বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৫২ পি.এম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত এক নারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, যে তিনি এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে হানিট্র্যাপে ফেলে মারধর করেছেন, নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন এবং আরও দেড় লাখ টাকা আদায়ের জন্য ১৮ ঘণ্টা আটকে রেখেছেন।
পুলিশ এই ঘটনার সাথে জড়িত দুই নারীকে আটক করেছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, এই ঘটনায় আরও কয়েকজন যুবকের সম্পৃক্ততা রয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কদমতলায় খাদিজাতুল কোবরা মাদরাসার তৃতীয় তলায় এই ঘটনা ঘটে। আটক দুই নারীর মধ্যে একজন হলেন কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের সুমনের স্ত্রী অঞ্জনা আক্তার (২৫) এবং অন্যজন হলেন ঢেউখালী ইউনিয়নের বক্সডাঙ্গী গ্রামের মনির মাতুব্বরের স্ত্রী মালা আক্তার (১৯)। অঞ্জনা এবং তার স্বামী সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইব্রাহিম খান (২৮) অভিযোগ করেন, অঞ্জনা তার কলেজ জীবনের পরিচিত। কিছু দিন আগে অঞ্জনা তাকে মালা আক্তারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর থেকে মালার সাথে তার ফোনে মাঝে মাঝে কথা হতো। গত ২০ অক্টোবর রাতে অঞ্জনার ডাকে মাদরাসার একটি কক্ষে যান তিনি। সেখানে আগে থেকেই মালা অবস্থান করছিলেন। এক পর্যায়ে অঞ্জনা মালাকে কক্ষে রেখে বাইরে যাওয়ার কথা বলে দরজা আটকে দেন বলে অভিযোগ করেন ইব্রাহিম।
ইব্রাহিমের অভিযোগ, কিছুক্ষণ পর মালা কক্ষে কান্নার অভিনয় করেন। এরপর অঞ্জনার স্বামী সুমনসহ ১০ থেকে ১২ জন যুবক সেখানে উপস্থিত হন। তারা তাকে আটকে রেখে মারধর করেন। এ সময় তার আইফোন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে আরও দেড় লাখ টাকা দাবি করা হয়। দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় তাকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরে কৌশলে আত্মীয় সোহেল মোল্যাকে টাকা নিয়ে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন ইব্রাহিম। তবে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সোহেল পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে। এ সময় অঞ্জনার স্বামী সুমনসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা পালিয়ে গেলেও অঞ্জনা ও মালাকে আটক করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ইব্রাহিম খান অঞ্জনা আক্তার ও মালা আক্তারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে সদরপুর থানায় অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, সদরপুরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরির সাথে যুক্ত কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তাদের দাবি, এসব ব্যক্তি বিভিন্ন উপজেলায় গিয়ে দলবদ্ধভাবে ভিডিও তৈরি, নাচ-গানসহ নানা আয়োজন করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি ও অনুসারী বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় তাদের কর্মকাণ্ডের ধরন এবং এর সামাজিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। স্থানীয়দের মতে, কনটেন্ট তৈরির আড়ালে কেউ যদি প্রতারণা, হয়রানি কিংবা অন্য কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন, তাহলে তার পরিচয় বা জনপ্রিয়তা বিবেচনা না করে তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরির নামে কেউ যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিতে না পারেন, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
সদরপুর থানার সেকেন্ড অফিসার মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। অন্য জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলি এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনা বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাজেক ইউনিয়নের উজোবাজার এলাকার পর্যটন সড়কে অবরোধ চলাকালীন সময়ে ঘটে।
বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন উজোবাজারে অবস্থানরত অবস্থায় জানান, সকালে তিন হাজার পর্যটকের স্কর্ট উজোবাজারে আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেডের সামনে এসে পড়ে। এরপর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলনকারীদের সরিয়ে যেতে বারবার অনুরোধ করলেও তারা সরে যায়নি। এক পর্যায়ে পর্যটকদের গাড়িতে গুলি ছোড়া হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অবরোধকারীদের সরিয়ে দিয়ে পর্যটকদের নিরাপদে নিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, পর্যটকরা উজোবাজার ত্যাগ করার পর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি বিনিময় হয়। তবে পর্যটকদের কোনো ক্ষতি হয়নি।
পর্যটকরা জানান, সকাল থেকেই তারা উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলেন। দুপুর পর্যন্ত তারা না খেয়ে ছিলেন। সেনাবাহিনী তাদের স্কট দিয়ে নিরাপদে নিয়ে আসে। পথে চার জায়গায় তাদের আটকানো হয়। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকায় তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। উজোবাজারে এসে তাদের উপর ইট ও গুলি ছোড়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্ত হাতে তাদের প্রতিহত করেছেন এবং কোনো পর্যটক আহত হয়নি।
আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের অবরোধ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে চলছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জোর করে তাদের সরিয়ে দেয়। তারা তিন দফা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান।
বাঘাইছড়ি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক বলেন, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার সময় উজোবাজার এলাকায় অবরোধকারীদের বাধার মুখে পড়তে হয়। এ সময় তাদের সরে যেতে বলা হলে তারা পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর ইট পাটকেল ছুড়ে। পরে জঙ্গলের ভিতর থেকে আন্দোলনকারীরা গুলি ছোড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে পর্যটকদের কোনো ক্ষতি হয়নি এবং তাদের নিরাপদে পার করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইউপিডিএফের সদস্যরা সামাজিক ব্যানারে আন্দোলন করছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে জানতে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বারবার কল করার পরও তাৎক্ষণিক কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দাবি করেছেন, "আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই।"
এই দাবি তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ সচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে করেছেন।
রিজভী মন্তব্য করেন, "আওয়ামী লীগ ছিল এক অপপ্রচারকারী দল। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গুপ্ত দল। গুপ্তদের সঙ্গে অপপ্রচারে কেউ পারছে না।"
তিনি আরও বলেন, "জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের প্রমাণ রয়েছে। তারা আওয়ামী লীগকে প্রথম ক্ষমা করেছিল।"
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভী দাবি করেন, গুপ্তদের আচরণ সবসময় একই থাকে এবং "বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার কোন প্রমাণ নেই।"
তিনি উল্লেখ করেন, "নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলা হয়েছিল। সেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কারণে ৫ শতাংশ দারিদ্র্য কমে আসবে।"
দুর্গোৎসব প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, "সরকারের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার কারণে সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিদেশিরাও অংশ নিয়েছেন।"
এছাড়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব জানান, রাজধানীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট (এএফআই) আজীবন সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা টম ক্রুজকে। ৫২তম এএফআই লাইফ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডের জন্য তাকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
আগামী বছরের ২৪ এপ্রিল, হলিউডের ডলবি থিয়েটারে অনুষ্ঠিত একটি জমকালো অনুষ্ঠানে টম ক্রুজের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
এএফআইয়ের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারপারসন ক্যাথলিন কেনেডি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন,
"টম ক্রুজ বিশ্বজুড়ে পরিচিত একজন আইকন। তিনি অভিনেতা এবং প্রযোজক হিসেবে নিজের প্রতিটি কাজের প্রতি অসাধারণ নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছেন। তার যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে ভালো লাগে তা হলো সিনেমা এবং এর মাধ্যমে মানুষকে একত্র করার শক্তিতে প্রবল বিশ্বাস।"
তিনি আরও বলেন,
সিনেমার প্রতি তার এই গভীর ভালোবাসা তাকে বিশ্বজুড়ে মার্কিন চলচ্চিত্রের একজন অসাধারণ দূত করে তুলেছে। ৫২তম এএফআই লাইফ অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড তার হাতে তুলে দিতে পারা আমাদের জন্য একটি সম্মানের বিষয়।
হলিউডের এই অভিনেতা টম ক্রুজ ১৯৮১ সালে অভিনয়জীবন শুরু করেন। ৬৪ বছর বয়সী এই তারকা চার দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও কাজ করছেন। তার অভিনীত সিনেমাগুলোর বিশ্বব্যাপী আয় ১৩.৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। তিনি 'টপ গান', 'মিশন: ইমপসিবল', 'জেরি ম্যাগুয়ার' ও 'মাইনরিটি রিপোর্ট'-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। তবে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার জন্য আরও কিছুটা সময় লাগবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে যাতে দ্রুত নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনা যায়। তবে কিছুটা দেরি হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মাউশির মহাপরিচালক আরও বলেন, "আমরা চাই, শিক্ষক-কর্মচারীরা যেন দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পান।" অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে। যদিও কিছুটা দেরি হতে পারে, তবে শিক্ষকদের নতুন পে-স্কেলে বেতন পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গত ১ জুলাই থেকে নবম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করার পরিপত্র অর্থ মন্ত্রণালয় জারি করেছে। সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলের আওতায় আনতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে আদেশ জারি করা হবে। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো দিন-তারিখ এখনও জানানো হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে মাউশির অধীন প্রায় চার লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে দুই লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মূল বেতন ও বাড়িভাড়া ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে তারা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা পাচ্ছেন। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হলে তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ঠিক কবে থেকে নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন, তা জানতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী আদেশের অপেক্ষায় থাকতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ