ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা


একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ভাষা শহীদদের স্মরণে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ আয়োজনের বিষয়ে প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। এসময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

সভায় প্রকাশক-প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার সময় নির্ধারণ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের পর্যটনে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


বাংলাদেশের পর্যটনে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের

জাপানি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়ন নিয়ে জাপানি বিনিয়োগকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্ভাবনার একটি দেশ। আমাদের এই ভূখণ্ডে রয়েছে প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অপূর্ব সমাহার। আমাদের রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, সিলেটের চা-বাগান। বর্তমান সরকার দেশের পর্যটন খাতকে বিদেশী বিনিয়োগ স্বাগত জানাবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাপান বাংলাদেশের পুরনো বন্ধু। আমাদের দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো উন্নয়নে জাপান সহযোগিতা করেছে। তাই পর্যটন খাতের বিকাশে জাপানি বিনিয়োগকারীগণের যেকোনো সহযোগিতায় সরকার সদা প্রস্তুত। বিদেশী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সরকার উইন উইন সিচুয়েশনে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে কাজ করতে চায়।’

জাপানি প্রতিনিধি জানান, জাপান বাংলাদেশে বিনিয়োগে আন্তরিক। তারা বাংলাদেশের পর্যটন খাতে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

এ সময় বিনিয়োগকারীগণের পক্ষ থেকে Tourism and Hospitality খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়া হয়।

মন্ত্রী ঘোষণার জবাবে বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগে জাপানি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে স্বাগত জানাই। তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা হলে সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রতিনিধিদল বিনিয়োগকারীদের পর্যটন স্পট পরিদর্শনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া।

তিনি উল্লেখ করেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নিজেদের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না এবং শতভাগ নিরাপদ বোধ করেন, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিসর্জন সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার ধামরাইয়ের মাধববাড়ি, যাত্রাবাড়ীসহ পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা খানম এবং পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিনও বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি জানান, "আমাদের সম্মানিত মাননীয় বিভাগীয় কমিশনার সাহেব আমাদের হিন্দুধর্মাবলম্বী ভাইবোনদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন শারদীয় দুর্গাপূজা নিজ চোখে দেখতে এসেছেন, তাদের খোঁজখবর নিতে এসেছেন। এ জন্য ধামরাইবাসী, অর্থাৎ ঢাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।"

তমিজ উদ্দিন আরও বলেন, "অতীতে কখনো দেখেছেন, এই মন্দিরের পুরোহিতদের জন্য কোনো সরকার কোনো কালে টাকা-পয়সা দিয়েছেন কিনা, সম্মান দিয়েছেন কিনা? আপনারা নিশ্চয়ই ইতোমধ্যে জানেন, আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান, বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তিনি কিন্তু এই প্রণোদনা শুরু করেছেন। এটা কিন্তু ছোট কোনো বিষয় নয়। আপনারা জানেন কিনা জানি না, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যে আমাদের সঙ্গে বসার সুযোগ দেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো প্রধানমন্ত্রী এভাবে মাঝেমধ্যে সংসদ সদস্যদের নিয়ে বসেন না। তিনি কিন্তু আমাদের নিয়ে বসেন, সারা দেশের চিত্র আমাদের কাছ থেকে জানতে চান।"

তিনি আরও জানান, "তার সঙ্গে আলোচনার সময় আমরা ১১ তারিখে জেনেছি, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট দুর্গাপূজার জন্য তার কাছে ৪ কোটি টাকা চেয়েছিল। তিনি ৬ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন। তো, এটা কি আপনাদের খবরে আসা উচিত নয়? এটা দয়া করে প্রচার করবেন। এখানেই শেষ নয়, আপনারা আরও পাবেন।"

ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিয়া বলেন, "শারদীয় দুর্গোৎসব সফল ও উৎসবমুখর করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রশাসন, পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মাঠে তৎপর রয়েছেন। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা প্রতিটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া হিন্দু ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার সভা করা হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "কোথাও গুজবের সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট পূজামণ্ডপের পক্ষ থেকে দ্রুত বিবৃতি দিয়ে তা প্রতিহত করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে গুজব ছড়িয়ে না পড়ে। দুর্গোৎসব নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনে সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে। কোনো অশুভ শক্তি যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা দেশের ক্ষতি করতে না পারে, সে জন্য তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।"

মো. মনিরুজ্জামান মিয়া আরও জানান, "জনগণের জানমালের নিরাপত্তা সবার আগে। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন কোনোভাবেই নিজেদের অনিরাপদ মনে না করেন এবং শতভাগ নিরাপদ বোধ করেন, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"

বিসর্জনের সময় নিয়ে তিনি বলেন, "বিসর্জন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সম্পন্ন করতে সবাইকে বলা হয়েছে। কারণ নদীতে বিসর্জন দিতে যাওয়ার সময় নৌকায় ঠেলাঠেলিসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া বিসর্জনের দিন মাদক সেবন ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ রোধেও তৎপরতা রয়েছে। মাদকের অপব্যবহার রোধে আগে থেকেই বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম চলছে।"

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, "সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। এ উৎসবকে ঘিরে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে পুলিশের পিকেট, মোবাইল টিম ও কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) রয়েছে। পাশাপাশি সাদাপোশাকেও পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তার জন্য পুলিশের নেওয়া ব্যবস্থা যথেষ্ট বলে মনে করেন তিনি। হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনেরা নিরাপত্তার মধ্যেই তাঁদের প্রাণের উৎসব পালন করছেন।"

ডিআইজি আরও বলেন, "অনেক সময় গুজব সৃষ্টি করে উৎসবের নিরাপত্তা ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো হয়। এ জন্য গুজবে কান না দিয়ে সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে পুলিশ সতর্ক রয়েছে এবং দায়িত্ব পালন করবে।"

তিনি বলেন, "মা দুর্গার আবির্ভাবের উদ্দেশ্য অসুর বধ। এই বিষয়টি অন্তরে ধারণ করে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার জন্য অশুভ শক্তির যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিহত করতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।"

ডিআইজি জানান, আইজিপির কার্যালয়ে এ বিষয়ে সভা হয়েছে। বিভাগীয় পর্যায়ে এবং জেলায় এসপি, ডিসি, ইউএনও ও ওসিরা সভায় অংশ নিয়েছেন। পুলিশের পাশাপাশি সিভিল প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারাও নিজস্ব টিম নিয়ে কাজ করছেন। ফলে নিরাপত্তার কোনো অভাব তিনি দেখছেন না। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গেও কথা বললে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের অভাবের বিষয়টি জানা যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্যায় ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৩৮ পি.এম


অন্যায় ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে ভূমিসেবায় একশত ভাগ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, "অন্যায় ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রথম নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্রের অভাবনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এই দ্বিতীয় কেন্দ্রটি চালুর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে দ্রুত ভূমিসেবা সহায়তা পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, "ভূমি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, আর ভূমির অধিকার রক্ষা ও সেবা প্রাপ্তি প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।" তিনি আরও বলেন, "আমাদের দেশে ভূমিসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে জটিলতা ও নানা অভিযোগ যুগ যুগ ধরে ছিল। সাধারণ মানুষকে এক টুকরো জমির জন্য বছরের পর বছর ভূমি অফিসের বারান্দায় ঘুরে বেড়াতে হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার গণমানুষের কষ্ট দূর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের গণতান্ত্রিক সরকার ভূমিসেবাকে পুরোপুরি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।" আজকের এই ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের সুবিধাজনক স্থানে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া, দ্রুততম সময়ে হয়রানিমুক্তভাবে ভূমিসেবা পৌঁছে দেয়া।

এই কেন্দ্রে এসে একজন নাগরিক পাবেন সঠিক পরামর্শ, খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও সেবা। এখানে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর উপস্থিতি বরদাশত করা হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, "অতীতে ভূমিসেবাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষকে নানাবিধ ভোগান্তি ও জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হতো।" তিনি জানান, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় সেই পুরনো ধারার আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।"

তিনি বলেন, "আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে ভূমিসেবাকে কীভাবে আরও জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করা যায়, সে লক্ষ্যেই সরকার একের পর এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।"

অনুষ্ঠানের শুরুতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী ভূমিসেবায় প্রযুক্তিগত অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ ভেঙে পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ১৯ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ ভেঙে পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ১৯ জনের

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় দুর্গাপূজার একটি মণ্ডপ ভেঙে ১৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। মণ্ডপ ভেঙে পড়ার পর হুড়োহুড়ির কারণে এই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন, যাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুর্গাপূজার মহাসপ্তমীর রাতে কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবের মণ্ডপে এই ঘটনা ঘটে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতে আকস্মিকভাবে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা পেতে একদল দর্শনার্থী মণ্ডপে প্রবেশ করতে জোর করে ঢুকে পড়েন। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে পা রাখার জায়গা খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। অতিরিক্ত চাপ এবং হুড়োহুড়ির ফলে হঠাৎ করে মণ্ডপের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এসময় দর্শনার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি বেড়ে গেলে অনেকেই অন্যদের পায়ের নিচে চাপা পড়েন।

ভিড় এবং হুড়োহুড়ির কারণে মণ্ডপের সুরক্ষায় থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার ও পুলিশ উদ্ধারকাজে বেশ বেগ পেতে হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন নারী এবং কিছু শিশু রয়েছে। এছাড়া, অন্তত ২৫ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেওয়া চিকিৎসক ডা. তমাল ভট্টাচার্য বলেন, "যাদের উদ্ধার করা হয়েছে তাদের চারজনকে আমি দেখেছি। একজনকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছে। আমার ধারণা বাকি দুইজন এরই মধ্যে মারা গেছে। আমরা চেষ্টা করছি যত বেশি মানুষকে সেভ করা যায়। এর বাইরে অন্য কিছু বলার নেই।"

এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্বিগ্ন পরিবারগুলোর সহায়তার জন্য একটি হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে। আপাতত দর্শনার্থীদের জন্য পূজামণ্ডপ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ঘটনাকে ‘হৃদয় বিদারক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং জানিয়েছেন, আঞ্চলিক সরকারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%