বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২১ পি.এম
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : অবৈধ মোবাইল ফোন উৎপাদন, চোরাচালান এবং অনুমোদনহীন বিক্রির মাধ্যমে সরকার প্রতি বছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি রোধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এ লক্ষ্যে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে জাতীয় যন্ত্রপাতি শনাক্তকরণ নিবন্ধন ব্যবস্থা (এনইআইআর) পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত করা এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় (এমএফএস) জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মূল্যায়নের ভিত্তিতে, অবৈধ মোবাইল ফোনের কারণে সরকার প্রতি বছর প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। বিটিআরসির কমিশন সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্রে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিকল্পনার প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল কার্যক্রমগুলো কার্যকর করা হবে। তবে, এই পর্যায়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে না। বর্তমানে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকা হ্যান্ডসেটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। পাশাপাশি অনুমোদিত আমদানিকারক ও দেশীয় উৎপাদকদের কাছে অবিক্রিত হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বরের তথ্যও এই ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিদেশ থেকে আনা অবৈধ, চোরাচালানের মাধ্যমে প্রবেশ করা এবং শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাত করা হ্যান্ডসেট শনাক্ত করে বন্ধ করার ব্যবস্থাও থাকবে।
দ্বিতীয় ধাপে উপযুক্ত সময়ে হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর মাধ্যমে ফোনের মালিকানা যাচাই, ক্লোন হ্যান্ডসেট শনাক্ত এবং আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিটিআরসির কমিশন সভায় সংস্থাটির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট (এসএম) বিভাগের মহাপরিচালক এনইআইআর পুনরায় চালুর বিষয়ে বিস্তারিত কার্যপত্র উপস্থাপন করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পর তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে অবৈধভাবে আমদানি করা ফোন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা এবং ক্লোন হ্যান্ডসেট প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো চালু করা হয়নি। ফলে এনইআইআর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করবে বিটিআরসির এসএম বিভাগ। দুই ধাপে ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সরকারের পূর্বানুমোদন পেতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
রাজস্ব ফাঁকি রোধ, টেলিযোগাযোগ খাতের শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর তাগিদ দিয়ে আসছে। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর এনবিআর অবৈধ হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে বিটিআরসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়। পরে ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এ ব্যবস্থা পুনরায় চালুর পরিকল্পনায় প্রাথমিক অনুমোদন দেয়।
২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় দেশের সব নেটওয়ার্কে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর নির্দেশনা দেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি থাকলেও জনভোগান্তি এড়ানোর কথা বিবেচনায় নিয়ে ফোন বন্ধ করার গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমগুলো কার্যকর করা হয়নি।
২০২৬ সালের ৯ জুন নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আনুষ্ঠানিক চিঠিতে অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় তুলে ধরে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা জানায়। একই বছরের ২ জুলাই আইএমইআই, সিম নিবন্ধন এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির ঝুঁকি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়ও ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর সুপারিশ করা হয়।
সর্বশেষ গত ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর সুপারিশ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, অনিবন্ধিত, চোরাই ও ক্লোন হ্যান্ডসেট সংঘবদ্ধ অপরাধ, মোবাইল ফোন চুরি এবং মোবাইল আর্থিক সেবায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি যন্ত্রের পরিচয় ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এনইআইআর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
এদিকে, ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শুধুমাত্র দ্বিতীয় প্রজন্মের (২জি) নেটওয়ার্ক-সমর্থিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধে পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাও বিটিআরসি অনুমোদন করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় এ ধরনের ফোনের অনুমোদন, উৎপাদন, আমদানি ও বাজারজাতকরণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়ায় বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলিসহ মো. রিদুয়ান (২৪) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে গর্জনিয়া বটতলী স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
রিদুয়ান গর্জনিয়ার পশ্চিম বোমাংখিল গ্রামের নুরুল আমিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রামু থানার গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মো. আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে এই অভিযানে রিদুয়ানকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে রিদুয়ানের বড় ভাই মো. সোহেলের বসতবাড়ি থেকে এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই ঘটনার পর থেকে সোহেল বিদেশে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক মো. আনিছুর রহমান বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই যুবককে আটক করা হয়েছে। এসময় তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে ফজলুল হক জানান, এ ঘটনায় নিয়মিত মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ৫৩৪ জনকে আটক করেছে। আটকদের বিরুদ্ধে ৩৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানান।
ডিএমপি জানায়, অভিযানের সময় রমনা বিভাগ থেকে ২৩ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৫৩ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৮০ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৯৫ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৫২ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৩০ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৩৩ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন এক কেজি গাঁজা, এক হাজার ৫০৬ ইয়াবা, চারটি মোবাইলফোন, চারটি চাকু এবং একজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একটি ট্রাকের চাপায় মুরগিবাহী ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানের এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ভ্যানচালকও।
নিহত ব্যক্তির নাম শামীম, যিনি ৩৫ বছর বয়সী। আহত ভ্যানচালকের নাম রাসেল, যার বয়স ২০ বছর। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিজানুর রহমান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ভোরের দিকে কাপ্তান বাজার থেকে মুরগি কিনে মুরগি ব্যবসায়ীর সহকারী শামীম ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে যাচ্ছিলেন। যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একটি ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শামীমের মৃত্যু ঘটে এবং ভ্যানচালক রাসেল আহত হন।
পরে আহত রাসেলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শামীমের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
এসআই মো. মিজানুর রহমান আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক পালিয়ে গেছেন।
ফ্রান্সের দাঙ্গা ও ভারতের বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা : রিপোর্ট
নিহত শামীম পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার পূর্ব টিয়াখালী গ্রামের শাহজাহানের ছেলে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট মুরগি ব্যবসায়ী ঘটনাস্থল থেকে তার মুরগিগুলো নিয়ে যান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাকে ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আরোপিত সবচেয়ে বড় আর্থিক দণ্ডগুলোর মধ্যে একটি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিচারক ফ্রান্সিস ম্যাথিউ এ আদেশ প্রদান করেন। এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে জুরিরা দেখতে পান যে, ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা ও ক্ষতিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে মেটা এবং এর কর্মকর্তাদের দেওয়া ২৯টি বক্তব্যের মধ্যে ২৬টি বিভ্রান্তিকর ছিল। রায়ে উল্লেখ করা হয় যে, এতে অঙ্গরাজ্যটির ভোক্তা সুরক্ষা আইন ৪ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি বার লঙ্ঘিত হয়েছে।
ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারির সূত্র ধরে মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, ব্রিটিশ রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা তৃতীয় পক্ষের একটি অ্যাপের মাধ্যমে ফেসবুকের প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেছিল। এই তথ্য ব্যবহার করে ভোটারদের সম্পর্কে বিশ্লেষণ এবং লক্ষ্যভিত্তিক রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারশিবিরও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
২০২১ সালে নিউ মেক্সিকো মেটার বিরুদ্ধে মামলা করে। অঙ্গরাজ্যটির অভিযোগ ছিল যে, ব্যবহারকারীদের তথ্য কারা পাচ্ছে এবং ফেসবুকে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ও ভুল তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে প্রতিষ্ঠানটি কী পদক্ষেপ নিচ্ছে—এসব বিষয়ে মেটা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছে।
বিচারক প্রথমে আইন অনুযায়ী ২১৯ বিলিয়ন ডলারের বেশি জরিমানার হিসাব করেছিলেন, তবে পরে তা কমিয়ে ২৫ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করেন।
তবে, মেটা এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এ ধরনের রায় অঙ্গরাজ্যটিতে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন করে তুলবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ