০৮:০৭ পি.এম
হাসি মানুষের জন্য অসুখের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ হিসেবে বিবেচিত। মানব জীবনে হাসির গুরুত্ব অপরিসীম। সময়কে সুন্দরভাবে উপভোগ করার জন্য হাসির বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) পালিত হচ্ছে বিশ্ব হাসি দিবস। প্রতি বছর অক্টোবরের প্রথম শুক্রবার এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সারাদিনকে প্রাণবন্ত করতে সকালের মাত্র ১ মিনিটের হাসিই যথেষ্ট। হাসি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানসিক চাপ থেকে দূরে রাখে।
১৯৬৩ সালে, ওরচেস্টার ম্যাসাচুসেটসের শিল্পী হার্ভে বল একটি হাসিখুশি মুখের ছবি উপস্থাপন করেন। সময়ের সাথে সাথে সেটি সদিচ্ছা এবং আনন্দের প্রতীক হয়ে ওঠে। তবে বাণিজ্যিক কারণে হার্ভে লক্ষ্য করেন যে, সেই হাসিখুশি মুখ এমন সব জায়গায় ব্যবহৃত হচ্ছে, যার ফলে ছবির আসল অর্থ পরিবর্তিত হচ্ছে। উদ্বিগ্ন হয়ে হার্ভে ভাবেন, হাসির জন্য একটি দিন নির্ধারণ করলে কেমন হবে। সেই দিনটি হাসিখুশিতে কাটানোর এবং সহৃদয় আচরণের জন্য উৎসর্গ করা হবে। এভাবেই শুরু হয়।
আরও পড়ুন: পূজার ছুটিতে প্রকৃতির অপরূপ দ্বীপ চর হেয়ার ঘুরে আসুন
প্রথমবার বিশ্ব হাসি দিবস পালিত হয় ১৯৯৯ সালে উরচেস্টারে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সহৃদয়তার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। এরপর থেকে প্রতিবছর এই দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে। ২০০১ সালে হার্ভে মৃত্যুবরণ করেন। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গঠন করা হয় ‘হার্ভে বল ওয়ার্ল্ড স্মাইল ফাউন্ডেশন’। এই ফাউন্ডেশনই প্রতি বছর বিশ্ব হাসি দিবসের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে কাজ করে।
হাসির জন্য একটি প্রতীকী চিহ্নও রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় হলুদ একটি মুখের হাসি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় হাসি হিসেবে পরিচিত। হলুদ মুখে কালো বিন্দুর দুটি চোখ এবং একটি চওড়া হাসি আপনার দিনটিকে সুন্দর করে তুলতে পারে। ১৯৭০ এর দশকে হাস্যোজ্জ্বল মুখ কার্টুন, কমিকস এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য ব্যবহৃত হত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন