মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১১ পি.এম
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মঙ্গলবার ভোরে কিয়েভে রাশিয়ার ‘ব্যাপক’ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতজন একটি রেলওয়ে ডিপোর কর্মী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা। মস্কো রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় বিমান হামলা জোরদার করার সময় এই হামলা চালিয়েছে।
মঙ্গলবার গ্রীষ্মের ছুটি শেষে শিশুদের স্কুলে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু কিয়েভে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা রুশ হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে।
এএফপি বার্তা সংস্থা কিয়েভ থেকে এ খবর প্রকাশ করেছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, রাতের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আটজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ইউক্রেনীয় রেলওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওলেক্সান্দর পের্তসভস্কি জানান, কিয়েভের একটি রেলওয়ে ডিপো এবং অন্যান্য রেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
তিনি বলেছেন, ‘ব্যালিস্টিক হামলায় সাতজনের প্রাণ গেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আমাদের কর্মী।’ তিনি আরও জানান, রেলওয়ের আরেক কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পের্তসভস্কি হামলার ফলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করে বলেন, একটি ওয়ার্কশপ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। কিছু স্থানে আগুন এখনও জ্বলছে। আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিয়েভের পূর্বে বোরিসপিল এলাকায় হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের বাহিনী দূরপাল্লার অস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলের সামরিক-শিল্প স্থাপনা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ছিল হামলার লক্ষ্য।
এছাড়া, দক্ষিণাঞ্চলীয় ওদেসা অঞ্চলের অবকাঠামো এবং ওদেসা ও চোরনোমোরস্ক বন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী সতর্ক করে বলেছে, ‘ব্যালিস্টিক অস্ত্র এবং কিয়েভ ও অঞ্চলের বিরুদ্ধে অন্যান্য হামলার হুমকি এখনও রয়েছে।’
তারা বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। গত সপ্তাহের শেষের দিকে রাজধানীর উপকণ্ঠে একটি গোলাবারুদের ডিপোতে হামলায় ৩৮ জন নিহত হন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা বৃদ্ধি করেছে। গুদাম, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, তেল ও বন্দর স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এবং জাহাজ হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর ফলে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
ইউক্রেনে প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা প্রয়োজনের তুলনায় কম রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সোমবার নিউইয়র্কের পর্যটকসমৃদ্ধ টাইমস স্কয়ারে এক নারীর ছুরিকাঘাতে একজন নিহত এবং অপর একজন আহত হওয়ার পর পুলিশের গুলিতে ওই নারী মারা যান।
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আহত দ্বিতীয় ব্যক্তি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তার অবস্থা স্থিতিশীল।
এএফপি সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ জানায়, হামলাকারী ৪৯ বছর বয়সী পামেলা সিসনেরোস, যিনি কুইন্সের বাসিন্দা। তার মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা ছিল বলে জানা গেছে।
নিউইয়র্ক পুলিশের কমিশনার জেসিকা টিশ বলেন, সিসনেরোস একটি সুপরিচিত সুপারমার্কেট চেইনের লোগোযুক্ত ব্যাগ থেকে দুটি বড় ছুরি বের করে দিনের বেলায় পথচারীদের হুমকি দিতে শুরু করেন।
এরপর তিনি ৬৮ বছর বয়সী এক পুরুষের কাছে গিয়ে তার পেটে ছুরিকাঘাত করেন। প্রায় ২০ সেকেন্ড পর তিনি ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে আক্রমণ করে তার পেটেও ছুরিকাঘাত করেন। পরে ওই নারী আহত অবস্থায় মারা যান।
পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সিসনেরোসকে অস্ত্র ফেলে দেওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করে। টিশ বলেন, ‘কর্মকর্তারা চার মিনিট ধরে ওই নারীর সঙ্গে কথা বলেন এবং ছুরি ফেলে দিতে তাকে বারবার নির্দেশ দেন। কিন্তু তিনি তা করতে অস্বীকৃতি জানান।’
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল পিক্স ১১-কে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন নারীর দুই হাতে দুটি ছুরি ছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘তারা তাকে দুবার গুলি করে।’ পুলিশ নিশ্চিত করেছে, গুলি চালানোর আগে তারা ওই নারীকে থামাতে স্টান গান (বিদ্যুৎ শক দেওয়ার অস্ত্র) ব্যবহার করেছিল, কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহত অবস্থায় সিসনেরোসকে হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ কমিশনার টিশ বলেন, এই হামলার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের কোনো যোগসূত্র রয়েছে বলে তারা মনে করছেন না। তিনি বলেন, ‘টাইমস স্কয়ারের প্রাণকেন্দ্রে এটি ছিল অত্যন্ত বিপজ্জনক একটি পরিস্থিতি। এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো সময় এই সড়কগুলো দিয়ে হাজার হাজার নিউইয়র্কবাসী, যাত্রী, পর্যটক, পরিবার ও কর্মজীবী মানুষ চলাচল করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাম আক্রান্ত সন্দেহে ছয়শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম এবং হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা ৯৭৯ জনে পৌঁছেছে।
আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫৯ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৫০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭২ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৩৮৪ জন।
১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম রোগে আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫১৯ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৫৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে মোট ৮৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৩৭৭টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে মোট ৮১টি মামলা, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২০৫টি মামলা, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৮২টি মামলা, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৪৩৩টি মামলা, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৫২টি মামলা, ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ২৯৭টি মামলা, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫০৬টি মামলা এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৩২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযানের সময় মোট ৫৫৭টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ২১১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নেপালের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ঘটে যাওয়া প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শোক ও সংহতি প্রদর্শন করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
আজ ঢাকায় অবস্থিত নেপাল দূতাবাসে গিয়ে তিনি শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এই সময় তিনি গত ২৬ আগস্ট নেপালের উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শত শত মানুষের মৃত্যুর পাশাপাশি ব্যাপক সম্পদ ও অবকাঠামোর ক্ষতির জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানান।
শোক বইয়ে হুমায়ুন কবির লিখেছেন, "গভীর শোকের এ সময়ে এবং এই দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সকলের জন্য বাংলাদেশ প্রার্থনা করছে।"
তিনি উল্লেখ করেন, বন্ধুরাষ্ট্র নেপালের জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সংহতি প্রকাশ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদানের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নেপালের জনগণ এ দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। তিনি বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, নেপালের জনগণ তাদের দৃঢ়তা ও শক্তির মাধ্যমে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ