মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
অচিরেই নারী ফুটবল একটি বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হতে যাচ্ছে। এর দৃশ্যমান প্রমাণও অনেকাংশে পাওয়া গেছে। তবে, অনেক পেশাদার খেলোয়াড় এখনও কম বেতন পাচ্ছেন, অনিশ্চিত চুক্তিতে কাজ করছেন এবং বাড়তি মানসিক চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিশ্বজুড়ে খেলোয়াড়দের সংগঠন ফিফপ্রোর ৮০০ জনেরও বেশি ফুটবলারের ওপর পরিচালিত নতুন বৈশ্বিক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।
খেলোয়াড়দের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল কেন তারা আগেভাগে ফুটবল ছেড়ে দিতে পারেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগেভাগে খেলা ছাড়ার কথা বিবেচনা করা খেলোয়াড়দের মধ্যে ৫৯ শতাংশ আর্থিক সমস্যাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, ৪৬ শতাংশ খেলোয়াড় মানসিক চাপকে একটি কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ফিফপ্রোর নারী ফুটবল বিভাগের প্রধান অ্যালেক্স কালভিন বলেন, "এর পেছনে একক কোনো ব্যাখ্যা নেই।" তিনি জনসমক্ষে খেলোয়াড়দের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং পর্যাপ্ত সহায়তাব্যবস্থার অভাবকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
কালভিন বলেন, "খেলোয়াড়েরা এখন অনেক বেশি দৃশ্যমান।" তিনি আরও বলেন, খেলোয়াড়দের শুধু জনসমক্ষে দৃশ্যমান থাকলেই চলে না, বরং তা তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে। কারণ, তাদের আয় কম হওয়ায় এভাবেই তারা পর্যাপ্ত ও স্থিতিশীল আয়ের ঘাটতি পূরণ করতে হচ্ছে।
কালভিন বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়লেও অনেক খেলোয়াড় মনে করেন, তাদের একাই পরিস্থিতি সামলাতে হচ্ছে। তিনি বলেন, খেলোয়াড়েরা বেশি মানসিক চাপের কথা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা তারা পাচ্ছেন না। এটি ক্লাবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জরিপে অংশ নেওয়া নারী খেলোয়াড়দের ৫৭ শতাংশ মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগেছেন। তাঁদের অর্ধেকই ক্লাবের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পাননি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারী ফুটবলের বৈশ্বিক আয় ২০২৪ সালের প্রায় ৫৮ কোটি ১০ লাখ ডলার থেকে বেড়ে ২০২৭ সালে ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পেশাদার নারী ফুটবলারদের সামনে তৈরি হওয়া নতুন মানসিক চাপের বিষয়টিও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।
ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল দুনিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খেলোয়াড়েরা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সহজলভ্য। এতে সমর্থকদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বাড়ছে, তবে একই সঙ্গে অনলাইনে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।
ফিফপ্রোর জরিপে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ২০১৭ সালের পর থেকে বেতন, পরিচিতি ও বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পেশাদার নারী ফুটবলের বড় একটি অংশ এখনো অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে পরিচালিত হচ্ছে। কালভিনের মতে, খেলাটির বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সেই প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি খেলোয়াড়দের সুরক্ষাব্যবস্থার উন্নতি তাল মেলাতে পারছে না। তিনি বলেন, "নারী ফুটবলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পক্ষে যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।" আমার মনে হয়, নারী খেলোয়াড়দের সুরক্ষা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং তাদের সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সের সুযোগ করে দিতে প্রাতিষ্ঠানিক, নিয়ন্ত্রক ও নীতিগত ব্যবস্থাগুলোকে দ্রুত এগিয়ে আসতে হবে।
প্রতিবেদনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফলাফলগুলোর একটি হলো, খেলোয়াড়েরা নিজেদের পেশাদার পরিচয়কে কীভাবে দেখেন। ফিফার সংজ্ঞা অনুযায়ী, একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের লিখিত চুক্তি থাকতে হবে এবং ফুটবল খেলার জন্য তার যে খরচ হয়, তার চেয়ে বেশি অর্থ তাকে পারিশ্রমিক হিসেবে পেতে হবে।
জরিপে ৬২ শতাংশ খেলোয়াড় নিজেদের পেশাদার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ২৭ শতাংশ নিজেদের আধা-পেশাদার এবং ১২ শতাংশ অপেশাদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া সব খেলোয়াড়ই নিজ নিজ দেশের শীর্ষ বিভাগের ক্লাবে খেলছেন। তা সত্ত্বেও, মাত্র ৭৮ শতাংশ জানিয়েছেন যে তাদের লিখিত চুক্তি রয়েছে এবং ৮২ শতাংশ বলেছেন, তারা ক্লাব থেকে পারিশ্রমিক পান। ৫৭ শতাংশ খেলোয়াড় জানিয়েছেন, তাদের প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ফুটবল খেলার খরচ মেটানো সম্ভব।
কালভিন বলেন, যেসব খেলোয়াড় পেশাদার হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের পেশাদার বলেমনে করেন না বা সেই অনুভূতি পান না, তারা একজন কর্মী হিসেবে তাদের প্রাপ্য সব সুবিধা পাচ্ছেন না।
প্রতিবেদনে বেতন বৃদ্ধির সীমাবদ্ধতাও তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৭ সালের তুলনায় গড় মাসিক আয় তিন গুণ বেড়ে ২ হাজার ৬০১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে মধ্যম বেতন মাত্র ১ হাজার ৬৬৯ ডলার।
অঞ্চলভেদে গড় মাসিক বেতনে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। উত্তর আমেরিকায় গড় মাসিক বেতন ৬ হাজার ৪৫০ ডলার এবং মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপে ৩ হাজার ৯৮২ ডলার। অন্যদিকে, পূর্ব ইউরোপে তা ৮৭৮ ডলার এবং আফ্রিকায় মাত্র ৪৮০ ডলার।
যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মতো দেশের লিগগুলোতে বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও পূর্ব ইউরোপের ১০টি দেশে গড় বেতন এখনো জাতীয় ন্যূনতম মজুরির নিচে।
পশ্চিম ইউরোপ এবং এশিয়া-ওশেনিয়ার মতো বড় ফুটবল বাজারসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোতেও গড় বেতন জাতীয় ন্যূনতম মজুরির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি নয়।
প্রতিবেদনটি নির্দিষ্ট দেশের পরিবর্তে বিভিন্ন অঞ্চলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়ায় ফিফপ্রো লিগভিত্তিক গড় বেতনের তথ্য দিতে পারেনি।
গড় চুক্তির মেয়াদও ২০১৭ সালের প্রায় এক বছর থেকে বেড়ে ১৯ মাস হয়েছে। তবে অনেক খেলোয়াড় এখনো নির্দিষ্ট আয়ের নিশ্চয়তা ছাড়াই বছরের কিছু সময় কাটান।
কালভিন বলেন, মাত্র দুই-তৃতীয়াংশ খেলোয়াড় পুরো ১২ মাসের জন্য পারিশ্রমিক পান। অনেক খেলোয়াড়ের চুক্তির মেয়াদ সাত বা নয় মাস। ফলে ক্যালেন্ডার বছরের বাকি সময়ের খরচ মেটাতে তাদের অন্যভাবে কাজ করতে হয়।
তার বিশ্বাস, নারী ফুটবলের দ্রুত বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি এসব বাস্তবতাকে কিছুটা আড়াল করে রেখেছে।
ইংল্যান্ডের নারী সুপার লিগ দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ফিফপ্রোর মতে, ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ভালো পরিস্থিতি বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় বহু খেলোয়াড়ের বাস্তব চিত্র আড়াল করতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, গত দুই মৌসুমে ২৪ শতাংশ খেলোয়াড় বেতন পেতে বিলম্বের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ৪২ শতাংশ খেলোয়াড়কে কোনো পেনশন সুবিধা দেওয়া হয়নি।
খেলোয়াড়দের জন্য ‘সতর্কবার্তা’ প্রয়োজন, কালভিনের মতে, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে।
তিনি বলেন, "এই ফুটবলব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা প্রয়োজন। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভুগছেন, অথচ তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বিত সহায়তা ও জবাবদিহির ব্যবস্থা নেই।"
তবে সব প্রবণতাই নেতিবাচক নয়। খেলাটিতে যে একটি উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যাচ্ছে, তা হলো সন্তান নেওয়া ও পরিবার গঠনের ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের পরিস্থিতি।
২০১৭ সালে জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড়, যারা আগেভাগে ফুটবল ছাড়ার কথা ভাবছিলেন, জানিয়েছিলেন যে পরিবার গঠনের ইচ্ছা তাদের খেলা ছেড়ে দেওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।
বর্তমানে সেই হার কমে ১৯ শতাংশে নেমেছে। ফিফপ্রোর মতে, ২০২১ সালে ফিফার প্রবর্তিত মাতৃত্বকালীন বিধিমালা এবং দুই বছর আগে এর হালনাগাদ সংস্করণ এই উন্নতিতে ভূমিকা রেখেছে।
কালভিন বলেন, "আমরা যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। ২০২১ সালে মাতৃত্বকালীন বিধিমালা চালু করা হয়েছিল।"
প্রতিবেদনে নারী ফুটবলে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের চিত্রও উঠে এসেছে। শীর্ষ পর্যায়ের ক্লাব ও খেলোয়াড়েরা বিনিয়োগ এবং পরিচিতির সুফল পেলেও বিশ্বজুড়ে এই পেশার বড় একটি অংশ এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
কালভিন বলেন, "এই শিল্পের মনোযোগ মূলত শীর্ষ পাঁচ শতাংশ খেলোয়াড়ের দিকে। কিন্তু বাকি ৯৫ শতাংশ খেলোয়াড়ের অবস্থা কী? তাদের অনেকেই সময়মতো বেতন পান না, তাদের চুক্তির মেয়াদ স্বল্প। তারা ১২ মাসের পারিশ্রমিকও পান না। তারা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত পরিবেশে কাজ করছেন।"
ফিফপ্রো বলছে সমাধান প্রবৃদ্ধির গতি কমিয়ে দেওয়া নয় বরং বাণিজ্যিক সাফল্য ও খেলোয়াড়দের কল্যাণ যেন একসঙ্গে এগিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করা।
কালভিন বলেন, "বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি ও খেলোয়াড়দের সুরক্ষার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এই দুটি বিষয়কে হাতে হাত রেখে, পাশাপাশি এগিয়ে নিতে হবে।"
"আমরা বলছি, আর নয়, এবার যথেষ্ট হয়েছে। খেলোয়াড়দের প্রয়োজন অনুযায়ী এই শিল্পকে পদক্ষেপ নিতে হবে এবং খেলোয়াড়দের কণ্ঠস্বরকে কেন্দ্রে রাখতে হবে। তাদের প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় খেলোয়াড়দের যেন আলোচনার টেবিলে জায়গা থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের হারানো ম্যাকবুক উদ্ধার করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে পুলিশ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাপটপটি ক্রিলের কাছে হস্তান্তর করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় অতিরিক্ত আইজিসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তবে জার্মান পর্যটকের হারানো ক্যামেরা এখনও উদ্ধার হয়নি। সেটি উদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে পুলিশের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে।
পুলিশ জানায়, ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে গত ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন ক্রিল। গত ৭ অক্টোবর নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছে দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এ সময় স্টেশনের অপেক্ষাকক্ষে ল্যাপটপ ও ক্যামেরা রেখে পাশের একটি এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে যান। ফিরে এসে সেগুলো না পেয়ে নাটোর থানায় পুলিশের সহযোগিতা চান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হারানো ল্যাপটপে গত ছয় মাসের কার্যক্রমের তথ্য ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল। ক্রিলের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নাটোর সদর থানা, নাটোর জেলা পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের একাধিক দল ল্যাপটপ ও ক্যামেরা উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাটোর সদর থানার কাপুড়িয়াপট্টি এলাকার নূর ক্লথিং স্টোর থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়।
বাংলাদেশ পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ক্রিল। তিনি বাংলাদেশ ভ্রমণে তার ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
বিদেশি পর্যটকের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি, হারানো ল্যাপটপ উদ্ধার এবং পুলিশের পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান ও উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনকে আর্থিক পুরস্কার দেন আইজিপি।
এ সময় আইজিপি সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের কর্মদক্ষতা, আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও দলগত সাফল্যের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি নাগরিকদের দ্রুত ও পেশাদার পুলিশি সেবা দেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনআস্থা অর্জন এবং পর্যটনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশনা দেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হলিউড অভিনেতা টোবি ম্যাগুয়ার প্রাক্তন স্ত্রীর নতুন জীবনযাত্রার সূচনায় সমর্থন প্রদান করেছেন। ‘স্পাইডার-ম্যান’ খ্যাত এই তারকা নিজেই তার প্রাক্তন স্ত্রী জেনিফার মেয়ারের বিয়ের অনুষ্ঠানে বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন।
নবদম্পতির প্রথম চুম্বনের মুহূর্তেও তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের কিছু ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
১০ অক্টোবর হাওয়াইয়ের ফোর সিজনস রিসোর্ট লানাইয়ে ব্যবসায়ী জিয়োফ্রি ওগুনলেসির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জেনিফার। জিয়োফ্রি নাইজেরিয়ার প্রভাবশালী আইনজীবী ও বিনিয়োগকারী আদেবায়ো ওগুনলেসির ছেলে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, টোবি ও জেনিফারের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন সংসার শুরু করেন জেনিফার।
জেনিফারের বিয়েতে হলিউডের একাধিক পরিচিত মুখের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন র্যাচেল জো, কোর্টনি কক্স, লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ও তার প্রেমিকা ভিত্তোরিয়া চেরেত্তি। এছাড়া অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস ও তার স্ত্রী লরেন সানচেজ বেজোস।
টোবি ম্যাগুয়ার ও জেনিফার মেয়ার ২০০৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের পর ২০১৬ সালের অক্টোবরে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তারা। পরে ২০২০ সালে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন জেনিফার। এই সাবেক দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে।
বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তন স্ত্রীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে টোবির উপস্থিতি এবং বিয়ের আয়োজনে তার বিশেষ ভূমিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। ব্যক্তিগত সম্পর্কের অধ্যায় শেষ হলেও সাবেক সঙ্গীর বিশেষ দিনে তার পাশে থাকার বিষয়টি অনেকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে ৬৫ বছর আগে একটি আট বছর বয়সী শিশুকে হত্যা করার ঘটনার রহস্য অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে। তদন্তকারীরা ডিএনএ পরীক্ষা ও সংরক্ষিত আঙুলের ছাপের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেছেন। চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তি শিকাগো পুলিশের একজন খুনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
নিহত শিশুর নাম গ্লোরিয়া কোয়ালেউইচ। ১৯৬০ সালের ১২ নভেম্বর শিকাগোর দক্ষিণাঞ্চলে গির্জায় যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করা হয়। এরপর কয়েক মাস ধরে পুলিশ শহরজুড়ে তল্লাশি চালায়। হাজারো মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং শত শত সূত্র খতিয়ে দেখা হয়। কিন্তু তখন হত্যাকারীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
শিকাগো পুলিশ বিভাগের বিবৃতির ভিত্তিতে, চলতি বছরের জুলাইয়ে আধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তি ও সাবধানে সংরক্ষিত আঙুলের ছাপের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়। তার নাম থমাস এফ ম্যাকইনার্নি জুনিয়র।
ম্যাকইনার্নি ১৯৫৯ সালে শিকাগো পুলিশে যোগ দেন। ১৯৬০ সালে গ্লোরিয়া হত্যার সময় তার বয়স ছিল ২৪ বছর। তখন তিনি পশ্চিম শিকাগোতে একজন টহল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৪ সালে তিনি গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ম্যাকইনার্নি ২৮ বছর চাকরি করার পর ১৯৮৭ সালে গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে অবসর নেন। পরে তিনি নেভাদা অঙ্গরাজ্যে চলে যান এবং সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবীদের দপ্তরে তদন্তকারী হিসেবে কাজ করেন। ২০০৪ সালে ওই চাকরি থেকেও অবসর নেন।
২০০৬ সালে ৭০ বছর বয়সে লাস ভেগাসে তার মৃত্যু ঘটে। ফলে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শনাক্ত হলেও জীবদ্দশায় তাকে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়নি।
শিকাগো পুলিশ বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ম্যাকইনার্নির কখনোই পুলিশ বিভাগের পরিচয়চিহ্ন ধারণ করার যোগ্যতা ছিল না। জীবিত থাকাকালে তাকে শনাক্ত করে জবাবদিহির আওতায় আনা যায়নি—এটি মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টের।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের দিন শনিবার সকাল ৮টার কিছু আগে গ্লোরিয়া বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। তার পরিকল্পনা ছিল সেন্ট মেরি অব মাউন্ট কারমেল গির্জায় সকালের প্রার্থনায় যোগ দেওয়া। তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী গ্লোরিয়া কিছুদিন আগে প্রথম ধর্মীয় দীক্ষা গ্রহণ করেছিল। সেদিন তার পরনে ছিল গোলাপি ও বাদামি রঙের ছককাটা পোশাক এবং নীল রঙের একটি পোশাক।
কিন্তু গির্জায় পৌঁছানো হয়নি তার। বাড়ি ও গির্জার মাঝপথ থেকেই তাকে অপহরণ করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্লোরিয়াকে মাথায় দুবার গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর শিকাগোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বনাঞ্চল সংরক্ষিত এলাকার পাশের নালায় তার মরদেহ ফেলে রাখা হয়। এক গাড়িচালক শিশুটির রঙিন পোশাক দেখে কাছে গিয়ে মরদেহটি খুঁজে পান।
ঘটনাস্থল থেকে গুলি, গ্লোরিয়ার কোট, জুতা এবং প্রার্থনার বই রাখা সাদা ব্যাগসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করেন তদন্তকারীরা। ওই ব্যাগের ফিতায় পাওয়া যায় একটি আঙুলের ছাপ। তবে দীর্ঘদিন এসব আলামত থেকেও হত্যাকারীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর সেন্ট মেরি অব মাউন্ট কারমেল গির্জায় গ্লোরিয়ার শেষকৃত্যে এক হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন।
দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত আলামত নতুন করে পরীক্ষা করার পর ২০১০ সালে তদন্তকারীরা গ্লোরিয়ার পোশাকে পাওয়া বীর্যের নমুনা থেকে সম্ভাব্য হত্যাকারীর ডিএনএ পরিচিতি তৈরি করতে সক্ষম হন। তবে তখনও কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।
২০২৪ সালে শিকাগো পুলিশের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই ওই ডিএনএ নমুনার সঙ্গে পারিবারিক বংশপরিচয় অনুসন্ধানের ওয়েবসাইটে জমা দেওয়া বিভিন্ন জিনগত নমুনার তুলনা করে। এ প্রক্রিয়ায় ম্যাকইনার্নির পরিচয় শনাক্ত হয়।
এরপর তদন্তকারীরা ১৯৫৯ সালে শিকাগো পুলিশে চাকরির আবেদনের সময় ম্যাকইনার্নির দেওয়া আঙুলের ছাপের সঙ্গে গ্লোরিয়ার ব্যাগের ফিতায় পাওয়া ছাপের মিল খুঁজে পান। ডিএনএ ও আঙুলের ছাপ—দুই ধরনের আলামত মিলিয়ে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ম্যাকইনার্নির ডিএনএ যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার সম্মিলিত ডিএনএ তথ্যভান্ডারেও রয়েছে। তার সঙ্গে অন্য কোনো অমীমাংসিত অপরাধের যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।
এফবিআই জানিয়েছে, গ্লোরিয়া হত্যার আলামত এবং শিশুদের লক্ষ্য করে অপরাধ সংঘটনকারীদের আচরণ ও ভুক্তভোগীদের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট সময়ের অন্যান্য অমীমাংসিত অপরাধের সূত্রও অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
গ্লোরিয়ার ভাই অ্যাডাম কোয়ালেউইচ তখন শিশু ছিলেন। বোনের হত্যার ঘটনায় ম্যাকইনার্নি জীবদ্দশায় শাস্তি না পাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, হত্যাকারী স্বাভাবিক জীবন কাটিয়ে মারা গেছেন, কখনো নিজের অপরাধের শাস্তি পাননি।
তবে গ্লোরিয়াকে কেন লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ম্যাকইনার্নির বাবা-মায়ের বাড়ি কোয়ালেউইচ পরিবারের বাড়ি থেকে এক মাইলেরও কম দূরে ছিল। কিন্তু গ্লোরিয়ার সঙ্গে ম্যাকইনার্নির আগে কোনো পরিচয় বা যোগাযোগ ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এছাড়া গ্লোরিয়া হত্যার তদন্তে ম্যাকইনার্নি কখনো যুক্ত ছিলেন কি না, তা-ও তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। অবসরের পর তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবীদের দপ্তরে তদন্তকারী হিসেবে কাজ করার সময় ২০০৩ সালে অসামান্য কাজের স্বীকৃতিও পেয়েছিলেন। তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য, পাঁচ সন্তানের বাবা এবং কয়েকজন নাতি-নাতনির দাদা।
৬৫ বছর ধরে অমীমাংসিত থাকা এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তি ও সংরক্ষিত আলামত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে শিকাগো পুলিশ।
সূত্র: এনবিসি নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিজ্ঞানীরা নতুন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যা মৃত নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি হয়েছে—এমন সম্ভাবনার প্রথম প্রমাণ এটি। মহাবিশ্বের বুকে নক্ষত্রের জন্ম ও মৃত্যুর চক্র একটি অবিরাম প্রক্রিয়া। একটি নক্ষত্রের ধ্বংস মানে সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। এবার বিজ্ঞানীরা নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ভূত একটি অদ্ভুত গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন। এই গ্রহটি মহাবিশ্বে গ্রহ তৈরির প্রচলিত ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করার পাশাপাশি জ্যোতির্বিজ্ঞানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে, এমন দাবি করেছেন তারা। নেচার অ্যাস্ট্রোনমি সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণার ফলাফল প্রমাণ করে যে, একটি নক্ষত্রের মৃত্যু মানে তার সবকিছুর শেষ হয়ে যাওয়ার বিষয় নয়।
ফিনিক্স প্ল্যানেট নামক গ্রহটি মৃত নক্ষত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি হয়েছে। এইচএস ০২০৯ প্লাস ০৮৩২ হোয়াইট ডোয়ার্ফ বা শ্বেতবামনের আলো বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা গ্রহটি শনাক্ত করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক বরিস গ্যানসিক এ বিষয়ে বলেন, "এই গ্রহ অন্য কোথাও থেকে আসেনি বা পুরোনো সিস্টেমের কোনো বেঁচে থাকা অংশও নয়। এটি তার মৃত নক্ষত্রের উপাদান দিয়েই তৈরি হয়েছে।"
ইউরোপিয়ান রিসার্চ কাউন্সিলের অর্থায়নে ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের বিজ্ঞানীরা গ্রহটির গঠন ও নক্ষত্র ধ্বংসের পর কিভাবে গ্রহটি তৈরি হয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছেন। ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের বিজ্ঞানী জেমি উইলিয়ামস জানিয়েছেন, "দ্বিতীয় প্রজন্মের এই সব গ্রহ–নক্ষত্রের মৃত্যুর সময় নিক্ষিপ্ত পদার্থ থেকেই তৈরি হয়।" শ্বেতবামনের চারপাশে এমন গ্রহ খুঁজে পাওয়া সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। একে এমন একটি গ্রহ হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে, যা তার নিজের পূর্বে প্রদক্ষিণ করা মৃত নক্ষত্রের ছাই থেকে পুনর্জন্ম লাভ করেছে। যখন সূর্যের মতো নক্ষত্রগুলোর জ্বালানি শেষ হয়ে যায়, তখন তারা বিশাল লাল দানব বা রেড জায়ান্টে পরিণত হয় এবং আশপাশের গ্রহগুলোকে গ্রাস করে গ্যাস ও ধূলিকণার বিশাল মেঘ মহাকাশে ছড়িয়ে দেয়। কেন্দ্রের দিকে তখন শুধুমাত্র একটি ঠান্ডা ও ঘন নক্ষত্রের অবশেষ বা শ্বেতবামন রয়ে যায়।
বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, সাধারণত নক্ষত্রের মৃত্যুর সময় নিক্ষিপ্ত পদার্থ মহাশূন্যে হারিয়ে যায়। তবে এই বিশেষ ক্ষেত্রে মহাকর্ষ বল সেই নিক্ষিপ্ত গ্যাস মেঘের একটি অংশ ধরে রাখতে সাহায্য করেছে। ফলে অবশিষ্ট উপাদানগুলো হোয়াইট ডোয়ার্ফ নক্ষত্রের চারপাশে একটি ঘূর্ণমান চাকতিতে পরিণত হয়, যা নতুন শিলা ও গ্যাস জমা হওয়ার জন্য এক ধূলিময় আঁতুড়ঘর তৈরি করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধ্বংসাবশেষ থেকেই একটি পূর্ণাঙ্গ দ্বিতীয় প্রজন্মের গ্রহ তৈরি হয়েছে। উইসকনসিন-ম্যাডিসন ইউনিভার্সিটির অ্যাস্ট্রোনমি বিভাগের বিজ্ঞানী নিকোলাস স্টোন বলেন, "এই উপাদান বিন্যাস এস-প্রসেস বা ভারী মৌল তৈরি প্রক্রিয়ার একটি সুস্পষ্ট লক্ষণ, যা সাধারণ প্রথম প্রজন্মের কোনো গ্রহের মধ্যে থাকার কথা নয়।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ