মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১৮ পি.এম
সারাদেশে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম পালিত হবে। এই উপলক্ষে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে, দিনটি সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে না।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক শিক্ষাপঞ্জি ও ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি নির্ধারিত। এর ফলে সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এদিন ছুটি পাবেন।
তবে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি নয়। তাদের জন্য দিনটি নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে গণ্য হবে। তবে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে কেউ চাইলে দিনটিকে ঐচ্ছিক ছুটি হিসেবে নিতে পারবেন।
একইভাবে, বেসরকারি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও ২৩ সেপ্টেম্বর স্বাভাবিক কার্যক্রম চলতে থাকবে। ব্যাংক, বিমা, করপোরেট অফিসসহ অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত কর্মদিবস হিসেবে অফিস খোলা থাকবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাধারণ ছুটি পাবেন না।
‘ইয়াজদাহম’ অর্থ এগারো, আর ‘ফাতেহা’ অর্থ দোয়া করা। ইসলামের অন্যতম প্রচারক ও আল্লাহর ওলি বড় পীর হজরত আবদুল কাদের জিলানী (র.) এর ওফাত দিবস উপলক্ষে মুসলমানদের দোয়া ও ধর্মীয় আয়োজনকে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম বলা হয়।
ইসলামের ইতিহাস অনুযায়ী, হিজরি ৫৬১ সনের ১১ রবিউস সানি হজরত আবদুল কাদের জিলানী (র.) ইন্তেকাল করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা দিনটি ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম হিসেবে পালন করে আসছেন।
সরকারি ক্যালেন্ডারে পবিত্র ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম মুসলিম পর্বের একটি ঐচ্ছিক ছুটি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষাপঞ্জিতে ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি হিসেবে নির্ধারিত হওয়ায় এদিন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
ছুটি পাবেন: সরকারি-বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী,
মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারী।
সাধারণ ছুটি পাবেন না: সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠানের কর্মী, করপোরেট ও অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী।
অর্থাৎ, ২৩ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ছুটির দিন হলেও সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক, বিমা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি সাধারণ ছুটির দিন নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কংগ্রেসের প্রধান সদস্যদের আগে থেকে কিছু না জানিয়ে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে একটি নতুন ফোর্স গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি একই সাথে একজন নতুন এআই বিষয়ক প্রধান নিয়োগের কথাও উল্লেখ করেন। এই আকস্মিক ঘোষণায় কংগ্রেসের পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতেও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প তাঁর এই ঘোষণা দেন। তবে, তাঁর দলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনপ্রণেতা ঘোষণার পূর্বে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইডাহোর রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মাইক সিম্পসন সাংবাদিকদের জানান, তিনি এ বিষয়ে যতটুকু জানেন, তা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকেই। তবে তিনি মনে করেন, এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ অতিরঞ্জিত। একই সাথে তিনি স্বীকার করেন, প্রযুক্তিটির প্রভাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্ব সহকারে ভাবতে হবে।
ট্রাম্পের এই উদ্যোগ কংগ্রেসের নিজস্ব পরিকল্পনার সাথে সংঘাত তৈরি করতে পারে। সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুন এবং বাণিজ্যবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান টেড ক্রুজ এআইয়ের সম্ভাব্য বড় ধরনের ঝুঁকি কমাতে নতুন আইন তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের কয়েকজনও ট্রাম্পের ঘোষণাকে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। নিউ জার্সির আইনপ্রণেতা জশ গটহেইমার বলেন, যদি ট্রাম্প প্রশাসন এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাস্তব পদক্ষেপ নেয়, তাহলে সেটি ইতিবাচক হবে। তবে, যদি এটি শুধুমাত্র প্রচারণার কৌশল হয়, তাহলে তিনি উদ্বিগ্ন।
ম্যাসাচুসেটসের আইনপ্রণেতা লরি ট্রাহান বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া নতুন একটি কার্যদল গঠনের কথা বলা হলে সেটি দীর্ঘমেয়াদি নীতির নিশ্চয়তা দেয় না।
ট্রাম্পের ঘোষণায় এআইয়ের বিভিন্ন ব্যবস্থা নজরদারির আওতায় আনার ইঙ্গিত রয়েছে। তবে, তিনি বলেন, এ ধরনের তদারকি নতুন কোনো আলাদা সংস্থার পরিবর্তে বিদ্যমান সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
এছাড়া, তিনি এআই নিয়ে অতিরিক্ত আতঙ্ককে আবারও প্রত্যাখ্যান করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আরেকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ট্রাম্প বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়ন তাঁর প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি দাবি করেন, চীনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে আছে।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন এআই উদ্যোগের মধ্যেই হোয়াইট হাউসে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সম্মানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছে।
ওপেনএআইয়ের সভাপতি গ্রেগ ব্রকম্যান ওই নৈশভোজে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে। শুরুতে প্রকাশিত অতিথিদের আংশিক তালিকায় তার নাম ছিল না। তবে পরে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও ওপেনএআইয়ের এক মুখপাত্র তার উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নৈশভোজে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক, গুগলের প্রধান সুন্দর পিচাই, ডেল টেকনোলজিসের প্রধান মাইকেল ডেল, এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াং, ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান, সিটিগ্রুপের প্রধান জেন ফ্রেজার এবং অ্যাপলের সাবেক প্রধান টিম কুকের মতো প্রযুক্তি ও ব্যবসা খাতের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব ধরে রাখা এবং একই সাথে জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা—শি চিনপিংয়ের সফর ঘিরে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে এটি।
গ্রেগ ব্রকম্যান ও তার স্ত্রী আনা ২০২৫ সালে ট্রাম্পপন্থী রাজনৈতিক তহবিল ‘মাগা ইনক’-এ মোট ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছিলেন। তবে ওই অর্থ তারা ব্যক্তিগতভাবে দিয়েছেন, ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে নয়।
ব্রকম্যান আগে বলেছেন, তার রাজনৈতিক অনুদানের উদ্দেশ্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি ও এআইয়ের উন্নয়নের পক্ষে নীতিকে সমর্থন করা।
এদিকে ওপেনএআইয়ের প্রধান স্যাম অল্টম্যান যুক্তরাষ্ট্রকে এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক কারিগরি মান তৈরিতে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সামনে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব উপস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ট্রাম্পের নতুন কার্যদল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক প্রধান নিয়োগের উদ্যোগ এমন সময়ে এলো, যখন প্রযুক্তিটির নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা জোরালো হচ্ছে।
সূত্র: পলিটিকো
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূল বিতর্ক পর্ব শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকে। বিশ্বনেতারা নিউ ইয়র্কে পৌঁছেছেন এই অধিবেশনে অংশ নিতে।
প্রতিটি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের জন্য নির্ধারিত থাকে একটি বিশেষ প্রতিপাদ্য। এবারের প্রতিপাদ্য হলো-‘বিশ্বাস পুনরুদ্ধার ও রূপান্তর ব্যবস্থাপনা’ বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকট এবারের অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের বক্তৃতায় গুরুত্ব পাবে। এছাড়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবেলার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হবে। জলবায়ু পরিবর্তনও অগ্রাধিকারের তালিকায় বরাবরের মতোই স্থান পাবে।
ফিলিস্তিন এবারের অধিবেশনের অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে থাকবে। ভিসা পাওয়ার সমস্যার কারণে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস সশরীরে উপস্থিত হতে পারছেন না। তিনি ভাষণ দেবেন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। তবে নিউ ইয়র্কে উপস্থিত হয়ে ভাষণ দেবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদের দায়িত্ব ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। ফলে নতুন মহাসচিব কে হবেন, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সেই বিষয়টি নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে এ বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
অনেকের জন্য এবারের অধিবেশন হবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম অভিজ্ঞতা। সেই তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও রয়েছেন। তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।
বাংলাদেশের জন্য এবারের অধিবেশনে রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। প্রায় চার দশক পর আবারও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করবেন। তিনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবেন।
এ বিষয়ে নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনও উপস্থিত ছিলেন।
হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দুই পক্ষের সুবিধার জন্য হবে।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছান। তিনি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সফরসঙ্গীরা তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে নিউইয়র্ক সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে। তিনি বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন তার ভাষণে।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। তিনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রধান্য দিয়ে বৈঠক করবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর আগে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি বিমান নিউইয়র্ক সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সদস্য।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ