বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:১৪ পি.এম
ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যুর খবর আসে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মৃত্যুর পূর্বে নানা পাটেকার গোয়ার একটি ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন। সেখানে হঠাৎ করে তিনি তীব্র বুকে ব্যথা অনুভব করেন। বিষয়টি জানার পর তার ছেলে মালহার পাটেকর দ্রুত একটি মেডিকেল টিমকে ফ্ল্যাটে পাঠান।
চিকিৎসক দল সেখানে পৌঁছানোর পর অভিনেতাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। পরে দ্রুত তাকে গোয়ার মণিপাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে চিকিৎসকেরা নানা পাটেকারকে মৃত ঘোষণা করেন।
নানা পাটেকারের মৃত্যুর ঘটনাটি মেডিকো-লিগ্যাল কেস হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ ও পরিস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য বৃহস্পতিবারই তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুর নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
নানা পাটেকারের আসল নাম বিশ্বনাথ পাটেকর। ১৯৫১ সালে মহারাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই অভিনেতা হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়েছেন। ১৯৭৮ সালে ‘গমন’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন তিনি।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ‘পারিন্দা’, ‘ক্রান্তিবীর’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’, ‘অব তক ছাপ্পান’ ও ‘নটসম্রাট’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন নানা পাটেকার।
অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ২০১৩ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে। শক্তিশালী অভিনয়, স্বতন্ত্র সংলাপ বলার ধরন এবং বহুমুখী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন এই অভিনেতা।
তার আকস্মিক মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুর মহানগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ১ হাজার ৮১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার দুটি প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের (আরপিসিসি) প্রশাসক।
বুধবার (৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত একনেক সভায় রংপুর সিটি এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে ১ হাজার ৬০২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সংস্কারের জন্য ২১০ কোটি ৪৯ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রকল্প দুটি অনুমোদনের পর, আরপিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অভিনন্দন ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ- রংপুরের উন্নয়নে এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।’
আরপিসিসি প্রশাসক আরও বলেন, ‘এই দুটি প্রকল্প রংপুর মহানগরীর দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধান, সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর বাস্তবায়ন রংপুর সিটি কর্পোরেশনকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, সুপরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব শহরে রূপান্তরের পথ সুগম করবে।’
তিনি নগরবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান, কারণ রংপুরের মানুষের উন্নয়ন ও এই অঞ্চলের অগ্রগতির জন্য বড় প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার যৌথ প্রচেষ্টায় প্রকল্পগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের মাধ্যমে রংপুর মহানগরীর উন্নয়নে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
প্রশাসক রংপুরকে দেশের অন্যতম সেরা মহানগরে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যবহারে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।
এদিকে, রংপুর মহানগরীর জন্য ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এত বিশাল অঙ্কের আর্থিক বরাদ্দ আসায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
রিকশাচালক মমতাজ হোসেন মন্তব্য করেন, ‘আগের কোনো সরকার রংপুর শহরের উন্নয়নকে এভাবে অগ্রাধিকার দেয়নি। অবশেষে সড়ক মেরামতসহ সার্বিক উন্নয়নের এই উদ্যোগ নেওয়ায় বর্তমান সরকারের ওপর আমি খুশি।’
কলেজছাত্র মুহাইমেনুল ইসলাম বলেন, ‘১,৮১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার দুটি প্রকল্প বরাদ্দের মাধ্যমে রংপুরের প্রতি সরকারের দৃঢ় উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি ও আন্তরিকতার প্রমাণ মিলেছে।’ সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জ জেলা শাখা ছাত্রদলের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি, যা ২৮ সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত, ঘোষণা করা হয়েছে।
এই কমিটি বুধবার (৭ অক্টোবর) সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনুমোদন লাভ করে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে সাইফুল ইসলামকে মনোনীত করা হয়েছে, সোহান আল ইমামকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সাজিদুর রহমানকে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে আকিবুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান মোল্যা (রইন), মো. মেহেদী হাসান, তাসবীর হাসান, মো. আমিরুল ইসলাম সোহেল, ইসমাইল হোসেন, মো. নাহিদুল ইসলাম সোহেল, মোহাম্মদ লালন শেখ, নিলয় হাওলাদার মোস্ত এবং সোহাগ আফতাবকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সদস্য হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন শেখ রেদোয়ান ইকবাল, সাহেদ হাসান পিয়াস, রাজিব মোল্লা, মাহফুজুর রহমান, উজ্জ্বল শিকদার, মো. শরিফুল ইসলাম, হাসানুল আলম রাজু, তারিকুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, মো. আমিন শেখ, মেহেদী হাসান, মেহেদী হাসান খান, আবির শিকদার, আহসান বিশ্বাস এবং রাহাদুল ইসলাম রাদ।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জেলা ছাত্রদলের সব সাংগঠনিক কার্যক্রম আহ্বায়ক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
এছাড়া, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে ১২ বছরেরও বেশি সময় কেটে গেছে। একটাই লক্ষ্য ছিল, একদিন একটি হীরা পাওয়া যাবে। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হলো। যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসের বিখ্যাত ক্রেটার অব ডায়মন্ডস স্টেট পার্কে খুঁজতে গিয়ে জ্যাক পিয়াবাডিন ৬.০৩ ক্যারেটের একটি বিশাল হলুদ হীরা পেয়েছেন।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত পার্কটিতে পাওয়া এটিই সবচেয়ে বড় হীরা। হীরাটি পাওয়ার মুহূর্তটি আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে, কারণ তখন পিয়ারাডিন টিকটকে লাইভ করছিলেন। মাটি খুঁড়ে পাথরটি হাতে উঠতেই বিস্ময়ে তিনি বলেন, 'ওহ মাই গড! ওহ মাই গড!' এরপর আনম্পে বলেন, 'বড় একটা পেয়ে গেছি!'
পিয়ারাডিন এই হীরাটির নাম দিয়েছেন 'আমেরিকান ড্রিম'। তার ভাষায়, এটি একটি বিশাল ও দৃষ্টিনশন হলুদ হীরা।
মিসৌরির বাসিন্দা এবং মার্কিন নৌবাহিনীর রিজার্ভ সদস্য পিয়ারাডিন ২০১৩ সালে ক্রেটার অব ডায়মন্ডস স্টেট পার্কে হীরা খোঁজা শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি এখানে ৩০০টিরও বেশি রত্ন খুঁজে পেয়েছেন। হীরা খোঁজার নেশা এতটাই গভীর হয়ে যায় যে পার্কের কাছাকাছি থাকার জন্য তিনি মারফ্রিসববো শহরেও চলে যান।
সর্বশেষ হীরাটি খুঁজে পাওয়ার সময় তার সঙ্গে ছিলেন উইসকনসিনের আরেক রত্ন-সন্ধানী মাইকেল শুমাখার। যে নুড়ি ও মাটির স্তূপ থেকে হীরাটি পাওয়া যায়, সেটি খুঁড়তে শুমাখারও সাহায্য করেছিলেন। পিয়ারাডিন জানিয়েছেন, হীরাটি বিক্রি হলে পাওয়া অর্থের একটি অংশ তিনি শুমাখারের সঙ্গে ভাগ করবেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে নিজের একটি ক্রিস্টাল খনি খোলার পরিকল্পনাও করছেন।
ক্রেটার অব ডায়মন্ডস স্টেট পার্কের গল্পও চমকপ্রদ। এটি একসময় উন্মুক্ত হীরা খনি ছিল। ১৯৭২ সালে জায়গাটি স্টেট পার্কে পরিণত হয়। বর্তমানে মাত্র ১৫ ডলার প্রবেশমূল্য দিয়ে দর্শনার্থীরা এখানে পাঁচ গ্যালনের একটি বালতি ভর্তি পাথর নিয়ে হীরা খুঁজতে পারেন। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, কেউ হীরা বা অন্য কোনো মূল্যবান রত্ন খুঁজে পেলে সেটি নিজের কাছে রাখতে পারেন।
পার্কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে এখানে ৩৭ হাজারেরও বেশি হীরা পাওয়া গেছে। প্রতি বছর গড়ে ৪০০ থেকে ৮০০টি হীরা খুঁজে পান দর্শনার্থীরা। তবে সেগুলোর বেশিরভাগের ওজন প্রায় এক-চতুর্থাংশ ক্যারেট।
এর আগে ২০২০ সালে এই পার্কে আরকানসাসের এক ব্যাংক ব্যবস্থাপক ৯ ক্যারেটের একটি হীরা খুঁজে পেয়েছিলেন। ২০২৪ সালে এক ফরাসি নাগরিকও এখানে ৭ ক্যারেটের একটি হীরা খুঁজে পান।
আর এই পার্কেই ১৯২৪ সালে পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হীরা-৪০.২৩ ক্যারেটের 'আঙ্কল স্যাম'। পরে সেটি কেটে ও পালিশ করে ১২.৪২ ক্যারেটের একটি হীরায় পরিণত করা হয়। বর্তমানে এটি স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির 'গ্রেট আমেরিকান ডায়মন্ডস' প্রদর্শনীতে রাখা আছে।
রত্ন মূল্যায়নকারী লরা স্ট্যানলির মতে, পার্কে পাওয়া গড়ে ০.১৭ ক্যারেটের একটি হীরার দাম প্রায় ৭০০ ডলার হতে পারে। তবে পিয়ারাডিনের পাওয়া ৬ ক্যারেটের উন্নত মানের হলুদ হীরাটির মূলা প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার হতে পারে। পিয়ারাডিন অবশ্য জানিয়েছেন, কয়েকজন সংগ্রাহক তাকে বলেছেন, হীরাটির দাম ১০ লাখ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
জেমোলজিক্যাল ইনস্টিটিউট অব আমেরিকার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাথান রেনফ্রোর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে হীরার দুটি পরিচিত খনি রয়েছে-আরকানসাসের ক্রেটার অব ডায়মন্ডস এবং কলোরাডোর কেলসি লেক। তবে কেলসি লেক ব্যক্তিমালিকানাধীন।
বিশ্বের খুব কম জায়গাতেই সাধারণ মানুষকে নিজে হীরা খোঁজার এবং পাওয়া হীরা নিজের কাছে রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। সেই বিরল জায়গাগুলোর একটি ক্রেটার অব ডায়মন্ডস স্টেট পার্ক। আর সেই পার্কেই ১২ বছরের অপেক্ষার পর পিয়ারাডিনের হাতে উঠে এলো তার 'আমেরিকান ড্রিম'।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বুধবার (৭ অক্টোবর) ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। সময়সীমা শেষ হওয়ার পর, এ আসনে পাঁচটি দলের পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
প্রার্থীদের মধ্যে আছেন, বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
এর আগে, জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন, যেহেতু তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। ফলে, এখন মির্জা ফয়সল আমিন বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে মির্জা ফয়সল আমিনকে দলীয় প্রতীক ধানের শীষ বরাদ্দ দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠি প্রদান করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে আগামী ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ