ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আবারও বাড়ছে দেশে ডলারের দাম


আবারও বাড়ছে দেশে ডলারের দাম

ডলারের দাম আবারও বাড়ছে। এই বাড়তি দামের প্রভাব পড়তে পারে আমদানি ব্যয় ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামগুলোর ওপর। বর্তমানে আমদানি খাতে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সায়। খোলাবাজার ও ব্যাংকের নগদ লেনদেনে ডলারের দাম ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে অবস্থান করছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এর ফলে এটি আমদানি ব্যয়, উৎপাদন খরচ এবং মূল্যস্ফীতি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

জুলাই মাসের শুরু থেকেই ডলারের দাম একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তঃব্যাংক লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, মাসের শুরুতে প্রতি ডলারের দাম প্রতিদিন ১৩ থেকে ১৫ পয়সা করে বেড়ে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ সপ্তাহে এক লাফে দাম বেড়ে গেছে ৫০ পয়সা। এই প্রেক্ষিতে, ব্যাংকগুলোর বিক্রয়মূল্যও বেড়েছে।

গত এক সপ্তাহে আমদানি খাতে প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সাতে বিক্রি হয়েছে। অন্যদিকে, খোলাবাজার ও ব্যাংকের নগদ লেনদেনে ডলারের দাম ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে বর্তমানে রয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ব্যাংক জানাচ্ছে, রফতানি আয় প্রত্যাশিত হারে না বাড়লেও আমদানি কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে দামও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই প্রসঙ্গে বলেন, 'বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিময় হার নির্ধারণে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করে না।' ডলারের দাম বাজারে চাহিদা এবং জোগানের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়।

তবে যদি কোনো ব্যাংকের বিরুদ্ধে কারসাজির অভিযোগ ওঠে, তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা পরিদর্শন বিভাগ বিষয়টি তদন্ত করবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ডলারের দাম বৃদ্ধির পেছনে শুধু আইএমএফের পরামর্শ নয়, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা বড় ভূমিকা রাখছে। এই পরিস্থিতি উচ্চমূল্যে ডলার কিনে আমদানি করতে বাধ্য করছে, যার ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে এবং ভোক্তা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়বে। এতে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে।

অর্থনীতিবিদ ড. মাহফুজ কবির উল্লেখ করেছেন, 'বাংলাদেশ খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি; সবই আমদানি করে।' তাই ডলারের দাম বৃদ্ধি পেলে প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম কিছুটা বাড়তে পারে। ১৫, ২০ বা ৩০ পয়সার বৃদ্ধি হয়তো বড় সমস্যা নয়। কিন্তু হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেনে এই সামান্য বৃদ্ধি বড় প্রভাব ফেলে এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সূচক।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এখন বিশেষ নজর রয়েছে ডলারের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কতদিন স্থায়ী হতে পারে এবং এর প্রভাব বাজার ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কতটা পড়ে, সেটির দিকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার দাবিতে রেললাইন অবরোধ, আন্দোলনে রাকসু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ এম


চার দাবিতে রেললাইন অবরোধ, আন্দোলনে রাকসু

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থী ওপর হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। সংগঠনটি পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে কর্তব্যরত ট্রাভেলিং টিকিট এক্সামিনার (টিটিই) দ্বারা এ হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনার বিচার এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চারটি দাবি উত্থাপন করেছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাকসুর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তাদের দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণের সময় কর্তব্যরত এক টিটিই সরকারি রসিদ ছাড়া ঘুষের বিনিময়ে বিনা টিকিটের যাত্রী পরিবহনের সুযোগ দিচ্ছিলেন। কিন্তু ওই শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করার পর, টিটিই ও তার সহযোগীরা তাকে একটি কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে মারধর করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে এই ঘটনাকে উল্লেখ করে আরও বলা হয়েছে, হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্ত টিটিই শিক্ষার্থীকে চলন্ত ট্রেনের দরজার দিকে ধাক্কা দেন। কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় সে প্রাণে বেঁচে যান। রাকসুর দাবি, এটি পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টার শামিল এবং এই ঘটনা যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি।

পরবর্তী সময়ে, রাকসু তাদের পক্ষে চারটি দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে-

অভিযুক্ত টিটিইকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থিত করে জবাবদিহির আওতায় আনা।

ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলওয়ে স্টেশনে সকল দূরপাল্লার ট্রেনের বাধ্যতামূলক যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করার দাবি।

বিবৃতিতে এই দাবিগুলোর বাস্তবায়ন চেয়ে বলা হয়েছে যে, অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়ন করে অভিযুক্ত রেলকর্মীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, সাধারণ শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে, যার দায়ভার সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিম কার্ডের একটি কোণা কাটা থাকে কেন জানলে অবাক হবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৯ এম


সিম কার্ডের একটি কোণা কাটা থাকে কেন জানলে অবাক হবেন

প্রতিদিন মোবাইল ফোন ব্যবহার করার পরেও একটি বিষয় অনেকের চোখ এড়িয়ে যায়। প্রায় সব সিমের একটি কোণা কাটা থাকে। এটি কি নকশার উদ্দেশ্যেই, নাকি এর পেছনে অন্য একটি কারণ বিদ্যমান রয়েছে? বাস্তবে এই ছোট্ট নকশাটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত সুবিধা।

সিম ব্যবহারকারীর পরিচয় এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করে। একইসাথে, মোবাইল নেটওয়ার্কে একজন ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করার জন্য এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু সিমের কাটা কোণটি শুধুমাত্র দেখতে আলাদা করার জন্য নয়, বরং সঠিকভাবে সিম বসানো নিশ্চিত করার জন্য রাখা হয়েছে।

প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, অতীতে সিমের আকার সম্পূর্ণ বর্গাকার ছিল। পরে মোবাইল ফোনের আকার কমতে থাকায় সিমও ধাপে ধাপে ছোট হয়েছে। প্রথমে ছিল বড় সিম, এরপর ছোট সিম, তার পর আরও ছোট সিম এবং বর্তমানে সবচেয়ে ছোট সিম ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে আকার বদলালেও কাটা কোণার নকশা পুরোপুরি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে একই নিয়মে সিম ব্যবহার নিশ্চিত করতে এই নকশাকে আন্তর্জাতিক মান হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে, যেকোনো দেশের সিম সহজেই বিভিন্ন মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিমের কাটা কোণার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি ভুলভাবে সিম প্রবেশ করানো থেকে ব্যবহারকারীকে রক্ষা করে। এর ফলে সিমের ধাতব অংশ সঠিক জায়গায় বসে এবং মোবাইল ফোন সহজেই সিম শনাক্ত করতে পারে।

যদি ভুলভাবে সিম প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়, তবে শুধু সিমই নয়, ফোনের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীল অংশও চারিত্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কাটা কোণাটি তাই একটি নির্দেশক হিসেবে কাজ করে এবং সঠিকভাবে সিম বসানো সহজতর করে।

এই নকশা শুধু ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্যই নয়, বরং মোবাইল নির্মাতাদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফোনের সিম রাখার অংশও এই কাটা কোণার সঙ্গেই সৈনিতভাবে তৈরি করা হয়। এর ফলে সিম বসানোর সময়ে ভুলের আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায় এবং পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে একই নিয়মে সিম ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য ওয়ালটন পেলো ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৩ এম


এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য ওয়ালটন পেলো ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’

টেকসই নেট জিরো ইনিশিয়েটিভ এবং এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রাম এর জন্য সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন 'এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬' জয় করেছে। তাছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়ায় টেকসই সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি জলবায়ু সুরক্ষায় প্রমাণিত বিশেষ অবদানের জন্য ওয়ালটনকে জলবায়ু ও পরিবেশ ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এছাড়া বর্ষসেরা সবচেয়ে টেকসই ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে ও ওয়ালটন পুরস্কার লাভ করেছে। গত বছর ওয়ালটন একই অ্যাওয়ার্ড এর তৃতীয় আসরে তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছিল।

শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হয়।

পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও প্রতীক কুমার মদক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু প্রমুখ।

পুরস্কারপ্রাপ্তির ব্যাপারে ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, তিন ক্যাটাগরিতে 'এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬' অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। ওয়ালটনকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার প্রদানের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি প্রদান করা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরে এসেছে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


দেশে ফিরে এসেছে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি,

টানা ২ দফা কমানোর পরে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ফের দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুনভাবে ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করেছে তারা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন দাম আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। সেজন্য সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন এই দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা হবে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম তাৎক্ষণিকভাবে বহাল থাকবে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, সর্বশেষ গত ১৪ জুলাই সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটে প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এটি কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টায়।

বর্তমানে চলতি বছর ৯২বার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৪৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৭ দফা এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত চলতি বছরে দেশের বাজারে ৫৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ২৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; আর বাকি ২৮ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%