বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ পি.এম
চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে এসেছে ১৫৫ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কোরাল মাছ। সুন্দরবন এলাকার সমুদ্র উপকূল থেকে ধরা পড়া মাছটি দেখতে বাজারে ভিড় করছেন ক্রেতা ও উৎসুক মানুষ। মাছটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১৫০০ টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কাজীর দেউড়ি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সুন্দরবন এলাকার একটি মাছ ধরার ঘাট থেকে দুইদিন আগে আমাকে ফোন করে মাছটির বিষয়ে জানানো হয়। পরে মাছটি কেনার সম্মতি দিই। মাছটি ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় কিনতে হয়েছে। পরিবহনে খরচ হয়েছে আরও ১০ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ কেজি মাছ অগ্রিম বুকিং হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) পর্যন্ত বুকিং চলবে। এরপর বুকিং অনুযায়ী মাছ কেটে ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এত বড় কোরাল মাছ সচরাচর বাজারে আসে না। তাই মাছটি দেখতে যেমন মানুষের আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনি ভালো মানের সামুদ্রিক মাছ হওয়ায় অনেক ক্রেতা আগেভাগেই বুকিং দিচ্ছেন।
সামুদ্রিক কোরাল মাছ স্বাদ ও পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। এটি সাধারণত বঙ্গোপসাগর এবং অন্যান্য উষ্ণ জলের উপকূলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইউরিয়া, ডিএপি এবং টিএসপি সার উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল জরুরিভিত্তিতে সংগ্রহের উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বানের সময়সীমা ৪২ দিনের পরিবর্তে ২১ দিন নির্ধারণের জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
এ প্রস্তাবের অনুমোদন বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে প্রদান করা হয়। এই প্রস্তাবটি শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে উত্থাপিত হয়েছে এবং এটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ কেমিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।
অফিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত জরুরি সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা, প্রয়োজনীয় কাঁচামালের পর্যাপ্ত মজুদ বজায় রাখা এবং সার উৎপাদনে কোনো ধরনের ব্যাঘাত রোধ করতে সহায়ক হবে। এর ফলে দেশের কৃষি খাতের প্রয়োজন অনুযায়ী যথাসময়ে সার সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এছাড়া কমিটি স্থানীয় সরকার বিভাগের আরেকটি প্রস্তাবেরও নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রস্তাবভিত্তিক চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলায় একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের এক অংশ বাস্তবায়নের জন্য ‘ডেলিগেটেড প্রকিউরমেন্ট’ বা অর্পিত ক্রয় পদ্ধতির আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডকে (চট্টগ্রাম) কার্যকরী সংস্থা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কে সাংবাদিক এবং কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণের জন্য একটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকাটা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের নির্দেশনা দিতে গিয়ে বলেন, প্রতিটি সিদ্ধান্তে দেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার মানসিকতা বজায় রাখার আহ্বানও জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো যাতে সবার কাছে সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে বিষয়টিও কমিটিকে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে সকল নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।
জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমকে একটি বহুপাক্ষিক ক্ষেত্র উল্লেখ করে বলেন, এখানে বিভিন্ন মত, দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার মানুষের সহাবস্থান অতি জরুরি। তাই সংকীর্ণ কিংবা পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে, অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার নীতি গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা প্রকাশ পায়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্রের অন্যতম কৌশলগত এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল মন্ত্রণালয় হিসেবে অভিহিত করে জহির উদ্দিন স্বপন আরও জানিয়েছেন, এখানে সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক চিন্তার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কমিটির সদস্যদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা এবং দূরদর্শিতার ওপরই সিদ্ধান্তের সামগ্রিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে।
সভায় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির নবগঠিত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডের মর্যাদাপূর্ণ ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’ ফেলোশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নওরীন ঊর্মি।
বুধবার (২২ জুলাই) তারিখে সংলাপে অংশ গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক শহরে পৌঁছান।
জান্নাতুল নওরীন ঊর্মি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবেও পরিচিত। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হার্টফোর্ডশায়ার-এ আইন (এলএলবি) বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন।
মহিলা ও যুব সমৃদ্ধি নিয়ে কাজ করা ‘উইমেন অ্যান্ড ইয়ুথ ইন ডেমোক্রেসি (WYDE) – উইমেনস লিডারশিপ ইনিশিয়েটিভ’ কর্মসূচির আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে তিনি এই ফেলোশিপ অর্জন করেছেন। এলআইডি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউএন উইমেন।
এইবারের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে নারী ও তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা। এই আন্তর্জাতিক সংলাপ আগামী ২৩ ও ২৪ জুলাই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে।
এ প্রসঙ্গে জান্নাতুল নওরীন ঊর্মি বক্তব্য রাখেন, যেখানে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণকে আমি বড় দায়িত্ব হিসেবেই দেখছি। আমি নিশ্চিত যে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নারী নেতৃত্ব এবং তরুণদের অংশগ্রহণের বিষয়গুলি নিয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার সুযোগ পাব। এই ফেলোশিপ থেকে আমি যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করব, তা দেশে ফিরে যুবসমাজ ও নারী নেতৃত্বের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগাতে চাই।"
আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন নওরীন ঊর্মি। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের মনোনীত ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের একজন হিসেবে তিনি চীন সফর করেন। এর আগে তিনি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক ফেলোশিপেও অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন।
রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় নওরীন ঊর্মির জীবনযাত্রা নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। ২০২০ সালের ১ মার্চ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরীক্ষা শেষে হল থেকে বের হওয়ার সময় তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন। ওই ঘটনার কারণে তাকে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকতে হয় এবং এখনো তিনি সেই হামলার শারীরিক জটিলতা বহন করছেন।
সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার মনোনয়নকে বাংলাদেশের তরুণ নারী নেতৃত্বের জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ক অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দুই দিন আগে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটলে, চিকিৎসকরা তাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সাবেক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মুকসেদুর রহমান আবির বিষয়টি জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার কারণে রফিকুল ইসলাম মিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে ভর্তি করা হয়েছে। এই অবস্থায়, পরিবারের সদস্যরা দেশের মানুষের কাছে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে আছেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জনস্বাস্থ্য ভালো না থাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ