ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণ কী?


বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণ কী?

প্রেমের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে। একসময় যে ব্যক্তির সঙ্গে প্রতিদিনের কথাবার্তা, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা এবং গভীর আবেগ জড়িত ছিল, বিচ্ছেদের পর তিনি হয়ে যান প্রাক্তন। কিন্তু সম্পর্কের সমাপ্তির পরও অনেকের মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায় না। কখনো কখনো খোঁজ নেওয়া, প্রয়োজনের সময় পাশে দাঁড়ানো অথবা সুযোগ পেলেই কথা বলা—এভাবেই বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় থাকে।

প্রেমের অভাব থাকা সত্ত্বেও বন্ধুত্ব কেন টিকে থাকে? মনস্তত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে এর একক কোনো কারণ নেই। পরিচিতির স্বস্তি, মানসিক নির্ভরতা, বাস্তব প্রয়োজন অথবা অপূর্ণ আবেগ—বিভিন্ন কারণে প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। কানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার পাশাপাশি অন্যান্য গবেষণার ভিত্তিতে দেখা গেছে, কেউ মানসিক স্বস্তির জন্য, কেউ প্রয়োজনের কারণে, আবার কেউ পুরোনো ভালোবাসার টানে সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।

পরিচিত মানুষটির কাছেই স্বস্তি

আরও পড়ুন: পূজার ছুটিতে প্রকৃতির অপরূপ দ্বীপ চর হেয়ার ঘুরে আসুন

দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ফলে দুজনের মধ্যে এক ধরনের মানসিক স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি হয়। কে কখন মন খারাপ করেন, কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করেন অথবা কখন কথা বললে ভালো লাগে—এসব সাবেক সঙ্গী অনেকটা জানেন।

তাহলে বিচ্ছেদের পরও তার সঙ্গে কথা বললে অনেকের কাছে অচেনা কারোর তুলনায় বেশি স্বস্তি অনুভূত হয়। প্রেমের সম্পর্ক শেষ হলেও পুরোনো অভ্যাস ও মানসিক নিরাপত্তার অনুভূতি একদিনে মুছে যায় না। যদি দুজন নতুন সীমারেখা মেনে চলতে পারেন, তবে এমন বন্ধুত্ব টিকে থাকা স্বাভাবিক।

যোগাযোগের পেছনে থাকতে পারে প্রয়োজন

প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পেছনে সবসময় পুরোনো আবেগ কাজ করে না। অনেক সময় পরিস্থিতির কারণে যোগাযোগ রাখা হয়। একই বন্ধু মহল, একই কর্মক্ষেত্র অথবা যৌথ দায়িত্ব থাকলে পুরোপুরি দূরে সরে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সাধু-গুরু ও লালন অনুসারীদের মিলনমেলা শেষ হচ্ছে আজ

সন্তানের দেখভাল, পোষা প্রাণীর দায়িত্ব, যৌথ আর্থিক বিষয় অথবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও দুজনকে যোগাযোগে রাখতে পারে। তাই এমন সম্পর্ককে সবসময় পুরোনো ভালোবাসার রেশ হিসেবে দেখা ঠিক নয়। পরিস্থিতির প্রয়োজনেও যোগাযোগ বজায় থাকতে পারে।

ঝামেলা এড়াতেও যোগাযোগ রাখেন অনেকে

বিচ্ছেদ মানেই সবসময় ঝগড়া, রাগ বা শত্রুতা নয়। অনেকেই সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর নতুন কোনো বিরোধে জড়াতে চান না। বিশেষ করে যদি দুজনের বন্ধু, পরিচিতি বা সামাজিক পরিমণ্ডল একই হয়, তাহলে সৌজন্য বজায় রাখা সহজ মনে হতে পারে।

কেউ কেউ মনে করেন, হঠাৎ পুরোপুরি যোগাযোগ বন্ধ করে দিলে অন্যজন আরও বেশি কষ্ট পেতে পারেন। তাই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ বজায় রাখেন। তবে এই যোগাযোগ সবসময় গভীর বন্ধুত্বে পরিণত হয় না। কখনো এটি শুধু স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখার একটি উপায়।

আরও পড়ুন: স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, প্রেমিকা এআই জানালেন

মনের কোথাও কি রয়ে গেছে পুরোনো প্রেম?

কখনো বন্ধুত্বের আড়ালে অপূর্ণ আবেগ থাকতে পারে। একজন হয়তো সম্পর্কটিকে সত্যিই শেষ করে নতুনভাবে এগিয়ে যেতে চাইছেন, কিন্তু অন্যজন তখনও ফিরে আসার সম্ভাবনা দেখছেন। তাই বন্ধুত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে যোগাযোগের দরজাটি পুরোপুরি বন্ধ করতে চান না।

আবার কেউ কেউ সাবেক সঙ্গীর জীবনে নতুন মানুষ আসা সহজে মেনে নিতে পারেন না। তখন ‘বন্ধুত্ব’ পুরোনো সম্পর্কের সঙ্গে মানসিকভাবে যুক্ত থাকার একটি উপায় হয়ে উঠতে পারে।

সমস্যা তখনই তৈরি হয়, যখন দুজনের প্রত্যাশা এক থাকে না। একজন যদি শুধু বন্ধুত্ব চান এবং অন্যজন যদি পুরোনো প্রেম ফিরে পাওয়ার আশা করেন, তাহলে বন্ধুত্বের আড়ালে নতুন করে কষ্ট তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: আজ নতুন বন্ধু বানানোর দিন, পুরোনো বন্ধুত্বের গুরুত্বও তুলে ধরা হচ্ছে

প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব কি খারাপ?

সবসময় নয়। কিছু বিচ্ছেদ তিক্ততা ছাড়াই ঘটে। সময়ের সঙ্গে অনেক সম্পর্কেই প্রেমের জায়গা বদলে গিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্ব তৈরি হতে পারে। তাই সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেই যে কেউ পুরোনো সম্পর্কে আটকে আছেন, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

সাইকোলজি টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা গবেষণা অনুযায়ী, প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের অন্তত একজন সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব রয়েছে। প্রায় ২০ শতাংশ মানুষের একাধিক সাবেক সঙ্গীর সঙ্গেও বন্ধুত্ব আছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সীমারেখা ও প্রত্যাশার মিল। প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকবে কি না, তার চেয়েও জরুরি হলো—এই যোগাযোগ দুজনের জন্যই স্বস্তির, সম্মানজনক ও স্পষ্ট কি না।

আরও পড়ুন: পূজায় মিষ্টিমুখ, ঘরেই বানান সুস্বাদু নারকেলের নাড়ু

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবি ভিসির নাম ব্যবহার করে অর্থ দাবি, আটক ১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


জবি ভিসির নাম ব্যবহার করে অর্থ দাবি, আটক ১

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নাম, ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি প্রদান ও অর্থ দাবি করার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশের বিশেষ টিম।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখে জবি উপাচার্যের পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করা হয়। এ সময় তাদেরকে হুমকি দেওয়া হয় এবং অর্থ দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি জানার পর উপাচার্য কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে নামে। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে পুলিশের বিশেষ টিম। পরে গাজীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এরপর তাকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলাম আরটিভিকে জানান, "প্রাথমিকভাবে আমরা একজনকে আটক করেছি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে এ ঘটনায় আরও কারা জড়িত, সে বিষয়ে জানা যাবে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত আটক ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।"

তিনি আরও বলেন, "জিজ্ঞাসাবাদ আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে শেষ হতে পারে। এরপর পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। পরবর্তীতে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাটহাজারীতে কৃষক কার্ড বিতরণে উদ্বোধন করলেন চবি উপাচার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


হাটহাজারীতে কৃষক কার্ড বিতরণে উদ্বোধন করলেন চবি উপাচার্য

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে কৃষকদের হাতে কার্ড তুলে দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) হাটহাজারীর মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের স্লোগান ছিল ‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ—কৃষক কার্ড থাকলে হাতে, সেবা পাবেন সঙ্গে সঙ্গে’।

এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ফেনীর ফুলগাজীতে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড এবং ইমাম, পুরোহিত ও সেবায়েতদের সম্মানি ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ডিজিটাল মাধ্যমে যুক্ত হন।

হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, কৃষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান মন্তব্য করেন, কৃষকেরা দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। সরকারি সেবা ও সহায়তা তাদের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং তাদের বিভিন্ন সরকারি কৃষিসেবার আওতায় আনার কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে রাবির ৩ শিক্ষককে সরকারের গুণী শিক্ষক সম্মাননা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


বিশ্ব শিক্ষক দিবসে রাবির ৩ শিক্ষককে সরকারের গুণী শিক্ষক সম্মাননা

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সরকার এবার দেশের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে। পূর্বে ১২ জন শিক্ষককে এই সম্মাননা দেওয়া হলেও, এবার এর সংখ্যা বৃদ্ধি করে ১০০ জনে উন্নীত করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) তিনজন শিক্ষক এই সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

সম্মাননার জন্য নির্বাচিত তিন শিক্ষক হলেন—বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস ও পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার বসাক, ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. ইব্রাহীম হোসেন মণ্ডল এবং ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ছাদিক।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একই সঙ্গে তিনজন শিক্ষক এ ধরনের সম্মাননা পাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।

অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার বসাক দেশের পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একজন গবেষক ও শিক্ষক। শিক্ষকতা ও গবেষণায় অবদানের জন্য এর আগেও তিনি বিভিন্ন সম্মাননা পেয়েছেন।

জানা গেছে, জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতিবছর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে গুণী শিক্ষকদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে টারশিয়ারি পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের শিক্ষকদের এ সম্মাননার আওতায় আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, এবার গুণী শিক্ষক সম্মাননার পরিধি ও আওতা বাড়ানো হয়েছে। পূর্বে প্রতিবছর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ১২ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হতো। এবার পরিধি বাড়িয়ে ১০০ জন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে টারশিয়ারি পর্যায় পর্যন্ত সব স্তরের শিক্ষকদের এ সম্মাননার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষকরা আরও উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত হবেন।

রাবি থেকে এবার তিনজন শিক্ষক গুণী শিক্ষক সম্মাননা পেতে যাচ্ছেন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, আমরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই তিন শিক্ষককে নিয়ে গর্বিত। তারা শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ভালো গবেষক হিসেবে ইতোমধ্যে স্বীকৃতি পেয়েছেন। গবেষণা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে তাদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য গবেষকদেরও আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

গুণী শিক্ষক নির্বাচনের যোগ্যতার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, এখানে শুধু গবেষণার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়নি। একজন শিক্ষক সমাজে কী ধরনের অবদান রাখছেন, তার নেতৃত্বের গুণাবলি কেমন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার সুনাম কেমন এবং তার গবেষণার সাইটেশন কত—এসবসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি মানদণ্ড বিবেচনা করে গুণী শিক্ষক নির্বাচন করা হয়েছে। তাই যারা এই সম্মাননা পাচ্ছেন, তাঁরা নিজেদের যোগ্যতার ভিত্তিতেই নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রশাসন বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক গুণী শিক্ষক সম্মাননা পাওয়ার মতো যোগ্যতা ও সম্ভাবনা রাখেন, তাদের বিষয়ে যথাযথভাবে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক শিক্ষক এ ধরনের সম্মাননা পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন।

উল্লেখ্য, আগামী ৫ অক্টোবর ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১০০ জন গুণী শিক্ষকের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংস্কৃতিমন্ত্রী: ১৮ বছর ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষুকে ভয় করিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫৯ পি.এম


সংস্কৃতিমন্ত্রী: ১৮ বছর ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষুকে ভয় করিনি

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, বিগত ১৮ বছর ধরে আমরা ফ্যাসিবাদের রক্তচক্ষুকে ভয় পাইনি। ফ্যাসিবাদী শাসনের সময়কাল জুড়ে আমরা সারা বাংলাদেশে ঘুরে বেড়িয়েছি এবং মিছিল-মিটিং করেছি। হত্যা ও নির্যাতনের ভীতির মধ্যেও বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। তবে, আওয়ামী লীগের এমপি, মন্ত্রী ও আমলারা ভারতে পালিয়ে গেছেন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় মাগুরার ঐতিহাসিক নোমানী ময়দানে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং বেলুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসন-৫-এর সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমেদ, মাগুরা পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিলসহ জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন উল্লেখ করেন, আইজিপির নির্দেশনায় মাদক, অনলাইন জুয়া ও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক বিশৃঙ্খলা থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে এ কাবাডি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। খেলাধুলার নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে তরুণদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা সম্ভব।

এ সময় তিনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের শপথবাক্য পাঠ করান।

মাগুরা জেলা পুলিশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন এলাকার খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%