শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪০ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা একসময় দেশের অন্যতম বৃহৎ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আকৃষ্ট করলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই চিত্র পরিবর্তিত হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে কোনো বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিকীকরণ নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে।
ক্যাম্পাসের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ভর্তি ও ভিসা প্রক্রিয়ার জটিলতা, আবাসনসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সময়ের অস্থিরতা বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ হ্রাসের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে রাবিতে স্নাতক পর্যায়ে তিনজন বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন একজন। এরপর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে কোনো বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হননি। তবে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে আটজন এবং ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে নয়জন বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার ফলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি দেখা যায়। কিন্তু পরবর্তী শিক্ষাবর্ষেই আবার এ সংখ্যা কমে আসে। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে মাত্র একজন বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হন। সর্বশেষ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক পর্যায়ে কোনো বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হননি।
বর্তমানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে রাবিতে ছয়জন বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। তাদের মধ্যে জিওলজি অ্যান্ড মাইনিং বিভাগে দুজন, ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগে তিনজন এবং কেমিস্ট্রি বিভাগে একজন রয়েছেন।
এছাড়া এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়েও ছয়জন বিদেশি শিক্ষার্থী গবেষণা করছেন। তাদের মধ্যে অর্থনীতি বিভাগে এমফিল পর্যায়ে সোমালিয়ার একজন, ফোকলোর বিভাগে ভারতের দুজন, ইতিহাস বিভাগে ভারতের একজন এবং আরবি বিভাগে ভারতের একজন শিক্ষার্থী রয়েছেন। পাশাপাশি ফোকলোর বিভাগে পিএইচডি পর্যায়ে ভারতের আরও একজন শিক্ষার্থী গবেষণা করছেন।
বিদেশি শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার পেছনে ভর্তি প্রক্রিয়া ও সুযোগ-সুবিধার ঘাটতিকে দায়ী করেছেন নেপালের শিক্ষার্থী সুমিত। তিনি আরটিভিকে বলেন, "বিদেশি শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য যে জায়গা বরাদ্দ রয়েছে, সেখানে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই। ফলে পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে ভর্তি হওয়ার পরও অনেকে চলে যান।"
ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, "এম্বাসির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া ও ভর্তির সুযোগ থাকলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়তে পারে।" পাশাপাশি ভিসা জটিলতার কারণেও অনেকে রাবিতে আসতে আগ্রহী হন না।
বিদেশি শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এ এইচ এম খুরশিদ আলম আরটিভিকে বলেন, "আগে রাবিতে বিদেশি শিক্ষার্থী ছিল। কিন্তু মাঝের সময়ের বিভিন্ন পরিস্থিতির কারণে তাদের সংখ্যা কমেছে। বিশেষ করে আন্দোলনসহ সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী হয়তো এখানে ভর্তি হতে আগ্রহী হয়নি কিংবা ভর্তিপ্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসেনি।"
তিনি আরও বলেন, "বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের আবারও রাবির প্রতি আকৃষ্ট করতে একাডেমিক প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ আরটিভিকে বলেন, "বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা আবেদন করলে তাদের সার্টিফিকেট ও শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র সব সময় স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না। সংশ্লিষ্ট দেশের মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কাগজপত্র ইংরেজিতে অনুবাদ করে যথাযথভাবে আনা হলে বিষয়টি যাচাই করা সহজ হয়।"
তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাকাল্টিভিত্তিক আলাদা ক্রাইটেরিয়া ও গাইডলাইন রয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী সেই শর্ত পূরণ করলে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ তাকে গ্রহণ করলে ভর্তি করা হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী শরিয়তে পবিত্রতা অর্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলমানদের জন্য বিভিন্ন কারণে ফরজ গোসল আবশ্যক হতে পারে। তবে অনেকেই গোসলের সঠিক নিয়ম না জানার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় বাদ দিয়ে ফেলেন।
ফরজ গোসলের সময় নাকের ভেতরে পানি পৌঁছানো নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ইসলামী স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরার। সম্প্রতি তিনি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক আলোচনায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
মুফতি রেজাউল করীম আবরারের বক্তব্য অনুযায়ী, ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে নাকের নরম অংশ পর্যন্ত পানি পৌঁছানো অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই শাওয়ারের নিচে গোসল করেন কিংবা পুকুরে নেমে সরাসরি গোসল করেন। এ সময় নাকের ভেতরে পানি যথাযথভাবে পৌঁছেছে কি না, তা অনেকেরই খেয়াল থাকে না।
আঙুল দিয়ে নাক মাসাহ করলেই কি গোসল হবে?
মুফতি আবরার বলেন, সমাজে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো আঙুল ভিজিয়ে নাকের নরম অংশে মাসাহ করলেই নাক ধোয়া হয়ে যায়। তবে শুধু এভাবে মাসাহ করলে ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পানি পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত হয় না।
নাক ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি কী?
তিনি বলেন, নাক ধোয়ার ক্ষেত্রে হাতে পানি নিয়ে তা শ্বাসের মাধ্যমে নাকের ভেতরে পৌঁছাতে হবে। এরপর নাকের ভেতরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে, যাতে কোনো অংশ শুকনো না থাকে।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, পানি দিয়ে নাক ধোয়ার সময় ডান হাত দিয়ে পানি নেওয়া এবং বাম হাত দিয়ে নাক পরিষ্কার করা যেতে পারে। তিনি এভাবে তিনবার নাক ধোয়ার কথা উল্লেখ করেন।
গোসল সঠিক না হলে কী হবে?
ফরজ গোসলের কোনো আবশ্যকীয় অংশ বাদ পড়ে গেলে পবিত্রতা অর্জন সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা নিয়ে শরিয়তি বিধান প্রযোজ্য হয়। তাই গোসলের নিয়ম সঠিকভাবে জানা এবং তা যথাযথভাবে পালন করা গুরুত্বপূর্ণ।
মুফতি রেজাউল করীম আবরার বলেন, অপবিত্র অবস্থায় নামাজ আদায় করা শরিয়তসম্মত নয়। তাই ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে অবহেলা না করে এর সঠিক নিয়ম জেনে সতর্কতার সঙ্গে গোসল করা উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারায় একই বাড়ি থেকে নিখোঁজ দুই গৃহবধূর সন্ধান ১০ দিন পার হলেও মেলেনি।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে নিখোঁজ হন তারা। এ ঘটনায় উদ্বেগে থাকা পরিবারের পক্ষ থেকে বাগমারা থানায় পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
নিখোঁজ দুই গৃহবধূ হলেন বাগমারা উপজেলার যোগীপাড়া ইউনিয়নের কাতিলা গ্রামের দুলাল আলী মণ্ডলের স্ত্রী লামিয়া (১৯) এবং শাহাজান আলী মণ্ডলের স্ত্রী মোছা. আশা বিবি (৩০)। পারিবারিক সম্পর্কের কারণে তারা পরস্পর জা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে ওই দুই গৃহবধূ একসঙ্গে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা আর ঘরে ফিরে আসেননি। তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। সম্ভাব্য সব স্থান ও আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তাদের কোনো হদিশ পাওয়া যায়নি। কোনো উপায় না পেয়ে পরবর্তীতে বাগমারা থানায় জিডি করেন স্বজনরা।
এদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ডায়েরিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ দুই গৃহবধূর সন্ধানে পুলিশ কাজ করছে। তাদের অবস্থান শনাক্ত করতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তার পাশাপাশি মাঠপর্যায়েও জোরদার অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক স্থাপনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারের সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
১৬ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’-এর ‘মিডিয়া স্ট্রিম’ কর্মসূচির অধীনে ‘আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রাশিয়ার ভাবমূর্তি’ শীর্ষক এক অধিবেশনে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আন্দ্রে তিমোনভ এই তথ্য জানান।
তিমোনভ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি অংশীদারদের সহযোগিতায় রোসাটম এই বছর রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ করেছে। ইউনিটটির কমিশনিং কার্যক্রমও এই গ্রীষ্মে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে একটি নতুন পারমাণবিক শক্তির উত্থান ঘটছে। রূপপুর প্রকল্প দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গতি আনবে। এর ফলে কয়েক দশকের পরিবর্তে কয়েক বছরের মধ্যে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের যাত্রা সম্পন্ন করা সম্ভব হতে পারে।
বাংলাদেশে তার একাধিক সফরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিমোনভ বলেন, দেশটির প্রকৃতি ও জনগণ তাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি জানান, মাত্র ১০ বছর আগে বাংলাদেশে পারমাণবিক শক্তির ধারণা ভাবা সম্ভব ছিল না। এখন দেশটি নতুন পারমাণবিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
তিমোনভ বলেন, বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ধারণা কয়েক দশক পুরোনো। সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়ই এ বিষয়ে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
তার মতে, রূপপুরের মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু জ্বালানি ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে না, বরং এমন প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে, যা অর্জন করতে অন্যান্য দেশগুলোর ৬০ থেকে ৮০ বছর লেগেছে।
রূপপুরকে বাংলাদেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিমোনভ বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি এমন একটি স্থাপনা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে পুরো দেশ গর্বিত।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ইয়েকাতেরিনবার্গে ‘ফলো ইওর ড্রিম’ স্লোগানে আন্তর্জাতিক যুব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ১৯১টি দেশের ১০,০০০ অংশগ্রহণকারী উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৯০ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সিনিয়র প্রজেক্ট অফিসার
বিভাগ: কোয়ালিটি কন্ট্রোল, ভাসান চার, এইচসিএমপি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি প্রয়োজন, তবে টেক্সটাইল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: উন্নয়ন সংস্থা এবং এনজিওতে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর
চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: নোয়াখালী (হাতিয়া)
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধাসমূহ: মোবাইল বিল, সপ্তাহে ২ দিন ছুটি, বিনামূল্যে আবাসন সুবিধা, উৎসবকালীন বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা, পিতৃত্বকালীন/মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ