বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৭ পি.এম
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এই কারণে, সংশ্লিষ্ট এলাকার নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে। পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে দক্ষিণ-পূর্ব/পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এই কারণে, এসব অঞ্চলের নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক ভর্তুকি বা সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কারা পাবেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে নতুন নিয়মের মাধ্যমে নির্ধারণ করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘সমগ্র বাংলাদেশে টিসিবির উপকারভোগী নির্বাচন এবং ভর্তুকি/সাশ্রয়ীমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন নির্দেশিকা-২০২৬’ জারি করেছে।
পূর্বে শুধুমাত্র ‘নিম্ন আয়ের মানুষ’ বলা হলেও, নতুন এই নির্দেশিকায় সুবিধাভোগীদের তালিকা ও যোগ্যতা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কারা পাবেন টিসিবির কার্ড
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, টিসিবির কার্ডধারী হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করবেন—হতদরিদ্র পরিবার, নিম্ন আয়ের ব্যক্তি, ভূমিহীন, কৃষিশ্রমিক, দিনমজুর, চা-শ্রমিক, চাতালশ্রমিক, কারখানার শ্রমিক এবং উপার্জনে অক্ষম ব্যক্তিরা।
অগ্রাধিকার: বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত, স্বামী পরিত্যক্তা ও অসচ্ছল বয়স্ক নারীপ্রধান পরিবার এবং যেসব দুস্থ পরিবারে শিশু বা প্রতিবন্ধী সদস্য রয়েছে, তাদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শর্তাবলি: একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তি উপকারভোগী হতে পারবেন না। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এছাড়াও, কার্ডের জন্য উপকারভোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), প্রযোজ্য ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর এনআইডি এবং নিবন্ধিত সচল মোবাইল নম্বর আবশ্যক।
কতটুকু ও কী কী পণ্য মিলবে
টিসিবির ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার নিয়মিতভাবে ২ লিটার ভোজ্যতেল (প্রতি লিটার ১০০ টাকা), মসুর ডাল ২ কেজি (প্রতি কেজি ৬০ টাকা), চিনি ১ কেজি (প্রতি কেজি ৭০ টাকা) এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ সাপেক্ষে ৫ কেজি চাল পাবে।
পবিত্র রমজান ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের জন্য ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করার সুযোগ থাকবে টিসিবির। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২ লাখ টন ভোজ্যতেল, ২ লাখ ২০ হাজার টন মসুর ডাল ও ১ লাখ ১০ হাজার টন চিনি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডিলারের দোকানে সিসিটিভি ও মাঠে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি স্তরে মনিটরিং কমিটি ও নতুন শর্ত যুক্ত করা হয়েছে—
১. নিরাপত্তা ও জালিয়াতি রোধে ডিলারকে তার নিজস্ব দোকানে বাধ্যতামূলক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে এবং সামনে স্পষ্ট মূল্যতালিকা টাঙাতে হবে।
২. জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা করে কমিটি গঠন করা হবে, যেখানে পুলিশ সুপার, ইউএনও, মেয়র, খাদ্য ও সমাজসেবা কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় এবং বিক্রয়কেন্দ্র মনিটরিংয়ে থাকবে ‘ট্যাগ টিম’।
৩. সব উপকারভোগীর তথ্য ‘টিসিবি সেবা অ্যাপ’-এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল ডেটাবেইসে সংরক্ষণ করা হবে।
উল্লেখযোগ্য যে, সম্প্রতি অনিয়মের অভিযোগে ভুয়া প্রক্রিয়ায় সংগৃহীত প্রায় ৫৯ লাখ কার্ড বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। এসব কার্ড নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। বিগত অর্থবছরে টিসিবিকে ২,৭০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হলেও, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা কমে ২,৪০০ কোটি টাকা হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ, বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরার জন্য সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
এ তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের বিভিন্ন অর্জন ও কূটনৈতিক আলোচনার অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কয়েক দিন আগে আমন ধানের জমির মাটি ছিল শুকনো এবং ফেটে চৌচির। তবে, সাম্প্রতিক বৃষ্টির ফলে সেই শুকনো জমিতে পানি জমেছে। পানি পেয়ে আমন ধানের সবুজ পাতাগুলো সতেজ হয়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও ধানের শীষ বাতাসে দুলছে, আবার কোথাও শীষ বের হওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টির অভাবে কৃষকদের মধ্যে আমন ধান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত সেই উদ্বেগ অনেকটাই দূর করেছে। অতিরিক্ত সেচের খরচের ওপরও চাপ কমেছে। এখন কৃষকরা জমির পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন, ভালো ফলনের আশায়।
রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমন ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ফিরে এসেছে। পানি পেয়ে শুকিয়ে যাওয়া ধানের চারাগুলো নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। বিস্তীর্ণ মাঠ এখন সবুজে ভরে উঠছে।
কৃষকরা বলছেন, আমন ধানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই বৃষ্টি তাদের জন্য স্বস্তির বার্তা বয়ে এনেছে। সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় সেচের প্রয়োজনীয়তা কমেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারের আমনের ভালো ফলন হবে বলে তারা আশা করছেন।
উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামের কৃষক আলিম উদ্দিন বলেন, ‘বৃষ্টি না হওয়ায় জমি শুকিয়ে যাচ্ছিল। ধানের চারাগুলোও কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সেচ দিতে হলে বাড়তি খরচ হতো। এখন বৃষ্টি হওয়ায় জমিতে প্রয়োজনীয় পানি এসেছে। এতে ধানের চারাগুলোও সতেজ হয়েছে। আবহাওয়া এমন ভালো থাকলে ফলন ভালো হবে বলে আমি আশা করছি।’
চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আমন ধানের বৃদ্ধি, ফুল আসা ও দানা গঠনের জন্য জমিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত জমিতে আর্দ্রতা ফিরিয়ে এনেছে, যা ধান চাষের জন্য ইতিবাচক। তবে জমিতে অতিরিক্ত পানি যাতে দীর্ঘ সময় জমে না থাকে, সেই বিষয়ে কৃষকদের সতর্ক থাকতে হবে।
চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ আল মামুন হাসান বলেন, ‘আমন ধানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা থাকা জরুরি। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের ফলে জমিতে আর্দ্রতা ফিরে এসেছে, যা ধান চাষের জন্য উপকারী।’
তিনি আরও বলেন, এই সময়ে কৃষকদের নিয়মিতভাবে তাদের ধানের ক্ষেত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোনো রোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলে দ্রুত কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক সময়ে যথাযথ পরিচর্যা করা হলে, কাক্সিক্ষত ফলন পাওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত নওগাঁর রানীনগর উপজেলায় আটটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন রোপা আমন ধানের সবুজ গাছের বর্ণিল সমারোহ দেখা যাচ্ছে।
চলতি রোপা আমন মৌসুমে কৃষকরা ভালো ফলনের আশা করছেন। শেষ মুহূর্তে বড় কোনো রোগবালাই দেখা না দেওয়ায় কৃষকরা এখন আমন ক্ষেতের পরিচর্যায় সময় কাটাচ্ছেন।
কৃষি বিভাগ মনে করছে, স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতিতে আগাম ধান চাষ করায় এবং কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় চলতি মৌসুমে রোপা আমনের ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
চলতি বছর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১৯,০৭০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত প্রায় ১৮,৫০০ হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সময়মতো চারা রোপণ, নিবিড় পরিচর্যা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং সময়মতো সেচ ও সারের কোনো ঘাটতি না থাকায় চলতি মৌসুমে ধানের ভালো ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ জাহিদুল ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সচেতন করতে এবং সঠিক সময়ে চারা রোপণ, নিবিড় তদারকি, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, সময়মতো সেচ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদান, আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার ও ফসলকে রোগবালাইমুক্ত রাখার বিষয়ে পরামর্শ দিতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে গ্রামে গ্রামে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রানীনগর উপজেলায় রোপা আমন ধানের বেশ ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এই সময়ের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রদান করেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম/দক্ষিণ দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাতের ঘটনা ঘটেনি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৫টা ৪৭ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ