ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেয়াল ধসের ঘটনায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী


দেয়াল ধসের ঘটনায় আহতদের দেখতে হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৮ জুলাই, ২০২৬ : রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সফর করেন মিরপুরে দেয়াল ধসে আহতদের দেখতে।

আজ মঙ্গলবার রাতে তিনি পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন।

এ সময়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথোপকথন করেন। পাশাপাশি তিনি সরকারিভাবে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মিরপুরে টিসিবির পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের উপর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি দেয়াল ভেঙে পড়ে, যার ফলে দুজনের মৃত্যু ঘটে এবং এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে পাঁচজন পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, এবং একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন আছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের পরিচয়ে প্রতারণা, সতর্ক করল পুলিশ সদর দফতর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের পরিচয়ে প্রতারণা, সতর্ক করল পুলিশ সদর দফতর

সম্প্রতি, পুলিশসহ সরকারি বিভিন্ন দফতরের দায়িত্বশীল ব্যক্তি এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারক চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেসেজ (বার্তা) পাঠাচ্ছে। তারা অর্থ দাবি করছে এবং বিভিন্ন ধরনের তদবিরের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

প্রতারক চক্র এই ধরনের কর্মকাণ্ড চালানোর মাধ্যমে একদিকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে, অন্যদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার মর্যাদা হানি করে। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যেকোনো আইডিতে যদি কোনো সরকারি কর্মকর্তার ছবি থাকে, তবে মোবাইল নম্বরটি ওই ব্যক্তির বলে নিশ্চিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তাই প্রতারকদের এ ধরনের মেসেজে (বার্তা) সাড়া না দিতে সবার প্রতি অনুরোধ করা হচ্ছে।

যদি কেউ প্রতারক চক্রের এই ধরনের বার্তা পায়, তবে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে এবং সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডি ও গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), ডিএমপি কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

বাংলাদেশ পুলিশ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে সর্বদা সজাগ রয়েছে। যদি কেউ এই ধরনের প্রতারণার সাথে জড়িত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিপিএলের কলঙ্ক গায়ে লাগাতে চায় না তামিমের বিসিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


বিপিএলের কলঙ্ক গায়ে লাগাতে চায় না তামিমের বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ২০১২ সালে প্রথম বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন করে। কিন্তু বিপিএলের শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই কারণে দেশের ক্রিকেট সমালোচিত হচ্ছে।

বর্তমান ক্রিকেট বোর্ড, যেটি তামিম ইকবালের নেতৃত্বে পরিচালিত, বিপিএলের কলঙ্ক গায়ে লাগাতে চায় না। সেজন্য তারা বিপিএল আয়োজন না করার বিষয়ে বেশির ভাগ পরিচালক একমত।

অতীতে যেসব কারণে বিপিএল সমালোচিত হয়েছে এবং দেশের ক্রিকেটের বদনাম কুড়িয়েছে, সেসব সমস্যা দূর করার আগে টুর্নামেন্টটি আর আয়োজন না–ও হতে পারে। আগামী ডিসেম্বরে বিপিএলের পরবর্তী আসর হওয়ার কথা ছিল।

প্রায় প্রতি বিপিএলেই স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। সেই সঙ্গে স্থানীয় ও বিদেশি খেলোয়াড়দের বকেয়া পাওনা, বিসিবি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে টানাপোড়েন, ভালো প্রতিষ্ঠানের ফ্র্যাঞ্চাইজি না থাকা এবং ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অপেশাদার আচরণ মিলিয়ে বিপিএলের দুর্নাম বিস্তৃত হয়েছে ক্রিকেট–বিশ্বে।

বিসিবির একজন পরিচালক মন্তব্য করেছেন যে, বিপিএলে এমনও ঘটে যে এক–দুটি দলের প্রায় পুরো খেলোয়াড়দের পেমেন্ট বিসিবিকে করতে হয়। ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকেরা ৫ লাখ টাকার খেলোয়াড়কে ৫০ লাখ টাকায় ডাকেন কিন্তু পরে টাকা দেন না। এসব চাপ বোর্ডের কাঁধে ফেলে চলে যায়। পুনরায়, টিভি স্বত্ব বিক্রি করে যে টাকা আসে, তার প্রায় পুরোটাই চলে যায় প্রোডাকশন কস্টে। এর ফলে এই বিপিএল আয়োজন করার লাভ কী?

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা বলেন, "আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ভালো ফ্র্যাঞ্চাইজিদের নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে। না পারলে তখন হয়তো একটা সিজন ব্রেক দেব।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, মানসম্মত শিক্ষায় জোর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, মানসম্মত শিক্ষায় জোর

দায়িত্ব গ্রহণের পর মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করেছেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন নতুন নির্দিষ্ট সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির অংশ ছিল, যেখানে তিনি মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করেছেন। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দফতর ও সংস্থার প্রধান এবং মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন।

পর্যালোচনা সভা চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এসব কার্যক্রম পর্যালোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, কার্যকর পাঠদান, শিক্ষকদের যুগোপযোগী ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ, এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাঠপর্যায়ে কর্মরত অভিজ্ঞ শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। তাঁরা শিক্ষাক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে শিক্ষাব্যস্থার প্রতিটি স্তরে গুণগত পরিবর্তন আনতে সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর তদারকি এবং সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত থাকবে।

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় যে প্রস্তাব দিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৮ পি.এম


মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় যে প্রস্তাব দিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

কওমি মাদরাসার শিক্ষা পরিবেশ, শৃঙ্খলা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ ৬ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে, শায়খ আহমাদুল্লাহ দেশের শীর্ষ আলেম ও মাদরাসার দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে এই উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই কথা বলেন।

পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ উল্লেখ করেন, কওমি মাদরাসা সংকটাপন্ন জনগণের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং রাষ্ট্রীয় অনুদান ছাড়াই লাখ লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুর ভরণ-পোষণের দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে শিশুদের প্রতি শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা এই প্রতিষ্ঠানের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের ওপর ছায়া ফেলছে। ইসলাম শিশুদের সঙ্গে কোমল আচরণের ওপর কড়া নির্দেশনা দেয়, যা তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। কিছু তথাকথিত শিক্ষকের নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ড অত্যন্ত লজ্জাজনক, এমন মন্তব্যও তিনি করেন। সংবাদমাধ্যমের অতিরঞ্জন বা ষড়যন্ত্রের অজুহাতে বিদ্যমান সমস্যা অস্বীকারের কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি সতর্ক করেন।

মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার সুরক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহ যে ৬টি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেছেন, সেগুলো হলো:

• কেন্দ্রীয় তদন্ত কমিটি গঠন: ‘আল-হাইআতুল উলয়া’র পক্ষ থেকে শীর্ষ আলেম, আইন ও মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে, এই কমিটি নিরপেক্ষ তদন্ত চালাবে এবং দোষীদের আইনের হাতে সোপর্দ করার পাশাপাশি একটি ‘সেন্ট্রাল ব্ল্যাকলিস্ট’ বা কেন্দ্রীয় কালোতালিকা তৈরি করবে।

• অভিযোগ গ্রহণ সেল: ভুক্তভোগীদের অভিযোগ জানানোর জন্য একটি ডেডিকেটেড হটলাইন চালু করা হবে, যেখানে অভিযোগকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং তাঁদের প্রয়োজনীয় মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

• প্রাতিষ্ঠানিক ও অবকাঠামোগত সংস্কার: ক্লাস ও আবাসিক হলগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা। ছোট শিশুদের জন্য মা-বাবার সান্নিধ্য নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত অনাবাসিক শিক্ষা উৎসাহিত করা হবে এবং কওমি মাদরাসার গণরুমের প্রচলিত বিছানা পদ্ধতির পরিবর্তন আনা হবে। এছাড়া শিক্ষকদের দ্বারা শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত কাজ করানো কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়।

• শিক্ষক ও স্টাফদের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন: শিক্ষকদের জন্য কঠোর আচরণবিধিমালা প্রণয়ন এবং শিশু মনস্তত্ত্ব ও সুরক্ষা আইন সম্পর্কে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিবাহিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং শিক্ষকদের স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য ফ্যামিলি কোয়ার্টার বা নিয়মিত ছুটির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়।

• নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতিমালা: মহিলা মাদরাসাগুলো সম্পূর্ণভাবে নারী কর্মকর্তা ও স্টাফদের দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। মূল ফটকের প্রহরী বা দারোয়ান ছাড়া কোনো অবস্থাতেই মাদরাসার ভেতরে পুরুষ শিক্ষক বা স্টাফ রাখা যাবে না।

• অনিয়ন্ত্রিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ: যত্রতত্র গড়ে ওঠা অপরিকল্পিত ও মানহীন প্রাইভেট মাদরাসাগুলোকে নির্দিষ্ট নিয়ম-নীতির আওতায় আনা হবে এবং নতুন প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে যথাযথ সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক তদারকি নিশ্চিত করা হবে।

পোস্টের শেষ অংশে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কওমি মাদরাসা মানুষের আত্মিক আশ্রয়ের শেষ জায়গা। এই পবিত্র অঙ্গনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা ধরে রাখতে হলে, অন্ধ আত্মপক্ষ সমর্থনের ঊর্ধ্বে এসে কঠোর আত্মসংশোধনের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা দরকার। বৃহত্তর স্বার্থে দেশের শীর্ষ আলেমগণ এই প্রস্তাবনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%