ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ মসজিদে হারাম ও নববিতে জুমার নামাজ পড়াবেন যাঁরা


আজ মসজিদে হারাম ও নববিতে জুমার নামাজ পড়াবেন যাঁরা

মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) জুমার নামাজের ইমাম হিসেবে এবং খুতবা প্রদানকারী যারা থাকবেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রখ্যাত দুই শায়খ। এই তথ্যটি মসজিদে হারাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মসজিদে হারামে আজ জুমার নামাজ পড়াবেন সুপরিচিত ইসলামিক স্কলার শায়খ ড. উসামা বিন আব্দুল্লাহ খাইয়্যাত। তার সুললিত তেলাওয়াত মুসুল্লিদের মনে গভীর মুগ্ধতা সঞ্চার করে।

১৯৫৬ সালে সৌদি আরবের মক্কায় তার জন্ম। শায়খ উসামা ১৯৭৭ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন যথাক্রমে ১৯৮২ এবং ১৯৮৮ সালে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তার বাবা শায়খ আব্দুল্লাহ মসজিদ এ হারামের ইমাম ও খতিব হিসেবে কাজ করেছিলেন। ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি নিজেও মসজিদে হারামের ইমাম হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। একইসাথে, তিনি উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটির দাওয়াহ ও উসুলে দ্বীন অনুষদের অধ্যাপক এবং সৌদি শুরা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।

মসজিদে নববিতে আজ জুমার নামাজ পড়াবেন শায়খ ড. আবদুল বারি বিন আওয়াদ আস সুবাইতি। তিনি ১৩৮০ হিজরিতে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং মক্কাতেই বেড়ে ওঠেন। সেখানেই তার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার সূচনা ঘটে। তার বংশওতাইবা গোত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি খুব অল্প বয়সে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হন। এর পর ১৩৮৯ হিজরিতে শরিয়া বিজ্ঞান অধ্যয়ন করতে আল-আরকাম ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন। ১৪০৪ হিজরিতে তিনি কিং আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৩৯৯ হিজরিতে মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৪১০ হিজরিতে তারাবিহ নামাজের ইমামতির জন্য তাকে মসজিদে হারামে নিযুক্ত করা হয়। চার বছর ধরে তিনি সেখানে নামাজের ইমামতি করেন। ১৪১৪ হিজরিতে তিনি মসজিদে নববিতে ইমাম ও খতিব হিসেবে নিযুক্ত হন। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


থানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৮

পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা প্রায় তিনশ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) আগৈলঝাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওমর ফারুক বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। এর পরে, পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই মামলার ১৮ জন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে। আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আগৈলঝাড়া থানা সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে চুরির মামলার আসামি মো. রিয়াজ ফকিরকে (২৬) গ্রেফতার করেন এসআই মাসুদুর রহমান। গ্রেফতারের পরে, রাতের সময় থানার হাজতে থাকাকালে রিয়াজ নিজের মাথায় হাজতের লোহার গ্রিলে আঘাত করেন। একপর্যায়ে তিনি মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে তাকে তাৎক্ষণিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে রিয়াজ সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে রিয়াজের বাবা মো. সিদ্দিক ফকির বরিশাল থেকে এলাকায় ফিরে তার ছেলের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে দেন।

গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে থানা ঘেরাও করেন। একপর্যায়ে তারা থানার মূল ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ডিউটি অফিসারের কক্ষে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। হামলাকারীরা সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আব্দুল হালিমকে টানা-হেঁচড়া ও মারধর করেন।

তাদের বাধা দিতে গেলে কনস্টেবল মো. আল আমিন, মো. লিমন হোসেন ফরহাদ এবং মো. ফরহাদ হোসেন গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় এএসআই মো. আব্দুল হালিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন সিদ্দিক ফকির (৬০), মান্নান ফকির (৬৫), তানজিলা বেগম (২৬), রিফাত ফকির (১৮), নাঈম ফকির (১৮), রাজু হাওলাদার (১৮), মো. সবুজ ফকির (৩২), নাছিমা ওরফে রেখা বেগম (৪৫), মমতাজ বেগম (৬০), হাবিবুর রহমান (৪৫), গিয়াস উদ্দিন ফকির (৬২), মনোয়ার বেগম (৫০), ময়না বেগম (৪৮), আসমা বেগম (৩৪), নাজমা আক্তার (৪০), ঝুমুর আক্তার (৩৬), শারমিন আক্তার (২৫) এবং মোসা. তাহমিনা (৫০)। তারা সবাই উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশী গ্রামের বাসিন্দা।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, ‘মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুলে দুই শিক্ষকের মারামারির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


স্কুলে দুই শিক্ষকের মারামারির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল

পাবনার ঈশ্বরদীর ৩৭ নং ছলিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজার মধ্যে হাতাহাতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অবিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (০৮ জুলাই) দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। ভিডিওটি ৫ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড দীর্ঘ এবং এতে নেটিজেনরা ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ের বারান্দায় প্রাত্যহিক সমাবেশ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে বুধবার রাতে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ঘটনার ধারণকৃত ভিডিও পোস্ট করেন।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, বৃষ্টির ফলে বিদ্যালয়টির বারান্দায় শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধ করে সমাবেশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ওই সময় প্রধান শিক্ষক উচ্চ স্বরে সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহানকে সমাবেশের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশ দেন। বেশ কয়েকবার বলার পরও তারা সেই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকেন। একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষক তাদের ধমক দিলে সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও ইসরাত জাহান প্রধান শিক্ষকের ব্যবহারের সংশোধন করতে বলেন। তখন শিক্ষক তানভীর রেজা প্রধান শিক্ষকের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তানভীর রেজা প্রধান শিক্ষকের হাতে থাকা মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ে কর্মরত অন্যান্য শিক্ষকরা জানান, প্রধান শিক্ষকের সাথে সহকারী শিক্ষকদের এমন ঘটনা তাদের কর্মক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রতিদিন এমন ঘটনা শুধু শিক্ষকরা পাঠদানে মনোযোগ হারাচ্ছেন না, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এমন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

ছলিমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ এ সম্পর্কে বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে তিনি এই প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও ইসরাত জাহান স্বামী-স্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে তারা বিদ্যালয়টিকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে ফেলেছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, বেশ কিছুদিন ধরে সহকারী শিক্ষক তানভীর রেজা ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহান সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে আসছেন না এবং প্রতিষ্ঠানে কোনো দাপ্তরিক কাজে ও প্রাত্যহিক সমাবেশে সহযোগিতা করছেন না।

এছাড়া সাম্প্রতিককালে ওই শিক্ষক দম্পতি তাদের দুই সন্তানকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন এবং ক্লাসরুমে পর্যন্ত শিশুদের নিয়ে প্রবেশ করেন। তারা ক্লাসে এবং অফিসকক্ষে শিশুদের খাওয়ানোর কাজ করেন এবং অবসর সময় পেলে দোতলার একটি কক্ষে বাচ্চাদের নিয়ে আড্ডা দেন।

প্রধান শিক্ষক যোগ করেন, ঘটনার দিন ওই শিক্ষক দম্পতিকে বারবার বলার পরও তারা সমাবেশে যোগ দেননি। পরে ভিডিও করতে তিনি বাধ্য হন। বিষয়টি মৌখিকভাবে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানোর পরও কোনো সমাধান না পেয়ে গতকাল এটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতে বাধ্য হয়েছেন।

এ বিষয়ে শিক্ষক দম্পতি তানভীর রেজা ও ইসরাত জাহান বলেন, প্রধান শিক্ষক তাদের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত আক্রোশে অভিযোগ তুলেছেন। বরং প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে পাঠদান করেন না এবং সবসময় সহকারী শিক্ষকদের তার গোলাম হিসেবে মনে করেন। প্রতিষ্ঠানের বাহিরেও ব্যক্তিগত কাজের জন্য তাদের হুকুম করেন। এসব বিষয়ে আপত্তি জানালে শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন।

তাদের দাবি, সম্প্রতি সমাবেশের ঘটনার কারণে প্রধান শিক্ষক অশোভন আচরণ করেছেন এবং সেটিকে ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছেন। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিন সুনামের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছিল, কিন্তু সাম্প্রতিককালে শিক্ষকদের এ ধরনের আচরণ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। শিক্ষকদের দীর্ঘ সময়ে চলমান দ্বন্দ্বে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিম্নমুখী হয়েছে এবং শিক্ষার্থীসংখ্যা কমে গেছে। তাই স্থানীয়রা আশা করেছেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনবেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার মুঠোফোনে জানান, এখন পর্যন্ত তিনি এসব ঘটনায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাননি। শিক্ষকদের মধ্যে এমন আচরণ খুবই লজ্জাজনক এবং এটি কাম্য নয়। তবে তিনি শিক্ষা পরিবেশ বজায় রাখতে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃত্তির ফল ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৫ পি.এম


বৃত্তির ফল ফাঁসের ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই ফাঁস হওয়ার ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মো. মেহতাব কায়েসকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সাখাওয়াৎ হোসেনের সই করা প্রজ্ঞাপনে এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর ফলাফল যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশের পূর্বে ওয়েব পোর্টালে আপলোড করার ক্ষেত্রে যথাযথ নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ না করে ফলাফল ওয়েব পোর্টালে আপলোড করার প্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর অনুযায়ী অনুচ্ছেদ ১২(১) অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মো. মেহতাব কায়েস যে ৯ জুলাই থেকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকি ভাতা প্রাপ্য হবেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিনের সই করা অফিস আদেশের মাধ্যমে বৃত্তির ফল ফাঁসের ঘটনায় তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে।

কমিটিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিলকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য দুজন হলেন- সদস্য অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের শিক্ষা অফিসার জিয়াউল কবির সুমন এবং সদস্যসচিব প্রশাসন-২-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রোখসানা হায়দার।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর ফলাফল গত ৮ জুলাই চূড়ান্ত করা হয়। প্রস্তুতকৃত ফলাফল ওয়েবপোর্টালে আপলোড করতে প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির জন্য অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার মো. মেহতাব কায়েসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয় যে, ফলাফল যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশের পূর্বে তা ওয়েবপোর্টালে আপলোড না করতে। কিন্তু ৯ জুলাই সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল ওই লিংকসমূহে আপলোড করা হয়। অল্প সময় সচল থাকায় এ লিংকসমূহ থেকে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ফলাফল ডাউনলোড করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে।

জানা গেছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা ছিল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই)। কারিগরি ত্রুটির কারণে ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলের খণ্ডিত অংশ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষক ও অভিভাবক এই ফলাফল শেয়ার করে নিজের ছাত্রছাত্রী কিংবা সন্তানদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তবে এ ফল সঠিক নাকি ভুয়া, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

দিনভর বিভিন্ন আলোচনার পর রাতে সরকার সম্পর্কে বিবৃতি ও তদন্ত কমিটি গঠন করে। এরপর অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ জামায়াত নেতার বাবার বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ জামায়াত নেতার বাবার বিরুদ্ধে

মাগুরা জেলার মহম্মদপুরে সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতার বাবার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম লস্কর বিশ্বাস ওরপে নওশের বিশ্বাস (৬৫)। তিনি উপজেলার ধোয়াইল গ্রামের মৃত যদন বিশ্বাসের ছেলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। 

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সকাল ১০টার দিকে শিশুটিকে একা পেয়ে লস্কর বিশ্বাস কৌশলে তার হাত ধরে ঘরের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটির মা ঘরের ভেতর তার অপর ছোট সন্তানকে ঘুম পাড়াচ্ছিলেন। বিষয়টি অন্য শিশুরা বুঝতে পেরে শিশুটির মাকে জানায়। 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঘটনাটি জানার পর ওই রাতেই মহম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন শিশুটির বাবা মো. জুয়েল মোল্যা।

মো. জুয়েল মোল্যা মাগুরা সদর থানার সামনে একজন চায়ের দোকানদার। ঘটনার সময় তিনি দোকানে কর্মরত ছিলেন। 

অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি সামাজিকভাবে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়। 

ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার জানায়, অভিযুক্ত লস্কর বিশ্বাসের ছেলে মো. হোসাইন আহমেদ কাবুল স্থানীয় মহম্মদপুর সদর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হওয়ায় তারা ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে গভীর শঙ্কার মধ্যে রয়েছে।

এলাকায় এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে খবর পেয়ে রাতেই মহম্মদপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই কৌশলে গা-ঢাকা দেন অভিযুক্ত লস্কর বিশ্বাস। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।

এক ভিডিও বার্তায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী শিশুর পিতা জুয়েল মোল্যা প্রশাসনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, একজন পিতা হিসেবে আমি এই ঘটনার সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। 

মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম শামীম আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%