বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:১৫ পি.এম
অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের বিভিন্ন জেলায় সৃষ্ট ও সম্ভাব্য আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হানের স্বাক্ষর করা একটি অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, গতকাল ৮ জুলাই থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাজধানীর গ্রীন রোডে পানি ভবনের দ্বিতীয় তলায় কেন্দ্রটির কার্যালয়ে দিনরাত কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে।
এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে।
এর জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া, ffwcbwdb@gmail.com এবং ffwc05@yahoo.com ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের বলেশ্বর নদের মাঝেরচরে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় লোকালয় এবং ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে।
গত তিন দিন ধরে ভারী বর্ষণ এবং জোয়ারের পানির চাপে চরের ঘাটসংলগ্ন বেড়িবাঁধের ৪০ থেকে ৫০ ফুট অংশ ভেঙে গিয়েছে। এতে করে চরের প্রায় ১০০ একর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, উপজেলার বেতমোর রাজপাড়া ইউনিয়নের মাঝেরচরে ২২০টি পরিবার বসবাস করে। তাদের প্রধান পেশা কৃষিকাজ ও মাছ ধরা। বন্যা এবং জোয়ারের পানি থেকে চরের কৃষিজমি রক্ষার জন্য এই বেড়িবাঁধটি নির্মাণ করা হয়েছিল। हाल ही में বলেশ্বর নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির চাপে ঘাটসংলগ্ন বেড়িবাঁধের ৪০ থেকে ৫০ ফুট অংশ ভেঙে যায়। এর ফলে চরের ভেতরে পানি ঢুকে ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পাশাপাশি চরের অনেক বাসিন্দা দুটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
মাঝেরচর এলাকার সিপিপির সদস্য হালিম মোল্লা জানান, বলেশ্বর নদের পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে দুই থেকে তিন ফুট বেড়ে গেছে। এতে কিছু বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর ইউনিয়নের প্রশাসক মো. মোজাম্মেল হক জানান, বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি তারা জেনে গেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেইসাথে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নড়াইল জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের যাকাতের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা কার্যালয়ের সভাকক্ষে একটি অনুষ্ঠানে অসহায়, গরিব ও দুস্থদের মাঝে এসব চেক বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবু বাকির রিয়াজুল হকের সভাপতিত্বে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টি.এম. রাহসিন কবির।
এ সময় জেলা মডেল মসজিদের ঈমাম হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ এবং সুবিধাভোগী ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্রে জানা যায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতি অর্থবছরে যাকাত তহবিলের আওতায় অসহায়, গরিব ও দুস্থ মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।
এবারের উদ্যোগের মাধ্যমে ৬১ জন নারী ও পুরুষ সুবিধাভোগীকে ৪ লাখ ৮৭ হাজার ৭৫২ টাকা সমমূল্যের যাকাতের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবু বাকির রিয়াজুল হক বলেন, যাকাত অর্থ সহায়তা নয়, বরং এটি দারিদ্র্য বিমোচনের একটি কার্যকর হাতিয়ার।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন দীর্ঘকাল ধরে এই মহৎ উদ্যোগ পরিচালনা করছে, যা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক। সঠিকভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা করা গেলে দেশের দরিদ্র জনগণের জীবনমান উন্নয়ন সম্ভব হবে।
যাকাতের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ধারাবাহিকভাবে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। সুবিধাভোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করা হয়, যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন সামাজিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
এই অনুষ্ঠানে ঈমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ৬ জনকে সুদমুক্ত লোন হিসেবে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতকানিয়ায় সাঙ্গু নদীর পানিতে পড়ে আবদুল আলম (৩৫) নামের এক যুবদল কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটার দিকে উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের বিওসির মোড় সওদাগর পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ যুবদল কর্মী কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাছনি বরবাড়ী এলাকার বাসিন্দা। তিনি দুই সন্তানের বাবা।
গতকাল বুধবার ভোরে তিনি নদীতে ভেসে আসা কাঠ সংগ্রহ করতে নৌকা নিয়ে নদীতে গিয়েছিলেন, এ বিষয়ে স্থানীয় কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জসীম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ যুবদল কর্মীর বড় ভাই নুরুল আলম সংবাদে বলেন, আবদুল আলমসহ চার বন্ধু ভোরে নৌকা নিয়ে সাঙ্গু নদীতে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। সকাল আটটার দিকে তার দুই বন্ধু এসে জানান, কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়ে অসাবধানবশত তিনি নদীর পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন। এরপর নৌকায় থাকা অন্য তিনজন খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন জানায়, সাঙ্গু নদের পানি বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে গ্রামীণ সড়কসহ বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, যুবদল কর্মী নিখোঁজের খবর শুনেছি। তাকে উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) প্রফেসর ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ৫ বছর কাটাতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।
এই কর্মসূচির অংশ হিসাবে কেবি হাই স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো, এই দেশটিকে সবুজ এবং বসবাসযোগ্য করে তুলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু করে যাওয়ার অংশ হিসেবে এই বৃক্ষরোপণের কাজ করা।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাকৃবি'র উদ্যোগে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া নিজে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি করে গাছ লাগানো ও পরিচর্যায় আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হক, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. জি.এম. মুজিবুর রহমান এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. আবদুল আলীম।
এ সময় কে.বি. হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার এবং রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দিন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ অতিথিবৃন্দ বৃক্ষরোপণের সুফল ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার বলেন, বর্তমান সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ