শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:০০ পি.এম
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করার জন্য, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং পুলিশের দীর্ঘমেয়াদী যানবাহন সংকট সমাধানের লক্ষ্যে সরকার ৫ হাজার ৮৩০টি নতুন যানবাহন ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ৬০৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার দুটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে।
পরিকল্পনা কমিশনে আগামী ২৫ অক্টোবর (রোববার) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্প দুটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন একনেক চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রস্তাবিত মোট ব্যয়ের মধ্যে ৪ হাজার ৮২৯টি অপারেশনাল (ডিউটি) যানবাহন কেনার জন্য ৪ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা ব্যয় হবে। অন্যদিকে, ১ হাজার ১টি বিশেষায়িত যানবাহন ক্রয়ের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২৮০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রকল্প দুটি অক্টোবর ২০২৬ থেকে জুন ২০২৯ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত হয়েছে।
পুলিশের বিদ্যমান যানবাহনের ঘাটতির পটভূমিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্প প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের ৬৩৯টি থানায় ১ লাখ ৪৭ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা পাহারা দেওয়ার জন্য বর্তমানে মাত্র ১ হাজার ২৩৭টি সচল যানবাহন রয়েছে। এই হিসাবে প্রতিটি থানায় গড়ে দুটি যানবাহনও নেই। তাছাড়া, বিদ্যমান যানবাহনের প্রায় ৬৪ শতাংশই ১০ বছরের বেশি পুরোনো। ফলে নিয়মিত টহল বজায় রাখা, জরুরি সাড়া প্রদান ও দ্রুত ফোর্স মোতায়েনের ক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনী নানা জটিলতায় পড়ছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিশেষায়িত যানবাহন প্রকল্পের আওতায় কেনা হবে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ যান, দুর্গম এলাকায় চলাচলের উপযোগী বিশেষ গাড়ি, ভ্রাম্যমাণ কমান্ড সেন্টার এবং অপরাধস্থল পরিদর্শনের ভ্যান। এছাড়া, নৌপথের নিরাপত্তা, টহল ও উদ্ধারকাজে গতি আনতে স্পিডবোট ও দেশীয় জলযান কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
যানবাহন কেনার পাশাপাশি, দুটি প্রকল্পেই চালক ও মেকানিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অপারেশনাল প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার এবং বিশেষায়িত প্রকল্পের আওতায় ৯৬০ জন পুলিশ সদস্যকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
প্রকল্প দুটির অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে ‘হকস বে’ নামক প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্ভাব্য আর্থিক হিসাব অনুযায়ী প্রকল্প দুটির অর্থনৈতিক সুফল খরচের তুলনায় বেশি। ১৫ অক্টোবর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় অপারেশনাল প্রকল্পের বিষয়ে পর্যালোচনা করা হয়, যেখানে কিছু বিদেশি প্রশিক্ষণ বাতিলসহ পরিকল্পনা ও অর্থ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবনা সংশোধনের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হলে পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর সুফল সুষ্ঠু ক্রয়প্রক্রিয়া, চাহিদা অনুযায়ী বণ্টন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপর নির্ভর করবে।
সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের কারণে আগামীকাল শনিবার রাজধানীর নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ চার ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এই তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাইপলাইনের জরুরি লিকেজ মেরামতকাজের জন্য শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মোট ৪ ঘণ্টা নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ কারণে নর্দা, কালাচাঁদপুর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, জোয়ার সাহারা, ভাটারা, বারিধারা ‘জে’ ব্লকসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে সব ধরনের গ্রাহকের (আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প) গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, ওই সময়ে আশপাশের এলাকাগুলোতেও গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাহকদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের সৈকতপাড়ের হোটেল সি প্রিন্সেসে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, টুপটুপ রিসোর্টে আগুনের জের কাটতে না কাটতেই।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে হোটেলের বেজমেন্টে অবস্থিত জেনারেটর রুমে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
এই ঘটনার ফলে পর্যটকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ দলের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে ৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।
এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর নেই। তবে আতঙ্কিত অনেক পর্যটক লাগেজ নিয়ে হোটেল ত্যাগ করেন।
হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আগুন লাগার সময় সেখানে ৪৫০ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন।
বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার পর জেনারেটর চালু হলে এর ফিল্টার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, জেনারেটরের অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়াকে আগুন লাগার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোটেল সি প্রিন্সেসের সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. মিজান বলেন, "প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক লাইনে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টির কারণে আগুন লাগতে পারে।"
আগুনের ঘটনা নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের নিজস্ব নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ দলের সদস্যরা দ্রুত কাজ শুরু করেন।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে পৌঁছে দেখা যায়, হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের জনপ্রিয় জুটি শাহরুখ খান ও দীপিকা পাডুকোন আবারও একসঙ্গে পর্দায় হাজির হতে চলেছেন আসন্ন সিনেমা কিং-এ। তারা এবার একটি জমকালো গানের দৃশ্যে একসঙ্গে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গেছে, আগামী ২৬ অক্টোবর মুম্বাইয়ে গানটির দৃশ্যধারণ শুরু হবে। নাচের নির্দেশনায় থাকবেন বৈভবী মার্চেন্ট। এতে সিনেমাটির অন্যান্য অভিনয়শিল্পীদেরও উপস্থিতি থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিনোদনবিষয়ক সাময়িকী ভ্যারাইটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে গানটির নাম, সুরকার কিংবা অন্যান্য সৃজনশীল সহযোগীদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
মুম্বাইয়ে কিং সিনেমার গানের দৃশ্য ধারণের প্রস্তুতি চলছে। সিনেমার প্রধান অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে বড় পরিসরে গানটির দৃশ্য ধারণ করা হবে। পুরো আয়োজনের নাচের নির্দেশনায় বৈভবী মার্চেন্ট থাকবেন।
শাহরুখ ও দীপিকার পুনর্মিলনের খবর দর্শকদের মধ্যে সিনেমাটি নিয়ে আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে গানের আয়োজন সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি।
শাহরুখ খান ও দীপিকা পাডুকোনের পর্দার জুটি ২০০৭ সালে ওম শান্তি ওম সিনেমার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। ফারাহ খান পরিচালিত এই সিনেমার মাধ্যমে দীপিকার হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। প্রথম সিনেমাতেই শাহরুখের সঙ্গে তার জুটি দর্শকদের নজর কাড়ে।
এরপর ২০১৩ সালে রোহিত শেঠির চেন্নাই এক্সপ্রেস এবং ২০১৪ সালে হ্যাপি নিউ ইয়ার সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন তারা। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে সিদ্ধার্থ আনন্দের পাঠান এবং অ্যাটলির জওয়ান সিনেমায়ও তাদের দেখা যায়।
প্রেম, হাস্যরস ও অ্যাকশন—বিভিন্ন ধরনের গল্পে একসঙ্গে কাজ করেছেন এই দুই তারকা। কিং-এ তাদের নতুন রসায়ন দেখতে মুখিয়ে আছেন ভক্তরা।
কিং সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। ছবিটির চিত্রনাট্য লেখার জন্য তার সঙ্গে রয়েছেন সুজয় ঘোষ, সুরেশ নায়ার ও সাগর পাণ্ড্য। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন শাহরুখ খান। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দীপিকা পাডুকোনও রয়েছেন।
এছাড়া সিনেমাটিতে অভিনয় করছেন শাহরুখের মেয়ে সুহানা খান। এই সিনেমার মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক হওয়ার কথা রয়েছে। আরও রয়েছেন অভিষেক বচ্চন, অনিল কাপুর, রানি মুখার্জি, জয়দীপ আহলাওয়াত, জ্যাকি শ্রফ, রাঘব জুয়াল ও অভয় ভার্মা।
তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী ও সিদ্ধার্থ আনন্দের পরিচালনা—সব মিলিয়ে কিং শাহরুখ খানের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাগুলোর মধ্যে একটি।
শাহরুখ খানের সর্বশেষ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ডানকি। রাজকুমার হিরানি পরিচালিত ছবিটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পায়। ওই বছর শাহরুখের পাঠান, জওয়ান ও ডানকি—তিনটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল।
পাঠান ও জওয়ান বক্স অফিসে বড় সাফল্য পাওয়ায় বছরটি শাহরুখের ক্যারিয়ারে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এবার কিং-এর তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী এবং দীপিকার সঙ্গে তার পুনর্মিলন নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
সূত্র: দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মডেল ও রাজনৈতিক প্রশিক্ষক মেঘনা আলম মন্তব্য করেছেন যে, তিনি প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মতো বিনাবিচারে কারাবরণের শিকার হয়েছেন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ দাবি জানান।
মেঘনা আলম তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, তার কারাবাসের ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া যখন জেলে ছিলেন, তখন আমার সঙ্গে সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের পরিচয়ই ছিল না। এর অনেক পর উনার সঙ্গে পরিচয় ও বাগদান হয়। কিন্তু জুলাইয়ের পর বেগম খালেদা জিয়ার প্রথম কূটনৈতিক বৈঠক আয়োজনের ক্ষেত্রে তিনি বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, সৌদির রাষ্ট্রদূত মনে করতেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হয়তো অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তায় নতুন সরকার গঠন করবে। তবে তিনি রাষ্ট্রদূতকে বিএনপির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরামর্শ দেন। নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে অন্য রাষ্ট্রদূতদের আগেই খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার বিষয়েও তিনি তাকে বুঝিয়েছিলেন বলে দাবি করেন মেঘনা আলম।
মেঘনা আলম বলেন, “একজন মহান নেত্রী বিনা অপরাধে কারাবরণ করেছিলেন। আমিও বিনাবিচারে কারাবরণের স্বাদ নিয়েছি। সেই ইতিহাস নিয়ে হাসাহাসি ও নোংরামি করবেন না।”
তিনি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। মেঘনা আলম বলেন, দেশের মানুষকে অসম্মান করা এবং এ ধরনের নোংরা আচরণের কারণে বিদেশে বাংলাদেশিদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি সৌদি আরবে বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে বিয়ে করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলেও দাবি করেন।
মেঘনা আলম বলেন, “আজ এ দেশের দুই নাগরিক এসব নোংরামির কারণেই ভিনদেশে জীবন হারিয়েছেন। আপনাদের এই নোংরামির কারণেই, দেশের মানুষকে অসম্মান করার কারণেই এ দেশের নারী-পুরুষকে বিয়ে করা সৌদিতে নিষিদ্ধ। তারা আপনাদের অকারণে ইদুর, মিসকিন বলে না— নোংরা মনে করে আপনাদের নিজেদের স্বভাবেই! নিজের দেশের মহান নেত্রীর জেলজীবন নিয়ে নোংরামি করতে লজ্জা করে না???”
ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো ব্যক্তিদের সেগুলো মুছে ফেলার আহ্বান জানান মেঘনা আলম। তিনি একই সঙ্গে এমন পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন, যাতে অন্য দেশগুলো বাংলাদেশকে সম্মানের চোখে দেখে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ