২০০৬-এর ৬৮ ধারা এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালা ২০২৫-এর ১০৭, ৯৭ ও ৯৮ বিধি অনুসরণ করা হবে।

বৈঠকে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%