ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী


আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালিত হচ্ছে। এই দিবসটি প্রতি বছর দেশের শিল্প, কৃষি ও সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পালন করা হয়।

জাতীয় উৎপাদনশীলতা সংস্থা, যা শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন, দিবসটি উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো— ‘উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়’।

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে উল্লেখ করেন, "সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় ও অপচয় কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, টেকসই উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বিত ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও উৎপাদনশীল, প্রতিযোগিতামূলক এবং টেকসই শিল্প অর্থনীতি গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে শিল্প ও সেবা খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারি নীতিগত সহায়তার পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের সংশ্লিষ্ট সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।" প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল অর্থনীতি, উচ্চপ্রযুক্তির কর্মসংস্থান এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের অঙ্গীকারের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা।

দিবসটি উপলক্ষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ (২ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর-১ চিড়িয়াখানা রোডের বিসিআইসি কলেজ প্রাঙ্গণে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। একই স্থানে জাতীয় উৎপাদনশীলতা উদ্ভাবন মেলার উদ্বোধনও করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের, প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


হঠাৎ কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের, প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত

ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবার একটি গুরুতর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তার বক্তব্যে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মস্কোতে অনুষ্ঠিত ভালদাই ডিসকাশন ক্লাবের বার্ষিক সভায় পুতিন তার বক্তব্যে এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, সরাসরি হামলার ক্ষেত্রে রাশিয়া সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এ সময় তিনি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের পারমাণবিক সক্ষমতা সম্পর্কে অবগত থাকার কথাও তুলে ধরেন।

পুতিন বলেন, রাশিয়া বুঝতে পেরেছে যে, তাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে এমন এক শত্রুর (ন্যাটো) সঙ্গে, যারা আকারে তাদের চেয়ে দ্বিগুণ বড়। এই লড়াইয়ে আমাদের প্রতিযোগিতামূলক সুবিধাগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। তিনি আরও বলেন, "হ্যাঁ, অবশ্যই ফ্রান্স ও ব্রিটেন পারমাণবিক শক্তিধর দেশ—বিষয়টি আমরা খুব ভালোভাবেই বুঝি এবং এ সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি অবগত। তবে বর্তমানে রাশিয়ার কাছে যে ধরনের অস্ত্র রয়েছে, তা আর কারও নেই।"

তিনি এও উল্লেখ করেন, রাশিয়া ‘কাউকে হুমকি দিচ্ছে না’। পশ্চিমা নেতারা রাশিয়া ২০২৯ বা ২০৩০ সালে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তারই জবাব দিচ্ছে মস্কো।

পুতিনের এই মন্তব্য একটি কূটনৈতিক বার্তার প্রেক্ষিতে এসেছে, যা ন্যাটো এই সপ্তাহে রাশিয়ার কাছ থেকে পেয়েছে। ওই বার্তায় পশ্চিমা সামরিক জোটটিকে সতর্ক করা হয়েছে যে, ন্যাটো যদি কালিনিনগ্রাদকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করে, তবে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারেও প্রস্তুত থাকবে।

রাশিয়ার এই সতর্কবার্তায় কালিনিনগ্রাদের প্রতি ন্যাটোর ক্রমবর্ধমান হুমকির বিষয়ে মস্কোর গভীর উদ্বেগের বিষয়টি উঠে এসেছে। কালিনিনগ্রাদ হলো রাশিয়ার বাল্টিক অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন একটি ভূখণ্ড (এক্সক্লেভ), যা আয়তনে যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের চেয়ে কিছুটা বড়।

মস্কোর অভিযোগ, ন্যাটো কালিনিনগ্রাদকে অবরুদ্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছে সামরিক জোট ন্যাটো। তারা বলছে, তারা একটি প্রতিরক্ষামূলক জোট। একইসঙ্গে মস্কোকে ‘পারমাণবিক হুমকি’ দেওয়া বন্ধ করার আহ্বানও জানিয়েছে তারা।

এদিকে, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর সরকার মস্কোর বিরুদ্ধে মহাদেশজুড়ে অন্তর্ঘাত ও অগ্নিসংযোগের মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’ জোরদার করার অভিযোগ তুলেছে। বিশেষ করে পোল্যান্ড ও বাল্টিক অঞ্চলে এমন ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

গত সপ্তাহেই পোল্যান্ড জানিয়েছে, কালিনিনগ্রাদের কাছাকাছি তাদের ভূখণ্ডে একটি রুশ হেলিকপ্টার ঢুকে পড়েছিল। লিথুয়ানিয়া জানিয়েছে, রাশিয়ার কারণে তাদের জনগণ ‘নিয়মিত হুমকির মধ্যে’ রয়েছে।

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস গত বৃহস্পতিবার বলেন, তার দেশ আরও হাইব্রিড হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার মধ্যে ‘গুরুতর হামলাও’ থাকতে পারে। গত আগস্টে ইউক্রেনের পণ্যবাহী উড়োজাহাজের কাছাকাছি লাইপজিগ বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন পাওয়ার পর এ কথা বলেন তিনি।

রাশিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করেছিলেন পুতিন, তার জন্যও স্পষ্টভাবে পশ্চিমাদের দায়ী করেছেন তিনি। তার দাবি, রাশিয়াকে উসকানি দেয়া হয়েছিল এবং নিজেদের রক্ষায় মস্কোকে অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য করা হয়েছে।

এছাড়া, রাশিয়া এখন ইউক্রেনের অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোতে যে হামলা চালাচ্ছে, সেটিও ইউক্রেনের রুশ তেল শোধনাগার ও কৃষ্ণসাগরে রুশ জাহাজে হামলার সরাসরি জবাব বলে দাবি করেন পুতিন। তিনি বলেন, এখন চারদিক থেকে আমাদের বলা হচ্ছে, ‘চলুন থামি’। কিন্তু শুরুটা তো তাদেরই করেছে।

বৃহস্পতিবার ভালদাই বৈদেশিক নীতি ফোরামে দেওয়া দীর্ঘ বক্তব্যে রুশ প্রেসিডেন্ট সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন, আন্তর্জাতিক সংঘাতে উত্তেজনা বৃদ্ধির এই ধারা দ্রুতই বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে মোড় নিতে পারে।

তিনি বলেন, আমাদের বুঝতে হবে যে, এমন একটি মুহূর্ত খুব দ্রুত এবং অপ্রত্যাশিতভাবে সবার সামনে চলে আসতে পারে, যখন আর কিছুই পরিবর্তন করা সম্ভব হবে না। ক্রমাগত কঠোরতর পাল্টা পদক্ষেপের মাধ্যমে উত্তেজনা বাড়ানোর এই প্রক্রিয়াটি এমন এক চূড়ান্ত পরিণতির দিকে নিয়ে যায়, যেখান থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব নয়।

পুতিন আরও বলেন, এই উত্তেজনা বৃদ্ধির মূলে রয়েছে ঔদ্ধত্য ও অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস। এটি এমন এক পথ যা মানুষকে ধ্বংসের কিনারে নিয়ে যায়। বর্তমান সময়ে বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোর কাছে এমন সব অস্ত্র রয়েছে যা সমস্ত প্রাণ ধ্বংস করতে সক্ষম, অথবা অন্ততপক্ষে পৃথিবীকে এক বিপর্যয়কর অবস্থায় ঠেলে দিতে পারে। আমরা কি নিশ্চিত হতে পারি যে, এই অস্ত্রগুলো কখনোই ব্যবহৃত হবে না? অবশ্যই না।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, যুদ্ধের স্বয়ংক্রিয়ীকরণ ও ডিজিটালাইজেশনের ফলে যুদ্ধ এখন অনেকটা খেলায় পরিণত হচ্ছে। এর ফলে মানবতা অধঃপতনের দিকে যাচ্ছে এবং আবারও বর্বরতার দিকে ফিরে যাচ্ছে। আমাদের বিষয়টি মনে রাখতে হবে এবং এমন পরিস্থিতি এড়াতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসি হলেন এলদেনস ক্লাবের নতুন মালিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


মেসি হলেন এলদেনস ক্লাবের নতুন মালিক

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের দল এলদেনসের মালিকানা অর্জনে লিওনেল মেসি প্রাথমিক চুক্তি সম্পন্ন করেছেন, যা পূর্বেই জানা ছিল। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এলদেনস এক বিবৃতির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে, ইন্টার মায়ামির তারকা লিওনেল মেসি স্প্যানিশ দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অধিগ্রহণ করেছেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, "ক্লাব দেপোর্তিভো এলদেনসে আনুষ্ঠানিকভাবে লিও মেসির মাধ্যমে ক্লাবটি অধিগ্রহণের ঘোষণা দিচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্লাবটির ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ইতিহাসে একটি নতুন ও রোমাঞ্চকর অধ্যায়ের সূচনা হলো।"

তারা আরও জানায়, ক্রীড়া ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের সিডি এলদেনসের মালিক হিসেবে স্প্যানিশ পেশাদার ফুটবলে আগমন ক্লাবটির ক্রীড়াগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্পের সূচনা করেছে।

এলদেনসে বর্তমানে কলম্বিয়ান ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ গ্রুপো টিএইচ-এর মালিকানাধীন। তাদের কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও ক্লাব রয়েছে। তবে চুক্তিটি এখনও স্পেনের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এলদেনসে মেসির মালিকানাধীন দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে পরিচিত। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার সাবেক ফরোয়ার্ড কর্নেলারও মালিকানা তিনি কিনেছেন। এই বছরের শুরুতে বার্সেলোনা শহরের পঞ্চম বিভাগীয় দলটি কিনেছিলেন তিনি।

মেসি এই প্রথমবার কোনো পেশাদার ক্লাবে বিনিয়োগ করলেন। কর্নেয়া এখনও আধা পেশাদার। দুই দলের মধ্যে তিনটি বিভাগের তফাত থাকায় অদূর ভবিষ্যতে দুটি ক্লাবের মালিকানা নিয়ে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম।

এখন দেখার বিষয় হলো, মেসি কর্নেয়া সঙ্গে সম্পর্ক সীমিত করেন কি না। কারণ তিনি দুটি দলেরই সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারহোল্ডার, রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন সাধারণত একই শেয়ারহোল্ডারের দুটি দলকে একই বিভাগের খেলার অনুমতি দেয় না।

এলদেনসে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় তারা স্প্যানিশ ফুটবলের শীর্ষ দুটি বিভাগের বাইরে ছিল। ১৯৬৪ সালের পর প্রথমবার ২০২৩ সালে তারা দ্বিতীয় বিভাগে উন্নীত হয়। পরে ২০২৫ সালে অবনমিত হয়ে তৃতীয় বিভাগে খেলছে। ক্লাবটি এলদা শহরের ৫৭৭৬ আসনের নুয়েভো পেপিকো আমাত স্টেডিয়ামে হোম ম্যাচ খেলে।

আরটিভি নিউজ/এসআর

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণ কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণ কী?

প্রেমের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে। একসময় যে ব্যক্তির সঙ্গে প্রতিদিনের কথাবার্তা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা এবং গভীর আবেগ জড়িত ছিল, বিচ্ছেদের পর তিনি হয়ে যান প্রাক্তন। কিন্তু সম্পর্কের সমাপ্তির পরও অনেকের মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায় না। কখনো কখনো খোঁজ নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো অথবা সুযোগ পেলেই কথা বলা—এভাবেই বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় থাকে।

প্রেমের অভাব থাকা সত্ত্বেও বন্ধুত্ব কেন টিকে থাকে? মনস্তত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে এর একক কোনো কারণ নেই। পরিচিতির স্বস্তি, মানসিক নির্ভরতা, বাস্তব প্রয়োজন অথবা অপূর্ণ আবেগ—বিভিন্ন কারণে প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার পাশাপাশি অন্যান্য গবেষণার ভিত্তিতে দেখা গেছে, কেউ মানসিক স্বস্তির জন্য, কেউ প্রয়োজনের কারণে, আবার কেউ পুরোনো ভালোবাসার টানে সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

পরিচিত মানুষটির কাছেই স্বস্তি

দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ফলে দুজনের মধ্যে এক ধরনের মানসিক স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি হয়। কে কখন মন খারাপ করেন, কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করেন অথবা কখন কথা বললে ভালো লাগে—এসব সাবেক সঙ্গী অনেকটা জানেন।

তাহলে বিচ্ছেদের পরও তার সঙ্গে কথা বললে অনেকের কাছে অচেনা কারোর তুলনায় বেশি স্বস্তি অনুভূত হয়। প্রেমের সম্পর্ক শেষ হলেও পুরোনো অভ্যাস ও মানসিক নিরাপত্তার অনুভূতি একদিনে মুছে যায় না। যদি দুজন নতুন সীমারেখা মেনে চলতে পারেন, তবে এমন বন্ধুত্ব টিকে থাকা স্বাভাবিক।

যোগাযোগের পেছনে থাকতে পারে প্রয়োজন

প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পেছনে সবসময় পুরোনো আবেগ কাজ করে না। অনেক সময় পরিস্থিতির কারণে যোগাযোগ রাখা হয়। একই বন্ধু মহল, একই কর্মক্ষেত্র অথবা যৌথ দায়িত্ব থাকলে পুরোপুরি দূরে সরে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

সন্তানের দেখভাল, পোষা প্রাণীর দায়িত্ব, যৌথ আর্থিক বিষয় অথবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও দুজনকে যোগাযোগে রাখতে পারে। তাই এমন সম্পর্ককে সবসময় পুরোনো ভালোবাসার রেশ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। পরিস্থিতির প্রয়োজনেও যোগাযোগ বজায় থাকতে পারে।

ঝামেলা এড়াতেও যোগাযোগ রাখেন অনেকে

বিচ্ছেদ মানেই সবসময় ঝগড়া, রাগ বা শত্রুতা নয়। অনেকেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর নতুন কোনো বিরোধে জড়াতে চান না। বিশেষ করে যদি দুজনের বন্ধু, পরিচিতি বা সামাজিক পরিমণ্ডল একই হয়, তাহলে সৌজন্য বজায় রাখা সহজ মনে হতে পারে।

কেউ কেউ মনে করেন, হঠাৎ পুরোপুরি যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে অন্যজন আরও বেশি কষ্ট পেতে পারেন। তাই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ বজায় রাখেন। তবে এই যোগাযোগ সবসময় গভীর বন্ধুত্বে পরিণত হয় না। কখনো এটি শুধু স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার একটি উপায়।

মনের কোথাও কি রয়ে গেছে পুরোনো প্রেম?

কখনো বন্ধুত্বের আড়ালে অপূর্ণ আবেগ থাকতে পারে। একজন হয়তো সম্পর্কটিকে সত্যিই শেষ করে নতুনভাবে এগিয়ে যেতে চাইছেন, কিন্তু অন্যজন তখনও ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখছেন। তাই বন্ধুত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে যোগাযোগের দরজাটি পুরোপুরি বন্ধ করতে চান না।

আবার কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীর জীবনে নতুন মানুষ আসা সহজে মেনে নিতে পারেন না। তখন ‘বন্ধুত্ব’ পুরোনো সম্পর্কের সঙ্গে মানসিকভাবে যুক্ত থাকার একটি উপায় হয়ে উঠতে পারে।

সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন দুজনের প্রত্যাশা এক থাকে না। একজন যদি শুধু বন্ধুত্ব চান এবং অন্যজন যদি পুরোনো প্রেম ফিরে পাওয়ার আশা করেন, তাহলে বন্ধুত্বের আড়ালে নতুন করে কষ্ট তৈরি হতে পারে।

প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব কি খারাপ?

সবসময় নয়। কিছু বিচ্ছেদ তিক্ততা ছাড়াই ঘটে। সময়ের সঙ্গে অনেক সম্পর্কেই প্রেমের জায়গা বদলে গিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্ব তৈরি হতে পারে। তাই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেই যে কেউ পুরোনো সম্পর্কে আটকে আছেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

সাইকোলজি টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা গবেষণা অনুযায়ী, প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের অন্তত একজন সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে। প্রায় ২০ শতাংশ মানুষের একাধিক সাবেক সঙ্গীর সঙ্গেও বন্ধুত্ব আছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সীমারেখা ও প্রত্যাশার মিল। প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকবে কি না, তার চেয়েও জরুরি হলো—এই যোগাযোগ দুজনের জন্যই স্বস্তির, সম্মানজনক ও স্পষ্ট কি না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবি ভিসির নাম ব্যবহার করে অর্থ দাবি, আটক ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


জবি ভিসির নাম ব্যবহার করে অর্থ দাবি, আটক ১

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নাম, ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি প্রদান ও অর্থ দাবি করার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশের বিশেষ টিম।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখে জবি উপাচার্যের পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। এ সময় তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয় এবং অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর উপাচার্য কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে নামে। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে পুলিশের বিশেষ টিম। পরে গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এরপর তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলাম আরটিভিকে জানান, "প্রাথমিকভাবে আমরা একজনকে আটক করেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত, সে বিষয়ে জানা যাবে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত আটক ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।"

তিনি আরও বলেন, "জিজ্ঞাসাবাদ আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে শেষ হতে পারে। এরপর পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%