০৩:৫৫ পি.এম
চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য নতুন ফি আরোপ করা হবে। তবে চীন এবং অন্যান্য ‘বন্ধুত্বপূর্ণ’ দেশগুলো এখানে বিশেষ সুবিধা পাবে।
সংঘাত বন্ধ করার উদ্দেশ্যে গত মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রাথমিক চুক্তির মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ৬০ দিনের জন্য ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারবে। কিন্তু ওই সময়ের পরে কী ধরনের নীতি কার্যকর হবে তা স্পষ্ট ছিল না।
এখনো স্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনা চলছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, কোনো চূড়ান্ত চুক্তির অধীনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল বা মাশুল আরোপের অনুমতি ইরানকে দেয়া হবে না।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এদিকে, শনিবার বেইজিংয়ে বিশ্ব শান্তি ফোরামে দেয়া এক ভাষণে রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রহমানি ফজলি বলেছেন, ইরান প্রণালীটির জন্য নতুন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে, যা ওমানের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু হরমুজ আমাদের আঞ্চলিক জলসীমার একটি অংশ, তাই আমরা পরিষেবা ফি ধার্য করব।’ ফজলি তাঁর বক্তৃতায় জোর দিয়ে বলেন যে এই ফি কোনো টোল হবে না।
অন্যদিকে, ইরানের নুরনিউজ সংবাদ সংস্থাও রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, জলপথ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য পরিষেবা ফি-এর পরিমাণ ও ধরন নির্ধারণের ক্ষেত্রে চীন ও অন্যান্য মিত্র দেশগুলোর জন্য বিশেষ বিবেচনা করা হবে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরেইল যুদ্ধের শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে পাঠানো হতো। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু হলে ইরান তা প্রায় পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়, যার ফলে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
এপ্রিলে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তেল রপ্তানি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে পাল্টা নৌ অবরোধ আরোপ করে।
সূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন