ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিপসি রোজের সঙ্গী উরকারের মৃত্যুর নতুন তথ্য, ময়নাতদন্তে মাদক গ্রহণের সম্ভাবনা


জিপসি রোজের সঙ্গী উরকারের মৃত্যুর নতুন তথ্য, ময়নাতদন্তে মাদক গ্রহণের সম্ভাবনা

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের নিজ বাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে জিপসি রোজ ব্ল্যানচার্ডের সঙ্গী কেন উরকারকে। উরকারের বয়স ছিল ৩৪ বছর। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার মৃত্যু মাদক অতিরিক্ত গ্রহণের কারণে ঘটেছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে লাফোরশ শেরিফের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা রেসল্যান্ড এলাকার একটি বাড়িতে যান। সেখানে তারা উরকারকে মৃত অবস্থায় আবিষ্কার করেন।

শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত তার মৃত্যুর সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উরকারের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন একজন ব্যক্তি ও উরকারের কর্মস্থলের কর্মকর্তা। তারা একটি খোলা জানালা দিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং বিছানায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। তার শরীর স্পর্শ করে ঠান্ডা অনুভূত হয়।

বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কর্মকর্তারা একটি বাথরুমে সিরিঞ্জ ও মাদক ব্যবহারের বিভিন্ন সরঞ্জাম আবিষ্কার করেন। সেখানেই বাদামি রঙের গুঁড়ো জাতীয় একটি পদার্থও পাওয়া যায়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিছানার পাশে একটি টেবিলে একটি সিরিঞ্জ, খাপসহ একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুটি পানীয়ের গ্লাস ছিল। কর্মকর্তাদের ধারণা, উরকার সেখানে বেশ কিছু সময় ধরে অবস্থান করছিলেন।

যিনি প্রথম উরকারকে দেখেন, তিনি জানান, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি ও তার স্ত্রী উরকারের সঙ্গে গির্জায় গিয়েছিলেন। সেখানে উরকার হতাশা ও মন খারাপের কথা বলেছিলেন।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

তিনি আরও জানান, উরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নীরব ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন, যেখানে তাকে গাড়ি চালাতে দেখা যায়। তার আচরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে এবং তিনি কাজে না আসায় তারা তার খোঁজ নিতে বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

জিপসি রোজ ব্ল্যানচার্ড গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, উরকার অতিরিক্ত মাদক গ্রহণ করেছিলেন। তার মৃত্যুতে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না। তিনি বলেন, "এতটাই ভেঙে পড়েছি যে ঠিকমতো চিন্তাও করতে পারছি না এবং কান্না করতে করতে আমার গলা ব্যথা হয়ে গেছে।"

উরকারের মৃত্যু তার ৩৪তম জন্মদিনেই ঘটেছে বলে জানা গেছে।

জিপসি রোজ ও উরকারের পরিচয় হয়েছিল চিঠির মাধ্যমে পরিচিত হওয়ার একটি কর্মসূচিতে। তখন জিপসি রোজ তার মাকে হত্যার ঘটনায় কারাগারে ছিলেন। ২০১৫ সালে তার মা ক্লডিন ‘ডি ডি’ ব্ল্যানচার্ডকে হত্যার ঘটনায় জিপসি রোজ দ্বিতীয় মাত্রার হত্যার দায় স্বীকার করেন। তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: বিলবোর্ডের ছবিকে রাস্তা ভেবে সজোরে ট্রাক চালালেন চালক, অতঃপর প্রাণ হারালেন

জিপসি রোজ জানিয়েছেন, তার মা বছরের পর বছর তাকে নির্যাতন করেছেন এবং গুরুতর অসুস্থতার ভান করতে বাধ্য করেছিলেন। এ ঘটনার পর তার মায়ের হত্যাকাণ্ড ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

হত্যাকাণ্ডে জিপসি রোজের তৎকালীন প্রেমিক নিকোলাস গোডজনও জড়িত ছিলেন। তিনি তার মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন এবং পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পান।

এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে ২০১৭ সালে একটি তথ্যচিত্র এবং ২০১৯ সালে একটি ধারাবাহিক নির্মিত হয়। ২০২৩ সালে জিপসি রোজকে আগাম মুক্তি দেওয়া হয়।

জিপসি রোজ ও উরকারের সম্পর্কের মধ্যে একসময় বিচ্ছেদ হয়েছিল। পরে ২০২৪ সালে তারা আবার একসঙ্গে হন। একই বছর তাদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে

জিপসি রোজ বলেন, তাদের সম্পর্কের সময় উরকারকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে সমালোচনা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তার দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উরকারের প্রতি যে মাত্রায় আক্রমণ ও হয়রানি করা হয়েছে, তা কোনো মানুষেরই সহ্য করা উচিত নয়।

তিনি মনে করেন, দীর্ঘদিনের এই চাপ ও হয়রানি উরকারের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। তার মৃত্যু যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয়—পর্দার আড়ালে থাকা প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি খবর ও প্রতিটি মন্তব্যের পেছনে একজন বাস্তব মানুষ আছেন।

জিপসি রোজ আরও বলেন, তিনি চান তাদের মেয়ে বড় হয়ে জানুক, তার বাবা তাকে কতটা ভালোবাসতেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপরিচিত মানুষের মন্তব্যের বাইরে তিনি আসলে কেমন মানুষ ছিলেন।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

আরও পড়ুন: লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় ক্রুশ পড়ে যাজক পাত্রিসিও আলফ্রেডো সানচেজ মোলিনারির মৃত্যু

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যালন ডি’অর নিয়ে কুকুরেয়ার সতীর্থদের প্রতি সমর্থন ও মজার মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


ব্যালন ডি’অর নিয়ে কুকুরেয়ার সতীর্থদের প্রতি সমর্থন ও মজার মন্তব্য

স্পেনের সংবাদ সম্মেলনে ব্যালন ডি’অর নিয়ে মজার মন্তব্য করে হাসির খোরাক জুগিয়েছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া। সম্ভাব্য বিজয়ী সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি রসিকতা করে বলেন, "ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে নিজেকেই ভোট দিতেন।" তবে পুরস্কার জয়ের দৌড়ে থাকা সতীর্থদের নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন তিনি।

স্পেনের আসন্ন উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচ সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন কুকুরেয়া। এ সময় ব্যালন ডি’অরের সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "আমাকে যদি ভোট দিতে হতো, আমি নিজেকেই ভোট দিতাম।"

কিন্তু নিজের এই রসিকতার পরই বিষয়টি পরিষ্কার করেন স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডার। মনোনীতদের মধ্যে তার দুই ক্লাব সতীর্থ থাকায় বিজয়ী যে-ই হোন, তাতে তার আপত্তি নেই বলে জানান তিনি।

কুকুরেয়ার ভাষায়, "সৌভাগ্যবশত, সত্যি বলতে মনোনীতদের মধ্যে দুজন আমার সতীর্থ। যে যোগ্য, সে-ই জিতুক। যেই জিতুক, আমি খুশি হব। যারা ভোট দেন, সিদ্ধান্তটা তাদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি।"

সতীর্থদের প্রতি সমর্থন জানানোর পাশাপাশি পুরস্কার জিতলে তাঁদের কাছ থেকে ছোটখাটো উপহার পাওয়ার আশাও মজার ছলে প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কুকুরেয়ার জনপ্রিয়তার বিষয়টিও উঠে আসে। স্প্যানিশ সমর্থকদের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নন এই ডিফেন্ডার। তবে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তাঁর ব্যতিক্রমী চেহারাও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে জাতীয় দলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করলেও ক্লাব ফুটবলে নিজের সেরা ছন্দে ফিরতে আরও সময় প্রয়োজন বলে স্বীকার করেছেন কুকুরেয়া। নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া এবং সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়ানোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

কুকুরেয়া বলেন, "জাতীয় দলে আমি অনেক ম্যাচ খেলেছি। অন্যদিকে, মাদ্রিদ আমার জন্য নতুন একটি ক্লাব এবং আমরা প্রায় কোনো প্রাক-মৌসুমও পাইনি। আমি ১০টিরও কম ম্যাচ খেলেছি।"

তিনি আরও বলেন, "অবশ্যই এমন কিছু বিষয় আছে, যেগুলো আমাকে উন্নত করতে হবে এবং সতীর্থদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। তবে আমি নিজের সেরাটা দিতে ও কঠোর পরিশ্রম করতে চাই, যাতে জাতীয় দলে যে কুকুরেয়াকে দেখা যায়, রিয়াল মাদ্রিদেও যেন সেই সংস্করণটিই দেখা যায়।"

সূত্র: গোল ডটকম

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বার কাউন্সিল ‘রোল মডেল’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বার কাউন্সিল ‘রোল মডেল’

মানসম্মত পরীক্ষার মাধ্যমে আইনজীবী তালিকাভুক্তি, পেশাগত অসদাচরণের জন্য নিজেদের ট্রাইব্যুনালে বিচার এবং মৃত্যু পরবর্তী আর্থিক অনুদানের নিশ্চয়তার কারণে পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বর্তমানে ‘রোল মডেল’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

‘বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনারস অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার-১৯৭২’ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে মানসম্পন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে দেশে নতুন আইনজীবী তালিকাভুক্ত করা।

আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া

আইন বিষয়ে স্নাতক বা এলএলবি ডিগ্রিধারী আইন পেশায় যুক্ত হতে ইচ্ছুক হলে প্রথমে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন আইনজীবীর অধীনে ছয় মাসের শিক্ষানবিশকাল সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষানবিশকাল শেষ হওয়ার পর বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে। প্রথমে নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ), পরে লিখিত এবং সর্বশেষ মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সফল হলে বার কাউন্সিলের আইনজীবী সনদ অর্জনকারীরা জেলা আদালতে আইন পেশা পরিচালনার সুযোগ পাবেন।

অন্যদিকে, হাইকোর্টের আইনজীবী হতে হলে জেলা আদালতে দুই বছর আইন পেশা পরিচালনাকারী আইনজীবীকে বার কাউন্সিলের হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। তবে এলএলএম ডিগ্রিধারী আইনজীবীরা জেলা আদালতে এক বছর আইন পেশা পরিচালনার পর হাইকোর্ট পারমিশন পরীক্ষা দিতে পারবেন। হাইকোর্ট পারমিশনের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তারা হাইকোর্টে আইন পেশা পরিচালনার জন্য বার কাউন্সিল থেকে সনদ লাভ করবেন।

আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পর্কে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, বার কাউন্সিলের অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে আইনজীবী তালিকাভুক্তিকরণ। দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রক্রিয়াটি নিয়মিত ছিল না। তবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যতদূর সম্ভব এটি নিয়মিত করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে আইনজীবী তালিকাভুক্তির দুটি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘যার নাই কোনো গতি, সে করে ওকালতি’- এমন ধারণাকে দূরে ঠেলে আইন পেশার মান মর্যাদা বৃদ্ধি ও মেধার চর্চা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। আইনজীবী তালিকাভুক্তির সিলেবাসকে যুগোপযোগী করে সংশোধন করা এবং বছরে দুটি পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি প্রশ্নের মান উন্নত করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকৃত মেধাবী আইনজীবীরা তালিকাভুক্ত হবেন, সেটাই প্রত্যাশা।

আইনজীবীদের প্রশিক্ষণ বিষয়ে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জানান, সারা দেশের আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে, আইন মন্ত্রণালয় থেকে আইনজীবীদের ট্রেনিংয়ের জন্য বার কাউন্সিলকে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আইনজীবীরা ভবিষ্যতে বার কাউন্সিলের ট্রেনিং থেকে উপকৃত হবেন।

বার কাউন্সিল গঠন

বার কাউন্সিল ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত। বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অপর ১৪ জন সদস্যের মধ্যে সাধারণ আসনে (৭টি) সারা দেশের আইনজীবীদের সরাসরি ভোটে ৭ জন সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া সারা দেশের স্থানীয় বার অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে (আইনজীবী সমিতি) ৭টি গ্রুপে (গ্রুপ-এ থেকে গ্রুপ-জি) ভাগ করা হয়। প্রতিটি গ্রুপ থেকে আইনজীবীদের ভোটে একজন করে মোট সাতজন সদস্য নির্বাচিত হন। সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ১৪ জন সদস্য তাদের প্রথম সভায় নিজেদের মধ্য থেকে একজনকে ‘ভাইস-চেয়ারম্যান’ হিসেবে নির্বাচন করেন।

বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২ এর ক্ষমতাবলে গত ৩০ জুন ১৫ সদস্যের একটি অ্যাড-হক বার কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই অ্যাডহক বার কাউন্সিল ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এক বছর মেয়াদে কার্যকর থাকবে।

বার কাউন্সিলে ১০ কমিটি

বার কাউন্সিলের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০টি কমিটি রয়েছে। এই কমিটিগুলো হলো- এক্সিকিউটিভ কমিটি, এনরোলমেন্ট কমিটি, ফিন্যান্স কমিটি, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি, ল রিফর্ম কমিটি, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড লিগ্যাল এইড কমিটি, হাউস কমিটি, রিলিফ কমিটি, রোল অ্যান্ড পাবলিকেশন কমিটি এবং কমপ্লেইন্ট অ্যান্ড ভিজিল্যান্স কমিটি।

আইনজীবী তালিকাভুক্তি ও পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়গুলোর দায়িত্বে থাকা গুরুত্বপূর্ণ এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হলেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি। এছাড়া প্রধান বিচারপতি মনোনীত হাইকোর্টের অপর দুজন বিচারপতি এই কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন। সেইসাথে অ্যাটর্নি জেনারেল (পদাধিকারবলে) ও বার কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত একজন আইনজীবী এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য হন।

আইনজীবীর অসদাচরণ বিচারে ট্রাইব্যুনাল

আইনজীবীদের পেশাগত অসদাচরণের বিচার করার জন্য বার কাউন্সিলের অধীনে একটি ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। এই ট্রাইব্যুনাল আইনজীবীদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের তদন্ত ও বিচারকাজ পরিচালনা করে।

সাক্ষ্য গ্রহণ, সমন জারি এবং অন্যান্য কার্যধারার ক্ষেত্রে দেওয়ানি কার্যবিধির ক্ষমতা রয়েছে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের। পেশাগত অসদাচরণের জন্য দোষী প্রমাণিত হলে আইনজীবীর বিরুদ্ধে মূলত তিন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এগুলো হলো- তিরস্কার বা ভর্ৎসনা, আইনজীবী সনদ সাময়িক বাতিল বা স্থগিতকরণ অথবা পেশা থেকে স্থায়ী বহিষ্কার। তবে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আদেশ পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন।

আইনজীবীদের অসদাচরণের বিচারের বিষয়ে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, কোনো আইনজীবীর বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ আসলে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে অভিযুক্ত আইনজীবীকে তার বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে অভিযোগকারী ব্যক্তিকে তার অভিযোগ উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়। বার কাউন্সিলে বর্তমানে পাঁচটি ট্রাইব্যুনাল পূর্ণাঙ্গভাবে কাজ করছে এবং অনেক অভিযোগ নিষ্পত্তি হচ্ছে। দেশের পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি ‘রোল মডেল’ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আর্থিক অনুদানে বেনাভোলেন্ট ফান্ড

কোনো আইনজীবী মৃত্যুবরণ করলে তার নমিনি বা পরিবার বার কাউন্সিলের (বেনাভোলেন্ট ফান্ড) তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান পেয়ে থাকেন। কত বছর চাঁদা দেওয়া হয়েছে সে অনুযায়ী চাঁদা দানকারী আইনজীবীর মৃত্যুদাবির টাকা নির্ধারিত করা রয়েছে। যেখানে ৪০ বছর বা তার চেয়ে বেশি সময় চাঁদা দানকারীর মৃত্যুদাবি ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বেনাভোলেন্ট ফান্ড বিষয়ে বার কাউন্সিলের সচিব (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ কামাল হোসেন সিকদার জানান, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৭ কর্মদিবসের মধ্যে আইনজীবীর মৃত্যুদাবির টাকার চেক স্ব-স্ব আইনজীবী সমিতির মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন দৃষ্টিনন্দন ১৫ তলা বিশিষ্ট বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে আইনজীবীদের জন্য উন্নত মানের রেস্ট হাউজ সুবিধা রয়েছে। আইনজীবীরা নির্ধারিত ভাড়া দিয়ে এই রেস্ট হাউজে থাকতে পারেন। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭ বছর বেতন পান না শিক্ষক-কর্মচারী, তবু চলছে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


৭ বছর বেতন পান না শিক্ষক-কর্মচারী, তবু চলছে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২০১৭ সালে যাত্রা শুরু করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ। বিদ্যালয়টির কার্যক্রম শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির পাশে মনোরম পরিবেশে। প্রথমে ১৬ জন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রথম বছরে ৬৭৫ শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও কলেজ শাখা চালু হয়নি।

তবে ২০১৯ সালের পর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে। ২০২০ সালে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে বিদ্যালয়টি পাঠদানের অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে বিদ্যালয়টি উপাচার্যের বাসভবনের পাশে স্থানান্তরিত হয়। এরপর থেকেই বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত সংকট দেখা দিতে শুরু করে।

বর্তমানে বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষের অভাব রয়েছে। নিরাপদ খাবার পানি ও পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই। পরিবহন এবং খেলার মাঠের সংকটও রয়েছে। বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষের টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে। এসব সমস্যার কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেছে। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাত্র ১৬০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুকাইয়া খানম জানায়, সে প্লে শ্রেণি থেকে এই বিদ্যালয়ে পড়ছে। বিদ্যালয়ে ওয়াশরুম ও নিরাপদ খাবার পানির সমস্যা রয়েছে। সে আশা করে উপাচার্য এসব সমস্যা সমাধান করবেন।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফরিদুজ্জামান আহসাফ জানায়, ওয়াশরুমের পাশে ঝোপ-জঙ্গল রয়েছে, যেখানে সাপ থাকে। এ কারণে তারা ভয় পায়। বৃষ্টির সময় শ্রেণিকক্ষের টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে।

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়ান জানায়, প্রচণ্ড গরমে কষ্ট করে ক্লাস করতে হয়। বৃষ্টির সময় টিনের চাল দিয়ে পানি পড়ে ভিজে যেতে হয়। বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ নেই এবং শ্রেণিকক্ষের অবস্থাও ভালো নয়। সে বিদ্যালয়ের জন্য খেলার মাঠ ও নতুন ভবন চায়।

প্রাক-প্রাথমিকের তাইবুল্লাহ রোহান ও প্লে শ্রেণির শিক্ষার্থী আশিকুল্লাহর মা তাসলিমা বেগম বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান করেন এবং শিশুদের যত্ন নেন। শিক্ষকদের কারণে তিনি তার দুই ছেলেকে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করেননি।

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুর রহিমের মা সায়লা জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশ শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে সহায়তা করে। এ কারণে তিনি তার সন্তানকে এই বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছেন। তবে বিদ্যালয়ে অনেক সমস্যা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. নাজমুল ইসলাম নাহিদ বলেন, তিনি এই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছেন এবং বর্তমানে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে পড়ছেন। তার ভাষ্য, শিক্ষকরা বিদ্যালয়টিকে নিজের সন্তানের মতো করে গড়ে তুলেছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তারা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। তিনি বিষয়টির দ্রুত সমাধান চান।

আরেক সাবেক শিক্ষার্থী ঈমান আলী বর্তমানে গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও ব্যাংকিং বিভাগে পড়াশোনা করছেন। তিনি বলেন, তাদের সময় বিদ্যালয়ের অবস্থা ভালো ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলায় বর্তমানে বিদ্যালয়টি অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। বিদ্যালয়টিকে একটি আদর্শ বিদ্যালয়ে পরিণত করার দাবি জানান তিনি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাদিম আহমেদ বলেন, ২০১৯ সালে উপাচার্য চলে যাওয়ার পর থেকেই তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ রয়েছে। লাইব্রেরির পাশ থেকে বিদ্যালয়টি উপাচার্যের বাসভবনের পাশে স্থানান্তরের পর সংকট আরও বেড়েছে। বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

সহকারী শিক্ষক আলেয়া বেগম বলেন, দীর্ঘ সাত বছর ধরে তারা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া বেতন এবং শিক্ষকদের নিজেদের অর্থ দিয়ে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবার নিয়ে চলতে তাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। খুলনা, কোটালীপাড়া ও বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে কয়েকজন শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন। তাদের ভোগান্তি আরও বেশি। সদ্য যোগ দেওয়া উপাচার্য বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করবেন বলে আশা করেন তিনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, বিদ্যালয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে নেই। তবে সেখানে বিদ্যালয়, শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টিকে সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হবে। বিদ্যালয়ের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির নতুন মালিকানায় ক্লাবের প্রথম জয়ের দেখা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


মেসির নতুন মালিকানায় ক্লাবের প্রথম জয়ের দেখা

মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন লিওনেল মেসি মাঠের খেলার পাশাপাশি ব্যবসায়ী এবং ক্লাব মালিক হিসেবেও তার ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। কাতালান ক্লাব বার্সেলোনার ঐতিহাসিক জার্সির বাইরে এবার মালিক হিসেবে স্পেনের মাটিতে প্রথম জয়ের স্বাদ লাভ করলেন এই ফুটবল জাদুকর।

সম্প্রতি মেসি স্প্যানিশ ফুটবলের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব এলদেন্সের মালিকানা গ্রহণ করেন। শতবর্ষেরও বেশি পুরোনো আলিকান্তে অঞ্চলের এই ক্লাবটির জন্য এটি একটি নতুন এবং ঐতিহাসিক মোড় নিয়ে এসেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে মালিকানা গ্রহণের পর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মাথায় ক্লাবটির ম্যাচ উপভোগ করার একটি ছবি তিনি নিজের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করেন।

নতুন মালিকের অধীনে এলদেন্স স্বপ্নের মতো সূচনা করেছে। স্প্যানিশ দ্বিতীয় বিভাগের অষ্টম রাউন্ডের খেলায় লা লিগা থেকে সদ্য অবনমিত হওয়া রিয়েল ওভিয়েদোকে ৪-১ গোলে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে তারা। চলতি মৌসুমে এলদেন্সের এটি দ্বিতীয় জয়। ৮ ম্যাচে ২ জয়, ২ ড্র এবং ৪ পরাজয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে তারা টেবিলের ১৫তম স্থানে অবস্থান করছে।

১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ক্লাবটিকে ঘিরে নতুন স্বপ্নের জাল বুনছেন সংশ্লিষ্টরা। এক সময়ের বার্সেলোনা মহাতারকার হাত ধরে এলদেন্সের মূল লক্ষ্য এখন লা লিগায় উন্নীত হওয়া। পয়েন্ট টেবিলে ১৯ ও ১৮ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে কাস্তেলন ও এইবার। তবুও, মেসির মতো মহাতারকার ছোঁয়ায় ক্লাবটি নিজেদের ভাগ্য বদলে লা লিগায় জায়গা করে নেওয়ার ঐতিহাসিক স্বপ্ন দেখছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%