প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মঙ্গলবার ভোরে কিয়েভে রাশিয়ার ‘ব্যাপক’ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সাতজন একটি রেলওয়ে ডিপোর কর্মী। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা। মস্কো রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় বিমান হামলা জোরদার করার সময় এই হামলা চালিয়েছে।
মঙ্গলবার গ্রীষ্মের ছুটি শেষে শিশুদের স্কুলে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু কিয়েভে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা রুশ হামলার তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে।
এএফপি বার্তা সংস্থা কিয়েভ থেকে এ খবর প্রকাশ করেছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎসকো জানিয়েছেন, রাতের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় আটজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। ইউক্রেনীয় রেলওয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওলেক্সান্দর পের্তসভস্কি জানান, কিয়েভের একটি রেলওয়ে ডিপো এবং অন্যান্য রেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
তিনি বলেছেন, ‘ব্যালিস্টিক হামলায় সাতজনের প্রাণ গেছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আমাদের কর্মী।’ তিনি আরও জানান, রেলওয়ের আরেক কর্মীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পের্তসভস্কি হামলার ফলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করে বলেন, একটি ওয়ার্কশপ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়েছে। কিছু স্থানে আগুন এখনও জ্বলছে। আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিয়েভের পূর্বে বোরিসপিল এলাকায় হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের বাহিনী দূরপাল্লার অস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন ব্যবহার করে ‘ব্যাপক হামলা’ চালিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভ ও আশপাশের অঞ্চলের সামরিক-শিল্প স্থাপনা এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো ছিল হামলার লক্ষ্য।
এছাড়া, দক্ষিণাঞ্চলীয় ওদেসা অঞ্চলের অবকাঠামো এবং ওদেসা ও চোরনোমোরস্ক বন্দরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী সতর্ক করে বলেছে, ‘ব্যালিস্টিক অস্ত্র এবং কিয়েভ ও অঞ্চলের বিরুদ্ধে অন্যান্য হামলার হুমকি এখনও রয়েছে।’
তারা বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। গত সপ্তাহের শেষের দিকে রাজধানীর উপকণ্ঠে একটি গোলাবারুদের ডিপোতে হামলায় ৩৮ জন নিহত হন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা বৃদ্ধি করেছে। গুদাম, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, তেল ও বন্দর স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো এবং জাহাজ হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর ফলে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
ইউক্রেনে প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ব্যালিস্টিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা প্রয়োজনের তুলনায় কম রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন