ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গ্রিসে নৌকা ডুবিতে একজন নিহত, ২৫ জন নিখোঁজ


গ্রিসে নৌকা ডুবিতে একজন নিহত, ২৫ জন নিখোঁজ

গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ গাভদোসের নিকটে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ফলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় এখনো ২৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম ‘টু ভিমা’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নৌকাটিতে মোট ৭৭ জন যাত্রী ছিল। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর গ্রিসের কোস্টগার্ড ৫১ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

নিখোঁজদের সন্ধানে গ্রিসের কোস্টগার্ড এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সীমান্তরক্ষী বাহিনী ফ্রন্টেক্স যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। অনুসন্ধানের জন্য চারটি নৌযান, একটি উড়োজাহাজ এবং একটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

উদ্ধার হওয়া অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে কোন কোন দেশের নাগরিক রয়েছেন, সেই তথ্য এখনও গ্রিক কর্তৃপক্ষ জানায়নি। তবে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ক্রিট দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম ইআরটি জানিয়েছে, সোমবার থেকে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান শুরু হয়। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে, গ্রিসে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য আইন যথেষ্ট কঠোর। দেশের ভূখণ্ডে নথিবিহীন অবস্থায় প্রবেশ করলে বিদেশিদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক আটক, শাস্তি এবং দ্রুত বহিষ্কারের প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হয়।

সূত্র: আলজাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিনের ৫ সহজ অভ্যাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিনের ৫ সহজ অভ্যাস

সুস্থ থাকতে চাইলে সব সময় কঠিন নিয়ম বা দ্রুত ফল পাওয়ার পদ্ধতির প্রয়োজন হয় না। বরং প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় কিছু সহজ অভ্যাস যোগ করলেই শরীর ও মন ভালো রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত কিছু অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

স্বাস্থ্য নিয়ে নানা পরামর্শ ও নতুন নতুন পদ্ধতির ভিড়ে সহজ ও দীর্ঘদিন ধরে মেনে চলা যায়—এমন অভ্যাসই বেশি কার্যকর। প্রতিদিনের জীবনে এমন পাঁচটি অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখুন

প্রতিদিন কিছু সময় বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন। হাঁটার সময় চারপাশের গাছপালা, পাখি বা প্রকৃতির দিকে মনোযোগ দেওয়া যেতে পারে। এতে মন শান্ত হতে এবং দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ধ্যানও মন ও শরীরকে শান্ত রাখতে সহায়ক। শ্বাস-প্রশ্বাসের দিকে মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার অভ্যাস করা যায়। নিয়মিত এমন অনুশীলন দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমাতে, হৃদ্‌স্পন্দন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

খাওয়ার সময়ও মনোযোগী হওয়া জরুরি। ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া এবং খাবারের স্বাদ উপভোগ করা অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ঘুমকে গুরুত্ব দিন

ভালো ঘুম শুধু ক্লান্তি দূর করে না, শরীর ও মনের সুস্থতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ও শান্ত ঘুম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, স্মৃতি, বিচারবোধ এবং মানসিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখে।

বেশির ভাগ প্রাপ্তবয়স্কের প্রতি রাতে অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। তবে শুধু কত ঘণ্টা ঘুম হলো, তা নয়—ঘুম কতটা গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন হলো, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

ভালো ঘুমের জন্য প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও জেগে ওঠার অভ্যাস করা যেতে পারে। নিয়মিত শরীরচর্চা, বিকেল ও সন্ধ্যার পর চা-কফি এড়িয়ে চলা এবং ঘুমানোর আগে বেশি খাবার না খাওয়াও উপকারী। ঘুমানোর অন্তত ৩০ মিনিট আগে মুঠোফোন, কম্পিউটার বা অন্য পর্দার ব্যবহার বন্ধ করা ভালো।

নিয়মিত ঘুমের সমস্যা, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রাকৃতিক খাবার বেশি খান

শাকসবজি, ফল, ডাল, মটরশুঁটি, ছোলা ও কম প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা ভালো। এসব খাবার দীর্ঘমেয়াদে শরীর সুস্থ রাখতে এবং বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে অনেক সময় বেশি লবণ, চিনি, কৃত্রিম মিষ্টি, রং ও অন্যান্য উপাদান যোগ করা হয়। এসব খাবার বেশি খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য ভালো নয়।

তাহলে খাবারের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব তাজা ও স্বাভাবিক খাবারকে প্রাধান্য দেওয়া ভালো।

বেশি নড়াচড়া করুন, কম বসে থাকুন

ব্যস্ত জীবনে দীর্ঘ সময় বসে থাকা খুব সহজ। কিন্তু শরীরকে সচল রাখতে দিনের বিভিন্ন সময় নড়াচড়া করার সুযোগ খুঁজে নেওয়া জরুরি।

প্রতিদিন একটানা ৩০ মিনিট শরীরচর্চা করা ভালো। তবে এর পাশাপাশি সারাদিন ছোট ছোট সময় হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার করা বা অন্যভাবে শরীর সচল রাখাও উপকারী।

কাজের ফাঁকে হাঁটতে হাঁটতে কথা বলা, বন্ধুদের সঙ্গে বসে আড্ডা দেওয়ার পরিবর্তে হাঁটতে হাঁটতে সময় কাটানো—এ ধরনের অভ্যাস শরীরকে সচল রাখতে পারে।

বয়স, অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার কারণে যাদের চলাফেরায় সমস্যা রয়েছে, তারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী উপযুক্ত শারীরিক কার্যক্রম বেছে নিতে পারেন।

প্রতিদিনের ক্ষতিকর উপাদান থেকে নিজেকে বাঁচান

বায়ুদূষণ, অতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা এবং কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান আধুনিক জীবনে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা কঠিন। এসব উপাদান শরীরে ঢুকে ফুসফুস, হৃদ্‌যন্ত্রসহ বিভিন্ন অঙ্গের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

বায়ুদূষণ বা আগুনের ধোঁয়ার অতি ক্ষুদ্র কণা ফুসফুসের গভীরে পৌঁছাতে পারে এবং রক্তের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে হৃদ্‌রোগ, ফুসফুসের সমস্যা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে।

রান্নার সময় গ্যাসের চুলা থেকেও কিছু ক্ষতিকর গ্যাস ও অতিক্ষুদ্র কণা তৈরি হতে পারে। তাই রান্নাঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। সম্ভব হলে বৈদ্যুতিক বা তড়িৎচৌম্বক চুলা ব্যবহার করা যেতে পারে।

পানি পরিষ্কার রাখতে উপযুক্ত পানি পরিশোধক ব্যবহার করা, রান্নাঘরের প্লাস্টিকের বদলে কাচের পাত্র ব্যবহার করা এবং পানির জন্য স্টিলের বোতল ব্যবহার করাও ক্ষতিকর উপাদানের সংস্পর্শ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

বাইরের বাতাসে দূষণ বেশি থাকলে ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থাও নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক, ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং বাইরে কাজ করেন এমন মানুষের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি।

ছোট অভ্যাসেই বড় পরিবর্তন

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন কঠিন কোনো নিয়ম মেনে চলার প্রয়োজন নেই। মনকে শান্ত রাখা, ভালো ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত নড়াচড়া এবং ক্ষতিকর উপাদানের সংস্পর্শ কমানোর মতো সহজ অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে শরীর ও মন ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে।

দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় নতুন নতুন পদ্ধতির পেছনে না ছুটে প্রতিদিনের জীবনে টেকসই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলাই হতে পারে সুস্থ থাকার সহজ পথ।

সূত্র: হার্ভার্ড

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের দিনে ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


আজকের দিনে ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিন

ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে চলা আমাদের জন্য অপরিহার্য। অতীতের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি জানার মাধ্যমে আমরা সেই শিক্ষা গ্রহণ করি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় একনজরে দেখা যাক।

ঘটনাবলি

৯৯৪ সালে ওরেন্তেসের যুদ্ধে ফাতেমীয়রা বাজেন্টাইন সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের বিজয় অর্জন করে।

১৬৫৬ সালে ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্স শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৭৭৬ সালে ব্রিটেন ম্যানহাটান দখল করে।

১৮১২ সালে নেপোলিয়নের ফরাসি বাহিনী মস্কোর ক্রেমলিনে তাঁবু গাড়ে।

১৮১২ সালে রুশরা ফরাসি দখলদারি প্রতিহত করতে মস্কোয় আগুন লাগিয়ে দেয়।

১৮২১ সালে মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া ও কোস্টারিকা স্পেনের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৮৩৫ সালে ভারতে সংবাদ পরিবেশনের কাজে মুদ্রণযন্ত্রের ব্যবহার অনুমোদন করে ‘লিবার্টি অব দ্য প্রেস অ্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৯৪ সালে পিয়ং ইয়ংয়ের যুদ্ধে জাপানের কাছে চীন পরাস্ত হয়।

১৯১৬ সালে বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো ট্যাঙ্ক ব্যবহৃত হয়।

১৯১৭ সালে আলেকজান্ডার কেরেনস্কি রাশিয়াকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।

১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।

১৯৩৫ সালে নুরেমবার্গ আইনের মাধ্যমে জার্মান ইহুদিদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়।

১৯৩৫ সালে জার্মানির স্বস্তিকাযুক্ত নতুন পতাকা চালু হয়।

১৯৪৬ সালে বুলগেরিয়া গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।

১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিস ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

১৯৫২ সালে জাতিসংঘ আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়াকে ইরিত্রিয়া দান করে, যা পরবর্তীকালে স্বাধীন হয়।

১৯৫৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে ‘ত্রাকোমি’ নামে চোখের বিপজ্জনক সংক্রামক রোগের ভাইরাস আবিষ্কৃত হয়।

১৯৫৯ সালে দূরদর্শন (সংক্ষেপে ডিডি) ভারতে প্রথম টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু করে। নিকিতা ক্রশেভ প্রথম সোভিয়েত নেতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান।

১৯৭৩ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মিশর ও সিরিয়া।

১৯৮১ সালে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু জাতিসংঘের সদস্য হয়।

১৯৮২ সালে লেবাননের রাষ্ট্রপতি বাসির গামায়েল আততায়ীর হাতে নিহত হন।

১৯৮৯ সালে পাকিস্তান কমনওয়েলথে ফিরে আসে।

১৯৯১ সালে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের মেসিডোনিয়া সাবেক যুগোশ্লাভিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯১ সালে বাংলাদেশে গণভোটে সংসদীয় পদ্ধতির পক্ষে গণরায় প্রদান করা হয়।

১৯৯৬ সালে ক্রিকেটে বাংলাদেশ এসিসি ট্রফি জয় করে।

১৯৯৮ সালে আমেরিকার টেলিকম্যুনিকেশন কোম্পানি ওয়ার্ল্ডকম ও এমসিআই যুক্ত হয়ে এমসিআই ওয়ার্ল্ডকম নামে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়, যা ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম সংযুক্তি।

২০০৮ সালে মার্কিন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান লেহম্যান ব্রাদার্স দেউলিয়া ঘোষিত হয়, যা যুক্তরাষ্ট্রের এ যাবৎকালের বৃহত্তম দেউলিয়ার ঘটনা।

জন্ম

১২৫৪ সালে মার্কো পোলো, ইতালির ভেনিস অঞ্চলের একজন বণিক ও বিখ্যাত পরিব্রাজক জন্মগ্রহণ করেন।

১৫০৫ সালে হাঙ্গেরির রানি মারিয়া জন্মগ্রহণ করেন।

১৭৮৯ সালে জেমস ফেনিমোর কুপার, দ্য লাস্ট অব দ্য মোহিকানস খ্যাত কথাসাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৫৭ সালে উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফ্‌ট্‌, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৭তম রাষ্ট্রপতি ও ১০ম প্রধান বিচারপতি জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৬০ সালে ভারতরত্ন এম. বিশ্বেশ্বরায়া, ভারতের প্রখ্যাত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, দক্ষ প্রশাসক ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনেতা জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭৬ সালে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, জনপ্রিয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯০ সালে আগাথা ক্রিস্টি, ‘দ্য কুইন অব ক্রাইম’ ডাকনামে পরিচিত ইংরেজ অপরাধ কল্পকাহিনি লেখক জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৪ সালে জঁ রনোয়ার, ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক, অভিনেতা ও লেখক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৪ সালে ইতালির রাজা দ্বিতীয় উমবার্তো জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৭ সালে ফায় ওরায়, কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৯ সালে সি.এন. আন্নাদুরাই, ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভালো বাগ্মী, মাদ্রাজ প্রদেশের সর্বশেষ ও তামিলনাড়ুর প্রথম মুখ্যমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৪ সালে আডোলফো বিওয় কাসারইয়েস, আর্জেন্টিনার সাংবাদিক ও লেখক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১৬ সালে রুমানিয়ার খ্যাতনামা লেখক ও গবেষক কনস্ট্যান্টিন ভারযিল গিওরগো জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৯ সালে মারি গেল-ম্যান, নোবেলজয়ী মার্কিন পদার্থবিদ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৭ সালে রবার্ট এমারসন লুকাস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৬ সালে অলিভার স্টোন, একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্য লেখক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫৪ সালে হ্রান্ট ডিঙ্ক, তুর্কি সাংবাদিক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬৫ সালে রবার্ট ফিকো, স্লোভাক রাজনীতিবিদ, অধ্যাপক ও ১৪তম প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭১ সালে নাথান অ্যাসলে, নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৯ সালে কার্লোস রুইজ, গুয়াতেমালার ফুটবলার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৮ সালে চেলসিয়া কেন, মার্কিন অভিনেত্রী ও গায়িকা জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু

১৮৫৯ সালে ইসামবারড কিংডম ব্রুনেল, ইংরেজ প্রকৌশলী ও গ্রেট পশ্চিম রেলওয়ে ডিজাইনার জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৬ সালে রুডল্‌ফ ক্রিস্টফ অয়কেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান দার্শনিক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৮ সালে টমাস ওয়লফে, মার্কিন লেখক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৫ সালে অ্যান্টন ওয়েবেরন, অস্ট্রীয় সুরকার ও পথপ্রদর্শক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৯ সালে রবার্ট পেন ওয়ারেন, মার্কিন কবি, লেখক ও সমালোচক জন্মগ্রহণ করেন।

২০০৬ সালে নিতুন কুণ্ডু, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও উদ্যোক্তা জন্মগ্রহণ করেন।

২০০৮ সালে স্টাভরস পারাভাস, গ্রিক অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামে কষ্ট দেওয়ার পরিণতি জানলে কেউ কাউকে কষ্ট দিতেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


ইসলামে কষ্ট দেওয়ার পরিণতি জানলে কেউ কাউকে কষ্ট দিতেন না

মানুষকে কষ্ট দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যের মনে আঘাত করা, তা কথা, আচরণ কিংবা কাজের মাধ্যমে হোক, কেবল সম্পর্কের অবনতি ঘটায় না, বরং এর জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে জবাবদিহি করতে হবে। এজন্য একজন মুমিনের কর্তব্য হলো নিজের কথা ও আচরণে অন্যকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَالَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا

অর্থ: ‘যারা মুমিন পুরুষ ও নারীদের কোনো অপরাধ ছাড়াই কষ্ট দেয়, তারা অবশ্যই অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে।’

—সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৫৮

কথায় কষ্ট দেওয়াও বড় অপরাধ

মানুষকে কষ্ট দেওয়ার প্রধান উপায়গুলোর মধ্যে একটি হলো কথাবার্তা। গালি দেওয়া, অপমান করা, গীবত করা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া, কটূক্তি করা, উপহাস করা কিংবা কাউকে তুচ্ছজ্ঞান করা—এসবের মাধ্যমে একজন মানুষের মনে গভীর আঘাত সৃষ্টি হতে পারে।

রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন—

سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ، وَقِتَالُهُ كُفْرٌ

অর্থ: ‘মুসলিমকে গালি দেওয়া ফাসিকি এবং তার সঙ্গে লড়াই করা কুফরি।’
—সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪৮; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৬৪

তাহলে রাগের সময়েও মুখের কথার প্রতি সতর্ক থাকা আবশ্যক। কারণ মুখ দিয়ে বলা একটি কথা কখনো কখনো মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে।

গীবত ও অপবাদ থেকে বাঁচতে হবে

কারও অনুপস্থিতিতে তার এমন কোনো দোষের কথা বলা, যা শুনলে সে কষ্ট পাবে, সেটিই গীবত। আর যে দোষ তার মধ্যে নেই, সেটি তার নামে বলা হলো অপবাদ।

রাসুলুল্লাহ (সা:) গীবতের সংজ্ঞা দিয়ে বলেছেন—

أَتَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ؟ قَالُوا اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ

অর্থ: ‘তোমরা কি জান, গীবত কী? ... তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কথা বলা, যা সে অপছন্দ করে।’

—সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৮৯

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন—

وَلَا يَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ

অর্থ: ‘তোমরা একে অপরের গীবত করো না। তোমাদের কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ করবে? বস্তুত তোমরা তা অপছন্দ কর।’

—সূরা আল-হুজুরাত, ৪৯:১২

অপমান ও উপহাসও নিষিদ্ধ

কাউকে ছোট করা, তার দুর্বলতা নিয়ে হাসাহাসি করা কিংবা মন্দ নামে ডাকা ইসলামে নিষিদ্ধ।

আল্লাহ বলেন—

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا يَسْخَرْ قَوْمٌ مِنْ قَوْمٍ عَسَىٰ أَنْ يَكُونُوا خَيْرًا مِنْهُمْ

অর্থ: ‘হে মুমিনগণ! কোনো সম্প্রদায় যেন অন্য কোনো সম্প্রদায়কে উপহাস না করে। হতে পারে, তারা তাদের চেয়ে উত্তম।’

—সূরা আল-হুজুরাত, ৪৯:১১

একই আয়াতে আল্লাহ মন্দ নামে ডাকা থেকেও নিষেধ করেছেন।

চোগলখুরীর পরিণতিও ভয়াবহ

একজনের কথা আরেকজনের কাছে লাগিয়ে দিয়ে সম্পর্ক নষ্ট করা বা মানুষের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করাও গুরুতর অপরাধ। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন—

لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَتَّاتٌ

অর্থাৎ, ‘চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’
—সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০৫৬; সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০৫

এছাড়া হাদিসে এসেছে, চোগলখুরীর কারণে কবরে শাস্তির সম্মুখীন হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

কেয়ামতের দিন নিঃস্ব হয়ে যেতে পারেন

মানুষকে কষ্ট দেওয়ার সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হলো—ইবাদত করেও কেউ কেয়ামতের দিন নিঃস্ব হয়ে যেতে পারে।

রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন—

‘আমার উম্মতের মধ্যে প্রকৃত নিঃস্ব সে ব্যক্তি, যে কেয়ামতের দিন নামাজ, রোজা ও জাকাত নিয়ে আসবে; কিন্তু সে কাউকে গালি দিয়েছে, কাউকে অপবাদ দিয়েছে, কারও সম্পদ আত্মসাৎ করেছে, কাউকে হত্যা করেছে বা কাউকে মারধর করেছে। এরপর তার নেক আমল থেকে একে একে ক্ষতিগ্রস্তদের দিয়ে দেওয়া হবে। নেক আমল শেষ হয়ে গেলে তাদের গুনাহ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’

—সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৫৮১

অর্থাৎ, মানুষের হক নষ্ট করে শুধু নিজের ইবাদতের ওপর ভরসা করার সুযোগ নেই।

তাহলে কথা ও কাজে সতর্ক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একজন মুমিনের উচিত কারও মনে কষ্ট না দেওয়া, গালি ও কটূক্তি থেকে বিরত থাকা, গীবত-অপবাদ না করা, কাউকে উপহাস বা তুচ্ছ না করা এবং মানুষের সম্মান ও অধিকার রক্ষা করা।

কারও প্রতি অন্যায় করে থাকলে শুধু আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়াই যথেষ্ট নয়; সম্ভব হলে যার হক নষ্ট করা হয়েছে, তার কাছেও ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত।

মানুষের হৃদয় ভাঙা সহজ, কিন্তু সেই ক্ষত সারানো কঠিন। তাই কথা বলার আগে ভাবুন—আপনার একটি কথা কারও মনে আজীবনের কষ্ট হয়ে থাকবে কি না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত নিমগাছ রক্ষায় বিসিসির উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত নিমগাছ রক্ষায় বিসিসির উদ্যোগ

বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত নিমগাছ রক্ষার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কড়াপুরের ডেফুলিয়ায় খালেদা জিয়া রোপণ করা নিমগাছ এবং স্মারক ফলক সংস্কারের পাশাপাশি এলাকাটির সৌন্দর্যবর্ধনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীনের নির্দেশে সিটি করপোরেশনের স্থাপত্য ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা ওই স্থান পরিদর্শন করেন।

২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বরিশালের কড়াপুরের ডেফুলিয়ায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এ সময় তিনি সেখানে একটি নিমগাছও রোপণ করেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে ওই স্থানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আর বাস্তবায়িত হয়নি।

সম্প্রতি বিসিসি প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীন ডেফুলিয়া পরিদর্শন করে সেখানে একটি খেলার মাঠ ও আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এর মধ্যে সাবেক কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম ওই জমিতে সীমানাপ্রাচীর দিয়ে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করেন। শুক্রবার স্থানীয় লোকজন ও সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ শাখার সদস্যরা বাধা দিলে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পরিদর্শনকালে বিসিসির কর্মকর্তারা এলাকাবাসীকে জানান, ওই স্থানে থাকা অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার রোপণ করা নিমগাছ এবং ভাঙা স্মারক ফলক সংস্কার করা হবে।

বিসিসি প্রশাসকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মুশফিকুল হাসান মাসুম বলেন, প্রশাসকের নির্দেশে তারা ডেফুলিয়ায় গিয়ে স্থানটি পরিদর্শন করেছেন। সেখানে থাকা ফলকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে স্থাপন করা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের অযত্নে নিমগাছটির অবস্থাও ভালো নয়।

তিনি জানান, আগামী বুধবার থেকে নিমগাছটি ঘিরে গোলচত্বর নির্মাণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে স্মারক ফলকটিও সংস্কার করা হবে। এ কাজে আর্কিটেক্ট আনিছুর রহমান লুসান কাজ করবেন।

মুশফিকুল হাসান মাসুম আরও বলেন, ডেফুলিয়ার সরকারি খাসজমিতে সিটি করপোরেশনের প্রস্তাবিত খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে। বর্ধিত এলাকায় শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠের পাশাপাশি একটি দর্শনীয় স্থান গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরীন চান, মানুষ যেন এখানে আসতে পারেন। খালেদা জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত নিমগাছকে ঘিরে একটি সুন্দর ও দর্শনীয় স্থান গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%