০২:৪৭ পি.এম
গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে দেশে তুলা এবং সুতা আমদানি হ্রাস পেয়েছে। সেই সঙ্গে স্ট্যাপল ফাইবার, তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য দরকারি ডাইং এবং চামড়ার শিল্পের ট্যানিং ম্যাটারিয়ালসের আমদানিও কমছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ ব্যালেন্স অব পেমেন্টের তথ্যে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা তো দূরে কথা, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একটি বছর আগের তুলনায় তৈরি পোশাক খাতের রফতানি আয় ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে গিয়েছে। এমন অবস্থার মধ্যেই বুধবার (৮ জুলাই) প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, বিদায়ী অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তুলা আমদানি হয়েছে ২৬৭ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ কম।
একই সময়ে সুতা আমদানি ১২ দশমিক ২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯৫ কোটি ৩ লাখ ডলারে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই আমদানির পরিমাণ ছিল ৩৩৬ কোটি ৬ লাখ ডলার। টেক্সটাইল এবং নিট-ওভেন শিল্পের কাঁচামাল আমদানিও কমতে দেখা যাচ্ছে। গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে এসব পণ্য আমদানি হয়েছে ৮২১ কোটি ৬৮ লাখ ডলারের, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ কম।
আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানাচ্ছেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই। এর মূল কারণগুলো হল, জ্বালানি সংকট, ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতা, কাস্টমস এবং এনবিআরের নীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এই চারটি বিষয়ে জটিলতা বিনিয়োগ মন্থর হওয়ার বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, স্ট্যাপল ফাইবারের আমদানি ৯ শতাংশ কমেছে। পাশাপাশি ডাইং এবং ট্যানিং ম্যাটারিয়ালসের আমদানিও ৬ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন