শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৩ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে যুক্তরাজ্য বর্তমানে একটি চরম বিপদের সম্মুখীন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে দেশটি একপ্রকার ‘বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে’ অবস্থান করছে। খবর রয়টার্সের .
জিবি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প যুক্তরাজ্যের অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ, পরিবেশ রক্ষার নামে গৃহীত বিভিন্ন নীতি এবং ব্যাপক হারে নতুন মানুষের আগমনের বিষয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ রাজা চার্লস এবং তার প্রতি তার পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে, তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সরকার দেশ পরিচালনায় মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্যে জ্বালানির দাম সাধারণ মাত্রার তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, উত্তর সাগরের তেল ও গ্যাস ব্যবহার না করে পরিবেশবান্ধব শক্তির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়ার ফলেই এই দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে ট্রাম্পের মতামত বরাবরই ভিন্ন, তাই তিনি ব্রিটিশ সরকারকে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের স্বাভাবিক ব্যবহারে ফিরে আসার পরামর্শ দেন।
এছাড়া, অভিবাসন নিয়ে তিনি একটি সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন।
ট্রাম্পের মতে, বাইরের দেশ থেকে অনবরত মানুষের আগমন ব্রিটেনের নিজস্ব পরিবেশ ও পরিচিত রূপ পরিবর্তন করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষ আসা বন্ধ করা না যায়, তবে একসময় দেশের অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়বে।
যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে ইউরোপ থেকে ছোট নৌকায় করে অবৈধভাবে আসা মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে, ট্রাম্পের এই কঠোর সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটেনের বর্তমান সরকার জানিয়েছে, তারা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং অপরাধী চক্রের ওপর নজরদারি বাড়ানোর ফলে অবৈধ অনুপ্রবেশ আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আনসার-ভিডিপি কর্তৃপক্ষ একটি ভিডিও সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করেছে, যা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আনসার সদস্যদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, টেনে-হিঁচড়ে টার্মিনালের ভেতরে নেওয়া হলো দর্শনার্থীকে’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আনসার-ভিডিপি জানায়, দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্যদের সঙ্গে এক দর্শনার্থীর অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়টি এবং পরবর্তীতে তাকে আগমনী গেটের ভেতরে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে বাহিনীর গোয়েন্দা শাখাকে দিয়ে অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১ সেপ্টেম্বর বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকায় একজন যাত্রীর স্বজন নিষিদ্ধ স্থানে অবস্থান করছিলেন। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সাধারণ যাত্রী বা স্বজনদের ওই স্থানে অবস্থান নিষিদ্ধ থাকায় আনসার সদস্যরা তাকে সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য একাধিকবার অনুরোধ করেন।
এতে বলা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিরাপত্তা নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান অব্যাহত রাখেন এবং আগমনী গেটের অভ্যন্তরে বারবার উঁকি-ঝুঁকি দিতে থাকেন। কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা পুনরায় তাকে সরে যেতে বললে তিনি তাদের সঙ্গে ঠাট্টা-বিদ্রুপ, অশোভন মন্তব্য, গালাগালি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ঘটনাটি দায়িত্ব পালনরত অ্যাভসেকের একজন করপোরালের নজরে এলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নিষিদ্ধ এলাকায় অবস্থান না করার নির্দেশ দেন। এ সময় ওই ব্যক্তির সঙ্গে করপোরালের বাকবিতণ্ডা হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
পরবর্তীতে অ্যাভসেকের ওই করপোরাল কর্তব্যরত আনসার সদস্যদের নির্দেশ দেন যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের ভেতরে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যেতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অ্যাভসেক কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারেই আনসার সদস্যরা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আগমনী গেটের অভ্যন্তরে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত ভিডিও বা একপক্ষীয় ক্যাপশনের মাধ্যমে ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হলে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাবিধি, শৃঙ্খলা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করে থাকে। বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের কার্যক্রমকে বিচ্ছিন্ন ভিডিও বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে মূল্যায়ন না করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের মধুখালীতে বাস ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মো. জুয়েল (২৮) নামের এক বাস সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় বাসের অন্তত ১৫ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে মধুখালী উপজেলার বনমালিদিয়া এলাকায় শাহ হাবিব আলীম মাদ্রাসার সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত জুয়েল চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী পূর্বাশা পরিবহণের একটি বাস এবং মাগুরাগামী ময়দাবোঝাই একটি ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এই সময় পূর্বাশা পরিবহণের সুপারভাইজার মো. জুয়েলের মৃত্যু ঘটে।
করিমপুর হাইওয়ে থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ আবদুস সালাম জানান, ময়দাবোঝাই ট্রাকটি শাহ হাবিব দাখিল মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে হঠাৎ একটি টায়ার বিস্ফোরিত হয়। এরপর চালক টায়ার পরিবর্তনের জন্য ট্রাকটি মহাসড়কের উপর পার্ক করে রাখেন। এই সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা পূর্বাশা পরিবহণের বাসটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। দুর্ঘটনার সময় বাসের সুপারভাইজার মো. জুয়েল বাম পাশে ইঞ্জিন কভারে বসে ছিলেন। ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। আহত অন্তত ১৫ জনকে উদ্ধার করে মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী রাজধানী মস্কোয় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩৯তম মস্কো আন্তর্জাতিক বইমেলা। এই জ্ঞানের মহাযজ্ঞে দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে পবিত্র কুরআন কেন্দ্রিক একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ ও গাইডেন্স মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বইমেলার সৌদি প্যাভিলিয়নে প্রদর্শিত হচ্ছে প্রভূর পবিত্র বাণীর বৈশ্বিক রূপ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়।
সৌদি প্যাভিলিয়নের প্রধান আকর্ষণ হলো বিখ্যাত 'কিং ফাহদ গ্লোরিয়াস কুরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স'-এর নান্দনিক ও প্রামাণ্য প্রকাশনাসমূহ। এখানে পবিত্র কুরআন মুদ্রণ, নির্ভুল সংরক্ষণ এবং বিশ্বব্যাপী বিতরণের প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের আধুনিক প্রযুক্তিগত সাফল্যও প্রদর্শিত হচ্ছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো—
প্রজ্ঞাময় ইসলামী দাওয়াহ ও মধ্যপন্থার বার্তা। প্রদর্শনীতে মন্ত্রণালয়ের ইসলাম ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সচেতনতামূলক নানা ঐতিহাসিক উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হচ্ছে। ইসলামের প্রকৃত রূপ, মধ্যপন্থা ও ভারসাম্যের যে শাশ্বত সৌন্দর্য— তা তুলে ধরাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক বিশ্বে ইসলামি ভাবমূর্তি বিনির্মাণের এক অপূর্ব সুযোগ তৈরি করেছে এই আয়োজন।
বিশিষ্ট অতিথিদের সমাগম ও মেলার প্রহর
এরই মধ্যে এই নজরকাড়া প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেছেন রাশিয়ায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত সামি আল-সাদহান এবং ‘কিং আবদুল আজিজ সেন্টার ফর কালচারাল কমিউনিকেশন’-এর মহাসচিব আবদুল্লাহ আল-ফাওজানসহ আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা।
শিল্প ও সাহিত্যের এই আন্তর্জাতিক মস্কো বইমেলা ২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং এর রেশ থাকবে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। জ্ঞানপিপাসুদের পদচারণায় দিন দিন মুখরিত হয়ে উঠছে সৌদির এই বিশেষ আয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মন্তব্য করেছেন যে, ধর্মবিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোনো ব্যক্তি যেন পিছনে পড়ে না যায় অথবা অতিরিক্ত সুবিধা ভোগ করে কিংবা সুবিধাবঞ্চিত হয়—এটি বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা মানুষকে মানুষ হিসেবে চিনতে শিখেছি।" এই শিক্ষা তার রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রদান করেছে। তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকলেও আমরা মানুষের পাশে থাকি এবং ক্ষমতায় না থাকলেও মানুষের পাশে থাকি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) যশোর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পূজা উদযাপন পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত শোভাযাত্রাপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন, যা শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যারা ধর্মকে পুঁজি করে সস্তা রাজনীতি করে এবং দেশে বিভক্তি বা সমাজে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারের পাশাপাশি আমরা সবাই মিলে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্ম মানুষের বিশ্বাস এবং চেতনার বিষয়, যা রাজনীতির মাঠে অনৈতিক সুবিধালাভের মাধ্যম হতে পারে না। তিনি উল্লেখ করেন, "আজকের এই দিনটি কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং আধ্যাত্মিক চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার দিন।" দ্বাপর যুগে অন্ধকারাচ্ছন্ন পাপাচারময় সময়ে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল। মথুরার কংসের কারাগারে বন্দিদশার সেই কঠিন সময়ে তার জন্ম আমাদের এই বার্তা দেয়, রাতের অন্ধকার যত গভীর হোক না কেন, ন্যায়ের পথ ধরে আসে মুক্তির আলো—এটাই পরম সত্য।
তিনি বলেন, সমাজ থেকে সত্য ও বিশ্বাস হারিয়ে গেলেও সমাজ টিকে থাকবে আশার আলো নিয়ে। সেই আশার আলো হচ্ছে, আবারও সমাজে সত্য উন্মোচিত হবে এবং পরস্পরের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপন ও ভালোবাসা সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত কিংবা গোষ্ঠীগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে থেকে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেই শিক্ষা দিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদে বলেছিলেন, কারও ধর্মবিশ্বাস কিংবা রাজনৈতিক দর্শন বিবেচ্য নয়, বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডে বসবাসকারী সকলের একটি পরিচয়, আমরা বাংলাদেশি। তাই আপনাদের (সনাতন ধর্মাবলম্বী) দুর্বল ভাবার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে এই যশোরের মাটিতে তার যতখানি অধিকার রয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরও ঠিক ততখানি অধিকার রয়েছে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং যশোর পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট যশোর জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাড. দেবাশীষ দাস, রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশন যশোরের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দজী মহারাজ, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রবিন পাল, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার, পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উৎপল ঘোষ প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ