বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৪৮ পি.এম
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। এখানে পরকীয়ার জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামীর স্পর্শকাতর অঙ্গ কেটে দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোর ৬টায়, উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার উত্তর সোনাপাহাড় এলাকায় ভয়াবহ ঘটনার সম্মুখীন হয়। এর ফলে আহত রাসেলের স্ত্রী, যিনি মনির নামেই পরিচিত, ওই ঘটনার তদন্তে পুলিশ হেফাজতে নেয়। রাসেলের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে, সোনাপাহাড় এলাকায় বাস করা পিকআপ চালক মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী মনির মধ্যে পরকীয়া সংক্রান্ত কারণে পারিবারিক কলহ চলছিল। বুধবার রাতে, স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই একসঙ্গে ঘুমাতে যান। এক সময়ে, যখন রাসেল গভীর ঘুমে ছিল, তখন তার স্ত্রী মনির কৌশলে তার হাত-পা বেঁধে দেয়। এরপর, দা দিয়ে তার পা ও বিশেষ অঙ্গে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়, যার ফলে গুরুতর ধরনের জখম হয়। আহত রাসেলকে প্রথমে স্থানীয় মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, "পরকীয়ার জের ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রী স্বামীকে বিশেষ অঙ্গ এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে জখম করেছে।" তিনি আরও জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং অভিযুক্ত মনিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনার পশ্চিমাঞ্চলীয় সান হুয়ান প্রদেশে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে, যা অগ্নিনির্বাপণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুলাই) এই দুর্ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বেল ৪১২ মডেলের হেলিকপ্টারটি সান হুয়ানের ইসচিগুয়ালাস্তো প্রাকৃতিক উদ্যানে দাবানল নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। নিহতদের মধ্যে দমকলকর্মী, পুলিশ সদস্য এবং সিভিল প্রোটেকশন বিভাগের কর্মীরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। সান হুয়ানের গভর্নর মার্সেলো অরেগো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, ‘গভীর শোকের সঙ্গে আমরা আমাদের প্রদেশে ঘটে যাওয়া হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি, যেখানে দুর্ভাগ্যবশত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন।’ জরুরি সেবা বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বুধবার সকালে হেলিকপ্টারটির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণকক্ষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হেলিকপ্টারটি পার্শ্ববর্তী লা রিওহা প্রদেশে দাবানলের আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে যাচ্ছিল। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এএফপি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলার সাপে কামড়ে অবরুদ্ধ গৃহবধূ লাতা খাতুন (৪০) মৃত্যু বরণ করেছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যার সময় এই ঘটনা ঘটেছে লালপুর ইউনিয়নের জোতদৈবকী-বুধপাড়া গ্রামে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, জোতদৈবকী-বুধপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. সাইদুর রহমানের স্ত্রী লতা খাতুন বিকেলে আনুমানিক ৫টার সময় নিজ বাড়ির খড়ের ঘরে কাজ করার সময় অজ্ঞাতনামা একটি সাপ তার ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে কামড়ায়। এ ঘটনার সময় তার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না, তাই তিনি নিজেই কাপড় দিয়ে পা বেঁধে প্রাথমিকভাবে ক্ষতস্থানে চাপ প্রয়োগ করেন।
পরবর্তীতে, পরিবারের সদস্যরা তার দ্রুত চিকিৎসা করতে গিয়ে স্থানীয় একটি ডেবরপাড়া এলাকার এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পর তার অবস্থার অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটে তাকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে লতা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে মরদেহটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংরক্ষিত রয়েছে।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভার উত্তর সোনাপাহাড় এলাকায় ঘটেছে একটি মারাত্মক ঘটনা। এখানে ঘুমন্ত স্বামীর স্পর্শকাতর অঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় গুরুতর আহত মোহাম্মদ রাসেল সোনাপাহাড় এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পিকআপচালক।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, রাসেলের পরকীয়া নিয়ে তার স্ত্রী মনির সঙ্গে পারিবারিক কলহ চলছিল। এরই জেরে আজ ভোরে মনির ঘুমন্ত অবস্থায় রাসেলকে হাত-পা বেঁধে দা দিয়ে তার পা ও স্পর্শকাতর অঙ্গে এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে গুরুতর জখম করেন।
পরে রাসেলকে প্রথমে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে চিকিৎসকরা তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম গণমাধ্যমকে জানান, পরকীয়ার জের ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রী-স্বামীর স্পর্শকাতর অঙ্গ এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অভিযুক্ত মনি কে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চেয়ার ছেড়ে দিতে বললেন দেশটির তরুণদের নতুন প্লাটফর্ম তেলাপোকা বা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে।
এই দাবি তিনি করেছেন টানা ৩৭ দিনের তীব্র আন্দোলনের পর।
অভিজিৎ বলেছেন, মোদিকে দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিয়ে ‘ইনফ্লুয়েন্সার’ হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
একইসঙ্গে তিনি প্রশ্নফাঁস রোধে লোকসভায় পাস হওয়া নতুন আইন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ‘তেলাপোকা পার্টির’ প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে কোনও পরিবর্তন আসবে না।
বুধবার (২৯ জুলাই) মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খোঁচা দিয়ে এসব মন্তব্য করেন অভিজিৎ দিপকে। খবর প্রকাশ করেছে হিন্দ্যস্তান টাইমস।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অভিজিৎ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তরুণদের উদ্দেশে মোদির প্রকাশিত ভিডিওগুলোর প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, আমার মনে হয়, মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। তিনি সেটা খুব ভালোই করছেন।
অভিজিৎ মন্তব্য করেন, যদি মোদি এত ভালো ইনফ্লুয়েন্সার হন, তাহলে তার প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেয়া উচিত এবং দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে পালন করতে দেয়া উচিত।
এর আগে, গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি সংসদে বলেন, নতুন নতুন অ্যাঙ্গেলে ভিডিও বানিয়ে জেন জির সমর্থন পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল নয়, বদলাতে হবে তার মনের অ্যাঙ্গেল।
লোকসভায় পাস হওয়া প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিজিৎ দিপকে। তিনি বলেন, শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। যারা আইন বাস্তবায়ন করবেন, তাদের সদিচ্ছা না থাকলে কোনও লাভ নেই।
এ দেশে একের পর এক ভালো আইন হয়েছে, কিন্তু শুধু আইন পাস করলেই সবকিছু বদলে যায় না।
অভিজিৎ দিপকে বলেন, প্রশ্নফাঁসের মামলার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদির ঘোষিত ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রসঙ্গ টেনে। তিন দিন আগে নরেন্দ্র মোদি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এতে মানুষ ভেবেছিল প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার হবে। কিন্তু কী হলো?
অভিজিৎ দাবি করেছেন, প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি পিছিয়ে গেছে। তাই যত আইনই করা হোক, যারা তা বাস্তবায়ন করবেন তারা যদি দায়িত্বশীল না হন, তাহলে সেই আইনের কোনও অর্থ থাকে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ