সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৯ পি.এম
কিছু দিন আগে ইতালিতে হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার পর দেশে ফিরেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন।
৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের জন্য ইতালি গিয়েছিলেন বাঁধন। সেখানে মেস্ত্রে শহরে আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মী পরিচয় দেওয়া কিছু বাংলাদেশির দ্বারা হামলা ও হেনস্তার শিকার হন তিনি। এ সময় তাকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে আঘাত করা হয়, এমন অভিযোগ করেছেন এই অভিনেত্রী। ঘটনার একটি ভিডিও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
বাঁধনের ওপর হামলার বিষয়টি জাতীয় সংসদেও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ঘটনাটিকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
দেশে ফিরে বাঁধন বলেন, "এই ঘটনার মধ্য দিয়ে জুলাই যোদ্ধারা নয়, বরং হামলাকারীরাই অনিরাপদ হয়ে পড়ছেন।" তার ভাষ্য, বিদেশের মাটিতে এমন ঘটনায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বাঁধন বলেন, "দলকানা না হয়ে পরিবারের কথা ভাবতে হবে। কারণ, কষ্ট করে তারা পরিবারের জন্যই কাজ করছেন।"
বাঁধন আরও জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে এ ঘটনার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার পর বাংলাদেশ দূতাবাস ও ইতালি সরকারের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
র্যাব কর্তৃক এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এনআইডি ও সিমের তথ্য বিক্রির অভিযোগে, যিনি সার্ভার হ্যাক করে এই তথ্য সংগ্রহ করতেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে র্যাব-৫ রাজশাহীর মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম আব্দুস সালাম সরকার, বয়স ২৬, এবং তিনি মান্দা উপজেলার প্রসাদপুর গ্রামের মৃত আয়নাল হকের পুত্র।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আব্দুস সালাম সরকার ২০১৮ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ নির্বাচন অফিসে অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত ছিলেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি ওয়েব পেজ এবং বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ আইডি ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আসামি ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে বিভিন্ন সার্ভার হ্যাক করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং ক্রাইম ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (সিডিএমএস) গোপনীয় তথ্য অবৈধভাবে সংগ্রহ করতেন।
এরপর তারা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (বিকাশ ও নগদ) মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করে বিভিন্ন ব্যক্তির সিমের লোকেশন, কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) এবং এসএমএস লিস্টের মতো সংবেদনশীল তথ্য বিভিন্ন লোকজনের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন।
প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে রোববার ভোর পাঁচটার দিকে মান্দা উপজেলা পরিষদের মূল ফটকের বিপরীতে অবস্থিত ‘সরকার কম্পিউটার ও অনলাইন পয়েন্ট’ নামক দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে একাধিক সিডিআর এবং বিভিন্ন নম্বরের শেষ লোকেশনের তথ্য পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মান্দা থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরাঞ্চলীয় ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ফলে চার হাজার একরেরও বেশি বনভূমি সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত হয়েছে। এই দাবানলটির নাম 'লিউকাস ফায়ার' এবং এটি মেন্ডোসিনো ন্যাশনাল ফরেস্টের সংলগ্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রচুর কষ্ট করতে হচ্ছে।
ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের অগ্নিনির্বাপক সংস্থা ক্যাল ফায়ারের তথ্য অনুযায়ী, লেক কাউন্টি ও মেন্ডোসিনো কাউন্টির সীমান্তের কাছে পটার ভ্যালিতে লাগা এই দাবানল দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং ৪ হাজার ১০৯ একর এলাকা গ্রাস করেছে। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বর্তমানে আগুনের ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে, তবে পরিস্থিতি এখনও বিপজ্জনক।
ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে লেক কাউন্টি ও মেন্ডোসিনো কাউন্টির একাধিক ব্লকে জরুরি উচ্ছেদ আদেশ কার্যকর করা হয়েছে। প্রাণ বাঁচাতে শত শত মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ত্যাগ করেছেন। স্থানীয় প্রশাসন অন্তত এক ডজন অঞ্চলে সতর্কবার্তা জারি করে বাসিন্দাদের নিরাপদ থাকার নির্দেশ দিয়েছে। দ্রুত এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া গবাদিপশু ও গৃহপালিত প্রাণীদের জন্য লেকপোর্টে বিশেষ পশুর শেড তৈরি করা হয়েছে।
দাবানলের তীব্রতার কারণে স্থানীয় জাতীয় বনাঞ্চলের রাস্তাঘাট, ট্রেইল এবং ক্যাম্পগ্রাউন্ড সম্পূর্ণরূপে বন্ধ ঘোষণা করেছে ইউএস ফরেস্ট সার্ভিস। উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৮ সালের ঐতিহাসিক ‘র্যাঞ্চ ফায়ার’-এর একই দগ্ধ এলাকায় নতুন করে এই আগুনের তাণ্ডব শুরু হয়েছে। চলতি বছরে এই অঞ্চলে এটিই সবচেয়ে বড় দাবানলের ঘটনা।
এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এই আগুনের সূত্রপাতের কারণ হিসেবে অতিরিক্ত তাপমাত্রা বা অন্য কোনো বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক এমপিদের ‘প্রটেকশন’ ও পুনর্বাসন প্রদান করেছেন।
তিনি একইসঙ্গে আসিফের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এসব দাবি করেন রাশেদ।
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, "আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আওয়ামী ব্যবসায়ী ও ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে! অন্তত একজন আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে সে পুনর্বাসন করেছে, সেটা আমি জানি। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু সে তোয়াক্কা করেনি!"
রাশেদ খান আরও বলেন, "এই বিষয়টা এনসিপির প্রত্যেক নেতা জানে। আমি তখন আসিফ মাহমুদের এই বিষয়টা তাদের জানালে তারা বলতো, ভাই, আসিফ তো আমাদের কেউ না! তার সঙ্গে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নাই! দুর্নীতি ও বিতর্কের দায় না নিতে নাহিদ ইসলাম তো বহুবার গণমাধ্যম বলেছে, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোন সম্পর্ক নাই!"
তিনি আরও লেখেন, "আসিফ মাহমুদ একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছিল। যে তথ্য আমি নিজে জানি। এছাড়া সে সময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম বেশকিছু তথ্য আমার কাছে আসে। এই দুজনের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম।"
রাশেদ খান পোস্টে উল্লেখ করেন, "তিনি আমার দেওয়া তথ্য পেয়ে উত্তরে বলেছিলেন, আমরা যে বেতন পায়, সেটা দিয়ে চলতে পারি না, আর ওরা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়! স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা দেওয়া যায়?"
রাশেদ খান প্রশ্ন করেন, "দেখেন, নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেনসহ সিনিয়র নেতারা কেন আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ায় না? কারণ তারা সবাই এসব তথ্য জানে! চোরের মায়ের বড় গলা, আসিফ মাহমুদের অবস্থাও সে রকম হয়েছে!"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর আলুপট্টি এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সাবেক এক শিক্ষার্থীকে হানি ট্র্যাপে ফেলে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ এ ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বোয়ালিয়া থানার শেখপাড়া এলাকার মোহাম্মদ তৌকির জাহান স্মরণ (২৯), রাজপাড়া থানার ভাটাপাড়া এলাকার আবু রায়হান (২৪) ও শাহরিয়ার মনন (২৯) এবং বহরমপুর এলাকার জুনাইরা ইসলাম (২২)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে ২৮ বছর বয়সী ওই সাবেক শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত কাজে রাজশাহী শহরে আসেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বচ্ছ টাওয়ারের পশ্চিম পাশে একটি বিসিএস কোচিং সেন্টার থেকে বের হয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় তার সঙ্গে এক ব্যক্তির ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেখানে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে, একটি তরুণী ঘটনাস্থলে এসে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দিয়ে তাকে ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে স্বচ্ছ টাওয়ারের ১৫ তলার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। ফ্ল্যাটে প্রবেশের পর তার মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে তিন ব্যক্তি মারধর করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় ওই নারীকে পাশে বসিয়ে তার ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে মুক্তিপণের পরিমাণ কমিয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন থেকে তার বড় বোনের কাছে ফোন করে টাকা চাওয়া হয়। পরে তার বোনের স্বামী কৃষি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শাহরিয়ার মননের পূবালী ব্যাংকের রাজশাহী শাখার অ্যাকাউন্টে ৩০ হাজার ১০ টাকা পাঠান। এ ছাড়া ভুক্তভোগীর কাছে থাকা ১০ হাজার টাকা জোর করে নেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মুক্তিপণের টাকা ব্যবসায়িক লেনদেন হিসেবে দেখিয়ে ডায়েরিতে লিখিয়ে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। টাকা পাওয়ার স্ক্রিনশট নেওয়ার পর তাঁকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে আসামিরা পেছন পেছন গিয়ে তাকে অটোরিকশায় তুলে দেন বলে এজাহারে বলা হয়েছে।
ঘটনার পর শনিবার রাতেই ভুক্তভোগী বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেন। পরে ভোররাতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, যে ফ্ল্যাটে ওই যুবককে আটকে রাখা হয়েছিল, সেটির মালিক রাজশাহীর হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী খন্দকার হাসান কবির। গ্রেপ্তার তৌকির জাহান স্মরণের সঙ্গে তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের সূত্রে স্মরণ হোটেলের ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ফ্ল্যাটের চাবি নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন।
তবে খন্দকার হাসান কবির দাবি করেছেন, আসামিরা হোটেলের ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে চাবি নেননি; ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেছিলেন।
অন্যদিকে গ্রেপ্তার আবু রায়হানের বাবা রাজপাড়া থানা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেছেন, তার ছেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন এবং বন্ধুরা বিপদে পড়ায় তাঁদের উদ্ধার করতে সেখানে গিয়েছিলেন। তার ছেলে ‘ফাঁদে ফেলার’ সঙ্গে জড়িত পুলিশের এমন দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, তার ছেলে বেশি কথা বলায় পুলিশ এমনটি বলতে পারে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার উপপরিদর্শক আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। রোববার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ