প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ছবি, সংগৃহীত
বর্ষা মৌসুম চলছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণত বাজারে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে। যার কারণে অনেক পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত বর্ষার প্রভাব ডিমের উপর পড়লেও অন্যান্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ১০-১৫ টাকা বৃদ্ধি হয়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে ছিল। তবে বাজারগুলোতে মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীলভাবেই রয়েছে।
এক ডিম ব্যবসায়ী বলেন, “ডিমের দাম আগের তুলনা ১০-১৫ টাকা ডজনে বেড়েছে।” এক ডজন সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিমের দাম ১২০ টাকা এবং ব্রাউন কালারের ১৩০ টাকা ডজন হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এই দাম ছিল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা ডজনে।
বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা খরচ করতে হবে।
এছাড়াও মুরগির বাজারে ব্রয়লার মুরগির প্রতি কেজি দাম ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালী মুরগির দাম ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে, মানভেদে চিংড়ির কেজি ৬০০ থেকে ৮০০, পাবদার দাম ৩০০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ এবং ট্যাংরার দাম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৩0 টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কৈ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে। তবে কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে চাষের কৈ, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম।
আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কিনতে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা খরচ করতে হবে। এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বোয়াল মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা উৎক্ষেপণ করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন