বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৩২ পি.এম
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উল্লেখ করেছেন যে, তিনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন এবং রাষ্ট্রের কল্যাণে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগে আমি দল, সংসদ ও মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করে এসেছি। আমি এখন সম্পূর্ণভাবে একজন দলনিরপেক্ষ মানুষ। দলনিরপেক্ষভাবেই আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাবো।’
আজ বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতির প্রথম দরবারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তাঁর কাছে কারো প্রতি কোনো রাগ বা অনুরাগ থাকবে না। দেশের, রাষ্ট্রের এবং জনগণের স্বার্থই হবে তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।
তিনি জনগণের আস্থা অর্জন, সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে।
রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও আনুগত্য রাখতে হবে।’
এসময় তিনি বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা এবং সততার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বঙ্গভবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরে বলেন, বঙ্গভবন রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বঙ্গভবনের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত-সংক্রান্ত সকল বিষয় অত্যন্ত কঠোরভাবে গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিচালনা করতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়।
এসময় তিনি রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী এবং দায়িত্বশীল থাকার পাশাপাশি অপচয় রোধের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের জনগণের অর্থেই সরকারি সম্পদ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের সঠিক, দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের জীবনে শৃঙ্খলা মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত নৈতিক মনোবল এবং সুন্দর চরিত্র গঠনে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একইসাথে তিনি যুদ্ধপরবর্তী দেশ ও রাষ্ট্র গঠনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও কৃতিত্ব শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
একইসঙ্গে তিনি পূর্ববর্তী সকল রাষ্ট্রপতির কথাও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা এখানে একটা পরিবার। সবাই একই জায়গায় কাজ করি। আমরা যখন সুযোগ পাবো, সেই সময় পরস্পরের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবো।’
তিনি ভবিষ্যতেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আশা প্রকাশ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর জেলায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং কৃষকরা ভালো দাম পেয়ে বেজায় খুশি। বর্তমানে পাটের ভরা মৌসুম চলছে, যা কৃষকদের জন্য ব্যস্ত সময়ের সৃষ্টি করেছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠ, বিল, নদী, খাল, ডোবা ও জলাশয়ে ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত কৃষকরা পাট গাছ কেটে পানিতে জাগ দিতে ব্যস্ত। পানিতে জাগ দেয়া পাট গাছগুলো তুলে আঁশ ছাড়ানো এবং পাটের আঁশ ধুয়ে রোদে শুকানোর কাজে কৃষকরা এখন সময় কাটাচ্ছেন। জেলাব্যাপী পাট সংশ্লিষ্ট এই কর্মব্যস্ততা দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। নতুন পাটও হাট বাজারে উঠতে শুরু করেছে।
এ বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় পাটের ফলন অত্যন্ত ভালো হয়েছে। দামও সন্তোষজনক, যা কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। অধিক ফলন এবং ভালো দামে কৃষকদের চোখে মুখে ক্লান্তির কোন চিহ্ন নেই। জেলায় এবছর প্রতিমণ পাট বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫শ’ টাকা থেকে ৪ হাজার ২শ’ টাকায়।
জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় লক্ষমাত্রার চেয়ে পাট চাষ কিছুটা বেশি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর কৃষকরা প্রতিমণে ৫শ’ টাকা থেকে ৮শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি দাম পাচ্ছেন। ফলে তারা আবার সোনালি আঁশে নতুন স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছেন।
অপরদিকে, কৃষকদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে কৃষি বিভাগ পাটের সুদিন ফেরাতে প্রণোদনা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে। গত বছর প্রতিমণ পাট বিক্রি দাম ছিল ৩ হাজার টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা। এবছর আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় আশানুরূপ ফলন এবং দামও ভালো পাওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্ট।
জেলার সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের পাট চাষী মো. আকবর আলী বাসস’কে জানিয়েছেন, এ বছর ভালো আবহাওয়ার কারণে ফলন ভালো হয়েছে এবং দামও বেশ ভালো। তিনি জানান, এবছর তিনি ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। মোট খরচ হয়েছে ১৮ হাজার টাকা। ২ বিঘা জমিতে পাট হয়েছে ২৮ মণ। এই পাট বিক্রি করে তিনি প্রায় ১ লাখ টাকা পেয়েছেন।
শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের পিয়ালিমারি গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা বলেন, তিনি ৩ বিঘা জমিতে দেশি ও তোষা পাটের আবাদ করেন। ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। এক বিঘা দেশি পাট কেটে জাগ দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে প্রথমবার ১৩ মণ পাট ৪৬ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। ভালো দাম পাওয়ায় তিনি খুব খুশি।
কৃষকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিঘা প্রতি মাত্র ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ করে কৃষকরা আয় করছেন ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তাই তারা আবার সোনালি আঁশে নতুন স্বপ্ন দেখছেন। তবে কৃষকরা পাট চাষে সরকারি সহায়তা ও সুযোগ-সুবিধা আরও বাড়ানোর দাবি করেছেন।
এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর জেলায় পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০৪০ হেক্টর। কিন্তু কৃষকদের আগ্রহের কারণে ২৭২৭ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. আতিকুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, চলতি বছর আবহাওয়া ভাল হওয়ায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে এবং বাজারে এখন দামও ভালো মিলছে। কাজেই কৃষকরা খুব খুশি। তিনি আরও বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর জেলায় পাট চাষ কিছুটা বেশি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শেষে গত আড়াই মাসে ১৭টি রায় ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের নির্মম ঘটনার পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধু নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) এবং আপিল শুনানির জন্য গত ১০ জুন একটি বিশেষ হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত এই বিশেষ হাইকোর্ট বেঞ্চে গত আড়াই মাসে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির পর স্ত্রী হত্যার কয়েকটি মামলা, শরীয়তপুরের স্কুলছাত্রী রিমা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা, পিরোজপুরে ঝর্ণা হত্যা মামলা ও ফেনীর নুসরাত হত্যা মামলাসহ মোট ১৭টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
সর্বশেষ ঘোষিত নুসরাত হত্যা মামলার রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, চার আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অপর ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দেন হাইকোর্ট। অন্যদিকে এই মামলায় ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ট্রাইব্যুনালের বিচারককে অবিলম্বে ফৌজদারি মামলার বিচারিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এদিকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত এই হাইকোর্ট বেঞ্চেই মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি শেষে রায়ের জন্য আগামী ৩১ আগস্ট দিন ধার্য রয়েছে।
এছাড়া, রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স গত ১৬ জুন হাইকোর্টের এই বিশেষ বেঞ্চের কার্যতালিকায় এলে আদালত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স ল’ইয়ার) নিয়োগের নির্দেশ দেন। এই মামলাটি এখন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় রয়েছে।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা’র সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি টিম গঠন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
এই টিমের সদস্য ও বিশেষ বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা -কে বলেন, গত ১৪ জুন এই বেঞ্চে প্রথম কর্মদিবস শুরুর পর থেকে গত প্রায় আড়াই মাসে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ১৭ টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ঘোষিত একটি রায় রিকল করা হয়েছে। এতো অল্প সময়ে এতগুলো ডেথ রেফারেন্স মামলার রায় ঘোষণা অবশ্যই দৃষ্টান্ত।
তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নির্দেশনা অনুযায়ী এই মামলাগুলোর শুনানিতে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে কোনো সময় আবেদন বা মুলতবি আবেদন করিনি। সেই সাথে আদালত এই মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে সচেষ্ট ছিলেন বলেই এত দ্রুত এসব মামলার রায় ঘোষণা সম্ভব হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিচারিক আদালতে কোনো আসামির মৃত্যুদণ্ড হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে। এই অনুমোদন শুনানির জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে আসে। এই ডেথ রেফারেন্সের সঙ্গে দণ্ডিত আসামির আপিল বা জেল আপিল
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ৫৬০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৪৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এই তথ্যটি আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৪৫ জন, লালবাগ বিভাগ থেকে ৩০ জন, ওয়ারী বিভাগ থেকে ৫৪ জন, মতিঝিল বিভাগ থেকে ৬৩ জন, তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৯২ জন, মিরপুর বিভাগ থেকে ১৪৬ জন, গুলশান বিভাগ থেকে ৫২ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৭৪ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৪ জন গ্রেফতার হয়েছে।
এ অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ১৪ হাজার ৬৭৮ পিস ইয়াবা, ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ২১ লিটার দেশীয় মদ এবং ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে মাদকদ্রব্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে, এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার এলাকা বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৫৫ জনকে গ্রেফতার করেছে, যারা বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। গত ২৪ ঘণ্টায় মিরপুর মডেল থানার অপরাধ প্রবণ স্থানগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মো. মেহেদী হাসান জনি (২০), মো. আবির হোসেন (২৪), সোহেল রানা (৩৫), মো. মাসুম (৩০), মো. হৃদয় গাজী (২১), মো. আজিজুল ইসলাম হাওলাদার (৩৩), মো. শরিফ মোল্লা, রাকিব হাসান, মো. আশিক (৩১), মো. জিয়াউল হক (২৯), মো. রাব্বী (২১), মিজানুর রহমান (২৪), সাইফ উদ্দিন (২৮), এনামুল (২৬), ইমন (২৩), ফুয়াদ বিন খলিল (১৯), মো. ইমন সরকার (২৮), মো. জিহাদ শিকদার (২০), মো. রিহাদ হাসান (১৯), মো. সিয়াম আহমেদ মিশা (২০), মো. বাহাদুর শিকদার (২৭), মো. ইমতিয়াজ তুহিন (২৮), মো. মিজান উদ্দিন (৩১), মো. মাসুদ (৪২), মো. পারভেজ (২৬), মো. নাসির (৫২)।
অন্যদিকে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আরো রয়েছেন মো. আমীর (২৬), মো. রুবেল (২৬), মো. আব্দুল মতিন (৫০), নাসির (৩২), মো. রফিক (৩৩), সোলাইমান (২৬), শুভ চন্দ্র (২৬), মোস্তাকিম (২৪), রিপন (৩০), মনির (৩০), মো. রাজু (৩০), হাবিবুল্লাহ বাহার আরিফ (৩৬), হাসান চকিদার (৩১), মো. সাইদুল হক (৪৮), শরীফ আহম্মেদ নাহিদ (২৪), কামরুজ্জামান কনক (২৪), জান্নাতুল নাঈম (২৪), মো. রাতুল (২৩), আবু সাঈদ (২৬), শাহিন (২১), মো. মোশারফ (৩০), মো. রাসেল (২৫), মোছা. সাথী (২০), পারভেজ (২৮), মো. ইমরান পারভেজ (২২) এবং আইনগত সংঘাতে জড়িত ৪ জন শিশু।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ