প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক স্থাপনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারের সদস্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
১৬ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬’-এর ‘মিডিয়া স্ট্রিম’ কর্মসূচির অধীনে ‘আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রাশিয়ার ভাবমূর্তি’ শীর্ষক এক অধিবেশনে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আন্দ্রে তিমোনভ এই তথ্য জানান।
তিমোনভ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশি অংশীদারদের সহযোগিতায় রোসাটম এই বছর রূপপুরের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শেষ করেছে। ইউনিটটির কমিশনিং কার্যক্রমও এই গ্রীষ্মে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে একটি নতুন পারমাণবিক শক্তির উত্থান ঘটছে। রূপপুর প্রকল্প দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গতি আনবে। এর ফলে কয়েক দশকের পরিবর্তে কয়েক বছরের মধ্যে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের যাত্রা সম্পন্ন করা সম্ভব হতে পারে।
বাংলাদেশে তার একাধিক সফরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিমোনভ বলেন, দেশটির প্রকৃতি ও জনগণ তাকে মুগ্ধ করেছে। তিনি জানান, মাত্র ১০ বছর আগে বাংলাদেশে পারমাণবিক শক্তির ধারণা ভাবা সম্ভব ছিল না। এখন দেশটি নতুন পারমাণবিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
তিমোনভ বলেন, বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ধারণা কয়েক দশক পুরোনো। সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়ই এ বিষয়ে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
তার মতে, রূপপুরের মাধ্যমে বাংলাদেশ শুধু জ্বালানি ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে না, বরং এমন প্রযুক্তিগত অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে, যা অর্জন করতে অন্যান্য দেশগুলোর ৬০ থেকে ৮০ বছর লেগেছে।
রূপপুরকে বাংলাদেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিমোনভ বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি এমন একটি স্থাপনা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে পুরো দেশ গর্বিত।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ইয়েকাতেরিনবার্গে ‘ফলো ইওর ড্রিম’ স্লোগানে আন্তর্জাতিক যুব উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ১৯১টি দেশের ১০,০০০ অংশগ্রহণকারী উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৯০ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন