মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৬ পি.এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন।
সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতির পর ইস্তাম্বুল থেকে প্রধানমন্ত্রী, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে নিয়ে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে মোটরশোভাযাত্রা সহকারে ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলের সামনে ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে মিছিল করেন এবং স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও হাসিমুখে হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।
নিউইয়র্ক সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলেই অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, মিশিগান, জর্জিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীসহ নিউইয়র্কস্থ বিএনপি নেতাকর্মীরা দুপুর থেকেই তাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে ভিড় জমাতে থাকেন।
এ সময় তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। মাঝে মাঝে স্লোগান দেন- ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।’
নেতাকর্মীরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধুমাত্র একটি প্রটোকলভিত্তিক সমাবেশ নয়, বরং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারক ও মার্কিন মহলের সামনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরার একটি উন্মুক্ত মঞ্চ।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুমুখী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংস্কার প্রাধান্য পাবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি:
২২ সেপ্টেম্বর: এদিন সকালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাদের জীবনসঙ্গীদের জন্য স্বাগত প্রাতরাশ।
ইউএনজিএ-এর ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী পর্বে যোগদান।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ার ফিলস-আইমে-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক এবং মেটা প্ল্যাটফর্মসের প্রধান বৈশ্বিক বিষয়াবলি কর্মকর্তা জোয়েল কাপলানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ।
সন্ধ্যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।
২৩ সেপ্টেম্বর: জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক।
রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ। ‘জলবায়ু পদক্ষেপ এবং ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণ।
ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান।
২৪ সেপ্টেম্বর: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রারম্ভিক বক্তব্য প্রদান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু রোধ সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রারম্ভিক বক্তব্য।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে বৈঠক।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ: নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে (সময় পরিবর্তন হতে পারে)। তার জন্য বরাদ্দকৃত সময় ১৫ মিনিট।
এরপর রাতে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে নৈশভোজে অংশগ্রহণ।
২৫ সেপ্টেম্বর: জেপিমরগান হেডকোয়ার্টার্সে ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক।
কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক।
ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জাইদ আল হুসেইনের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ।
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়।
রাত ১১টায় (নিউইয়র্ক সময়) এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বাবা-মায়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে আসা অনন্য নজির স্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাইফুন দুজুয়ান জাপানে প্রবল শক্তি নিয়ে আঘাত করেছে। এই শক্তিশালী ঝড়ে এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, নিখোঁজ রয়েছেন আরও চারজন। ঝড়ো বাতাস এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসি এই তথ্য জানিয়েছে।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থা টাইফুনটি আঘাত হানার পূর্বে ‘জীবনের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি’ সৃষ্টি হওয়ার সতর্কতা জারি করেছিল। তবে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় পরে কয়েকটি অঞ্চলের সতর্কতার মাত্রা কমিয়ে আনা হয়েছে।
দুজুয়ানের স্থায়ী বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। ঝোড়ো বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৯৪ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং যানবাহন ও যোগাযোগব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
ঝড়ের কারণে জাপানে রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে এবং শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পাঁচ দিনের ছুটির মধ্যে টাইফুনের আঘাতে বিভিন্ন পূর্বনির্ধারিত আয়োজনও ব্যাহত হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রক ইন জাপান সংগীত উৎসবের নির্ধারিত কনসার্টগুলো বাতিল করা হয়েছে। একই দিনে টোকিও গেম শোর ভিডিও গেম প্রদর্শনীর আয়োজনও বাতিল করা হয়েছে।
টাইফুনে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র সফর চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে ওঠার কথা জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (ডিএলএস) একটি বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। রাজস্ব খাতে শূন্য পদে দুই ক্যাটাগরিতে মোট ৫৩৮ জনকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এসএসসি বা সমমান পাস করা প্রার্থীরা এই পদগুলোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
যেসব পদে নিয়োগ
সিমেন ক্যারিয়ার পদে ৩২ জন এবং অফিস সহায়ক পদে ৫০৬ জনকে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সিমেন ক্যারিয়ার পদটি ১৯তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। এই পদের জন্য বেতন ৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার ৫৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, অফিস সহায়ক পদটি ২০তম গ্রেডের এবং এর বেতন ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
দুই পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের স্বীকৃত শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তবে সিমেন ক্যারিয়ার পদের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শর্তও রয়েছে।
বয়স ও জেলার সুযোগ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার যোগ্য প্রার্থীরা এই নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আবেদন শুরু
অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে।
আবেদন ফি
দুই পদের জন্য আবেদন ফি ৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন ফরম পূরণ ও সাবমিট করার পর টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।
যেভাবে আবেদন
আগ্রহী প্রার্থীদের dls.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন করার সময় শিক্ষাগত যোগ্যতা, জন্মতারিখ, স্থায়ী ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে। নির্ধারিত মাপের ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করার পর আবেদন শেষে Applicant’s Copy সংরক্ষণ করতে হবে।
আবেদন ফি পরিশোধের জন্য টেলিটক প্রিপেইড নম্বর থেকে প্রথমে DLS User ID লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। এরপর প্রাপ্ত PIN ব্যবহার করে দ্বিতীয় এসএমএসের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে হবে।
নিয়োগ পরীক্ষা
নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোন টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না। আবেদনপত্রে ভুল বা অসত্য তথ্য প্রদান করলে প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
আবেদন শেষ
আবেদন করা যাবে আগামী ৬ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১২টা পর্যন্ত।
বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত হবে। এই উপলক্ষে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে, দিনটি সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি নির্ধারিত। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এদিন ছুটি পাবেন।
তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি নয়। তাদের জন্য দিনটি নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হবে। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কেউ চাইলে দিনটিকে ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে নিতে পারবেন।
একইভাবে, বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ২৩ সেপ্টেম্বর স্বাভাবিক কার্যক্রম চলতে থাকবে। ব্যাংক, বিমা, করপোরেট অফিসসহ অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে অফিস খোলা থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাধারণ ছুটি পাবেন না।
‘ইয়াজদাহম’ অর্থ এগারো, আর ‘ফাতেহা’ অর্থ দোয়া করা। ইসলামের অন্যতম প্রচারক ও আল্লাহর ওলি বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানী (র.) এর ওফাত দিবস উপলক্ষে মুসলমানদের দোয়া ও ধর্মীয় আয়োজনকে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম বলা হয়।
ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হিজরি ৫৬১ সনের ১১ রবিউস সানি হজরত আবদুল কাদের জিলানী (র.) ইন্তেকাল করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা দিনটি ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম হিসেবে পালন করে আসছেন।
সরকারি ক্যালেন্ডারে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম মুসলিম পর্বের একটি ঐচ্ছিক ছুটি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাপঞ্জিতে ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি হিসেবে নির্ধারিত হওয়ায় এদিন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
ছুটি পাবেন: সরকারি-বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী,
মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী।
সাধারণ ছুটি পাবেন না: সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠানের কর্মী, করপোরেট ও অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী।
অর্থাৎ, ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ছুটির দিন হলেও সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক, বিমা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি সাধারণ ছুটির দিন নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের প্রধান সদস্যদের আগে থেকে কিছু না জানিয়ে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে একটি নতুন ফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি একই সাথে একজন নতুন এআই বিষয়ক প্রধান নিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন। এই আকস্মিক ঘোষণায় কংগ্রেসের পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতেও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প তাঁর এই ঘোষণা দেন। তবে, তাঁর দলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনপ্রণেতা ঘোষণার পূর্বে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইডাহোর রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মাইক সিম্পসন সাংবাদিকদের জানান, তিনি এ বিষয়ে যতটুকু জানেন, তা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকেই। তবে তিনি মনে করেন, এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ অতিরঞ্জিত। একই সাথে তিনি স্বীকার করেন, প্রযুক্তিটির প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্ব সহকারে ভাবতে হবে।
ট্রাম্পের এই উদ্যোগ কংগ্রেসের নিজস্ব পরিকল্পনার সাথে সংঘাত তৈরি করতে পারে। সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন এবং বাণিজ্যবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান টেড ক্রুজ এআইয়ের সম্ভাব্য বড় ধরনের ঝুঁকি কমাতে নতুন আইন তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের কয়েকজনও ট্রাম্পের ঘোষণাকে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। নিউ জার্সির আইনপ্রণেতা জশ গটহেইমার বলেন, যদি ট্রাম্প প্রশাসন এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাস্তব পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সেটি ইতিবাচক হবে। তবে, যদি এটি শুধুমাত্র প্রচারণার কৌশল হয়, তাহলে তিনি উদ্বিগ্ন।
ম্যাসাচুসেটসের আইনপ্রণেতা লরি ট্রাহান বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া নতুন একটি কার্যদল গঠনের কথা বলা হলে সেটি দীর্ঘমেয়াদি নীতির নিশ্চয়তা দেয় না।
ট্রাম্পের ঘোষণায় এআইয়ের বিভিন্ন ব্যবস্থা নজরদারির আওতায় আনার ইঙ্গিত রয়েছে। তবে, তিনি বলেন, এ ধরনের তদারকি নতুন কোনো আলাদা সংস্থার পরিবর্তে বিদ্যমান সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
এছাড়া, তিনি এআই নিয়ে অতিরিক্ত আতঙ্ককে আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আরেকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়ন তাঁর প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি দাবি করেন, চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আছে।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এআই উদ্যোগের মধ্যেই হোয়াইট হাউসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে।
ওপেনএআইয়ের সভাপতি গ্রেগ ব্রকম্যান ওই নৈশভোজে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। শুরুতে প্রকাশিত অতিথিদের আংশিক তালিকায় তার নাম ছিল না। তবে পরে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও ওপেনএআইয়ের এক মুখপাত্র তার উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নৈশভোজে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক, গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই, ডেল টেকনোলজিসের প্রধান মাইকেল ডেল, এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াং, ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান, সিটিগ্রুপের প্রধান জেন ফ্রেজার এবং অ্যাপলের সাবেক প্রধান টিম কুকের মতো প্রযুক্তি ও ব্যবসা খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখা এবং একই সাথে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা—শি চিনপিংয়ের সফর ঘিরে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে এটি।
গ্রেগ ব্রকম্যান ও তার স্ত্রী আনা ২০২৫ সালে ট্রাম্পপন্থী রাজনৈতিক তহবিল ‘মাগা ইনক’-এ মোট ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছিলেন। তবে ওই অর্থ তারা ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন, ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে নয়।
ব্রকম্যান আগে বলেছেন, তার রাজনৈতিক অনুদানের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি ও এআইয়ের উন্নয়নের পক্ষে নীতিকে সমর্থন করা।
এদিকে ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান যুক্তরাষ্ট্রকে এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক কারিগরি মান তৈরিতে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সামনে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ট্রাম্পের নতুন কার্যদল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রধান নিয়োগের উদ্যোগ এমন সময়ে এলো, যখন প্রযুক্তিটির নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা জোরালো হচ্ছে।
সূত্র: পলিটিকো
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ