ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দশমিনায় কলেজ শিক্ষিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিবারের প্রশ্ন


দশমিনায় কলেজ শিক্ষিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে পরিবারের প্রশ্ন

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় দীপা রানী দাস (৫১) নামে এক কলেজ শিক্ষিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত দীপা রানী দাস, উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের মধ্য রণগোপালদী গ্রামের শুভ্র সূচি দাসের স্ত্রী ছিলেন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার হিজলবাড়ি গ্রামের প্রয়াত যোগেশ চন্দ্র দাসের মেয়ে এবং গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীপা রানী দাসের শুভ্র সূচি দাসের সঙ্গে বিয়ে হয় প্রায় ১৫-১৬ বছর আগে। তাদের সংসারে একটি ছেলে রয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দীপার নিজ বাড়ির একটি কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়।

ঘরের দরজা বন্ধ ছিল, ফলে ছেলে বাবাকে বিষয়টি জানায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় জানালা দিয়ে তাকিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পরে, নিহতের পরিবারের সদস্যরা রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা দাবি করেন, এ মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। নিহতের ছোট বোন রাসমনি দাস অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই দীপা রানী দাসকে তার স্বামী শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। চাকরির বেতন-ভাতাও স্বামীকে দিতে হতো। এসব বিষয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়, কিন্তু সমস্যার স্থায়ী সমাধান কখনোই হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা এ মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মনে করছি না।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্ত নেব।” তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিহতের স্বামী শুভ্র সূচি দাস। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি দোকানে ছিলেন। ছেলে ফোন করে জানায়, তার মা ঘরের দরজা খুলছেন না। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘরে প্রবেশ করে দীপাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি দাবি করেন, “আমি কখনো তাকে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করিনি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।” স্থানীয় ইউপি সদস্য নির্মল চন্দ্র বলেছেন, দীপা রানী দাস শান্ত ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ ছিলেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মধ্যে পারিবারিক বিরোধ দেখা গেছে, তবে পরে তারা স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতেন। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। শুক্রবার মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমুদ্রের তীব্র ভাঙনে লণ্ডভণ্ড কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ এম


সমুদ্রের তীব্র ভাঙনে লণ্ডভণ্ড কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

পটুয়াখালীর সাগরকন্যা কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ধীরে ধীরে বিলীন হওয়ার পথে চলে যাচ্ছে। সমুদ্রের তীব্র ভাঙনে সৈকতসহ আশপাশের অনেক এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়ছে। প্রতিনিয়ত বিলীন হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন দর্শনীয় স্থানগুলি। কোথাও সৈকতের বালু ধুয়ে নিচু হয়ে যাচ্ছে, আবার কোথাও উঁচু হয়ে দেখা যাচ্ছে। পুরো সৈকতজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে জীর্ণশীর্ণ জিও টিউব ও জিও ব্যাগের স্তূপ। বর্ষা মৌসুমে উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে প্রতিবছরই কুয়াকাটা শ্রীহীন হয়ে পড়ছে। তবে সৈকত রক্ষায় এখনো দৃশ্যমান কোনো টেকসই উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, ২০০০ সাল থেকে কুয়াকাটা সৈকতে ভাঙন শুরু হয়। ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে এটি ভয়াবহ রূপ নেয়। ২০১১ সালের পর ভাঙনের তীব্রতা কিছুটা কমলেও প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে সৈকতের পশ্চিম মাঝিবাড়ি এলাকায় কয়েকটি কংক্রিট ব্লক সরে গেছে। এছাড়া ঝাউবন, গঙ্গামতি ও চর গঙ্গামতিসহ প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা ভাঙনের কবলে পড়ে গেছে। অনেক স্থানে বালু সরে গিয়ে গাছের শেকড় উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে। পর্যটন ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, যদি দীর্ঘমেয়াদে এভাবে সৈকতের নান্দনিকতা নষ্ট হয়, তাহলে পর্যটকের সংখ্যা কমে যাবে। এতে ক্ষতির মুখে পড়বে পর্যটননির্ভর স্থানীয় অর্থনীতি।

তারা সৈকতের বালু ক্ষয় রোধে দ্রুত টেকসই গ্রোয়েন বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের ভাঙনে ইতোমধ্যে ফয়েজ মিয়ার নারিকেল বাগান, শালবন, এলজিইডির বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট, ডাকবাংলো, বিস্তীর্ণ ঝাউবন, ইকোপার্কসহ বহু স্থাপনা সাগরে বিলীন হয়েছে। গত বছর ভেঙে গেছে নির্মাণাধীন মেরিন ড্রাইভ সড়কের একটি অংশ। বর্তমানে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স, মসজিদ, মন্দির, ট্যুরিজম পার্ক, ওয়াশরুমসহ বিভিন্ন স্থাপনা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। জোয়ারের সময় সৈকতের ওয়াকওয়েও পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। পর্যটকদের অভিযোগ, একসময় যেখানে বিস্তীর্ণ বালুকাবেলায় হাঁটাহাঁটি করে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা যেত, সেখানে এখন চোখে পড়ছে জিও ব্যাগের স্তূপ। এতে কুয়াকাটা সৈকতের সৌন্দর্য ও আকর্ষণ অনেকটাই কমে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিও ব্যাগ সাময়িকভাবে ভাঙন রোধে কিছুটা কার্যকর হলেও কুয়াকাটাকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানভিত্তিক উপকূল ব্যবস্থাপনা। এজন্য নিয়মিত ড্রেজিং, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ এবং উপকূলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখে কার্যকর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল মোতালেব শরীফ বলেন, “কুয়াকাটার সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন সমুদ্রভাঙন। সৈকত ও পর্যটন রক্ষায় স্থায়ী সুরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি।” কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, “সৈকতের বালু ক্ষয় রোধে সময়োপযোগী স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

তা না হলে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য একসময় হারিয়ে যাবে। ভুল নকশা ও পরিকল্পনার কারণে বারবার প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এ ক্ষেত্রে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বহীনতা রয়েছে।” এ বিষয়ে কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, “ভাঙন রোধে সৈকতে অস্থায়ীভাবে বালুভর্তি জিও টিউব স্থাপন করা হয়েছে এবং কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৭৫৯ কোটি টাকার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হলে স্থায়ীভাবে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে বলে আশা করছি।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৈকতে গোসলে নামার ৩ দিন পর পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:৫৭ এম


সৈকতে গোসলে নামার ৩ দিন পর পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

বরগুনার তালতলীর শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ আসাদুলের (১৭) মরদেহ তিনদিন পর উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার সময় সমুদ্র সৈকতের প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নিদ্রারচর সংলগ্ন এলাকার সমুদ্র তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ৪ বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে আসেছিলেন আসাদুল। তারপর পাঁচজন মিলে উত্তাল সমুদ্রে গোসল করতে নামলে স্রোতের টানে তারা সবাই ভেসে যায়। এটিকে উদ্ধারে পরে চারজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও আসাদুল নিখোঁজ হয়ে যান।

খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং ডুবুরিরা উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে কিন্তু আসাদুলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনদিন পরে শুক্রবার সকালে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে নিদ্রারচর সংলগ্ন এলাকায়, স্থানীয় বাসিন্দারা একটি অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। তালতলী থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশকে বিষয়টি জানালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় উপস্থিত স্বজনরা মরদেহের গায়ে থাকা টিশার্ট দেখে নিখোঁজ আসাদুলকে শনাক্ত করেন। পরে, মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করেছেন। মরদেহ এবং মরদেহের গায়ে থাকা টি-শার্ট দেখে উপস্থিত স্বজনরা নিখোঁজ আসাদুলকে শনাক্ত করেছেন। এরপর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষার প্রভাব ডিমে, স্থিতিশীল মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০১ এম


বর্ষার প্রভাব ডিমে, স্থিতিশীল মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম

ছবি, সংগৃহীত

বর্ষা মৌসুম চলছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণত বাজারে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। যার কারণে অনেক পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বর্ষার প্রভাব ডিমের উপর পড়লেও অন্যান্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ১০-১৫ টাকা বৃদ্ধি হয়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে ছিল। তবে বাজারগুলোতে মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীলভাবেই রয়েছে।

এক ডিম ব্যবসায়ী বলেন, “ডিমের দাম আগের তুলনা ১০-১৫ টাকা ডজনে বেড়েছে।” এক ডজন সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিমের দাম ১২০ টাকা এবং ব্রাউন কালারের ১৩০ টাকা ডজন হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এই দাম ছিল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা ডজনে।

বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা খরচ করতে হবে।

এছাড়াও মুরগির বাজারে ব্রয়লার মুরগির প্রতি কেজি দাম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগির দাম ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, মানভেদে চিংড়ির কেজি ৬০০ থেকে ৮০০, পাবদার দাম ৩০০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ এবং ট্যাংরার দাম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৩0 টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কৈ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে। তবে কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে চাষের কৈ, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম।

আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কিনতে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বোয়াল মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা উৎক্ষেপণ করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসেম্বরে নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের ঘোষণা শেখ হাসিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ এম


ডিসেম্বরে নেতাকর্মীদের নিয়ে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের ঘোষণা শেখ হাসিনার

ফাইল ছবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বার্তা সংস্থা রয়াটার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তিনি এবং দলের শীর্ষ নেতারা আগামী ডিসেম্বরের দিকে ভারত থেকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা করছেন।

প্রায় এক ঘণ্টার টেলিফোন সাক্ষাৎকারে রয়টার্সকে দেওয়া বক্তব্যে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি ও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হতে চান।

তিনি বলেন, “দেশে ফিরলে আমাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, এমনকি হত্যাও করা হতে পারে। তবুও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতা-কর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার হচ্ছেন। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই তা আমার নিজের মাটিতে আসুক, যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন এবং যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।”

২০২৪ সালে দেশত্যাগ

২০২৪ সালে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। পরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তার প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কেও নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। কারণ, তাকে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। বাংলাদেশ সরকার একMultipleবার তাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

“আমি নিজেই দেশে ফিরব”

নির্বাসনে যাওয়ার পর এবারই প্রথম শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে দেশে ফেরার সম্ভাব্য সময়সীমা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো বিদেশি সরকারের সঙ্গে তার আলোচনা হয়নি।

তার ভাষায়, “বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ আমাকে ফিরিয়ে নিতে চায়। তারা বারবার ভারতকে চিঠি পাঠাচ্ছে। কিন্তু আমি নিজেই দেশে ফিরব।”

তিনি জানান, আওয়ামী লীগের নির্বাসিত আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাও তার সঙ্গে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তাদের মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও রয়েছেন, যিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত।

তবে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ, কোন আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বা কবে করবেন-এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।

“বিচারের ওপর আমার আস্থা আছে”

শেখ হাসিনা বলেন, “আমি বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখি। বিচারিক কার্যক্রম শুরু হলে মানুষ বুঝতে পারবে আদালতের প্রক্রিয়া কতটা প্রহসনের। সেটাই আমি প্রমাণ করতে চাই।”

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের প্রায় সব নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং অনেকে আত্মগোপনে রয়েছেন।

“আমি সবাইকে বলেছি, এবার আমি দেশে ফিরছি। একদিন তোমরাও ফিরে আসবে। আমরা সবাই একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব,”বলেন তিনি।

“ভুল হতে পারে, রায় দেবে জনগণ”

দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে ভুল হতে পারে-এ কথা স্বীকার করলেও শেখ হাসিনা বলেন, কোনো সরকারের ভালো-মন্দের বিচার করার অধিকার জনগণের।

তিনি বলেন, “কোনো সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু একটি সরকারের ভালো-মন্দ, সঠিক-ভুল নির্ধারণের অধিকার জনগণের। সেই বিচার আমি জনগণের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২৫টির নেতাদের সঙ্গে অনলাইনে বৈঠক করেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, “আমাকে দণ্ডিত করা হয়েছে, হয়তো আমি আর নির্বাচনে অংশ নিতে পারব না। কিন্তু আওয়ামী লীগকে কেন নিষিদ্ধ করা হবে? যদি আমরা খারাপ কাজ করে থাকি, তাহলে জনগণই সেই সিদ্ধান্ত নেবে।”

তথ্যসূত্র: রয়াটার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%