শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৩ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, অতীতে ফ্যাসিবাদী শক্তি সনাতন ধর্মের ভাইবোনদের ‘ভোট ব্যাংক’ মনে করত। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই ভ্রান্ত ধারণা ও মিথ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভেঙে দিয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পলাশী মোড় থেকে শুরু হওয়া জন্মাষ্টমী উপলক্ষে র্যালিতে অংশগ্রহণ করে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের ধর্মচর্চা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের উপর অর্পিত হয়েছে এবং রাষ্ট্র এই দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি বলেন, ‘ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না; এ কথাও সংবিধানে বলা হয়েছে। ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য সব ধর্মাবলম্বীর উপাসনালয় এবং উপাসনালয়ের কর্তাদের স্বাধীনতা ও উপাসনালয় স্থাপনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘আমরা শুধু সেটা কিতাবে, সংবিধানে ধারণ করেই বসে থাকতে চাই না। বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করব এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়টা এখানে কোনো মুখ্য নয়। আমরা নাগরিকের পরিচয়ে এখানে থাকতে চাই। বাংলাদেশের সব নাগরিক মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, নৃগোষ্ঠী যারাই হোক- তারা ধর্মীয়ভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে নিজ নিজ ধর্মাচার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করবেন। কিন্তু জাতীয়তা হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকব।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে। এই একটাই হবে আমাদের পরিচয়। এজন্যই আমরা বলি, আমাদের নেতা বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয়, তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি, তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয়, সাংস্কৃতিক পরিচয়, নৃতাত্ত্বিক পরিচয়। সবার আগে বাংলাদেশি এবং সবার জন্য বাংলাদেশ।’
তিনি যোগ করেন, বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে কেউই যেন নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচয় না দেন। সবাই নাগরিকত্বের ভিত্তিতে পরিচয় দেবেন। ধর্মের ভিত্তিতে নয়, এই দেশের সমান অধিকারভুক্ত একজন নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেবেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তাহলে আমরা আজকে থেকে কী বলব? ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখব। সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তি বজায় রাখব। কেউ আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দের উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এটা হবে ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি ও সম্প্রীতি।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, অন্যায়কে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শক্তি অর্জন করতে হবে। ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি প্রাঙ্গণে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আফরোজা খানম বলেন, এই জন্মাষ্টমীর দিনে সবার কাজ হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শক্তি অর্জন করা। আমরা কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না। আমরা সবাই একে অপরের পাশে থাকব। এতে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হবে।
তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে থেকে সবাই একসঙ্গে থাকব, এই প্রতিজ্ঞা আজ আমাদের করতে হবে। অশুভ শক্তিকে দূরে সরিয়ে সৌন্দর্য, সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ তৈরি করব। এটাই আমাদের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মূল প্রতিজ্ঞা।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা সবাই জানেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রত্যেকটা মানুষকে একইভাবে দেখেন। এখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান কোনো বিবেচনা করা হয় না। একটাই পরিচয় আমাদের, আমরা বাংলাদেশি। এটা আমাদের বড় পরিচয় এবং এই পরিচয় নিয়েই আমরা থাকব সবাই।
তিনি বলেন, আমাদের সম্প্রীতি, সৌহার্দপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশের মানচিত্র, এটা আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে। এতে আমাদের শক্তি অর্জন হচ্ছে। এটা যেন আমরা সারাজীবন ধরে রাখতে পারি।
নিজ জেলা মানিকগঞ্জের প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একে অপরের বন্ধু হয়ে, একে অপরের ভাই হয়ে, একে অপরের বিপদে সব সময় থাকব। মানিকগঞ্জ জেলা বারবার প্রমাণ করে দেবে, মানিকগঞ্জ একমাত্র জেলা যেখানে কোনো বিভেদ নেই। ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে মানিকগঞ্জ জেলা। এখানে একটাই পরিচয়, আমরা মানিকগঞ্জবাসী। আমরা সবাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমর্থক। এটাই আমাদের বড় পরিচয়।
এ সময় অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী কালীবাড়ি পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন। এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রণব কুমার সিকদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সুনীল কুমার, কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মন্ত্রী বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জের বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে যুক্তরাজ্য বর্তমানে একটি চরম বিপদের সম্মুখীন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে দেশটি একপ্রকার ‘বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে’ অবস্থান করছে। খবর রয়টার্সের .
জিবি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ, পরিবেশ রক্ষার নামে গৃহীত বিভিন্ন নীতি এবং ব্যাপক হারে নতুন মানুষের আগমনের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ রাজা চার্লস এবং তার প্রতি তার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে, তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সরকার দেশ পরিচালনায় মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যে জ্বালানির দাম সাধারণ মাত্রার তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, উত্তর সাগরের তেল ও গ্যাস ব্যবহার না করে পরিবেশবান্ধব শক্তির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়ার ফলেই এই দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে ট্রাম্পের মতামত বরাবরই ভিন্ন, তাই তিনি ব্রিটিশ সরকারকে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের স্বাভাবিক ব্যবহারে ফিরে আসার পরামর্শ দেন।
এছাড়া, অভিবাসন নিয়ে তিনি একটি সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন।
ট্রাম্পের মতে, বাইরের দেশ থেকে অনবরত মানুষের আগমন ব্রিটেনের নিজস্ব পরিবেশ ও পরিচিত রূপ পরিবর্তন করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষ আসা বন্ধ করা না যায়, তবে একসময় দেশের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে।
যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে ইউরোপ থেকে ছোট নৌকায় করে অবৈধভাবে আসা মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে, ট্রাম্পের এই কঠোর সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটেনের বর্তমান সরকার জানিয়েছে, তারা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং অপরাধী চক্রের ওপর নজরদারি বাড়ানোর ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আনসার-ভিডিপি কর্তৃপক্ষ একটি ভিডিও সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করেছে, যা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আনসার সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, টেনে-হিঁচড়ে টার্মিনালের ভেতরে নেওয়া হলো দর্শনার্থীকে’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আনসার-ভিডিপি জানায়, দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্যদের সঙ্গে এক দর্শনার্থীর অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়টি এবং পরবর্তীতে তাকে আগমনী গেটের ভেতরে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে বাহিনীর গোয়েন্দা শাখাকে দিয়ে অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকায় একজন যাত্রীর স্বজন নিষিদ্ধ স্থানে অবস্থান করছিলেন। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সাধারণ যাত্রী বা স্বজনদের ওই স্থানে অবস্থান নিষিদ্ধ থাকায় আনসার সদস্যরা তাকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করেন।
এতে বলা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিরাপত্তা নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান অব্যাহত রাখেন এবং আগমনী গেটের অভ্যন্তরে বারবার উঁকি-ঝুঁকি দিতে থাকেন। কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা পুনরায় তাকে সরে যেতে বললে তিনি তাদের সঙ্গে ঠাট্টা-বিদ্রুপ, অশোভন মন্তব্য, গালাগালি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ঘটনাটি দায়িত্ব পালনরত অ্যাভসেকের একজন করপোরালের নজরে এলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান না করার নির্দেশ দেন। এ সময় ওই ব্যক্তির সঙ্গে করপোরালের বাকবিতণ্ডা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরবর্তীতে অ্যাভসেকের ওই করপোরাল কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেন যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের ভেতরে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অ্যাভসেক কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারেই আনসার সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত ভিডিও বা একপক্ষীয় ক্যাপশনের মাধ্যমে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হলে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাবিধি, শৃঙ্খলা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করে থাকে। বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কার্যক্রমকে বিচ্ছিন্ন ভিডিও বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন না করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের মধুখালীতে বাস ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মো. জুয়েল (২৮) নামের এক বাস সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১৫ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে মধুখালী উপজেলার বনমালিদিয়া এলাকায় শাহ হাবিব আলীম মাদ্রাসার সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত জুয়েল চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী পূর্বাশা পরিবহণের একটি বাস এবং মাগুরাগামী ময়দাবোঝাই একটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এই সময় পূর্বাশা পরিবহণের সুপারভাইজার মো. জুয়েলের মৃত্যু ঘটে।
করিমপুর হাইওয়ে থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবদুস সালাম জানান, ময়দাবোঝাই ট্রাকটি শাহ হাবিব দাখিল মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে হঠাৎ একটি টায়ার বিস্ফোরিত হয়। এরপর চালক টায়ার পরিবর্তনের জন্য ট্রাকটি মহাসড়কের উপর পার্ক করে রাখেন। এই সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা পূর্বাশা পরিবহণের বাসটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার সময় বাসের সুপারভাইজার মো. জুয়েল বাম পাশে ইঞ্জিন কভারে বসে ছিলেন। ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। আহত অন্তত ১৫ জনকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ