ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাংবাদিক ওপর হা ম লার ঘটনা


পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাংবাদিক ওপর হা ম লার ঘটনা

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সংবাদ প্রকাশের কারণে দৈনিক দেশ রূপান্তরের কুয়াকাটা প্রতিনিধি কে এম বাচ্চুর ওপর হামলার একটি ঘটনা ঘটেছে। এই হামলার ফলস্বরূপ দুর্বৃত্তরা হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করে। বর্তমানে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে সাড়ে ১১টার দিকে হোটেল সৈকতের সামনে সমুদ্রসৈকতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সৈকতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাতের অন্ধকারে কে এম বাচ্চুর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। হামলায় লতাচাপলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি বাইজিদ রানা এবং কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হারুন মুসল্লির নেতৃত্বে আরও পাঁচ থেকে ছয়জন অংশ নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে তার মাথা ও দুই পায়ে ধারাবাহিকভাবে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেছেন, 'হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।'

এ ঘটনায় কুয়াকাটাসহ গোটা জেলার সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিক নেতারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরব হোদাইদায় বিমান হা ম লা চালিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ এম


সৌদি আরব হোদাইদায় বিমান হা ম লা চালিয়েছে

সৌদি আরব ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বন্দর নগরী হোদাইদায় বিমান হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই হামলা নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) গভীর রাতে হুতিদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘হোদাইদাকে লক্ষ্য করে সৌদি আরব ভবিষ্যতে সংঘাতকে আরও উত্তেজনা' নীতিকে বেছে নিয়েছে।’

এ হামলার পাল্টা জবাব দেয়ার ইঙ্গিত দেয়ার পাশাপাশি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে হামলার জন্য রিয়াদকে একটি চড়া মূল্য দিতে হবে।

হুতি-সংশ্লিষ্ট আল মাসিরাহ টিভি জানিয়েছে, সৌদি আরবের হামলায় হোদাইদার টেলিযোগাযোগ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এর সঙ্গে কামারান দ্বীপেও হামলার খবর এসেছে, যেখানে অন্তত একজন নারী আহত হয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমটি উল্লেখ করেছে।

হোদাইদা বন্দরে হুতি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে বাণিজ্যিক ও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য একটি প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ওই অঞ্চলের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য হুতিদের দায়ী করেছেন। তিনি লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হুতিদের হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত ও বেপরোয়া’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আল-মালিকি আরও ঘোষণা করেছেন যে জোট প্রয়োজনীয় সব সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, হুতিরা যদি তাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়, তাহলে ‘কোনো দ্বিধা ছাড়াই’ তাদের জবাব দেয়া হবে।

এর আগে, বুধবার হুতিরা দাবি করেছে তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লোহিত সাগরে বেশ কয়েকটি সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে এবং অন্তত একটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, জাহাজগুলো দুদিন আগে ঘোষিত নৌ অবরোধ ভঙ্গ করেছিল।

২০ জুলাই হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি, সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক সপ্তাহ আগে চালানো হামলার জবাব হিসেবেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ঐ হামলার জন্য তারা সৌদি আরবকে দায়ী করেছেন। তবে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার জানিয়েছে যে, অনুমতি ছাড়াই একটি ইরানি বিমান অবতরণের কারণে বিমানবন্দরের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্দোলনের মধ্যেই মোদির মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ এম


আন্দোলনের মধ্যেই মোদির মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নীট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় চলমান আন্দোলনের মধ্যেই রবনীত সিং বিট্টু, কেন্দ্রীয় রেল ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রতিমন্ত্রী, দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলছে, বিশেষত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে, এমন অবস্থায় তার পদত্যাগ নতুন আলোচনা সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি করেছে।

 

শুক্রবার, ২৪ জুলাই, রবনীত সিং বিট্টু কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি আগামী বছর পাঞ্জাবে অনুষ্ঠিতব্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় জনতা পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

 

রাষ্ট্রপতি ভবনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরামর্শ অনুযায়ী ভারতের রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭৫ নম্বর অনুচ্ছেদের ২ নম্বর ধারা অনুযায়ী রবনীত সিং বিট্টুর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। উল্লেখ্য, তার পদত্যাগ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

 

এর আগে, ২১ জুন রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে রবনীত সিং বিট্টুর মেয়াদ শেষ হয়েছিল। একই কারণে আরেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জর্জ কুরিয়ানও, যার রাজ্যসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে ২৩ জুন পদত্যাগ করেন।

 

রবনীত সিং বিট্টু, তিনবারের লোকসভার সদস্য, সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তিনি পাঞ্জাবে ফিরে গিয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবেন।

 

দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি লুধিয়ানার (সেন্ট্রাল) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।

 

২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পাঞ্জাবে দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলের অবস্থান মজবুত করতেই তাকে সেখানে সক্রিয় করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

রাজ্যসভায় যাওয়ার আগে, রবনীত সিং বিট্টু একবার আনন্দপুর সাহিব এবং দুইবার লুধিয়ানা লোকসভা আসনের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে প্রায় এক মাস ধরে ভারতের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

 

এদিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

. মিরপুরে গোলাগুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ এম


. মিরপুরে গোলাগুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২

রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে একটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় যুবদলের কর্মী ইউসুফ আলী (৪৫) নিহত হয়েছেন। তাছাড়া একই ঘটনায় আরও ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকার ওপেক্স গার্মেন্টসের পাশে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ইউসুফ আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ অপর দুই ব্যক্তির মধ্যে ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী মনির হোসেন (৩২) এবং সবজি ব্যবসায়ী নালাম সরদার (৪৫) রয়েছেন।

এ পরিস্থিতির মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার কারণে অস্ত্রধারী একজনকে আটক করেছে স্থানীয়রা এবং তিনি বর্তমানে পুলিশের কাছে সোপর্দ আছেন। তবে ওই আটক ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল থানাধীন মিরপুর-১৩ নম্বর ই-ব্লকের ওপেক্স গার্মেন্টসের সামনে অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জন দুর্বৃত্ত ইউসুফ আলীসহ কয়েকজনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।

পরে স্বজনরা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউসুফ আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বুকের ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হন।

এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ নালাম সরদার ও মনির হোসেন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নালাম সরদারের মাথার ডান পাশে এবং মনির হোসেনের বাম পায়ে গুলি লেগেছে।

কাফরুল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, গোলাগুলির ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তারা হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক পরীক্ষার পর একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে অপপ্রচার, বিএফএ’র প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০০ এম


মৌলভীবাজারে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে অপপ্রচার, বিএফএ’র প্রতিবাদ

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুরে সংরক্ষিত বনভূমিতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এবং বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একপাক্ষিক জনমত তৈরির অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি আদমপুর বিটে পরিচালিত বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এমনভাবে ঘটনাটি উপস্থাপন করছে, যেন বন বিভাগ বিনা কারণে ফলন্ত কমলা গাছ কেটে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে। বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এই ধরনের একপাক্ষিক, আবেগনির্ভর ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

‘এটি সর্বজনবিদিত যে, সংরক্ষিত বনভূমি রাষ্ট্রের সম্পত্তি। বাংলাদেশ বন আইন, ১৯২৭ এবং প্রচলিত বন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সংরক্ষিত বনভূমিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অবৈধ দখল, বাণিজ্যিক চাষাবাদ, স্থাপনা নির্মাণ কিংবা অন্য কোনো ধরনের ব্যবহার আইনসম্মত নয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় রাষ্ট্রের বনভূমি দখল করে অবৈধভাবে কমলার বাগান সৃষ্টি করা হয়েছে। একটি অবৈধ দখলকে বছরের পর বছর টিকিয়ে রেখে পরবর্তীতে সেই অবৈধ স্থাপনাকে "অর্জিত অধিকার" হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কোনো সুযোগ আইনে নেই।’

উদাহরণ দিয়ে সংগঠনটি জানিয়েছে, সরকারি জায়গায় বিশতলা বিশিষ্ট ইমারত তৈরি হলো কিন্ত অবৈধ; তখন সরকার কি সেই নির্মানাধীন অবৈধ ইমারত ভাঙতেছে না? তাহলে বন বিভাগ এখানে কি অপরাধ করলো ? দুঃখজনকভাবে, সাম্প্রতিক ঘটনায় বনভূমি দখলের মূল অপরাধটি আড়াল করে কেবল ফলন্ত গাছ কাটার আবেগঘন ছবি ও ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে।

‘এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—রাষ্ট্রের সংরক্ষিত বনভূমি অবৈধভাবে দখল করে রোপণ করা গাছ কখনোই বৈধ সম্পদে পরিণত হয় না। অবৈধ দখলের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া কোনো স্থাপনা বা বাগান আইনের চোখে সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য নয়।’

বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অবগত রয়েছে যে, সরকার ইতোমধ্যে বিষয়টি তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রচার করা শুধু অনভিপ্রেতই নয়, এটি বিচারাধীন বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই—যদি তদন্তে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের পক্ষে কোনো অবস্থান নেবে না; বরং আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিই জানাবে। একইভাবে, যদি প্রমাণিত হয় যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আইন ও দাপ্তরিক নির্দেশনা অনুযায়ী রাষ্ট্রের বনভূমি রক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অপপ্রচার, চরিত্রহনন এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বনভূমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই বন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেনস্তা এবং গণমাধ্যমে একপাক্ষিকভাবে দোষারোপ করার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে মাঠপর্যায়ের বন কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে বনভূমি রক্ষায় আইনগত পদক্ষেপ নিতে নিরুৎসাহিত হবেন, যার সুযোগ নেবে বনভূমি দখলকারী চক্র। এর দায় রাষ্ট্র ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বহন করতে হবে।

বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন দেশের সকল গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ এবং সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে—আবেগ নয়, আইনের শাসন ও সত্যকে প্রাধান্য দিন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পূর্বনির্ধারিত রায় প্রদান থেকে বিরত থাকুন। বনভূমি রক্ষা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একক দায়িত্ব নয়; এটি জাতীয় স্বার্থ, পরিবেশগত নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বের প্রশ্ন।

বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন পুনর্ব্যক্ত করছে—রাষ্ট্রের বনভূমি দখল, ধ্বংস ও অবৈধ ব্যবহারকে কোনো অবস্থাতেই বৈধতা দেওয়া যাবে না। বন আইন প্রয়োগে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনসম্মত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা অপপ্রচারের মাধ্যমে নিরুৎসাহিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার থাকব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%