ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

. মিরপুরে গোলাগুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২


. মিরপুরে গোলাগুলিতে যুবদল কর্মী নিহত, গুলিবিদ্ধ ২

রাজধানীর মিরপুর ১৩ নম্বরে একটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় যুবদলের কর্মী ইউসুফ আলী (৪৫) নিহত হয়েছেন। তাছাড়া একই ঘটনায় আরও ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকার ওপেক্স গার্মেন্টসের পাশে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক ইউসুফ আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ অপর দুই ব্যক্তির মধ্যে ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী মনির হোসেন (৩২) এবং সবজি ব্যবসায়ী নালাম সরদার (৪৫) রয়েছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এ পরিস্থিতির মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার কারণে অস্ত্রধারী একজনকে আটক করেছে স্থানীয়রা এবং তিনি বর্তমানে পুলিশের কাছে সোপর্দ আছেন। তবে ওই আটক ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল থানাধীন মিরপুর-১৩ নম্বর ই-ব্লকের ওপেক্স গার্মেন্টসের সামনে অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জন দুর্বৃত্ত ইউসুফ আলীসহ কয়েকজনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।

পরে স্বজনরা তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউসুফ আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বুকের ডান পাশে গুলিবিদ্ধ হন।

এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ নালাম সরদার ও মনির হোসেন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নালাম সরদারের মাথার ডান পাশে এবং মনির হোসেনের বাম পায়ে গুলি লেগেছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

কাফরুল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম এই ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, গোলাগুলির ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তারা হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক পরীক্ষার পর একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৌলভীবাজারে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে অপপ্রচার, বিএফএ’র প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০০ এম


মৌলভীবাজারে সংরক্ষিত বনভূমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে অপপ্রচার, বিএফএ’র প্রতিবাদ

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুরে সংরক্ষিত বনভূমিতে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এবং বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একপাক্ষিক জনমত তৈরির অপচেষ্টার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি আদমপুর বিটে পরিচালিত বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এমনভাবে ঘটনাটি উপস্থাপন করছে, যেন বন বিভাগ বিনা কারণে ফলন্ত কমলা গাছ কেটে সাধারণ মানুষের ক্ষতি করছে। বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন এই ধরনের একপাক্ষিক, আবেগনির্ভর ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

‘এটি সর্বজনবিদিত যে, সংরক্ষিত বনভূমি রাষ্ট্রের সম্পত্তি। বাংলাদেশ বন আইন, ১৯২৭ এবং প্রচলিত বন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সংরক্ষিত বনভূমিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অবৈধ দখল, বাণিজ্যিক চাষাবাদ, স্থাপনা নির্মাণ কিংবা অন্য কোনো ধরনের ব্যবহার আইনসম্মত নয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় রাষ্ট্রের বনভূমি দখল করে অবৈধভাবে কমলার বাগান সৃষ্টি করা হয়েছে। একটি অবৈধ দখলকে বছরের পর বছর টিকিয়ে রেখে পরবর্তীতে সেই অবৈধ স্থাপনাকে "অর্জিত অধিকার" হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কোনো সুযোগ আইনে নেই।’

উদাহরণ দিয়ে সংগঠনটি জানিয়েছে, সরকারি জায়গায় বিশতলা বিশিষ্ট ইমারত তৈরি হলো কিন্ত অবৈধ; তখন সরকার কি সেই নির্মানাধীন অবৈধ ইমারত ভাঙতেছে না? তাহলে বন বিভাগ এখানে কি অপরাধ করলো ? দুঃখজনকভাবে, সাম্প্রতিক ঘটনায় বনভূমি দখলের মূল অপরাধটি আড়াল করে কেবল ফলন্ত গাছ কাটার আবেগঘন ছবি ও ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে।

‘এতে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন এবং প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই—রাষ্ট্রের সংরক্ষিত বনভূমি অবৈধভাবে দখল করে রোপণ করা গাছ কখনোই বৈধ সম্পদে পরিণত হয় না। অবৈধ দখলের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া কোনো স্থাপনা বা বাগান আইনের চোখে সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্য নয়।’

বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অবগত রয়েছে যে, সরকার ইতোমধ্যে বিষয়টি তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রচার করা শুধু অনভিপ্রেতই নয়, এটি বিচারাধীন বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই—যদি তদন্তে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়, বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের পক্ষে কোনো অবস্থান নেবে না; বরং আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিই জানাবে। একইভাবে, যদি প্রমাণিত হয় যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আইন ও দাপ্তরিক নির্দেশনা অনুযায়ী রাষ্ট্রের বনভূমি রক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অপপ্রচার, চরিত্রহনন এবং সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটি জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বনভূমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলেই বন কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেনস্তা এবং গণমাধ্যমে একপাক্ষিকভাবে দোষারোপ করার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংস্কৃতি চলতে থাকলে মাঠপর্যায়ের বন কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে বনভূমি রক্ষায় আইনগত পদক্ষেপ নিতে নিরুৎসাহিত হবেন, যার সুযোগ নেবে বনভূমি দখলকারী চক্র। এর দায় রাষ্ট্র ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বহন করতে হবে।

বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন দেশের সকল গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ এবং সচেতন নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে—আবেগ নয়, আইনের শাসন ও সত্যকে প্রাধান্য দিন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পূর্বনির্ধারিত রায় প্রদান থেকে বিরত থাকুন। বনভূমি রক্ষা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একক দায়িত্ব নয়; এটি জাতীয় স্বার্থ, পরিবেশগত নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বের প্রশ্ন।

বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন পুনর্ব্যক্ত করছে—রাষ্ট্রের বনভূমি দখল, ধ্বংস ও অবৈধ ব্যবহারকে কোনো অবস্থাতেই বৈধতা দেওয়া যাবে না। বন আইন প্রয়োগে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনসম্মত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা অপপ্রচারের মাধ্যমে নিরুৎসাহিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার থাকব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে বেকারত্বে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার: হাসনাত আবদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে বেকারত্বে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার: হাসনাত আবদুল্লাহ

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হিসেবে হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি বলেছেন, 'উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে কার্ডের নামে। দেশকে এগিয়ে নিতে এনসিপি নামক চারা গাছকে বৃক্ষে পরিণত করতে সমর্থন করুন, আমরা প্রতারণা করব না।'

এটি তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় যশোরের অভয়নগর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় 'দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা' কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন। এই পথসভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপির অভয়নগর উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী শাহজাহান কবীর।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, 'দেশের মালিকরা ভোট বিক্রির মাধ্যমে গোলামীর জিঞ্জিরে আটকে যায়। এর ফলে ৫ বছর তাদের ঘানি টানতে হয়। আমাদের সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যদি এটা সম্ভব হয়, তাহলে জনপ্রতিনিধিরা ৫ বছরের জন্য গোলাম হয়ে কাজ করবে।'

নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, 'রাজপথে নারীদের ঢাল বানানো হলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের উপেক্ষা করা হয়। কিন্তু দেশের ৫১ শতাংশ নারী জনগোষ্ঠীকে বাইরে রেখে একটি সুষম রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।' এ কারণে তিনি নারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বক্তব্যের সময় বলেন, 'পলাতক শেখ হাসিনা ফিরে আসার হুমকি দেন। কিন্তু এ দেশে শেখ হাসিনা কখনোই আসবে না। শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারের কারো এ দেশে দাফনও হবে না।'

এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মাহমুদা মিতু এমপি মন্তব্য করেন, 'বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসতে বাধা তৈরি করা হচ্ছে। নারীদের রাজনীতিতে থামিয়ে দিতে চরিত্র হনন করা হয়। এই বাধা উপেক্ষা করে রাজনীতিতে আসতে হবে।' তিনি আরও বলেন, 'গণভোট বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। তা না হলে জুলাইয়ের তরুণদের আবার গুলি খেতে হবে।'

এই পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক, যশোর জেলা সমন্বয়কারী মো. নুরুজ্জামানসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যরাতে মোদির ভিডিও বার্তা, বললেন‘বন্ধুরা, ধন্যবাদ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১০ এম


মধ্যরাতে মোদির ভিডিও বার্তা, বললেন‘বন্ধুরা, ধন্যবাদ’

আবারও মধ্যরাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও বার্তা প্রদান করেছেন। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের প্রেক্ষিতে প্রকাশিত তার পূর্বের ভিডিওতে সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের তরুণদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, শিক্ষার্থী ও তরুণরা যেভাবে ইতিবাচক মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেছেন, তা তাকে আনন্দিত করেছে।

ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, "বন্ধুরা, ধন্যবাদ। গত রাতে আপনাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। আপনারা আমার ভিডিওটি দেখে যেভাবে ইতিবাচক মতামত ও পরামর্শ দিয়েছেন, তার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন যেন এভাবেই থাকে, আর আমাদের এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় ও সক্রিয় হয়ে উঠুক।"

ভিডিওটির সঙ্গে তিনি একটি বার্তাও সংযুক্ত করেছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, "গতকালের (২৩ জুলাই) ভিডিওটি দেখে মূল্যবান পরামর্শ পাঠানো সব তরুণকে ধন্যবাদ।"

এর একদিন আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে আরও কঠোর আইন আনার ঘোষণা দেন মোদি। সাম্প্রতিক নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে তিনি এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, "প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠন এবং কঠোর শাস্তির বিধান রেখে একটি খসড়া বিল মন্ত্রিসভায় তোলা হবে। এরপর আগামী সপ্তাহেই বিলটি সংসদে পাসের চেষ্টা করা হবে।"

এর আগেও একই ভিডিও বার্তায় মোদি বলেন, "বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টের।"

তিনি জানান, গত আড়াই মাসে সরকার এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থী পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে এবং ১৯ জুলাই তাদের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

মোদি আরও জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির বিধান তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সেই প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শনিবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যে অঞ্চলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১১ এম


শনিবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যে অঞ্চলে

জরুরি উন্নয়নমূলক কাজের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় শনিবার (২৫ জুলাই) টানা ৯ ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কাশিমপুর জোনাল অফিসের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুরের নরসিংহপুর রোডের সুরাবাড়ী উপকেন্দ্র থেকে শুরু হয়ে দত্ত মার্কেট, ছায়াতল মার্কেট, সুরাবাড়ী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, রাইচমিল হয়ে মিছারবাগ বটতলা পর্যন্ত ১১ কেভি ফিডারটির দৈর্ঘ্য বাড়ানোর এবং অতিরিক্ত লোডের কারণে সেটি বিভক্ত করা হবে। একই সঙ্গে লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য আরও দুটি নতুন ফিডার নির্মাণের কাজ করা হবে।

এ কারণে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাশিমপুর, সুরাবাড়ী, বাগবাড়ী, শরপাইতলী, ছায়াতল মার্কেট, দত্ত মার্কেট, রাইচমিল সংলগ্ন এলাকা, মিছারবাগ বটতলা, মাদরাসা বাজার, শাকিল সিনথিয়া রোড, মনটেক্স সংলগ্ন এলাকা, লালদিঘি, কবরস্থান এলাকা, বারেন্ডা (আংশিক), রফিকুল ইসলাম স্কুল সংলগ্ন এলাকা, খানকা শরিফ এলাকা, রওশন মার্কেট, হাকের নাল এবং নয়াপাড়ার আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

তবে কাশিমপুর জোনাল অফিস জানিয়েছে, যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে যায়, তবে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%