ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হোসেনপুরে ইটভাটার দেওয়াল ধসে প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের


হোসেনপুরে ইটভাটার দেওয়াল ধসে প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে একটি ইটভাটার দেওয়াল ধসে দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার পুমদি ইউনিয়নের চরপুমদি গ্রামে অবস্থিত ‘মেসার্স মায়ের দোয়া ব্রিকসে’ এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শ্রমিকদের মধ্যে একজন হচ্ছেন চরপুমদি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে উৎপল মিয়া (২০) এবং অপরজন হলেন একই গ্রামের ছফির উদ্দিনের ছেলে গোলাপ মিয়া (৬০)।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শ্রমিকরা ইটভাটায় কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে কিলন বা চিমনির পাশে একটি দেওয়াল ধসে পড়ে। এই ঘটনায় চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই দুই শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে। আহত হন আরও দুই শ্রমিক।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

আহত শ্রমিকদের মধ্যে আছেন লোকমান হোসেনের ছেলে আন্নাছ মিয়া এবং হাদিস মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া। তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, ময়নাতদন্তের পর নিহত দুই শ্রমিকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। দুই শ্রমিকের মৃত্যুর কারণে তাদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারীর হাতে উঠলো ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


এবার ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারীর হাতে উঠলো ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার

শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক আইনকে শক্তিশালী করা এবং যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক বিশিষ্ট আইনজ্ঞ নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই। নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি তার দীর্ঘদিনের ভূমিকার জন্য প্রশংসা করেছে, যা সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে কাজ করেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলোতে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি এই পুরস্কারের বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে। এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনোনয়ন পেয়েছিল। তাদের মধ্যে থেকে নাভি পিল্লাইকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

১৯৬৩ সালে নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার নাটাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ১৯৬৫ সালে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ল স্কুলে পড়াশোনা করেন। সেখানে ১৯৮২ সালে আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ১৯৮৮ সালে আইন বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান, যিনি হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।

নোবেল কমিটির ভাষ্যমতে, অসাধারণ সাহস ও সততার সঙ্গে নাভি পিল্লাই আন্তর্জাতিক আইনব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তার অবদান রয়েছে।

ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে জন্মগ্রহণ করেন, যেখানে তিনি বর্ণবাদী শাসনামলে বড় হয়েছেন। জীবনের শুরু থেকেই তিনি বর্ণবৈষম্য, বিচ্ছিন্নতা ও সামাজিক বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। আইনজীবী হিসেবে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্যান্যদের পক্ষে আইনি লড়াই করেন।

পরবর্তী সময়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার উচ্চ আদালত, রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে কাজ করেন। সম্প্রতি তিনি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগসংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় নাভি পিল্লাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো যৌন সহিংসতাকে গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা। রুয়ান্ডার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতা মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে তার প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য। একই মামলায় প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে গণহত্যায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে একজন আসামির বিচার হয়, যেখানে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

নোবেল কমিটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যুদ্ধ ও সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব, যা নাভি পিল্লাইয়ের কর্মজীবনে প্রমাণিত হয়েছে। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রনেতাদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং সহিংসতা ও সংঘাতের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচারের আশা জোগাতে তিনি কাজ করেছেন। তার স্বাধীনতা, দক্ষতা ও দৃঢ় অবস্থান তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের একজন সম্মানিত আইনজ্ঞ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

নোবেল কমিটির মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার ফলে আন্তর্জাতিক আইনের পরিধি বিস্তৃত হয়েছে। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কেবল শক্তিশালী রাষ্ট্রের ইচ্ছা বা সামরিক শক্তির ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়, বরং আইনি নীতির ভিত্তিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। কূটনীতি, চুক্তি ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির গুরুত্বও বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক আইনব্যবস্থা বর্তমানে নানা চাপে রয়েছে। শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর অনেক সময় দায় এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা এবং আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার ওপর আক্রমণ আইন শাসনকে দুর্বল করছে বলে মনে করে নোবেল কমিটি। তাদের মতে, আইনের বদলে শক্তির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে স্থিতিশীলতা, পারস্পরিক আস্থা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এমন পরিস্থিতিতে নাভি পিল্লাইকে পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনের শাসনের গুরুত্ব তুলে ধরতে চেয়েছে নোবেল কমিটি। তাদের বক্তব্য, শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যায়বিচার অপরিহার্য। আইনের শাসন ছাড়া বিশ্বব্যবস্থা অন্যায্য, অদূরদর্শী ও অমানবিক হয়ে ওঠে।

নোবেল কমিটি আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক আইনকে শক্তিশালী করা এবং বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা রক্ষা করতে সাহসী ও দৃঢ়চেতা মানুষের প্রয়োজন। নাভি পিল্লাইয়ের দীর্ঘ কর্মজীবন ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আশার আলো দেখায়। আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে তিনি দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন।

সূত্র: নোবেল প্রাইজ অর্গানাইজেশন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যাকাণ্ডে প্রধান আসামী গ্রেপ্তার

কুমিল্লার লালমাইয়ে ফসলি জমি থেকে উদ্ধার হওয়া জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মরদেহের ঘটনায় প্রধান আসামি সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ তদন্ত করছে, অন্য কেউ জড়িত কিনা।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরী থেকে সুমনকে আটক করা হয়।

এসপি আনিসুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার হওয়া সুমন স্কুলছাত্রীকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালিয়ে তাকে চট্টগ্রাম নগরী থেকে আটক করে। সুমনকে নিয়ে পুলিশ কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে। কুমিল্লায় পৌঁছানোর পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে। তবে সংবাদ সম্মেলনের সময় সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলেননি তিনি।

এদিকে, তাজমিনের মৃত্যুর আগের রাতের একটি সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে। ফুটেজে দেখা যায়, বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজারের নূরজাহান হোটেলের সামনে আইকনিক পরিবহনের একটি বাস থেকে তাজমিন নামে। এরপর সে হোটেলের পশ্চিম পাশে কয়েকটি স্টেশনারি দোকানের দিকে যায় এবং একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দোকানির সঙ্গে কথা বলে। এ সময় দোকানিকে তাকে কিছু দেখাতে বা কোনো দিক নির্দেশ করতে দেখা যায়।

ফুটেজে আরও দেখা যায়, দোকানের সামনে কিছু দেখানোর পর তাজমিন সেখান থেকে সরেন এবং রাত সোয়া ১২টার দিকে নূরজাহান হোটেল এলাকা ছেড়ে যেতে দেখা যায়। তবে এলাকা ছাড়ার পর তাজমিন কোন পথে গিয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তার চলাচলের পথ এবং সম্ভাব্য যাতায়াতের মাধ্যম নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ জানায়, চারদিন আগে বাড়ি থেকে বেরিয়ে তাজমিন প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যায়। পরদিন কুমিল্লায় ফিরে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় তাজমিন। রাতে পদুয়ার বাজারে পৌঁছে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামে। সিসিটিভি ফুটেজে ওই এলাকায় তার অবস্থান ও দোকানির সঙ্গে কথা বলার দৃশ্য দেখা যায়, কিন্তু সেখান থেকে চলে যাওয়ার পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর উত্তরপাড়ার মানুমুড়া জঙ্গলসংলগ্ন ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।

নিহত তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা এলাকার আবদুল আলীমের মেয়ে। সে পরিবারের সঙ্গে কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত।

বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ি নিয়ে যায়। এর আগে রাতে লালমাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বাবা আবদুল আলীম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশেদ খাঁন: শেখ হাসিনার মরদেহ দাফনের সাহস নেই আওয়ামী লীগের কারও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


রাশেদ খাঁন: শেখ হাসিনার মরদেহ দাফনের সাহস নেই আওয়ামী লীগের কারও

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) মো. রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, শেখ হাসিনার মরদেহ বাংলাদেশে এলে তা দাফন করার মতো সাহসও আওয়ামী লীগের কারও নেই। তিনি এই কথা বলেন শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে মাগুরা পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের বারুনাতৈল কবরস্থানে জুলাই আন্দোলনে নিহত মেহেদী হাসান রাব্বির কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে।

রাশেদ খাঁন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার খবর প্রচার করা হচ্ছে। তবে, তিনি উল্লেখ করেন যে, "এমন অসংখ্য ডিসেম্বর আসবে-যাবে, শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরবেন না।" তিনি আওয়ামী লীগের নৈতিক পরাজয়ের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "যে আওয়ামী লীগ ভারতে পালিয়ে গেছে, সেই আওয়ামী লীগ আবার ফাঁসির দঁড়িতে ঝোলার জন্য বাংলাদেশে ফিরে আসবে, তা পাগল ছাড়া কেউ বিশ্বাস করবে না।"

এছাড়া, তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ভারতের এক্সটেনশন ছিল এবং দলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ লোক ভারতে পালিয়ে গেছে। দেশে তাদের কিছু দোসর রয়েছে, যাদের হম্বিতম্বি দেখা যাচ্ছে। রাশেদ খাঁন জানান, এসব দোসরকে মোকাবিলা করার জন্য ছাত্রদলই যথেষ্ট।

বর্তমান বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, "এ মুহূর্তে যারা বিরোধী দলে রয়েছেন, তাদের গণহত্যার বিচারের দাবিতে খুব বেশি সোচ্চার হতে দেখা যাচ্ছে না।" তিনি মনে করেন, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে তারা দল দুটিকে নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠবে।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "জামায়াতে ইসলামী বেইমানি করতে পারে, ছাত্রশিবিরও বেইমানি করতে পারে। কিন্তু এ দেশের জনগণ বেইমানি করবে না।"

এর আগে, রাশেদ খাঁন নিহত মেহেদী হাসান রাব্বির কবর জিয়ারত করেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে খোঁজখবর নেন। মেহেদী হাসান রাব্বি মাগুরা জেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জুলাই আন্দোলনের সময় মাগুরা শহর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন। তার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে রাশেদ খাঁন নিহত এ ছাত্রদল নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে সীমান্তে পিস্তল-গুলি ও মাদক উদ্ধার করেছে এসআরবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


কুড়িগ্রামে সীমান্তে পিস্তল-গুলি ও মাদক উদ্ধার করেছে এসআরবি

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৩ (এসআরবি-১৩) একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে ১০০টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং চার বোতল এস্কাফ সিরাপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটায় কাশীপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের অনন্তপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এই অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩-এর রংপুর সদর কোম্পানির একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময়, অনন্তপুর মাস্টারপাড়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের (৫০) বাড়ির পশ্চিম পাশে বাঁশঝাড়ের মধ্যে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল, গুলি এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

এসআরবি-১৩-এর মিডিয়া শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, উদ্ধারকৃত মালামাল পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র, সন্ত্রাস এবং মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%