প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু কর্মকর্তাদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন, যাতে ভূমিসেবায় একশত ভাগ স্বচ্ছতা ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, "অন্যায় ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রথম নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্রের অভাবনীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এই দ্বিতীয় কেন্দ্রটি চালুর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে দ্রুত ভূমিসেবা সহায়তা পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, "ভূমি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, আর ভূমির অধিকার রক্ষা ও সেবা প্রাপ্তি প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।" তিনি আরও বলেন, "আমাদের দেশে ভূমিসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে জটিলতা ও নানা অভিযোগ যুগ যুগ ধরে ছিল। সাধারণ মানুষকে এক টুকরো জমির জন্য বছরের পর বছর ভূমি অফিসের বারান্দায় ঘুরে বেড়াতে হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার গণমানুষের কষ্ট দূর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের গণতান্ত্রিক সরকার ভূমিসেবাকে পুরোপুরি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।" আজকের এই ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো নাগরিকদের সুবিধাজনক স্থানে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া, দ্রুততম সময়ে হয়রানিমুক্তভাবে ভূমিসেবা পৌঁছে দেয়া।
এই কেন্দ্রে এসে একজন নাগরিক পাবেন সঠিক পরামর্শ, খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও সেবা। এখানে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর উপস্থিতি বরদাশত করা হবে না।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, "অতীতে ভূমিসেবাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষকে নানাবিধ ভোগান্তি ও জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হতো।" তিনি জানান, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় সেই পুরনো ধারার আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে।"
তিনি বলেন, "আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে ভূমিসেবাকে কীভাবে আরও জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করা যায়, সে লক্ষ্যেই সরকার একের পর এক নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করছে।"
অনুষ্ঠানের শুরুতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী ভূমিসেবায় প্রযুক্তিগত অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন