ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘তুমি আমাদের বিশ্বজয়ী করেছ, স্মৃতিতে থাকবে চিরকাল’


‘তুমি আমাদের বিশ্বজয়ী করেছ, স্মৃতিতে থাকবে চিরকাল’

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের ঘোষণা আসার পর আলবিসেলেস্তে শিবির কান্নায় ভেসে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে বিদায় জানাতে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের সতীর্থরা যেসব আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী বার্তা প্রদান করেছেন, তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে তুলে ধরা হলো—

রদ্রিগো ডি পল (মিডফিল্ডার)

"আমাদের দেশের প্রতি তোমার নিঃশর্ত ভালোবাসার জন্য, হাল না ছাড়ার যে মানসিক লড়াই তার জন্য, অন্যায়ের সামনে দাঁড়িয়ে তোমার অদম্য শক্তির জন্য, ক্যাম্পে আসা প্রত্যেক খেলোয়াড়ের প্রতি তোমার নেতৃত্ব ও মানবিকতার জন্য এবং জাতীয় দলের সবার প্রতি তোমার সদয় আচরণের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়, তোমাকে ধন্যবাদ। তুমি কল্পনাও করতে পারবে না কত হাসি তুমি ফুটিয়েছ। আমাদের স্মৃতিতে আজীবন তুমি অবিনশ্বর হয়ে থাকবে।"

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

লিয়ান্দ্রো পারেদেস (মিডফিল্ডার)

"একজন আর্জেন্টাইন, একজন জাতীয় দলের ভক্ত, একজন সতীর্থ ও একজন বন্ধু হিসেবে তুমি আমাকে যা দিয়েছ, তার জন্য ধন্যবাদ। যখন তোমাকে নিয়ে কথা বলতে হয়, তোমার কীর্তি এবং একজন খেলোয়াড় ও একজন মানুষ হিসেবে তোমার মহানুভবতা নিয়ে বলতে হয়, তখন ভাষা ফুরিয়ে যায়। আমি খুব সৌভাগ্যবান যে তোমার পাশে আমাদের জাতীয় দলের সঙ্গে এই চমৎকার পথচলায় খেলতে পেরেছি। যে অবিস্মরণীয় মুহূর্ত তুমি আমাদের সবাইকে উপহার দিয়েছ, সেজন্য আমাদের দেশ সবসময় তোমার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।"

এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (গোলরক্ষক)

"আমাদের জন্য ও সব আর্জেন্টাইনের জন্য তুমি যা করেছ, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। কিন্তু আমাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করানোর জন্য এবং এমন এক উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, যা আমি কোনোদিন কল্পনাও করিনি। আমার শ্রদ্ধা চিরকাল থাকবে, ধন্যবাদ।"

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (ডিফেন্ডার)

"আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমার প্রতি আমার অসীম শ্রদ্ধা আছে। তুমি আমাকে ও আমাদের দেশকে যা কিছু দিয়েছ, তার জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, ক্যাপ্টেন।"

নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (ডিফেন্ডার)

"সারাজীবনের স্মৃতির জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।"

আরও পড়ুন: সালমান আগার সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পাকিস্তানের জয়

সতীর্থদের এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, লিওনেল মেসি কেবল একজন সতীর্থ বা অধিনায়ক ছিলেন না; বরং পুরো আর্জেন্টিনা দলের প্রেরণা ও অভিভাবক হিসেবে তিনি অবস্থান করছিলেন। তার অবসর নেওয়া আর্জেন্টিনা ফুটবলে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা-মায়ের দেওয়া নাম বদলে চলচ্চিত্রে তারকা পরিচিতি পেয়েছেন যেসব অভিনেত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


বাবা-মায়ের দেওয়া নাম বদলে চলচ্চিত্রে তারকা পরিচিতি পেয়েছেন যেসব অভিনেত্রী

বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অনেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী রয়েছেন, যারা তাদের বাবা-মায়ের দেওয়া নাম পরিবর্তন করে ভিন্ন নামে চলচ্চিত্রে পরিচিতি লাভ করেছেন। পর্দার সেই নামগুলো সময়ের সাথে তাদের তারকা পরিচয়ে পরিণত হয়েছে। এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এসব নাম যে, অনেক দর্শক হয়তো জানেন না তাদের প্রিয় অভিনেত্রীর আসল নাম কী।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবিতে বাংলা চলচ্চিত্রের কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর পর্দার নাম ও আসল নাম তুলে ধরা হয়েছে। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, নাম বদলে তারকা পরিচিতি পাওয়া অভিনেত্রীদের-

শাবানা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানার আসল নাম আফরোজা সুলতানা রত্না। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। ‘শাবানা’ নামটি শেষ পর্যন্ত তার স্থায়ী চলচ্চিত্র পরিচয়ে পরিণত হয়েছে।

ববিতা

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী বরেণ্য অভিনেত্রী ববিতার আসল নাম ফরিদা আক্তার পপি। ষাটের দশক থেকে চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শকের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। বিশ্বখ্যাত নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’ চলচ্চিত্রেও তিনি অভিনয় করেছিলেন।

কবরী

বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিষ্টি মেয়ে’ হিসেবে পরিচিত কবরীর আসল নাম মীনা পাল। অভিনয়, সৌন্দর্য ও স্বতন্ত্র অভিনয়শৈলীর কারণে তিনি কয়েক দশক ধরে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতেও তিনি সক্রিয় ছিলেন।

রোজী আফসারী

চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ রোজী আফসারীর আসল নাম শামীমা আক্তার। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

দিতি

জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিতির আসল নাম পারভীন সুলতানা। আশি ও নব্বইয়ের দশকে তার অভিনীত বহু চলচ্চিত্র দর্শকপ্রিয়তা পায়। বড় পর্দার পাশাপাশি টেলিভিশন নাটকেও তিনি নিজের অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।

মৌসুমী

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর আসল নাম আরিফা আক্তার জামান। নব্বইয়ের দশকে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তারকা খ্যাতি অর্জন করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করে তিনি ঢালিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

শাবনূর

ঢাকাই সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের আসল নাম শারমিন নাহিদ নূপুর। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে চলচ্চিত্রে এসে তিনি দ্রুত দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেন। বিশেষ করে রোমান্টিক ও পারিবারিক গল্পের সিনেমায় তার অভিনয় ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

পূর্ণিমা

চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার আসল নাম দিলারা হানিফ রিতা। চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর অভিনয় দক্ষতা ও সৌন্দর্যের কারণে তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। সিনেমার পাশাপাশি বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনাতেও তাকে দেখা গেছে।

মাহিয়া মাহি

সমসাময়িক ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিয়া মাহির আসল নাম শারমিন আক্তার নিপা। চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে তিনি নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন।

পরীমণি

বর্তমান প্রজন্মের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণির আসল নাম শামসুন্নাহার স্মৃতি। চলচ্চিত্রে কাজের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি নিয়মিত আলোচনায় থাকেন।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য নাম পরিবর্তনের ঘটনা নতুন নয়। অনেক সময় শিল্পীরা নামকে সহজ, শ্রুতিমধুর এবং দর্শকের কাছে সহজে মনে রাখার মতো করে তুলতে নতুন নাম গ্রহণ করেন। আবার কখনো নির্মাতা, প্রযোজক কিংবা চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরামর্শেও নাম পরিবর্তন করা হয়।

তবে মজার বিষয় হলো, সময়ের সাথে এসব পর্দার নাম এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, দর্শকের কাছে সেটিই হয়ে গেছে অভিনেত্রীদের প্রকৃত পরিচয়। আফরোজা সুলতানা রত্না থেকে শাবানা, ফরিদা আক্তার পপি থেকে ববিতা, মীনা পাল থেকে কবরী কিংবা শামসুন্নাহার স্মৃতি থেকে পরীমণি নাম বদলের মধ্য দিয়েই তারা পেয়েছেন নতুন এক তারকা পরিচয়।

আজ তাদের জন্মনাম অনেকের কাছে অজানা হলেও, চলচ্চিত্রে ব্যবহৃত নামগুলোই রয়ে গেছে দর্শকের স্মৃতি ও ভালোবাসায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিনয়, সঙ্গীত থেকে ব্যবসার জগৎ! ‘বিগ বস্‌ বাংলা’য় চমক ১৫ জন প্রতিযোগীর, তাঁরা কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


অভিনয়, সঙ্গীত থেকে ব্যবসার জগৎ! ‘বিগ বস্‌ বাংলা’য় চমক ১৫ জন প্রতিযোগীর, তাঁরা কারা?

অভিনয়, গান এবং ক্রীড়াজগতের পাশাপাশি নেটদুনিয়ার পরিচিত মুখেরা স্থান পেয়েছেন ‘বিগ বস্‌ বাংলা’য়। বিতর্ক এবং সামাজিক মাধ্যমের জনপ্রিয়তা— এই দুই বিষয় এ বারের প্রতিযোগী তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সেই প্রতিযোগীরা কারা?

‘বিগ বস্‌ বাংলা’ শুরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন জল্পনার পর প্রকাশিত হয়েছে, কারা এই রিয়্যালিটি শো-তে অংশগ্রহণ করেছেন। বাংলায় শেষবার ‘বিগ বস্‌’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৩ সালে। তাই দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। অভিনয়, গান এবং ক্রীড়াজগতের পাশাপাশি নেটদুনিয়ার পরিচিত মুখেরা জায়গা করে নিয়েছেন। বিতর্ক ও সামাজিক মাধ্যমের জনপ্রিয়তা— এই দুই বিষয় এ বারের প্রতিযোগী তালিকায় বড় ভূমিকা রেখেছে। কারা এলেন? কেন তাঁরা ‘বিগ বস্‌’-এ স্থান পাওয়ার জন্য বিশেষ হয়ে উঠলেন?

মনামী ঘোষ: টলিপাড়ায় দুই দশক ধরে কাজ করছেন মনামী। ছোটপর্দা এবং বড়পর্দা মিলিয়ে তাঁর অনেক কাজ রয়েছে। অভিনেত্রীর সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘পদাতিক’ ২০২৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল। এরপর বেশ কিছু মিউজ়িক ভিডিয়োয় দেখা গেছে মনামীকে। নাচের রিয়্যালিটি শো-তে বিচারকের আসনেও তাঁকে দেখা গেছে। মনামীর জনপ্রিয় ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘বিন্নিধানের খই’, ‘ইরাবতীর চুপকথা’, ‘পুণ্যিপুকুর’। ইনস্টাগ্রামে মনামীর ফলোয়ার সংখ্যা ২৩ লক্ষ।

ভরত কল: জন্মসূত্রে কাশ্মীরি হলেও তিনি নিজেকে বাঙালি হিসেবে পরিচয় দেন। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তিন দশক ধরে ছোটপর্দা এবং বড়পর্দায় অভিনয় করছেন। ‘এমএলএ ফাটাকেষ্ট’, ‘যুদ্ধ’, ‘জোশ’, ‘চ্যালেঞ্জ ২’, ‘খাদ’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন এবং ‘গীতা এলএলবি’, ‘রোশনাই’, ‘লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার’-সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ধারাবাহিক রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।

দুর্নিবার সাহা: ‘বিগ বস্‌ বাংলা’য় একমাত্র সঙ্গীতশিল্পী তিনি। রিয়্যালিটি শো থেকে তাঁর উত্থান হয়েছে। বেশ কিছু ছবিতে প্লেব্যাক গেয়েছেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বামশিবিরের মিছিলে গান গাওয়ার জন্যও দুর্নিবারকে দেখা গিয়েছিল। ‘কিলবিল সোসাইটি’, ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’, ‘নারীচরিত্র বেজায় জটিল’ ছবিতে গান গেয়েছেন দুর্নিবার।

সোহিনী পাল: পেশায় তিনি অভিনেত্রী। প্রয়াত অভিনেতা তাপস পালের কন্যা। ‘বো ব্যারাক্‌স ফরএভার’, ‘জ্যাকপট’, ‘অটোগ্রাফ’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। সেই সঙ্গে হিন্দি ধারাবাহিক ‘চিড়িয়া ঘর’, ‘আপ কে আ জানে সে’ ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছেন সোহিনী।

অনিন্দ্য সেনগুপ্ত: এক সময়ে ছোটপর্দার গানের অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করতেন। সেখান থেকেই অভিনয়ে আসেন। ‘এক্স=প্রেম’, ‘অতি উত্তম’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। আবার ‘খোলাম কুচি’, ‘খুঁজেছি তোকে রাত বেরাতে’, ‘প্রেমে পড়া বারণ’-এর মতো ওয়েব সিরিজ়েও দেখা গেছে অনিন্দ্যকে। হিন্দিতে ‘কড়ক সিংহ’ ও ‘হোস্টেল ডেজ়’-এর মতো ছবিতেও কাজ করেছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ২৩ হাজারের কিছু বেশি।

নিরঞ্জন মণ্ডল (লাফটার সেন): নানা ধরনের চরিত্রে মজার মজার ভিডিয়ো তৈরি করেন নিরঞ্জন। কখনও তিনি মা, কখনও তিনি ছেলে, কখনও আবার পেয়াঁজ-রসুন হয়ে ওঠেন। তবে হাসির পাশাপাশি সামাজিক বার্তাও দেন তিনি বেশ কিছু কনটেন্ট-এর মাধ্যমে। জাতীয় স্তরেও পরিচিতি অর্জন করেছেন তিনি। ‘মেছো’ ও ‘বীরাঙ্গনা’ নামে দুটি ওয়েব সিরিজ়েও তাঁকে দেখা গেছে। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ১২ লক্ষ।

নন্দিনী দত্ত: ছোটপর্দা ও ওটিটি-তে পরিচিত মুখ নন্দিনী। ২০১৯ সাল থেকে অভিনয়ের যাত্রা শুরু করেছেন। ‘দুই শালিখ’, ‘কনে দেখা আলো’, ‘বসন্ত বিলাস মেসবাড়ি’র মতো ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা গেছে। ‘বিগ বস্‌ বাংলা’য় দেখা যাচ্ছে তাঁকে। ইনস্টাগ্রামে ৩ লক্ষ ২৪ হাজার ফলোয়ার সংখ্যা তাঁর।

সৃজলা গুহ: ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী। ‘মন ফাগুন’ ধারাবাহিক থেকে অনুরাগীদের মুগ্ধ করেছেন। ‘দাদুর কীর্তি’, ‘বাতাসে গুনগুন’ ওয়েব সিরিজ়েও অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি। সম্প্রতি জিতের ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবিতেও অভিনয় করেছেন সৃজলা। ইনস্টাগ্রামে সৃজলার ফলোয়ার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৭৭ হাজার।

সায়ক চক্রবর্তী: বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়ে না। পেশায় তিনি অভিনেতা ও বিষয়স্রষ্টা। তবে চলতি বছরে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। এক রেস্তরাঁয় গিয়ে অভিযোগ করেছিলেন, তিনি একরকম মাংস চাওয়ার পরেও তাঁকে অন্য মাংস দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তা ছাড়া বন্ধু দেবলীনা নন্দীর হাসপাতাল থেকে ভিডিয়ো করা নিয়েও বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন।

সোনামণি সাহা: ‘দেবী চৌধুরানী’, ‘মোহর’, ‘শুভ বিবাহ’র মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করে জনপ্রিয় মুখ তিনি। ‘মোহর’ ধারাবাহিকে সহ-অভিনেতা প্রতীক সেনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ বার সেই সোনামণিও ‘বিগ বস্‌ বাংলা’র অন্দরে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যা ১ লক্ষ ৬২ হাজার।

দীপেন্দু বিশ্বাস: ‘বিগ বস্‌ বাংলা’য় একমাত্র ক্রীড়াজগতের মানুষ তিনিই। অবসরপ্রাপ্ত ফুটবলার বসিরহাটের ছেলে। বর্তমানে তিনি মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের টিম ম্যানেজার। ফুটবলারের বাবা বাঙালি এবং মা মলয়ালি। একসময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোটে লড়েছিলেন। ২০২১ সালে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

ঝিলম গুপ্ত: সমাজমাধ্যমের অতিপরিচিত মুখ ঝিলম। বিভিন্ন সামাজিক বিষয়কে রসবোধের মাধ্যমে তুলে ধরেন। কোনও বিষয় বা ছবিতে নিয়ে চাঁচাছোলা সমালোচনা করেন। এর জন্য ঝিলম একাধিক বার রোষানলে পড়েছেন। তবে তিনি বিষয়টি খুব একটা গুরুত্ব দেননি। কথাবার্তা ছাড়াও গানও করেন ঝিলম। ইউটিউবে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ৯৪,৫০০ এবং ইনস্টাগ্রামে ৫৪,৭০০।

জয়িতা চট্টোপাধ্যায়: মুম্বইবাসী বাঙালি তিনি। পেশায় অভিনেত্রী এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নেটপ্রভাবীও। পাশাপাশি পডকাস্টও করেন জয়িতা। ইনস্টাগ্রামে তাঁর ২০ লক্ষ ফলোয়ার সংখ্যা।

আলেকজ়ান্দ্রা টেলর: আয়ারল্যান্ডের মেয়ে তিনি। ব্রিটিশ-আইরিশ মডেল বেশ কয়েক বছর ধরে বাংলা বিনোদনজগতের অংশ। ২০২২ সালে ‘ওগো বিদেশিনী’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তা ছাড়া, ‘বাঘাযতীন’ ছবিতে ও ‘আবার প্রলয়’ ওয়েব সিরিজ়েও কাজ করেছেন অভিনেত্রী। ১ লক্ষ ২৯ হাজার ফলোয়ার সংখ্যা তাঁর ইনস্টাগ্রামে।

তনুশ্রী রায় দাস: তিনি উদ্যোক্তা। শাড়ির ব্যবসা রয়েছে। সমাজমাধ্যমে শাড়িবিক্রেতা হিসেবে সফর শুরু করে তিনি এখন ‘বিগ বস্‌ বাংলা’র ঘরে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বামীর ‘প্রভাব ও ক্ষমতা’য় মানসিক চাপের শিকার! স্ত্রী ঈশার বিস্ফোরক মন্তব্যের পরেই বিচ্ছেদ ঘোষণা বাদশার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


স্বামীর ‘প্রভাব ও ক্ষমতা’য় মানসিক চাপের শিকার! স্ত্রী ঈশার বিস্ফোরক মন্তব্যের পরেই বিচ্ছেদ ঘোষণা বাদশার

কিছু মাস আগে হঠাৎ করে সমাজমাধ্যমে কিছু ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে, যা দেখে অনুরাগীরা অনুমান করতে শুরু করেন যে বাদশা ও ঈশা বিয়ে করেছেন। তবে এতদিন গায়ক এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছেন র‌্যাপার-গায়ক বাদশা। চলতি বছরের মার্চ মাসে পঞ্জাবি অভিনেত্রী ঈশা রিখীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। সোমবার তাঁরা বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন। বিয়ের কিছু ছবি এবং ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, বাদশা বিষয়টি নিয়ে এতদিন কিছু বলেননি। অন্যদিকে, ঈশা তাঁদের সম্পর্ক এবং বিয়ের বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করেছিলেন।

বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার কয়েক মাসের মধ্যেই সোমবার সন্ধ্যায় বাদশা নিজেই জানিয়ে দিলেন, ঈশার সঙ্গে তাঁর পথ আলাদা হয়ে গেছে। সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়ে র‌্যাপার জানান, তাঁরা দু’জনে পারস্পরিক সম্মতিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একইসঙ্গে অনুরাগী এবং সংবাদমাধ্যমের কাছে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার জন্য আবেদন জানান তিনি।

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বাদশা লেখেন, “পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সকলের কাছে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার অনুরোধ করছি।” এটি ছিল তাঁদের দাম্পত্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাদশার প্রথম প্রকাশ্যে মন্তব্য। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদের বিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা চলছিল, এবং এবার সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ল।

সমাজমাধ্যমে বিচ্ছেদ ঘোষণা করেন বাদশা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

এর আগে জুলাই মাসে ঈশা সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন। তাঁর সেই পোস্টের পরেও ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ে। ঈশা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভয় এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। তাঁর স্বামীর ‘প্রভাব এবং ক্ষমতা’র কারণে তিনি এমন পরিস্থিতিতে ছিলেন বলে ইঙ্গিত করেছিলেন অভিনেত্রী।

নীরব থাকা যে পরিস্থিতিকে মেনে নেওয়ার লক্ষণ নয়, বরং টিকে থাকার একটি উপায় ছিল— সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন ঈশা। তিনি জানান, সব কিছু ঠিকঠাক রয়েছে এমন ভান না করে নিজের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানানোর জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন।

বাদশা এবং ঈশার বিয়ের জল্পনা প্রথম জোরালো হয় মার্চ মাসে। ঈশার মা পুনম রিখী সমাজমাধ্যমে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছিলেন, যেগুলি দেখে মনে হয়েছিল সেগুলি কোনও ঘরোয়া বিয়ের অনুষ্ঠানের। ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে জোর আলোচনা শুরু হয় এবং খবর ছড়িয়ে পড়ে যে বাদশা ও ঈশা বিয়ে করেছেন। যদিও তাঁরা নিজেদের সম্পর্ক বরাবরই ব্যক্তিগত রেখেছিলেন।

এটি বাদশার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে জৈস্মীন মসীহের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সমাজমাধ্যমে আলাপের পর ২০১২ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। ২০১৭ সালে তাঁদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরবর্তী কালে ২০২০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ।

এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

সাক্ষাতে আন্দা ফিলিপ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকারের শক্তিশালী বার্তা বহন করে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রাম করেছি। এ সময় আমাদের দলের অসংখ্য নেতাকর্মী গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৪০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। অবশেষে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে সুগম করতে পেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তবে আমরা আশাবাদী এবং গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতন্ত্র নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। আমরা বিশ্বাস করি, একটি কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই দেশের টেকসই অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।’

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান, তার সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

আইপিইউ সেক্রেটারি আন্দা ফিলিপ জানান, তিনি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার পড়েছেন। তিনি ইশতেহারে শিক্ষা খাতে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ এবং কমিউনিটিভিত্তিক কর্মসূচির প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে আন্দা ফিলিপ বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

আন্দা ফিলিপ বলেন, আইপিইউ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউর ১৫৩তম সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আইপিইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সংসদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

আইপিইউ সেক্রেটারি গণতন্ত্রকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাক্ষাতে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তরুণ ও নারী সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আন্দা ফিলিপ বলেন, তারা অত্যন্ত উদ্যমী ও আগ্রহী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন তার সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি নারীদের জন্য অনার্স পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং নারী শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তি চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা।

সাক্ষাৎকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%