ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন ভিসানীতি চূড়ান্ত করতে কাজ করবে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি


নতুন ভিসানীতি চূড়ান্ত করতে কাজ করবে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি

সরকার দেশের নতুন ভিসানীতির খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করার জন্য আট সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটি খসড়াটি চূড়ান্ত করার পর তা আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানিয়ে।

কমিটির সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এই আট সদস্যের কমিটি ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্ত করবে। প্রয়োজন হলে, কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত (কো-অপ্ট) করতে পারবে। প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সচিবিক সহায়তা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কমিটির পরিমার্জনের পর ভিসা পলিসির খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করবে।

এর আগে গত ২ জুলাই ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়াটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। ওই বৈঠকে খসড়াটির পরিমার্জনের জন্য একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত ও নিরাপদ দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্নত ও নিরাপদ দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান সরকার একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। 

তিনি বলেন, উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।

আজ বুধবার ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’, আমাদের এই জাতীয় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃক্ষ বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন শোষণ করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমায় এবং পরিবেশকে নির্মল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ বাস্তবতা বিবেচনায় বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও রেলপথের দুই পাশ, বাঁধ, সরকারি বনভূমি, উপকূলীয় চরাঞ্চল, নগর এলাকা এবং বসতবাড়িসহ দেশের সর্বত্র বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নগর বনায়নে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং বিনামূল্যে চারা বিতরণের উদ্যোগও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

তারেক রহমান বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি পাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা সহজ হবে এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরো সুদৃঢ় হবে।

উন্নত জীবনের জন্য যেমন প্রয়োজন সমৃদ্ধ দেশ ও শক্তিশালী অর্থনীতি, তেমনি সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন। সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও সবুজ বন পরস্পর ওতপ্রোতভাবে সম্পর্কযুক্ত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি গতিশীল ও সম্ভাবনাময় সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে বন ও বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই দেশকে সবুজে আচ্ছাদিত করার লক্ষ্যে বাড়ির আনাচে-কানাচে, পতিত ও প্রান্তিক জমিতে, খাল ও নদীর পাড়ে, বাঁধে, সড়ক ও সড়কদ্বীপে, বাড়ির ছাদে এবং শহর-বন্দর নির্বিশেষে উপযুক্ত প্রতিটি স্থানে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রমে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই।

তিনি আরো বলেন, বৃক্ষমেলা দেশে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্ষরোপণে দেশবাসীকে আরো উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছরও জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, আমি আশা করি, দেশবাসী বৃক্ষমেলা থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহের সুযোগ পাবে এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করবে।

তিনি বলেন, আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করি এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করি।

তিনি আরো বলেন, এ বছর যারা ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫’, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৬’ এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ অর্জন করেছেন, আমি তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

আমি জাতীয় ‘বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’-এর সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ সিলেট সীমান্তে আটক ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ সিলেট সীমান্তে আটক ২

সিলেট সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিজিবি ভারতে উৎপন্ন প্রায় অর্ধকোটি টাকার পণ্য জব্দ করেছে। এ সময় দুই চোরাকারবারীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার, বিজিবি ৪৮ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত ফাঁড়ির টহল দল অভিযান চালাতে গিয়ে ভারতীয় পণ্যের চালানগুলো জব্দ করে।

বিজিবি জানিয়েছে, বুধবার সিলেট সীমান্তের বাংলাবাজার, লাফার্জ, বিছনাকান্দি, সোনারহাট, পাথরকোয়ারী, প্রতাপপুর, পান্থুমাই, সংগ্রাম ও শ্রীপুর ফাঁড়ির টহল দল অভিযান চালিয়েছে। এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মহিষ, টমেটো, চকলেট, জিলেট ব্লেড, পাউডার, চিনি, ফল, মিনিপ্যাক শ্যাম্পু এবং ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। এ সময় দুই চোরাকারবারীকে আটক করা হয়।

এছাড়া, বাংলাদেশ থেকে পাচার হচ্ছিল এমন শিং মাছ, রসুন ও সুপারি উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দকৃত পশু ও পণ্যের মূল্য প্রায় ৬৪ লাখ ৪৬ হাজার টাকা হিসেবে জানিয়েছে বিজিবি।

৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হক বলেছেন, সীমান্তে নিরাপত্তা সুরক্ষায়, চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাচালান পণ্য আটক হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের ফ্রি শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে বিনামূল্যে করেছিলেন। বর্তমান সরকার এবার অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা বিনামূল্যে করার পরিকল্পনা করছে।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকার নারী শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়নের কাজেও উদ্যোগ নিচ্ছে, যাতে তারা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে পারেন। এই লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। একই সঙ্গে আমরা আরেকটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে করেছিলেন এবং এবার আমরা ডিগ্রি বা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা বিনামূল্যে করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি।

তিনি বলেন, আজ সংসদের গ্যালারিতে অনেক নারী শিক্ষার্থী উপস্থিত আছেন এবং তারা সরাসরি সংসদ অধিবেশন দেখছেন। আমরা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে করার সাথে সাথে যারা ভালো ফলাফল করবে, তাদের বৃত্তি দেওয়ারও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করছি। পাশাপাশি তাদের স্কুল ব্যাগও দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি এ সংসদের সব সদস্যকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, পর্যায়ক্রমে দেশের সরকারি প্রায় ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দিব। বর্তমানে এসব বিদ্যালয়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষালাভ করছে। আমরা পর্যায়ক্রমে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মশাবাহিত রোগ মোকাবিলায় বহুমুখী উদ্যোগ জরুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


মশাবাহিত রোগ মোকাবিলায় বহুমুখী উদ্যোগ জরুরি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, 'মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে কোনো একক কার্যকর পদ্ধতি নেই। সমন্বিত ও বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই এ ধরনের রোগ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। এ লক্ষ্যে গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত সহযোগিতা অপরিহার্য।'

বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মশক নিধনে গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন বিষয়ক শোকেসিং পর্যালোচনা উপলক্ষে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সচিব আরও বলেছেন, গবেষণায় সফলতা অর্জনের জন্য গবেষকদের দৃঢ় অঙ্গীকার, নিষ্ঠা এবং লক্ষ্যভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা অপরিহার্য। তিনি বলেন, একটি সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক লক্ষ্য নির্ধারণ করে গবেষণা পরিচালিত হলে তার বাস্তবসম্মত ও কার্যকর ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

তিনি মশার জীবনচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে কার্যকর হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করতে আধুনিক ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গবেষণালব্ধ সম্ভাবনাময় প্রযুক্তিগুলো যাচাই-বাছাই করে পর্যায়ক্রমে পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে পরীক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় অংশগ্রহণকারী গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত কৌশল গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর মতামত প্রদান করেন। এ সময় কার্যকর মশক নিধনে সম্ভাব্য নতুন প্রযুক্তি, গবেষণার অগ্রগতি এবং উদ্ভাবনী ধারণাগুলোর ওপর পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা ও বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুহম্মদ আশরাফ আলী ফারুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, আইসিডিডিআরবি, আইইডিসিআর-এর অধ্যাপক ও গবেষক, অস্ট্রেলিয়া থেকে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ড. মুর্শিদা খান, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%