ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আপনার ফোনটি বৈধ নাকি অবৈধ, জানবেন যেভাবে


আপনার ফোনটি বৈধ নাকি অবৈধ, জানবেন যেভাবে

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অবৈধ ও চোরাই হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

সম্প্রতি বিটিআরসির কমিশন সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। হ্যান্ডসেট ট্র্যাকিংয়ের এই ব্যবস্থাটি কার্যকর করার জন্য বিটিআরসির এটি তৃতীয় উদ্যোগ। এর আগে ২০২১ সালে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছিল।

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: সাইবার সিকিউরিটি আইন সংশোধনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

ফেসবুকের জনপ্রিয় ফিচার বন্ধ হতে যাচ্ছে। বিটিআরসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, প্রথম ধাপে এনইআইআরের মূল সুবিধাগুলো চালু হবে। এই ব্যবস্থায় অবৈধ ফোন শনাক্ত করে সেগুলোর ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি হবে। তবে, একই আইএমইআই নম্বর একাধিক ফোনে ব্যবহার করে চালানো ক্লোন সেট বন্ধ হবে না এই ধাপে।

দ্বিতীয় ধাপে ফোনের নিবন্ধন বাতিল বা ডি-রেজিস্ট্রেশন সুবিধা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ফোনের প্রকৃত মালিক শনাক্ত করা এবং মালিকানা পরিবর্তনের তথ্য হালনাগাদ করা সহজ হবে। তবে, এ ধাপের জন্য এখনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ গণমাধ্যমকে জানান, "আমরা অবৈধ ফোনের ব্যবহার বন্ধ করতে চাই। তবে তাড়াহুড়া করব না। সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে কার্যকর একটা সমাধান বের করা হবে, যাতে বরাবরের মতো এই উদ্যোগ ব্যর্থ না হয়।"

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস: বিএআরসির সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকির গ্রেপ্তার

৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি

নতুন মোবাইল ফোন কেনার আগে বৈধতা যাচাই করতে হবে। বিটিআরসি জানিয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর থেকে যেকোনো মাধ্যম থেকে (বিক্রয়কেন্দ্র, অনলাইন বিক্রয়কেন্দ্র, ই-কমার্স সাইট ইত্যাদি) মোবাইল ফোন কেনার আগে অবশ্যই তার বৈধতা যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোন কেনার রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। বৈধ হলে মোবাইল ফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনইআইআর ব্যবস্থায় নিবন্ধিত হয়ে যাবে।

যেভাবে জানবেন মোবাইল ফোনটি বৈধ কি না:

ধাপ-১ : মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে KYD ১৫ ডিজিটের আইএমইআই নম্বর লিখুন। উদাহরণস্বরূপ KYD 123456789012345।

আরও পড়ুন: সাড়ে ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ হাজার ৯৬৩ শিশুর মৃত্যু

ধাপ-২ : আইএমইআই নম্বরটি লেখার পর ১৬০০২ নম্বরে পাঠিয়ে দিন।

ধাপ-৩ : ফিরতি বার্তার মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি, উপকূলের উচ্চশিক্ষায় নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি, উপকূলের উচ্চশিক্ষায় নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

উপকূলীয় জেলা বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি একটি দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া। উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, উপকূলীয় অঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, এসব কারণে বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি। অথচ বরগুনার শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে উচ্চশিক্ষার জন্য জেলার বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের পরিবারগুলোকেও অতিরিক্ত আবাসন, যাতায়াত ও জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করতে হয়।

বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে আর্থিক সংকটে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থী এবং প্রত্যন্ত এলাকার তরুণ-তরুণীদের জন্য উচ্চশিক্ষা গ্রহণ তুলনামূলকভাবে সহজ হবে। আবাসন ও যাতায়াতের ব্যয় কমলে অনেক পরিবারের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে, এটি নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

তবে বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে জেলাটি গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ সম্ভাবনাময়। বঙ্গোপসাগর-সংলগ্ন উপকূল, মৎস্যসম্পদ, কৃষি, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত, এসব বিষয়ে গবেষণার জন্য বরগুনা হতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ে মৎস্যবিজ্ঞান, সমুদ্রবিজ্ঞান, চিকিৎসাবিজ্ঞান, দুর্যোগবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া হলে স্থানীয় সমস্যার বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান খোঁজার সুযোগ তৈরি হবে। এর সুফল কৃষক, জেলে ও উপকূলের দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে। পাশাপাশি, গবেষণার ফলাফল জাতীয় পর্যায়ের নীতি প্রণয়নেও সহায়ক হতে পারে।

বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র করে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আবাসন, পরিবহন, খাবারের দোকান, বই ও শিক্ষা উপকরণের ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পিত অবকাঠামো, পর্যাপ্ত অর্থায়ন, যোগ্য শিক্ষক, গবেষণাগার এবং মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি বাস্তবায়নের প্রশ্নে ইতোমধ্যেই একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ করেছেন। ২০২৩ সালে বরগুনাসহ কয়েকটি জেলায় নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ইউজিসির সুপারিশের কথা জানানো হয়। বর্তমানে বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ফাইল বন্দি অবস্থায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীসংখ্যা, বিষয়ভিত্তিক চাহিদা, জমির উপযুক্ততা, যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশগত প্রভাব ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচালন ব্যয়ের বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। নিরাপদ ও টেকসই ক্যাম্পাস স্থাপনের অংশ হিসেবে পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে।

বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা একটি একক গোষ্ঠীর দাবি নয়; এটি উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থের বিষয়। এখন প্রয়োজন দাবিটির বর্তমান অবস্থা স্পষ্ট করা, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া এবং বাস্তবায়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা। উপকূলের তরুণ প্রজন্মের মেধা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি আর অনির্দিষ্টকাল ঝুলিয়ে রাখা উচিত নয়।

বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক বরগুনার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোস্তফা জামান দাবির যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, 'বরগুনা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, যোগাযোগ, অবকাঠামো ও কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি। উপকূলীয় জেলা হওয়া সত্ত্বেও এখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ, মৎস্যসম্পদ ও কৃষির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার শক্তিশালী ক্ষেত্র গড়ে তোলার সুযোগ এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি। এ অবস্থায় বরগুনায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের বিষয় নয়; এটি জেলার দীর্ঘদিনের বঞ্চনা কমানো এবং উন্নয়নের নতুন পথ তৈরির উদ্যোগ হতে পারে।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার জন্য বরগুনার শিক্ষার্থীদের অন্য জেলায় যেতে হলে পরিবারকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়। এতে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের অনেক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা গ্রহণ কঠিন হয়ে পড়ে। বরগুনায় মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে, পাশাপাশি শিক্ষক, গবেষক ও দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে জেলার সামগ্রিক উন্নয়নেও অবদান রাখা সম্ভব হবে।

অধ্যাপক মোস্তফা জামানের মতে, বরগুনার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মৎস্যবিজ্ঞান, সমুদ্রবিজ্ঞান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি ও পরিবেশবিজ্ঞানের মতো বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা ও কৃষির সংকট নিয়ে গবেষণা হলে তার সুফল শুধু বরগুনা নয়, দেশের অন্যান্য উপকূলীয় এলাকার মানুষও পাবেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত অর্থায়ন, যোগ্য শিক্ষক, গবেষণাগার এবং মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘হাজার বছর ধরে’র অভিনেত্রী টুনি বয়স কম দেখানোর গোপন কারণ জানালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


‘হাজার বছর ধরে’র অভিনেত্রী টুনি বয়স কম দেখানোর গোপন কারণ জানালেন

‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার টুনি চরিত্রটি দর্শকদের মনে এখনও উজ্জ্বল। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউড অভিনেত্রী শারমিন জোহা শশী ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে থাকার পরও টুনি চরিত্রের সেই পরিচিতি আজও তাঁর ক্যারিয়ারের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়।

কোহিনুর আক্তার সুচন্দা পরিচালিত ও প্রযোজিত এই সিনেমাটি সরকারি অনুদানে নির্মিত হয়েছিল। প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার জহির রায়হানের কালজয়ী উপন্যাসের ভিত্তিতে নির্মিত ছবিটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একটি বিশেষ স্থান দখল করে রয়েছে।

অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় শারমিন জোহা শশী। তিনি নিয়মিতভাবে নিজের ব্যক্তিগত মুহূর্ত, অভিনীত কাজ এবং জীবন নিয়ে বিভিন্ন ভাবনা ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। সম্প্রতি ফেসবুকে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ইতিবাচক থাকার, নিজেকে ভালোবাসার এবং জীবনকে সহজভাবে দেখার বার্তা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

শাড়ি পরা একটি ছবির মাধ্যমে বয়সের তুলনায় তরুণ দেখানোর প্রসঙ্গে নিজের ভাবনা তুলে ধরেছেন শশী। তিনি বলেন, “আপনাকে আপনার বয়সের তুলনায় কম বয়সী দেখায়। কারণ আপনি হিংসা বা খারাপ শক্তি বয়ে বেড়ান না।”

শশীর এই বক্তব্যে মানুষের মানসিকতা ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির গুরুত্ব উঠে এসেছে। নেতিবাচকতা থেকে দূরে থাকা এবং নিজের ভেতরে প্রশান্তি ধরে রাখার কথাই যেন তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন।

জীবনকে জটিল করে তোলার প্রবণতা নিয়েও নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। আরেকটি পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন, “জীবন সহজ হতে পারত, যদি না আমরাই ধরে ধরে পরিস্থিতিগুলোকে জটিল করতাম। চলুন জীবন সহজ করি। সবাইকে গোলাপি শুক্রবারের শুভেচ্ছা।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শশীর এসব পোস্টে জীবনকে সহজভাবে গ্রহণ করার এবং ইতিবাচক থাকার আহ্বান উঠে এসেছে। ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি তিনি এমন ভাবনার কথাও নিয়মিত তুলে ধরেন।

এদিকে, অভিনয়ের ক্ষেত্রেও ব্যস্ত সময় পার করছেন শারমিন জোহা শশী। তিনি ‘ঘরে বাইরে’ নাটকে এশা চরিত্রে অভিনয় করছেন। নাবিলের সঙ্গে জুটি বেঁধে নাটকটিতে তাঁকে দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে এটি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একই প্রাঙ্গণে আজান ও উলুধ্বনি, ১৪৩ বছরের সম্প্রীতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


একই প্রাঙ্গণে আজান ও উলুধ্বনি, ১৪৩ বছরের সম্প্রীতি

নামাজের সময় হলে মসজিদের মিনার থেকে আজানের ধ্বনি শোনা যায়। তখন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদের দিকে রওনা দেন। মসজিদের পাশে অবস্থান করছে একটি মন্দির। পূজার সময় সেখানে ঢাকের বাদ্য বাজানো হয়; উলুধ্বনি তোলা হয়। ভক্তরা পূজা-অর্চনায় মগ্ন হয়ে যান।

১৪৩ বছর ধরে এভাবেই নামাজ ও পূজা-অর্চনা পাশাপাশি চলছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এই সহাবস্থান মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ইউসুফগঞ্জ এলাকায় দুই ধর্মীয় সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণভাবে coexist করছে।

আরো পড়ুন

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে জনতার কাতারে নেমে এলেন প্রধানমন্ত্রী।

একই প্রাঙ্গণে মুসলমানদের ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পাশাপাশি অবস্থান করছে।

স্থানীয় ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮৮৩ সালে একই আঙিনায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটির যাত্রা শুরু হয়। এ পর্যন্ত কোনো বিরোধ, তিক্ততা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। স্থানীয়রা তাদের ঐতিহ্যকে জীবনের অংশ হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করে আসছেন।

আরো পড়ুন

পূজার ছুটিতে ফাঁকা সড়ক

স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন মোল্লা জানান, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদে নামাজ পড়ি। পূজা ও নামাজ নিয়ে কখনও কোনো বিরোধ সৃষ্টি হতে দেখিনি। দুই উপাসনালয়েই কমিটি রয়েছে। কমিটি যার যার উপাসনার সময় সমন্বয় করে থাকে। আমাদের মধ্যে এক গভীর সম্প্রীতির বন্ধন রয়েছে।’

ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদের ইমাম সাঈদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এখানে একই প্রাঙ্গণে মসজিদ ও মন্দির। বহু বছর ধরে এখানে নামাজ ও পূজা-অর্চনা পাশাপাশি হয়ে আসছে। কখনও কোনো বিভেদ সৃষ্টি হয়নি। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আমাদের নামাজের সময় সহায়তা করেন, আমরাও তাদের পূজার সময় সহায়তা করি। এর মধ্য দিয়ে এখানে গভীর ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হয়েছে।’

আরো পড়ুন

মণ্ডপের প্রতিমায় থিম ‘অভয়া’, দেয়ালে প্রতিবাদের ভাষা।

শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজয় দাশ হরি বলেন, ‘আজান ও নামাজের সময় শ্রদ্ধাপূর্বক নীরবতা পালন এবং ধর্মীয় উৎসবে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতিই আমাদের ঐক্যের মূল ভিত্তি। আমরা নামাজের সময় পূজা ও বাদ্য বাজানো বন্ধ রাখি। তারা (মুসল্লিরা) আমাদের পূজায় সহায়তা করেন।’

শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ দত্ত বলেন, ‘আমরা সবাই যার যার ধর্ম পালন করি। আমাদের মাঝে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা পূজার সময় অনুষ্ঠান করি; তাদের ইবাদতের সময় আমরা সব কিছু বন্ধ রাখি।’

আরো পড়ুন

মণ্ডপের দেয়ালে শিল্পকর্মে বাবার আত্মত্যাগের গল্প।

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখানে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মসজিদ ও মন্দিরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তবুও সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন সোনারগাঁয়ের সব পূজামণ্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৩ ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৩ ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত

ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ সমুদ্রে পেতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

সংস্থাটি জানায়, তেহরানের দৃষ্টিতে অবৈধ পথে প্রণালিটি অতিক্রমের চেষ্টা করায় তিনটি জাহাজ মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আইআরজিসি মঙ্গলবার তাদের সরকারি সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাংশে অবৈধ প্রবেশপথে তাদের নৌবাহিনীর সদস্যদের পেতে রাখা মাইন আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। এরপর জাহাজ দুটি থেমে যায়।

পরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আরেক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নৌমাইনে আঘাত লেগে তৃতীয় একটি তেলবাহী জাহাজেও বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, জাহাজটিতে ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। ইরানি বাহিনী দাবি করেছে, জাহাজটি তার সব রাডার ও নৌ-চলাচল সংক্রান্ত ব্যবস্থা বন্ধ করে রেখেছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ওমানের উপকূলঘেঁষা দক্ষিণ দিকের পথ দিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা জাহাজগুলোকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরানি বাহিনী।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে এ সংঘাত শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন।

এরপর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে অবরোধ আরোপের চেষ্টা করছে ইরান। দেশটির দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের আগে সব জাহাজকে ইরানের অনুমতি নিতে হবে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও জাহাজ চলাচলের ওপর পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে।

মঙ্গলবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলি আবদোল্লাহি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল সামরিক সরঞ্জামকে লক্ষ্যবস্তু করতে কম খরচের অস্ত্র ব্যবহার করছে তার দেশ।

তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ আরও কোনো ভুল করলে আমরা স্বল্পমূল্যের, কিন্তু কার্যকর বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাদের ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জামের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেব।’

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টাকারী জাহাজগুলোর ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে।

ওয়াশিংটন আরও বেশি জাহাজকে প্রণালি পার হতে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিতে চাইছে। অন্যদিকে, তেহরান জাহাজ চলাচলের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়।

গত কয়েক দিনেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে একাধিক তেলবাহী জাহাজ মাইনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%